জাতীয়

ইসির পোস্টাল ব্যালটে থাকছে না ঘোষণাপত্র ও অতিরিক্ত খাম

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ 0
নির্বাচন কমিশন (ইসি)
নির্বাচন কমিশন (ইসি)

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে পোস্টাল ব্যালট সংক্রান্ত বিধিমালায় বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই পরিবর্তনের মূল লক্ষ্য হলো—ভোটারের ভোটের গোপনীয়তা শতভাগ নিশ্চিত করা এবং ভোটদান প্রক্রিয়াকে আরও সহজতর করা।

 

ইসি সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বর্তমান বিধিমালায় ভোটারকে একটি ‘ঘোষণাপত্র’ বা ‘অঙ্গীকারনামা’ দিতে হতো, যা মূলত ভোটের গোপনীয়তা লঙ্ঘনের একটি বড় মাধ্যম হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। যেহেতু পোস্টাল ব্যালট নম্বর এবং ভোটারের এনআইডি নম্বর একই পত্রে থাকত, তাই ভোট গণনার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের পক্ষে সহজেই শনাক্ত করা সম্ভব ছিল যে কোন ব্যক্তি কোন প্রতীকে ভোট দিয়েছেন। এই ঝুঁকির কথা মাথায় রেখেই নতুন সংশোধনীতে ঘোষণাপত্র বা অঙ্গীকারনামার বিধানটি চিরতরে বাদ দেওয়ার চিন্তা করা হচ্ছে।

 

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমান আল মাসউদ এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, "নিবন্ধনের সময় ভোটার যেহেতু নিজের মুখচ্ছবি ব্যবহার করেন, তাই আলাদা ঘোষণাপত্রের প্রয়োজনীয়তা আমরা আর দেখছি না। এছাড়া আগে তিনটি খাম ব্যবহারের যে জটিলতা ছিল, সেটি কমিয়ে এখন মাত্র দুটি খাম করার পরিকল্পনা রয়েছে।"

 

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার ইসির এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, "মধ্যপ্রাচ্যসহ অনেক দেশেই পোস্টাল ব্যালট নিয়ে নানা বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এবং এতে ভোটারের গোপনীয়তা সরাসরি ক্ষুণ্ণ হয়েছে। ঘোষণাপত্রটি ছিল একটি অবান্তর বিষয়। এটি বাদ দেওয়া একটি ইতিবাচক ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ।"

 

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের মতে, সাধারণ ব্যালটে ভোটাররা গোপন কক্ষে গিয়ে সরাসরি ভোট দেন বলে সেখানে গোপনীয়তা রক্ষা সহজ। কিন্তু পোস্টাল ব্যালটে প্রযুক্তি ও দাপ্তরিক নথির কারণে যে ফাঁকফোকর ছিল, তা এই নতুন সংশোধনীর মাধ্যমে বন্ধ হবে। এর ফলে আগামী নির্বাচনে প্রবাসীরা এবং পেশাগত কারণে বাইরে থাকা ভোটাররা আরও নির্ভয়ে ও স্বাচ্ছন্দ্যে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Advertisement

জাতীয়

View more
বাংলাদেশ ব্যাংকের তিন কর্মকর্তাকে শোকজ

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরকে ‘স্বৈরাচার’ আখ্যা দিয়ে প্রকাশ্যে সংবাদ সম্মেলন করায় সংস্থাটির তিন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে শোকজ করা হয়েছে। গভর্নরের সরাসরি নির্দেশে মানবসম্পদ বিভাগ থেকে এই নোটিশ জারি করা হয়। আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে তাঁদের এই আচরণের সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে, অন্যথায় কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে।   শোকজ প্রাপ্ত কর্মকর্তারা হলেন— এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস বিভাগের পরিচালক ও নীল দলের সাধারণ সম্পাদক নওশাদ মোস্তফা, অফিসার্স ওয়েলফেয়ার কাউন্সিলের সভাপতি একেএম মাসুম বিল্লাহ এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা শ্রাবণ।   ঘটনার নেপথ্যে কী? গত ১৬ ফেব্রুয়ারি এক আকস্মিক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মকর্তারা গভর্নরের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ তোলেন। তাঁদের দাবি, গভর্নর নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অপেক্ষাকৃত সবল এক্সিম ও সোস্যাল ইসলামী ব্যাংককে দুর্বল ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত (মার্জ) করছেন। এছাড়া মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান বিকাশকে তড়িঘড়ি করে ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ তুলে তাঁরা ড. মনসুরকে ‘স্বৈরাচার’ হিসেবে অভিহিত করেন।   বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ: বাংলাদেশ ব্যাংকের স্টাফ রেগুলেশন অনুযায়ী, কোনো কর্মকর্তা গভর্নরের পূর্বানুমতি ছাড়া সংবাদ সম্মেলন, বিবৃতি বা কোনো পাবলিক ফোরামে বক্তব্য দিতে পারেন না। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কোনো সিদ্ধান্তে আপত্তি থাকলে তা অভ্যন্তরীণভাবে আলোচনার সুযোগ থাকলেও, এভাবে প্রকাশ্যে আসা ‘চরম শৃঙ্খলাভঙ্গ’ হিসেবে দেখছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রশাসন।   কর্মকর্তাদের পাল্টা যুক্তি: সংবাদ সম্মেলনে কাউন্সিলের সভাপতি মাসুম বিল্লাহ বলেছিলেন, “আমরা স্বায়ত্তশাসন চাই প্রতিষ্ঠানের জন্য, কোনো ব্যক্তির একনায়কতন্ত্রের জন্য নয়। গভর্নর যখন একতরফা সিদ্ধান্ত নেন, তখন আমাদের দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে কথা বলতেই হয়।”   বিগত সরকারের সময়ে ব্যাংক খাতে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাটের সময় কেন তাঁরা নীরব ছিলেন—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে কর্মকর্তারা দাবি করেন, ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে কথা বলার পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলেই তাঁরা এখন সরব হয়েছেন। তাঁরা আগের দায় বয়ে বেড়াতে চান না বলেও মন্তব্য করেন।   গভর্নর বনাম কর্মকর্তাদের এই সম্মুখ সমর দেশের আর্থিক খাতের শীর্ষ প্রতিষ্ঠানে চরম অস্বস্তি ও অস্থিরতা তৈরি করেছে। শোকজের জবাব পাওয়ার পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক পরবর্তী কী পদক্ষেপ নেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ 0
নির্বাচন কমিশন (ইসি)

