রাজনীতি

‘লাইলাতুল গুজব চলছে’—গুজবে কান না দিতে আহ্বান জামায়াত আমিরের

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান

চলমান পরিস্থিতিতে গুজবে কান না দিতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ আহ্বান জানান।

 

ফেসবুক পোস্টে ডা. শফিকুর রহমান লিখেছেন, “প্রিয় দেশবাসী, লাইলাতুল গুজব চলছে। সবাই সাবধান, এই সমস্ত গুজবকে পাত্তাই দেবেন না। ইনশা আল্লাহ সত্যের বিজয় অবশ্যম্ভাবী।”

 

তার এই পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে এবং বিভিন্ন মহলে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। চলমান রাজনৈতিক ও নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য এড়িয়ে সচেতন থাকার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের বিমানবাহী রণতরী কিছুই না; মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা

মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে।   ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে।   ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য।   আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে।   প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা

Advertisement

রাজনীতি

View more
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন শরীয়তপুর–২ আসনের জামায়াতের প্রার্থী মাহমুদ হোসেন
শরীয়তপুর–২: জামায়াত কার্যালয় থেকে ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা জব্দ, এক পোলিং কর্মকর্তা আটক

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় জামায়াতে ইসলামী প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয় থেকে ৭ লাখ ২০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে। অভিযানের সময় কার্যালয় থেকে পোলিং কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফাকে আটক করা হয়।   জামায়াত প্রার্থী মাহমুদ হোসেন বুধবার রাত ১১টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, জব্দ করা টাকাগুলো ছিল কর্মীদের সকালের নাশতা ও দুপুরের খাবারের জন্য রাখা। তিনি বলেন, “আমার বিরোধী পক্ষ মব সৃষ্টি করে আমাদের কর্মীদের হেনস্থা করেছে। তারপর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট টাকা, কিছু কাগজপত্র ও ল্যাপটপ জব্দ করেছেন।”   জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুজন মিয়া আটক পোলিং কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফাকে দুই বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেছেন।   স্থানীয় সূত্র জানায়, নড়িয়া পৌরসভার দক্ষিণ বৈশাখীপাড়া এলাকায় একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে এই নির্বাচনী কার্যালয় পরিচালিত হচ্ছিল। অভিযানের সময় সেখানে জামায়াতের কয়েকজন কর্মী উপস্থিত ছিলেন। গোলাম মোস্তফা পঞ্চপল্লী উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে পোলিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।   শরীয়তপুর–২ আসনের নির্বাচনে মোট আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন, তাঁদের মধ্যে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী মাহমুদ হোসেন ও বিএনপির সফিকুর রহমান।   মাহমুদ হোসেন প্রশাসন ও ইলেকশন কমিশনকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আমরা বিচারের প্রতি আস্থাশীল। তবে আমার বুঝে আসে না, এই বিস্তীর্ণ এলাকায় আমরা কর্মীদের কীভাবে খাবার খাওয়াব।”

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ভোটকেন্দ্রের সামনে বস্তাভর্তি টাকাসহ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আটক

বাংলাদেশ ৩৬ বছর পর আসছে পুরুষ প্রধানমন্ত্রী

ঐতিহাসিক নির্বাচনের পথে বাংলাদেশ: ৩৬ বছর পর আসছে পুরুষ প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান

‘লাইলাতুল গুজব চলছে’—গুজবে কান না দিতে আহ্বান জামায়াত আমিরের

পোলিং এজেন্টের ডকুমেন্টসে স্বাক্ষর করতে গেলে আটকে রেখে মারধর । ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া
ঢাকা-৬ আসনে ভোটকেন্দ্রে ঢুকে প্রিজাইডিং অফিসারের ওপর হামলার অভিযোগ বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে

