জাতীয়

মৃত্যুদণ্ড বাতিলের আবেদন জানালেন শেখ হাসিনার আইনজীবী দল

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ২, ২০২৬ 0
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে তার পক্ষে লন্ডনভিত্তিক ল’ ফার্ম কিংসলে ন্যাপলির পক্ষ থেকে ট্রাইব্যুনালে চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, শেখ হাসিনার বিচার প্রক্রিয়া ছিল অন্যায্য ও অবৈধ এবং মৃত্যুদণ্ডাদেশ বাতিল করা উচিত।

 

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, শেখ হাসিনাকে অনুপস্থিত অবস্থায় বিচার করে মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী এবং তার ন্যায্য বিচার ও মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত করেছে। আইনজীবীরা অভিযোগ করেছেন, বিচার একটি শত্রুভাবাপন্ন রাজনৈতিক পরিবেশে পরিচালিত হয়েছে, যেখানে আওয়ামী লীগ ও এর সমর্থকদের বিরুদ্ধে দমনমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ২০২৫ সালে দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধকরণ, চলমান রাজনৈতিক সহিংসতা এবং আইনজীবীদের ওপর হামলার ঘটনা চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, ট্রাইব্যুনালের বিচারকদের নিয়োগে স্বচ্ছতার অভাব ছিল এবং রাজনৈতিক সংযোগযুক্ত ব্যক্তিদের দিয়ে বেঞ্চ গঠন করা হয়েছে। বিচারিক স্বাধীনতার অভাব এবং প্রসিকিউটরের পক্ষপাতিত্বও উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া, প্রসিকিউশন টিমে দুর্নীতির অভিযোগও চিঠিতে তোলা হয়েছে।

 

আইনজীবীরা জানিয়েছেন, শেখ হাসিনাকে অভিযোগ, প্রমাণ বা আত্মপক্ষ সমর্থনের যথাযথ সুযোগ দেওয়া হয়নি, যা নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক চুক্তির লঙ্ঘন। হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, ফ্রিডম হাউস এবং ইন্টারন্যাশনাল বার অ্যাসোসিয়েশনসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

 

ল’ ফার্মের যুক্তি অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারও প্রশ্নবিদ্ধ। এটি মূলত ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালীন অপরাধ বিচারের জন্য গঠিত হলেও পরবর্তীতে ক্ষমতা সম্প্রসারণ করা হয়েছে, যা বেআইনি।

 

চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দেওয়া রায় বাতিল করতে হবে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যাবে না এবং আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী পুনর্বিচার করা উচিত। এছাড়া, আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

 

গত বছরের ১৭ নভেম্বর জুলাই আন্দোলন দমনে এক হাজার চারশো জনকে হত্যার অভিযোগে শেখ হাসিনাকে দোষী সাব্যস্ত করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে।

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

Advertisement

জাতীয়

View more
মুফতি আমির হামজা
মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে আদালতের সমন জারি

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের জেরে এবার আইনি গ্যাঁড়াকলে পড়েছেন কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা।  মন্ত্রীর বিরুদ্ধে মানহানিকর ও ধর্মীয় উস্কানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলা আমলী আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. সুমন ভুইয়া এই সমন জারি করেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, এদিন সকালে সিরাজগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, মুফতি আমির হামজা বিদ্যুৎমন্ত্রীকে ‘নাস্তিক ও ইসলামবিদ্বেষী’ আখ্যা দিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে বিবাদীর বিরুদ্ধে সমন জারির নির্দেশ দেন। সিরাজগঞ্জ জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট শাকিল মোহাম্মদ শরিফুল হায়দার (রফিক সরকার) বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মন্ত্রীকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের প্রতিবাদে এই মামলা করা হয়েছে। তিনি নিজে বাদীপক্ষের আইনজীবী হিসেবে কাজ করছেন। উল্লেখ্য, একই অভিযোগে গত ৩০ মার্চ জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এস.এম. নাজমুল ইসলাম ১০০ কোটি টাকার একটি মানহানি মামলা করেন। সেই মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। পর পর দুটি আইনি পদক্ষেপের ফলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ২, ২০২৬ 0
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

মৃত্যুদণ্ড বাতিলের আবেদন জানালেন শেখ হাসিনার আইনজীবী দল

ছবি: সংগৃহীত

সরকারি চাকরিতে ৪ লাখ ৬৮ হাজারের বেশি পদ শূন্য, শূন্য পদ পূরণে চলমান প্রক্রিয়া জানালেন প্রতিমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।

রাশিয়া থেকে তেল আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ ছাড় চাইল বাংলাদেশ

