জাতীয়

আমার জয়ে জিতেছেন পাঁচ লাখ মানুষ

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ 0
আমার জয়ে জিতেছেন পাঁচ লাখ মানুষ
আমার জয়ে জিতেছেন পাঁচ লাখ মানুষ

রুমিন ফারহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রায় ৩৮ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে তিনি স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশ নেন।

 

পরে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিএনপি তাঁকে বহিষ্কার করে। নির্বাচনে তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপি-সমর্থিত জোটের প্রার্থী।

 

শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের শাহবাজপুর গ্রামে নিজ বাসভবনে তিনি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন। সেখানে সাম্প্রতিক নির্বাচন, দলীয় সিদ্ধান্ত এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিকল্পনা নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন আলোচিত এই নারী রাজনীতিক।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের বিমানবাহী রণতরী কিছুই না; মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা

মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে।   ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে।   ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য।   আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে।   প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা

Advertisement

জাতীয়

View more
তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানালেন বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান
তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানালেন বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় জয় পাওয়ার পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধানরা অভিনন্দন জানিয়েছেন।   বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত সর্বশেষ বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ২০৯টি আসনে জয় পায়। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, তাদের ঝুলিতে যায় ৬৮টি আসন। দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন নিশ্চিত করায় সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি।   নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর এশিয়ার বিভিন্ন দেশের নেতারা তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানান। শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টেলিফোনে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া বার্তায় তিনি বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশা পূরণে তার প্রচেষ্টার প্রতি শুভকামনা জানান এবং দুই দেশের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি তিনি শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।   পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি এবং প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ পৃথক বার্তায় তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান। তারা গণতান্ত্রিক অংশীদারত্ব এবং পারস্পরিক উন্নয়নের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে সফলভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় বাংলাদেশের জনগণকেও অভিনন্দন জানান।   মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এক বার্তায় বিএনপির বিজয়কে ‘গণতন্ত্রের জয়’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, নানা চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করে বাংলাদেশের জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে তাদের মতামত স্পষ্টভাবে প্রকাশ করেছে।   এদিকে ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাস এক বিবৃতিতে জাতীয় নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানায় এবং নির্বাচনে এগিয়ে থাকার জন্য বিএনপিকে শুভেচ্ছা জানায়।   মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জুও বিএনপির বড় জয়ে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান। তিনি বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।   সামগ্রিকভাবে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বিজয়কে কেন্দ্র করে আঞ্চলিক পর্যায়ে কূটনৈতিক শুভেচ্ছা বিনিময় শুরু হয়েছে এবং ভবিষ্যতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিভিন্ন দেশের নেতারা।   প্রতিবেদক: শ্যামল সান্যাল

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ 0
নতুন সরকারের শপথ পড়াবেন কে

নতুন সরকারের শপথ পড়াবেন কে

আমার জয়ে জিতেছেন পাঁচ লাখ মানুষ

আমার জয়ে জিতেছেন পাঁচ লাখ মানুষ

'হ্যাঁ' ভোট জয়ী

সংবিধানে যেসব বিষয় বদলে যাবে ও নতুন যুক্ত হবে

জাতীয় সংসদ
সংসদ ও স্পিকারহীন দেশ, কীভাবে হবে নতুন সরকারের শপথ?