রাজধানীর পুরান ঢাকা-৬ সংসদীয় আসনের ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের জুবলী স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভোটকেন্দ্রে পোলিং এজেন্টের ডকুমেন্টসে স্বাক্ষরকে কেন্দ্র করে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার শফিকুল হকসহ অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাতটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।   জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী ড. আব্দুল মান্নানের অভিযোগ, তার পোলিং এজেন্টরা ডকুমেন্টসে স্বাক্ষর করাতে গেলে বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের আটকে রেখে মারধর করেন। তিনি বলেন, “৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের জুবলী স্কুল কেন্দ্রে পোলিং এজেন্টদের কাগজপত্রে স্বাক্ষর দিতে গেলে বিএনপির নেতাকর্মীরা মব সৃষ্টি করে হামলা চালায়। এ সময় কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসারকেও মারধর করা হয়।”   তিনি আরও অভিযোগ করেন, এ হামলার নেতৃত্ব দেন ৪৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি মজিবুর রহমান অনু, মহানগর সদস্য ফরিদ উদ্দিন, থানা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাবেদ কামাল রুবেল, সাংগঠনিক সম্পাদক কামিল, যুবদলের সাবেক সদস্য শফিক এবং ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রানা। ঘটনার পর তিনি আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেন।   অন্যদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করে মজিবুর রহমান অনু বলেন, “জামায়াতের লোকজনকে একপাক্ষিকভাবে ভেতরে নিয়ে পোলিং এজেন্টের ডকুমেন্টস নেওয়া হচ্ছিল, যা আমাদের কাছে সন্দেহজনক মনে হয়। সেখানে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়েছে, তবে হামলার কোনো ঘটনা ঘটেনি। ” মারধরের শিকার প্রিজাইডিং অফিসার শফিকুল হক বলেন, “জামায়াতের পোলিং এজেন্ট কার্ডে স্বাক্ষর দিতে আসলে একটি পক্ষ অভিযোগ তুলে উত্তেজনা সৃষ্টি করে। পরে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয় এবং আমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়। আমাদের এক সহকর্মীর ওপর বোতলও নিক্ষেপ করা হয়।”   ঘটনার পরপরই পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বর্তমানে কেন্দ্রের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।   আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, পোলিং এজেন্টদের ডকুমেন্টস জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করেই এ উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0

১১ দলীয় জোটের সহযোগিতায় ৯৫ শতাংশ সন্তুষ্ট এনসিপি

ভোটাধিকার প্রয়োগে জনগণের প্রতি আসিফ মাহমুদের আহ্বান

গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বৈঠক

তারেক রহমানের সঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত ও পর্যবেক্ষক দলের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক

হাসনাত আবদুল্লাহ। ছবি: ফেসবুক লাইভ থেকে নেওয়া
কালো টাকার সরবরাহ প্রতিহত করা হবে: হাসনাত আবদুল্লাহ

এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক এবং কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, কালো টাকার সরবরাহ প্রতিহত করা হবে। তারা বাংলাদেশটাকে আবার বিক্রি করে দিতে চায়। তাদের ভুলের কারণে আমাদের তরুণ প্রজন্মকে বছরের পর বছর খেসারত দিতে হয়েছে। রাজপথে রক্ত দিতে হয়েছে। তারা টাকা নিয়ে বের হলে বেঁধে রাখতে হবে। তাদের কোনোভাবে স্পেস দেওয়া যাবে না। অর্থসহ যেখানে দেখা যাবে তাদের গাছের সঙ্গে বেঁধে প্রশাসনকে খবর দিতে হবে।   বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকালে কুমিল্লার দেবিদ্বার থেকে ফেসবুক লাইভে তিনি এসব কথা বলেন।   হাসনাত বলেন, যারা কালো টাকা নিয়ে ঢুকেছেন তাদের প্রত্যেকের চূড়ান্ত পরিণতি দেখে নেওয়া হবে। এটা আমার শেষ ওয়ার্নিং। প্রত্যেকটা মোড়ে মোড়ে প্রত্যেকটা কেন্দ্রে, প্রত্যেকটা গলিতে গলিতে, প্রত্যেকটা পাড়ায়-পাড়ায় আপনারা অবস্থান নেন। ভোটের ফলাফল না পাওয়া পর্যন্ত অবস্থান নেন।    তিনি বলেন, কালোটাকা দেখলে আপনারা এনসিপির কন্ট্রোল রুমে ইনফর্ম করবেন। আর আমি এখন থেকে মাঠে থাকছি। যেখান থেকে খবর আসবে আমি সেখানে যাব। আমি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সহায়তা চাই। কালোটাকা প্রতিরোধ করতে হবে। ভোট আমাদের পবিত্র আমানত। অর্থ দিয়ে ভোট বিক্রি করা যাবে না। কালো টাকার ছড়াছড়ি আমরা কোনোভাবেই হতে দেব না। আমরা নিজেরা মাঠে থেকে এটা প্রতিরোধ করব। এখন থেকে এই মুহূর্ত থেকে একদম ভোট না দেওয়া পর্যন্ত আমরা পাহারা দেব।    ফলাফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত মাঠে থাকবেন উল্লেখ করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, বিশেষ করে কয়েকটা এলাকায় এখন অর্থ ঢুকছে। জাফরগঞ্জ ও বরকামতায় অর্থ নিয়ে ঢুকেছে। এটা প্রতিরোধ করা হবে। সুলতানপুর এবং রাজামেহার এলাকায় অর্থের ছড়াছড়ি শুরু হয়েছে। ফাতেহাবাদ ইউনিয়নেও অর্থের ছড়াছড়ি শুরু হয়েছে। যেখানে অর্থসহ কাউকে দেখা হবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে তাদের প্রতিহত করা হবে।   তিনি বলেন, আপনারা যারা অর্থ নিয়ে মাঠে নেমেছেন তাদের কারোর অস্তিত্ব থাকবে না দেবিদ্বারে। আমি আবারও বলছি যেভাবে টাকা নিয়ে আসছেন ঠিক সেভাবেই আবার চলে যান। যদি কেউ একজন ধরা পড়েন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আপনাদের অস্তিত্ব রাখবে না। প্রশাসন পুলিশ যথেষ্ট পরিমাণে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এতদিন আমরা একটা উৎসবমুখর ভোটের জন্য অপেক্ষা করেছি। নির্বিঘ্নে মানুষ ভোট দেবেন।   হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, মানুষ ভোট যাকে খুশি তাকে দেবে। আপনি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিচ্ছেন আপনার বিরুদ্ধে ভোট দিলে বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেবেন। কাউকে থাকতে দেবেন না। সবাইকে ধ্বংস করে দেবেন। এ ধরনের পরিবেশ দেবিদ্বারে হতে দেওয়া হবে না।    তিনি বলেন, যারা অর্থ নিয়ে নেমেছেন প্রমাণসহ প্রত্যেকের নাম জাতির সামনে প্রকাশ করব। রাজনীতিতে বাংলাদেশের মানুষ চিরতরে আপনাদের প্রত্যাখ্যান করবে। দেবিদ্বারের মানুষ আপনারা সবাই সচেতন থাকেন। আপনাদের বাড়ির সামনে যারা টাকা নিয়ে আসবে তাদের বেঁধে রাখবেন। আপনারা সবাই বাড়ির সামনে অবস্থান নেন। একটা সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ভোট হতে যাচ্ছে। সেখানে যারা বাধা দিবে তাদের প্রতিহত করুন। প্রত্যেকটা কেন্দ্রে আপনারা পাহারা বসান।    স্থানীয় মসজিদে ইমাম-মোয়াজ্জিনদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে হাসনাত বলেন, যারা কালোটাকা দিতে আসে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানাবেন। তারা পাঁচ বছরের জন্য জনগণকে গোলাম বানাতে আসে। আপনার অধিকার হরণ করার জন্য আসে। বাংলাদেশটাকে পিছিয়ে দিতে আসে। ভোট যাকে ইচ্ছা তাকেই দেবে; কিন্তু টাকা দিয়ে পেশিশক্তি দেখিয়ে ভয়-ভীতি দেখিয়ে যারা ভোট কিনতে আসছে তাদের প্রতিহত করতেই হবে।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
নির্বাচনের আগে জামায়াত নেতা আটক ‘পরিকল্পিত চক্রান্ত’ অভিযোগ জামায়াত প্রার্থীর

নির্বাচনের আগে জামায়াত নেতা আটক ‘পরিকল্পিত চক্রান্ত’ অভিযোগ জামায়াত প্রার্থীর

হাতপাখা মার্কার প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল

জামায়াতের নির্বাচনি ইশতেহারে ইসলাম নেই: ফয়জুল করিম

ছবি: সংগৃহীত

জামায়াত নেতাকে আটকের পর টাকা নিয়ে ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য নয়: তারেক

0 Comments