ইসির পোস্টাল ব্যালটে থাকছে না ঘোষণাপত্র ও অতিরিক্ত খাম

ফাইল ছবি

মাঠ প্রশাসনে ১১২ নির্বাচন কর্মকর্তার বড় রদবদল

ফাইল ছবি

ফ্যামিলি কার্ড পাইলট চালু হচ্ছে ১৩ উপজেলায়

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
পুলিশের এসপি-ওসি পদায়ন হবে যোগ্যতার ভিত্তিতে

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, পুলিশের সুপারিনটেনডেন্ট (এসপি) ও ওসিদের নিয়োগ আর লটারির মাধ্যমে করা হবে না। বরং যোগ্যতা, দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই পদায়ন করা হবে।   সোমবার সকালে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধিদপ্তরগুলোর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় এসপি ও ওসিদের লটারির মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এ ধরনের নিয়োগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রত্যাশিত সেবা দিতে পারেননি। বড় জেলা ও ছোট জেলার কাজের ধরন ভিন্ন হওয়ায় অভিজ্ঞতা ও উপযুক্ততা বিবেচনা করা জরুরি, যা যথাযথভাবে অনুসরণ হয়নি।   মন্ত্রী আরও জানান, বৈঠকে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যে কর্মকর্তাদের দক্ষ ও উপযুক্ত মনে করা হবে, শুধুমাত্র তাদেরই নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী পদায়ন করা হবে।   এর আগে, গত নভেম্বরের শেষ দিকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পুলিশের এসপি-ওসিদের নিয়োগ লটারির মাধ্যমে শুরু করে। প্রথমে ২৪ নভেম্বর যমুনা বাসভবনে লটারির মাধ্যমে ৬৪ জেলার এসপি চূড়ান্ত করা হয়। এরপর ডিসেম্বরের শুরুতে লটারির মাধ্যমে ৫২৭ থানায় নতুন ওসি পদায়ন করা হয়।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি

যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশিদের জন্য নতুন ই-ভিসা নির্দেশনা

ধর্ম নিয়ে ব্যবসায় কঠোর হুঁশিয়ারি ধর্মমন্ত্রীর

ফাইল ছবি

তিন সচিবকে পদ থেকে প্রত্যাহার, জনপ্রশাসনে সংযুক্ত

কৃষকদের জন্য আসছে ‘কৃষক কার্ড’

দেশের প্রান্তিক ও সাধারণ কৃষকদের সুবিধা নিশ্চিত করতে ফ্যামিলি কার্ডের অনুকরণে ‘কৃষক কার্ড’ প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। খুব শিগগিরই এ পরিকল্পনার একটি পরীক্ষামূলক বা পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।   সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে এ বিষয়ে এক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠক শেষে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন সাংবাদিকদের এ উদ্যোগের বিস্তারিত জানান।   তিনি বলেন, কৃষক কার্ড বিতরণ ছিল বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি। নীতিগত সিদ্ধান্ত আগে থেকেই নেওয়া হলেও দ্রুত বাস্তবায়নের রূপরেখা চূড়ান্ত করতেই প্রধানমন্ত্রী প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক করেছেন।   পাইলট প্রকল্পের নির্দিষ্ট সময়সূচি সম্পর্কে জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী জানান, বড় পরিসরের এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের আগে কাঠামোগত ও কারিগরি প্রস্তুতির প্রয়োজন রয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী সব প্রস্তুতি শেষ করে যত দ্রুত সম্ভব কৃষকদের মাঝে এই কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু করা হবে।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬ 0
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আপসহীন, বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কেই অগ্রাধিকার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

চীনের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী বেইজিং সফরে যেতে পারেন

চীনের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী বেইজিং সফরে যেতে পারেন

১২ মার্চ সংসদ অধিবেশন ডেকেছেন রাষ্ট্রপতি

১২ মার্চ সংসদ অধিবেশন ডেকেছেন রাষ্ট্রপতি

0 Comments