ছবি: সংগৃহীত
আড়াইহাজারে থানা থেকে আসামি পলায়নের ঘটনায় এসআই প্রত্যাহার

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে হত্যাচেষ্টা মামলার এক আসামি থানা থেকে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় উপ-পরিদর্শক (এসআই) জহিরুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) তাকে জেলা পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী। তিনি জানান, আসামি পলায়নের ঘটনায় জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং অপরাধ প্রমাণিত হলে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।   এর আগে গত ৩০ মার্চ উপজেলার দুবাই প্লাজার সামনে থেকে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি ইসমাইলকে গ্রেপ্তার করে থানায় আনা হয়। এসআই জহিরুল ইসলামের রুমে বসানো হলে সেখান থেকে কৌশলে পালিয়ে যায় ওই আসামি। বিষয়টি পরদিন সকালে জানাজানি হলে পুলিশি তৎপরতা শুরু হয়। তবে ৩১ মার্চ রাতে উপজেলার চর উচিৎপুরা বাজার এলাকা থেকে পলাতক ইসমাইলকে পুনরায় গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।   জেলা পুলিশ বর্তমানে পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে। থানার ভেতর থেকে একজন আসামির এভাবে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পুলিশের নিরাপত্তা ও দায়িত্ব পালন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। জহিরুল ইসলামকে ক্লোজড করার মাধ্যমে প্রাথমিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলো বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইংরেজি শিখতে উপ-সচিব থেকে সিনিয়র সচিবদের থাইল্যান্ড পাঠাবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়

ছবি: সংগৃহীত

সংবিধান সংস্কার নিয়ে বিরোধী দলের ওয়াকআউটে উত্তপ্ত সংসদ

জাতীয় সংশোধ অধিবেশনে কথা বলছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান । ছবি : সংগৃহীত

১৮ বছরে বিএনপি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে প্রায় দেড় লাখ মামলা হয়েছে

দক্ষিণ কোরিয়ায় কূটনৈতিক বৃন্দ
বাংলাদেশের সরকারের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী দক্ষিণ কোরিয়া

বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে এবং অর্থনৈতিক ও শিল্প সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে দক্ষিণ কোরিয়া।   বুধবার (১ এপ্রিল) দেশটিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই আগ্রহের কথা জানান দক্ষিণ কোরিয়ার গণকূটনীতি বিষয়ক উপমন্ত্রী লিম সাং উ। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে শিগগিরই একটি ‘অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি’ স্বাক্ষর হতে পারে, যা বাণিজ্যের পাশাপাশি সেবা, বিনিয়োগ ও শিল্প খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে উভয় দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আরও জোরদার হবে বলে সিউল মনে করে।   অনুষ্ঠানে উপস্থিত তৌফিক ইসলাম শাতিল, দক্ষিণ কোরিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। একই সঙ্গে গত পাঁচ দশকে অবকাঠামো, তৈরি পোশাক, ইলেকট্রনিকস ও অটোমোবাইল খাতে দুই দেশের সম্পর্কের অগ্রগতি তুলে ধরেন।   রাষ্ট্রদূত বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে পারস্পরিক সম্মান ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে এই সম্পর্ককে আরও উচ্চতায় নিতে বাংলাদেশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।   তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে দেশের নবনির্বাচিত সরকার সুশাসন, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে। আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সহযোগিতায় দেশকে উন্নয়নের পরবর্তী ধাপে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।   বাংলাদেশের উন্নয়নযাত্রায় দক্ষিণ কোরিয়াকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে দেখছে ঢাকা। আধুনিক প্রযুক্তি ও বিনিয়োগের মাধ্যমে দুই দেশের সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।   অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও কোরিয়ার শিল্পীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। গান, কবিতা আবৃত্তি ও নৃত্যের মাধ্যমে দুই দেশের সংস্কৃতির মেলবন্ধন ফুটে ওঠে। অতিথিদের জন্য পরিবেশন করা হয় উভয় দেশের ঐতিহ্যবাহী খাবার। এই আয়োজন কূটনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি দুই দেশের জনগণের মধ্যে বন্ধুত্ব আরও সুদৃঢ় করেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১, ২০২৬ 0
ইরানি রাষ্ট্রদূত জলিল রহীমি জাহানাবাদী

হরমুজ প্রণালীতে অবরুদ্ধ বাংলাদেশের ৬ জাহাজ মুক্ত

মিজানুর রহমান আজহারী

যে কারণে মিজানুর রহমান আজহারীর ভিসা বাতিল করেছে অস্ট্রেলিয়া

কুষ্টিয়ায় ঠান্ডাজনিত উপসর্গে ৯৭ শিশু হাসপাতালে

কুষ্টিয়ায় ঠান্ডাজনিত উপসর্গে ৯৭ শিশু হাসপাতালে, ১৯ শিশুর হামের সন্দেহ

0 Comments