নির্বাচন পরবর্তী সরকার গঠন নিয়ে জনমনে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—সংসদ নেই, স্পিকার নেই, তাহলে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন? নির্বাচন কমিশনের বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী বিএনপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করার পর এখন সবার চোখ ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়ার দিকে।   শপথের সময়সীমা ও গেজেট: সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্বাচনের ফলাফল 'সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপিত' হওয়ার পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে শপথ গ্রহণ বাধ্যতামূলক। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিবের তথ্যমতে, এই প্রক্রিয়া আগামী ১৮ই ফেব্রুয়ারির বেশি দেরি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। সবকিছু ঠিক থাকলে ১৫ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই শুরু হতে পারে নতুন সরকারের পথচলা।   স্পিকারের অনুপস্থিতিতে বিকল্প কী? সাধারণত স্পিকার শপথ পড়ান, কিন্তু বর্তমান বিশেষ পরিস্থিতিতে স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার কেউই নেই। এক্ষেত্রে সংবিধান দুটি পথ বাতলে দিয়েছে: ১. রাষ্ট্রপতির মনোনীত ব্যক্তি: রাষ্ট্রপতি চাইলে প্রধান বিচারপতি বা অন্য কোনো উপযুক্ত ব্যক্তিকে শপথ পড়ানোর দায়িত্ব দিতে পারেন। ২. প্রধান নির্বাচন কমিশনার (CEC): যদি রাষ্ট্রপতির মনোনীত ব্যক্তি নির্ধারিত তিন দিনের মধ্যে শপথ পাঠ করাতে ব্যর্থ হন, তবে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিজেই শপথ পরিচালনা করবেন।   আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের মতে, সরকার দ্রুততম সময়ে ক্ষমতা হস্তান্তরের পক্ষে। সেক্ষেত্রে তিন দিন অপেক্ষা না করে রাষ্ট্রপতির মনোনীত কোনো ব্যক্তির মাধ্যমেই শপথের কাজ সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।   ক্ষমতা হস্তান্তরের চূড়ান্ত ধাপ: শপথ গ্রহণ শেষ হওয়ার পর শুরু হবে আসল প্রক্রিয়া। রাষ্ট্রপতি সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতাকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানাবেন। সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যাকে সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন মনে হবে, রাষ্ট্রপতি তাকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবেন। প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেওয়ার মুহূর্ত থেকেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে দায়িত্ব ও ক্ষমতা লাভ করবেন, যার মাধ্যমে আগের সরকারের মেয়াদ আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত হবে।

ইশতিয়াক মাহমুদ ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ 0
নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী চীন

নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী চীন

বিএনপির ঐতিহাসিক সাফল্যে প্রধানমন্ত্রী মোদির শুভেচ্ছা বার্তা

বিএনপির ঐতিহাসিক সাফল্যে প্রধানমন্ত্রী মোদির শুভেচ্ছা বার্তা

আজ যেসব যানবাহন চলবে

আজ যেসব যানবাহন চলবে

‘আজকের এই বিজয় পুরো বাংলাদেশের’—মির্জা ফখরুল
‘আজকের এই বিজয় পুরো বাংলাদেশের’—মির্জা ফখরুল

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের পর প্রাপ্ত এই সাফল্য শুধু একটি দলের নয়, পুরো বাংলাদেশের মানুষের বিজয়। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টা ৫৬ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বার্তায় তিনি এ কথা জানান।   ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ সকাল সাড়ে সাতটায় শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে চারটায় শেষ হয়। ২৯৯টি আসনে একযোগে ভোট অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফলে দেখা যায়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও তাদের মিত্ররা ১৬০টির বেশি আসনে এগিয়ে আছে।   ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৩৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–সমর্থিত প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন, যিনি পান ১ লাখ ৪১ হাজার ১৭ ভোট।   নিজের বার্তায় মির্জা ফখরুল মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি ১৯৭১ সালের শহীদদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে স্মরণ করেন। পাশাপাশি তিনি প্রয়াত নেতা ইলিয়াস আলী, সুমনসহ আন্দোলনে অবদান রাখা অসংখ্য নেতা–কর্মীর কথা উল্লেখ করেন।   দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, দলীয় নেতা–কর্মী এবং ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের সাধারণ মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। পরিবারকেও পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ জানান।   অন্তর্বর্তী সরকার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন বিএনপির মহাসচিব। একই সঙ্গে তিনি দলের কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী বিজয় মিছিল থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান এবং বাদ জুমা নিজ নিজ এলাকায় দোয়া মাহফিল আয়োজনের অনুরোধ করেন।   সবশেষে তিনি বলেন, দায়িত্ব এখন আরও বেড়ে গেছে। যেন তিনি দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে জনগণের জন্য কাজ করতে পারেন—সেজন্য সবার কাছে দোয়া চান।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ 0
তারেক রহমানের জয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ যুক্তরাষ্ট্রের

তারেক রহমানের জয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ যুক্তরাষ্ট্রের

বিপুল ভোটে হেরে গেলেন তাহেরী

বিপুল ভোটে হেরে গেলেন তাহেরী

৩৫ বছর পর পুরুষ প্রধানমন্ত্রী পাচ্ছে বাংলাদেশ

৩৫ বছর পর পুরুষ প্রধানমন্ত্রী পাচ্ছে বাংলাদেশ

0 Comments