জাতীয়

নির্বাচনী তহবিলের অব্যবহৃত অর্থ ফেরত দিচ্ছেন ডা. তাসনিম জারা

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬ 0
ডা. তাসনিম জারা
ডা. তাসনিম জারা

রাজনীতিতে স্বচ্ছতা ও নৈতিকতার এক বিরল নজির স্থাপন করলেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য সমর্থকদের কাছ থেকে নেওয়া অনুদানের অর্থের অবশিষ্টাংশ দাতাদের ফেরত দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। 


মঙ্গলবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এই অভাবনীয় সিদ্ধান্তের কথা জানান।


সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়াই করে ৪৪ হাজার ৬৮৪ ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থান অধিকার করেন ডা. জারা। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর তিনি জানান, যারা তাকে ভালোবেসে নির্বাচনী তহবিলে অর্থ সহায়তা দিয়েছিলেন, তারা চাইলে এখন তা ফেরত নিতে পারবেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে সাধারণত নির্বাচনের পর তহবিলের হিসাব বা অর্থ ফেরতের সংস্কৃতি দেখা যায় না, সেখানে ডা. জারার এই উদ্যোগ সর্বমহলে প্রশংসিত হচ্ছে।


অর্থ ফেরতের প্রক্রিয়া:
ডা. তাসনিম জারা জানিয়েছেন, ব্যাংক এবং বিকাশ—উভয় মাধ্যমেই যারা অনুদান দিয়েছিলেন, তাদের জন্য পৃথক দুটি গুগল ফর্ম উন্মুক্ত করা হয়েছে। এমনকি যারা সরাসরি ব্যাংকে টাকা জমা দিয়ে স্লিপ হারিয়ে ফেলেছেন, তারাও প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে অর্থ ফেরত পাবেন। আগ্রহী দাতাদের আগামী ১০ মার্চের মধ্যে আবেদনের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।


উল্লেখ্য, ঢাকা-৯ আসনে ১ লাখ ১১ হাজার ২১২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন ধানের শীষ প্রতীকের হাবিবুর রশিদ এবং ৫৩ হাজার ৪৬০ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন শাপলা কলি প্রতীকের জাভেদ মিয়া রাসিন। ভোটের লড়াইয়ে জয়ী হতে না পারলেও, তহবিল ব্যবস্থাপনায় ডা. জারার এই সততা ও দায়বদ্ধতা বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এক নতুন মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Advertisement

জাতীয়

View more
ডা. তাসনিম জারা
নির্বাচনী তহবিলের অব্যবহৃত অর্থ ফেরত দিচ্ছেন ডা. তাসনিম জারা

রাজনীতিতে স্বচ্ছতা ও নৈতিকতার এক বিরল নজির স্থাপন করলেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য সমর্থকদের কাছ থেকে নেওয়া অনুদানের অর্থের অবশিষ্টাংশ দাতাদের ফেরত দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।  মঙ্গলবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এই অভাবনীয় সিদ্ধান্তের কথা জানান। সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়াই করে ৪৪ হাজার ৬৮৪ ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থান অধিকার করেন ডা. জারা। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর তিনি জানান, যারা তাকে ভালোবেসে নির্বাচনী তহবিলে অর্থ সহায়তা দিয়েছিলেন, তারা চাইলে এখন তা ফেরত নিতে পারবেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে সাধারণত নির্বাচনের পর তহবিলের হিসাব বা অর্থ ফেরতের সংস্কৃতি দেখা যায় না, সেখানে ডা. জারার এই উদ্যোগ সর্বমহলে প্রশংসিত হচ্ছে। অর্থ ফেরতের প্রক্রিয়া: ডা. তাসনিম জারা জানিয়েছেন, ব্যাংক এবং বিকাশ—উভয় মাধ্যমেই যারা অনুদান দিয়েছিলেন, তাদের জন্য পৃথক দুটি গুগল ফর্ম উন্মুক্ত করা হয়েছে। এমনকি যারা সরাসরি ব্যাংকে টাকা জমা দিয়ে স্লিপ হারিয়ে ফেলেছেন, তারাও প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে অর্থ ফেরত পাবেন। আগ্রহী দাতাদের আগামী ১০ মার্চের মধ্যে আবেদনের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, ঢাকা-৯ আসনে ১ লাখ ১১ হাজার ২১২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন ধানের শীষ প্রতীকের হাবিবুর রশিদ এবং ৫৩ হাজার ৪৬০ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন শাপলা কলি প্রতীকের জাভেদ মিয়া রাসিন। ভোটের লড়াইয়ে জয়ী হতে না পারলেও, তহবিল ব্যবস্থাপনায় ডা. জারার এই সততা ও দায়বদ্ধতা বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এক নতুন মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬ 0
শেখ মো. সাজ্জাত আলী

দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেন ডিএমপি কমিশনার সাজ্জাত আলী

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার

জামায়াতের ইফতার মাহফিলে যোগ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সালাহউদ্দিন আহমদের ঘোষণা পিলখানায় নতুন তদন্তের প্রয়োজন নেই
সালাহউদ্দিন আহমদের ঘোষণা: পিলখানায় নতুন তদন্তের প্রয়োজন নেই

