জাতীয়

শনিবার সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবে

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
শনিবার সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবে
শনিবার সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবে

জরুরি মেরামত কাজ ও গাছের অতিরিক্ত ডালপালা ছাঁটাইয়ের কারণে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সিলেটের কয়েকটি এলাকায় টানা প্রায় ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

 

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সিলেট বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড-এর বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১।

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত লাক্কাতুরা স্টেডিয়াম ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্রের আওতাধীন এলাকাগুলোতে সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

 

যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না সেগুলো হলো— ১১ কেভি ঘোপাশাল ফিডার, ১১ কেভি কাকুয়ারপাড় ফিডার, ১১ কেভি ওসমানী বিমানবন্দর এক্সপ্রেস ফিডারের আওতাধীন এলাকা, ওসমানী বিমানবন্দরের আবাসিক জোন, কাকুয়ারপাড়, সিলেট ক্লাব, ফরিদাবাদ হাউজিং, অ্যাডভেঞ্চার ওয়ার্ল্ড, আবদানী, বড়শালা বাজার মসজিদের সংলগ্ন কিছু অংশ, পর্যটন এলাকা, ফরিণাবাদ, সিলভার সিটি, কেওয়াছড়া, হিলুয়াছড়া চা-বাগান, ঘোপাশাল, মহালদিক, উমদারপাড়া, আলাইবহর, লিলাপাড়া, দাপনাটিলা, সাহেবের বাজার, কালাহল, লালবাগ, পীরেরগাঁও, ছালিয়া, রতিলিলা, সালুটিকর ঘাট ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চল।

 

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্ধারিত কাজ নির্দিষ্ট সময়ের আগেই শেষ হলে বিদ্যুৎ সরবরাহ দ্রুত পুনরায় চালু করা হবে। সাময়িক এ অসুবিধার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দুঃখ প্রকাশ করেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Advertisement

জাতীয়

View more
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ । ছবি: সংগৃহীত
লোডশেডিং কমলেও দেশের কাঁধে বকেয়া ঋণের বোঝা: বিদ্যুৎমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, “আমরা লোডশেডিং কমাতে পেরেছি, তবে জাতির ওপর বিদ্যুৎ খাতের ঋণের বোঝা এখনো ভারী।” বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে ‘ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশ’ (এফইআরবি)-এর কার্যনির্বাহী কমিটির দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।   মন্ত্রী জানান, বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের কাছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) বকেয়া বিল বর্তমানে প্রায় ১৩ থেকে ১৪ হাজার কোটি টাকা। তিনি বলেন, “ঋণে ডুবে থাকা থেকে লোডশেডিংয়ের কষ্ট সহ্য করা অনেক ভালো।” বিদ্যুৎ খাতের সিস্টেম লসের বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে মন্ত্রী জানান, ৬ শতাংশ থেকে বর্তমানে ১০ শতাংশ বেড়ে গেছে, যা বছরে প্রতি ১ শতাংশ অপচয়ে ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়।   মন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা বিদেশি উৎসের ওপর নির্ভরশীল থাকতে চাই না। নতুন রিগ ক্রয় ও দক্ষ জনবল তৈরি করতে হবে। এই পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের জন্য সময়ের প্রয়োজন।” তিনি সতর্ক করে উল্লেখ করেন যে, গরমের মাসগুলোতে গ্যাসের চাপ আরও কমতে পারে।   এছাড়া, তিনি জানান, সরকারের লক্ষ্য প্রিপেইড মিটার স্থাপনের মাধ্যমে গ্রাহক বিল ও বিদ্যুৎ সরবরাহের অসঙ্গতি দূর করা। বর্তমান সরকারের উদ্যোগে বিদ্যুৎ উৎপাদনে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ ৮২ শতাংশে পৌঁছেছে, যা ২০০৪ সালের নীতিমালার সর্বোচ্চ সীমার অনেক ওপরে। উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন এফইআরবি-এর বিদায়ী চেয়ারম্যান শামীম জাহাঙ্গীর, এবং নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান এম আজিজুর রহমানও বক্তব্য রাখেন।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

মিরপুরে নির্মাণাধীন ভবনে আগুন

সরিষা ক্ষেত থেকে কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ছবিঃ সংগৃহীত

