জাতীয়

মুন্সীগঞ্জ এর মোল্লাকান্দিতে পরিত্যক্ত দোকান থেকে বিপুল ককটেল উদ্ধার

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
মুন্সীগঞ্জ এর মোল্লাকান্দিতে পরিত্যক্ত দোকান থেকে বিপুল ককটেল উদ্ধার
মুন্সীগঞ্জ এর মোল্লাকান্দিতে পরিত্যক্ত দোকান থেকে বিপুল ককটেল উদ্ধার

মুন্সীগঞ্জ সদরের মোল্লাকান্দি ইউনিয়ন এর ঢালিকান্দি এলাকায় একটি পরিত্যক্ত মুদি দোকান থেকে বিপুল পরিমাণ তাজা ককটেল ও চোরাই ব্যাটারি উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী।

 

উদ্ধারকৃত সামগ্রীর মধ্যে তিনটি বালতিভর্তি ককটেল রয়েছে বলে জানা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, সেখানে মোট অর্ধশতাধিক ককটেল মজুত থাকতে পারে।

 

সেনাবাহিনীর সূত্র জানায়, চরাঞ্চলে আধিপত্য বিস্তারকে ঘিরে সম্ভাব্য নাশকতা ঠেকাতে কয়েকদিন ধরেই এলাকায় টহল জোরদার করা হয়। শনিবার রাত প্রায় ৯টার দিকে ঢালিকান্দি এলাকার মানিক শিকদারের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় পাশের একটি ফাঁকা দোকানে তিনটি লাল প্লাস্টিকের বালতি দেখে সন্দেহ হলে তল্লাশি চালানো হয়।

 

পরে সেখান থেকে ককটেলগুলো উদ্ধার করা হয়। একই স্থান থেকে মোবাইল টাওয়ারে ব্যবহৃত বেশ কয়েকটি চোরাই ব্যাটারিও জব্দ করা হয়।

 

১৯ বীর মাওয়া সেনানিবাস এর সিও লেফটেন্যান্ট কর্নেল আকিব জাভেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। উদ্ধারকৃত আলামত স্থানীয় থানায় হস্তান্তর করা হবে বলে জানা গেছে।

 

এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা জানান, পূর্বের বিরোধকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি কিছু ব্যক্তি এলাকায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছিল। শনিবার সন্ধ্যায় নোয়াদ্দা এলাকায় মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের পরাজিত এমপি প্রার্থী মো. মহিউদ্দিনের সমর্থকদের ওপর হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে ককটেল উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে আসে বলে জানান স্থানীয়রা।

 

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত টহল ও নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিরোধে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে আছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে, তবে এখনো কাউকে আটক করা হয়নি। গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।

 

জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা নুরমহল আশরাফী জানান, জেলার সার্বিক পরিস্থিতি শান্ত ও স্থিতিশীল রাখতে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। যেকোনো ধরনের সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে এবং এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের বিমানবাহী রণতরী কিছুই না; মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা

মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে।   ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে।   ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য।   আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে।   প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা

Advertisement

জাতীয়

View more
৩০ আসনে ভোট জালিয়াতির অভিযোগ পুনঃগণনার দাবিতে ইসিতে ১১ দলীয় ঐক্য
৩০ আসনে ভোট জালিয়াতির অভিযোগ পুনঃগণনার দাবিতে ইসিতে ১১ দলীয় ঐক্য

নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে বড় অভিযোগ নিয়ে নির্বাচন কমিশনে হাজির হয়েছেন ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা। ৩০টি আসনে ভোট জালিয়াতি, কারচুপি এবং ফলাফল শিটে ঘষামাজার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তুলে তারা এখন প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) দপ্তরে।   আজ রোববার বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পৌঁছান জোটের প্রতিনিধিদল। তাদের দাবি ফলাফল শিটে ওভাররাইটিং, পেন্সিলে লেখা রেজাল্ট শিট, এজেন্টদের বের করে দেওয়া এবং এনআইডি ছাড়াই ভুয়া এজেন্টের উপস্থিতিসহ নানা গুরুতর অনিয়ম হয়েছে।   বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানিয়েছেন, তাৎক্ষণিক রিটার্নিং কর্মকর্তাদের জানিয়েও ফল না পাওয়ায় তারা এখন আইনি পদক্ষেপ ও পুনঃগণনার দাবিতে অনড়। কিছু আসনে ফলাফল প্রকাশে অস্বাভাবিক দেরি, আবার কোথাও ‘রকেট গতিতে’ ফল ঘোষণা জোটের মনে পক্ষপাতিত্বের সন্দেহ তৈরি করেছে।   তালিকায় রয়েছে ঢাকা-৭, ৮, ১০, ১৩, ১৭ সহ গুরুত্বপূর্ণ ৩০টি আসন। নেতাদের দাবি, সঠিক পুনঃগণনা হলে অনেক পরাজিত প্রার্থীই বিজয়ী হিসেবে সামনে আসবেন।   নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জোটটি। প্রশাসনের নির্লিপ্ততা এবং জয়ী দলের নিয়ন্ত্রণমূলক ভূমিকার অভাব নিয়ে তারা প্রশ্ন তুলেছেন। এখন দেখার বিষয়, নির্বাচন কমিশন এই বিশাল অভিযোগের পাহাড় কীভাবে সামাল দেয়।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
মুন্সীগঞ্জ এর মোল্লাকান্দিতে পরিত্যক্ত দোকান থেকে বিপুল ককটেল উদ্ধার

মুন্সীগঞ্জ এর মোল্লাকান্দিতে পরিত্যক্ত দোকান থেকে বিপুল ককটেল উদ্ধার

সংসদ ভবন

বঙ্গভবনে নয়, সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভার শপথ

শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ

শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
ভোটের মাঠে নিরপেক্ষ দায়িত্ব পালনে প্রশংসিত সেনাবাহিনী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করার ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ে পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন মহলে ভূয়সী প্রশংসা কুড়াচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। গত দেড় বছর ধরে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা (ইন অ্যাইড টু সিভিল পাওয়ার) দেওয়ার পর, নির্বাচনের বড় চ্যালেঞ্জ জয় করে এবার ব্যারাকে ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছে সশস্ত্র বাহিনী।   ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লব পরবর্তী অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও স্থিতিশীলতা ফেরাতে সেনানিবাস থেকে মাঠে নামে সেনাবাহিনী। থানাগুলোর কার্যক্রম বন্ধ থাকা এবং পুলিশের অনুপস্থিতিতে সেই কঠিন সময়ে ঢাকাসহ সারা দেশে নিরাপত্তার মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছেন সেনাসদস্যরা। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকেই অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও শীর্ষ সন্ত্রাসীদের দমনে তারা ছিলেন আপসহীন। গত ৬ ফেব্রুয়ারি বাড্ডায় ২১টি অস্ত্রসহ দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার কিংবা যাত্রাবাড়ীতে বিদেশি পিস্তল ও মাদক উদ্ধারের মতো ঘটনাগুলো জনগণের মনে স্বস্তি ফিরিয়েছিল।   আইএসপিআর সূত্রে জানা গেছে, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রায় এক লাখ সেনাসদস্য মোতায়েন ছিল। এর পাশাপাশি নৌবাহিনীর ৫ হাজার এবং বিমানবাহিনীর ৩ হাজার ৭৩০ জন সদস্যও সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সারা দেশের ৬২টি জেলা ও ৪১১টি উপজেলায় ৫৪৪টি অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপনের মাধ্যমে নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি চালানো হয়েছে। দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নির্বাচনী সরঞ্জাম পৌঁছাতে ব্যবহৃত হয়েছে সামরিক হেলিকপ্টার।   সেনাবাহিনীর এই দীর্ঘ মিশনের পরিসংখ্যান রীতিমতো চমকপ্রদ। গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে তারা সারা দেশে অভিযান চালিয়ে ১০ হাজার ১৫২টি অবৈধ অস্ত্র এবং প্রায় ২ লাখ ৯১ হাজার রাউন্ড গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে। এছাড়া ২২ হাজার ২৮২ জন চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীকে আটক করে প্রশাসনের হাতে সোপর্দ করেছে। ভোটের দিন কেন্দ্র দখলরোধ, ব্যালট ছিনতাই ঠেকানো এবং সাধারণ ভোটারদের অভয় দেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের নিরপেক্ষ ভূমিকা সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে।   সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান নিজে বিভিন্ন জেলা পরিদর্শন করে এবং স্থানীয় প্রশাসনের সাথে মতবিনিময় করে নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার জন্য কঠোর নির্দেশনা দিয়েছিলেন। তাঁর সেই নির্দেশনার প্রতিফলন মাঠপর্যায়ে প্রতিফলিত হয়েছে, যার ফলে কোনো বড় ধরণের সংঘাত ছাড়াই সম্পন্ন হয়েছে এই ঐতিহাসিক নির্বাচন।   আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সামি-উদ-দৌলা চৌধুরী জানিয়েছেন, সেনাবাহিনী তাদের দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেছে। এখন সরকার যখনই চাইবে, তখনই তারা মাঠের দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়ে ব্যারাকে ফিরে যেতে প্রস্তুত। দীর্ঘ ১৮ মাসের এই গৌরবোজ্জ্বল মিশন নতুন বাংলাদেশে সেনাবাহিনীর প্রতি জনগণের আস্থাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
সংসদ ভবন এলাকা | ফাইল ছবি