বনানী সামরিক কবরস্থানে ‘শহীদ সেনা দিবস’ উপলক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের নতুন করে কোনো তদন্ত কমিশন গঠন করা হবে না।   তিনি উল্লেখ করেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যথাযথ লোক দিয়ে জাতীয় তদন্ত কমিশন গঠন করেছিল।   মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত সেনা সদস্যদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় আজ অনুষ্ঠান পালিত হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই হত্যাকাণ্ড শুধু বাংলাদেশের নয়, বিশ্বের নৃশংসতম হত্যাকাণ্ডের একটি। তিনি জানান, কমিশনের রিপোর্টে থাকা সুপারিশগুলো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে, এবং বিচারাধীন মামলাগুলো সমাপ্ত করা হবে।   সালাহউদ্দিন আহমদ শহীদ পরিবারদের আশ্বাস দেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের যথাযথ বিচার হবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করা হবে। তিনি আরও বলেন, হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য ছিল সেনাবাহিনীকে দুর্বল করা, যা কেবল তাদেরই সম্ভব যারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করে না।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬ 0
পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭তম বার্ষিকীতে বনানীতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধাঞ্জলি

পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭তম বার্ষিকীতে বনানীতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধাঞ্জলি

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান

পিলখানা শহীদদের স্মরণে ড. শফিকুর রহমানের শ্রদ্ধা

ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে চারটি অভিযোগে মামলা করবে ঢাবি শিক্ষক

ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে চারটি অভিযোগে মামলা করবে ঢাবি শিক্ষক

পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর, এখনও শেষ হয়নি মামলা
পিলখানা ট্র্যাজেডির ১৭ বছর, এখনও শেষ হয়নি মামলা

আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি। ২০০৯ সালের এই দিনে রাজধানীর পিলখানায় সংঘটিত হয় দেশের ইতিহাসের অন্যতম নৃশংস সেনা হত্যাকাণ্ড।   ঘটনার ১৭ বছর পর এবার দিনটি সরকারিভাবে ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহ্যবাহী বাহিনী বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর)-এর নাম ও ইউনিফর্ম পুনর্বহালের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বাহিনীটি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) নামে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।   সেদিনের ঘটনা   ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিডিআর সদর দপ্তরে বার্ষিক দরবার চলাকালে বিদ্রোহের সূত্রপাত হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই তা রক্তক্ষয়ী হত্যাযজ্ঞে রূপ নেয়। তৎকালীন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা নিহত হন। নারী ও শিশুসহ মোট ৭৪ জন প্রাণ হারান। পরে অনেক মরদেহ মাটিচাপা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।   নাম ও ইউনিফর্ম পুনর্বহালের উদ্যোগ   স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সীমান্ত অনুবিভাগ সূত্র জানিয়েছে, বিজিবিকে পুনরায় বিডিআর নামে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে নীতিগত অনুমোদন হয়েছে। আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু না হলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে প্রস্তাব এলে তা কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।   নির্বাচনের আগে সাবেক সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাহিনীর পুরোনো নাম পুনর্বহাল এবং ২৫ ফেব্রুয়ারিকে জাতীয় শোক দিবস ঘোষণার অঙ্গীকার করেছিলেন। তারই অংশ হিসেবে দিনটি ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।   নতুন তদন্তের ঘোষণা   ঘটনার পেছনের ষড়যন্ত্র নিয়ে নতুন করে তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, আগের তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর সরকারের আস্থা নেই। তাই নতুন অনুসন্ধানের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।   এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত ‘জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন’ তাদের প্রতিবেদনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন, শেখ ফজলে নূর তাপস, মির্জা আজম ও জাহাঙ্গীর কবির নানক-এর নাম উল্লেখ করে অভিযোগ তোলে। পাশাপাশি একটি প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্টতার কথাও বলা হয়। তবে বর্তমান সরকার ওই প্রতিবেদন গ্রহণ করেনি।   এ প্রসঙ্গে সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান বলেন, এই নৃশংসতা সেনাবাহিনীর সদস্যরা করেননি; তৎকালীন বিডিআর সদস্যরাই এর সঙ্গে জড়িত ছিলেন। বিচারিক প্রক্রিয়া চলমান থাকায় তা ব্যাহত না করার আহ্বান জানান তিনি। ঘটনার সময় সেনাপ্রধান ছিলেন মইন ইউ আহমেদ, যিনি পরে এক সাক্ষাৎকারে তদন্তে সহযোগিতার ঘাটতির অভিযোগ করেছিলেন।   বিচার প্রক্রিয়ার বর্তমান অবস্থা   হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি পৃথক মামলা হয়। বিস্ফোরক মামলাটি এখনো বিচারাধীন। হত্যা মামলায় ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর বিচারিক আদালত ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন। পরবর্তীতে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি শেষে ২০১৭ সালের ২৬ ও ২৭ নভেম্বর হাইকোর্ট রায় ঘোষণা করেন।   হাইকোর্ট ১৩৯ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন, কয়েকজনের সাজা কমান এবং কিছু আসামিকে খালাস দেন। বিচার চলাকালে বিএনপি নেতা নাসিরউদ্দিন পিন্টু মারা যান। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যেও কিছুজনের সাজা বহাল ও কিছুজনের খালাসের সিদ্ধান্ত আসে।   বর্তমানে সাজাপ্রাপ্ত আসামি ও রাষ্ট্রপক্ষ উভয়েই সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করেছেন। ফলে মামলাটি এখন আপিল বিভাগের শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।   ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। পৃথক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা এবং তাদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬ 0
কারা পাচ্ছেন না ফ্যামিলি কার্ড জানুন ছয় শ্রেণির তালিকা

কারা পাচ্ছেন না ফ্যামিলি কার্ড? জানুন ছয় শ্রেণির তালিকা

ছবি: সংগৃহীত

ফ্যামিলি কার্ডধারী পরিবার পাবে ২৫০০ টাকা

ছবি: সংগৃহীত

একনেক গঠন: সভাপতি প্রধানমন্ত্রী, বিকল্প সভাপতি মির্জা ফখরুল

0 Comments