ধর্ষণের বিচার চাওয়ায় কিশোরীকে তুলে নিয়ে হত্যা, নরসিংদীতে গ্রেপ্তার ৫

শনিবার সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবে

শনিবার সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবে

ছবি: সংগৃহীত
পচা ভাত খেয়েই সেহরি-ইফতার, তিন সন্তান নিয়ে দিশেহারা বিধবা আয়েশা

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলা-এর মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের চরলক্ষ্মী গ্রামের একটি জরাজীর্ণ ঝুপড়ি ঘরে তিন সন্তানকে নিয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন আয়েশা বেগম। প্রায় দুই বছর আগে দুর্ঘটনায় স্বামী আমির হোসেন লেদুকে হারানোর পর থেকেই চরম অনটনে পড়েন তিনি।   পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন আমির হোসেন। তার মৃত্যুর পর এতিম হয়ে পড়ে তিন সন্তান মো. সজিব, মো. সৌরভ ও মো. সবুজ। অভাব-অনটনের কারণে কখনো শুধু পানি খেয়ে, আবার কখনো পচা ভাত খেয়েই সেহরি ও ইফতার করতে হচ্ছে তাদের। বিদ্যুৎবিহীন ঘরে কুপি জ্বালিয়ে রাত কাটে, বৃষ্টিতে ভেজে ঘর, রোদে শুকায়।   খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আমির হোসেন পেশায় ছিলেন পিকআপচালক। অন্যের গাড়ি ভাড়া নিয়ে সবজি পরিবহন করে সংসার চালাতেন। ভয়াবহ বন্যায় এলাকার সবজিখেত তলিয়ে গেলে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। পরে জীবিকার তাগিদে গাছ টানার কাজ শুরু করেন। ২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর একটি গাছ উত্তোলনের সময় অসাবধানতাবশত বড় একটি গাছ তার ওপর ভেঙে পড়ে। মাথা থেঁতলে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।   স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে একদিকে শোক, অন্যদিকে উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েন আয়েশা বেগম। তিনি বলেন, “দুই বছর আগে স্বামী হারাইছি। তিন সন্তান নিয়ে ঝুপড়ি ঘরে থাকি। বৃষ্টিতে ভিজি, রোদে শুকাই। সন্তানরা ভালো খাবার চায়, কিন্তু আমার সেই সামর্থ্য নাই। অনেক সময় পচা ভাত দিয়েই সেহরি-ইফতার করি।”   নিহতের ভাই মজিবুল হক জানান, নিজেদের আর্থিক অবস্থাও দুর্বল হওয়ায় নিয়মিত সহায়তা করা সম্ভব হয় না। স্থানীয় সবজি ব্যবসায়ী মো. সিরাজ উদ্দিন বলেন, আমির হোসেনের মৃত্যুর সময় তার পকেটে এক টাকাও ছিল না; এলাকাবাসী চাঁদা তুলে দাফনের ব্যবস্থা করেন। এখন পরিবারটির মাথা গোঁজারও স্থায়ী ঠাঁই নেই।   এ বিষয়ে সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকিব ওসমান বলেন, বিষয়টি জানা গেছে। দ্রুত খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হবে এবং পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
আমির হামজা ও তার ফেসবুক পোস্ট

সমালোচনার জবাবে খারাপ ভাষা ব্যবহার না করার অনুরোধ আমির হামজার

৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে নির্বাচনের জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান–কে মনোনয়ন দিয়েছেন । ছবি: সংগৃহীত

চার দশক পর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে পুনঃপ্রার্থী বাংলাদেশ, ফিলিস্তিন সরে দাঁড়াল

ছবি: সংগৃহীত

জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন না হলে রেমিট্যান্স বন্ধের ঘোষণা প্রবাসীদের একাংশের

প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবন যমুনা
যমুনায় উঠছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মন্ত্রী–প্রতিমন্ত্রীরা কে কোথায় থাকবেন

রাজধানীর হেয়ার রোডে অবস্থিত রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনাই হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারি বাসভবন। নিরাপত্তা ও সচিবালয়ে যাতায়াতের সুবিধার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, বুধবার নবগঠিত মন্ত্রিসভার সদস্যদের নামেও সরকারি বাংলো বরাদ্দের কাজ শেষ করেছে আবাসন পরিদফতর। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে যমুনায় অবস্থান করছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি তিনি যমুনা ছেড়ে দেবেন। এরপর দ্রুত সংস্কারকাজ শেষ করে প্রধানমন্ত্রী সেখানে উঠবেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বর্তমানে গুলশানের বাসভবন থেকে সচিবালয় ও কার্যালয়ে অফিস করছেন। তবে আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর এবং রমজানের ইফতার অনুষ্ঠান যমুনাতেই করার ইচ্ছা পোষণ করেছেন তিনি। উল্লেখ্য, ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গণভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এবং পরবর্তীতে সেটিকে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ করার সিদ্ধান্তের ফলে সেটি এখন আর বসবাসের উপযোগী নয়। তাই সোয়া তিন একর আয়তনের যমুনাকেই বেছে নেওয়া হয়েছে। যমুনার পাশের ২৪ ও ২৫ নম্বর বাংলো দুটিও প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীরা কে কোথায় থাকছেন: সরকারি আবাসন পরিদফতরের তালিকা অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ কিছু বরাদ্দ নিচে দেওয়া হলো: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর (স্থানীয় সরকারমন্ত্রী): ৩৫ হেয়ার রোড। সালাহউদ্দিন আহমদ (স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী): ২৪ বেইলি রোড। হাফিজ উদ্দিন আহমদ (মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী): ৫ হেয়ার রোড। আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী (অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী): গুলশান। আ ন ম এহছানুল হক মিলন (শিক্ষামন্ত্রী): ৩৪ মিন্টো রোড। শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি (পানিসম্পদমন্ত্রী): ৬ হেয়ার রোড। খলিলুর রহমান (পররাষ্ট্রমন্ত্রী): ৩৩ মিন্টো রোড (পূর্বের বাসভবন বহাল)। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ঈদুল ফিতরের পরেই মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের অধিকাংশ তাদের জন্য বরাদ্দকৃত নতুন বাসভবনে উঠতে পারবেন।

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত

তৃণমূল স্বাস্থ্যসেবা জোরদারে বাজেটে অগ্রাধিকার, আধুনিক প্রশিক্ষণের আশ্বাস প্রতিমন্ত্রীর

ছবি: সংগৃহীত

মব কালচার’-এ জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে বাংলাদেশ ব্যাংক

ছবি: সংগৃহীত

দেশের মাথাপিছু আয় বেড়েছে

0 Comments