বঙ্গভবন নয়, তাহলে মন্ত্রিসভার শপথ এবার কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?

তারেক রহমান, শফিকুর রহমান, নাহিদ ইসলাম

শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের বাসায় যাচ্ছেন তারেক রহমান

এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া

মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নিয়োগ বাতিল, নতুন সচিব সিরাজ উদ্দিন মিয়া

তারেক রহমান
তারেক রহমানের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের ভাগ্য?

১৭ বছরের নির্বাসন শেষে বীরের বেশে প্রত্যাবর্তন এবং মাত্র সাত সপ্তাহের মাথায় বাংলাদেশের মসনদে। ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী প্রথম নির্বাচনে ২০৯টি আসনে নিরঙ্কুশ জয় নিয়ে ক্ষমতায় ফিরছেন তারেক রহমান।   টাইম ম্যাগাজিনকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি শুনিয়েছেন এক নতুন বাংলাদেশের গল্প। প্রতিহিংসার রাজনীতি ভুলে জাতীয় ঐক্য, আইনের শাসন এবং অর্থনৈতিক মুক্তির মাধ্যমে একটি বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়াই এখন তার মূল লক্ষ্য।   গুরুত্বপূর্ণ হাইলাইটস যা আপনার জানা প্রয়োজন:   জাতীয় ঐক্যের ডাক: জুলাই বিপ্লবে ১৪০০ শহীদের রক্ত এবং গত ১৫ বছরের গুম-খুন আর বিভাজন ভুলে দেশের ক্ষত নিরাময়ে কাজ করবেন তিনি। পরিষ্কার বার্তা—"প্রতিহিংসা নয়, ঐক্যই হোক অগ্রগতির মূলমন্ত্র।"   অর্থনৈতিক বিপ্লব: সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবে আসছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’। নারী ও বেকারদের মাসিক নগদ সহায়তার পাশাপাশি তরুণদের ডিজিটাল অর্থনীতিতে যুক্ত করতে ব্যাংকিং খাতে আসবে বড় সংস্কার।   পররাষ্ট্রনীতিতে ভারসাম্য: ভারত ও আমেরিকার সাথে সম্পর্কের নতুন মেরুকরণ। দিল্লির সাথে শীতলতা কাটিয়ে তিস্তা চুক্তি ও দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ রক্ষা এবং ট্রাম্প প্রশাসনের সাথে আলোচনার মাধ্যমে রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণে বিশেষ উদ্যোগ।   গণতান্ত্রিক সংস্কার: দলীয়করণ হওয়া আদালত ও প্রশাসনের ওপর জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনাকেই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন নবনির্বাচিত এই নেতা।   জুলাই বিপ্লবের চেতনা: ছাত্র আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার দৃঢ় অঙ্গীকার।

ইশতিয়াক মাহমুদ ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ 0
জাতিসংঘের পতাকা

গণতন্ত্রের নতুন পথচলায় বাংলাদেশের পাশে জাতিসংঘ: বিশেষ অভিনন্দন বার্তা

মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশিদ।

মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। প্রধান উপদেষ্টা ড.

জামায়াত আমিরকে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ বার্তা

0 Comments