রাজনীতি

নাহিদ ইসলামের হুঁশিয়ারি

গণভোট বাতিল হলে সরকারের বৈধতা থাকবে না": নাহিদ ইসলামের হুঁশিয়ারি

আরাফাত ইবনে আব্দুল্লাহ ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক পরিস্থিতিতে নতুন এক বিতর্কের সূত্রপাত ঘটিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম শীর্ষ নেতা ও সরকারের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব নাহিদ ইসলাম। সম্প্রতি গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়েরের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি মন্তব্য করেছেন যে, যদি কোনো কারণে এই গণভোট বাতিল হয়ে যায়, তবে বর্তমান সরকারের নৈতিক ও আইনি বৈধতাও সংকটের মুখে পড়বে।

 

নাহিদ ইসলাম মনে করেন, এই সরকার জনআকাঙ্ক্ষা এবং গণভোটের মাধ্যমে পাওয়া বিশাল জনম্যান্ডেটের ওপর ভিত্তি করেই রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। ফলে আদালতের রায়ে যদি সেই প্রক্রিয়ায় কোনো ব্যত্যয় ঘটে, তবে তা পুরো শাসনব্যবস্থার ভিত্তিকেই নাড়িয়ে দিতে পারে। তাঁর এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো যখন ১২ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটের স্বচ্ছতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নাহিদ ইসলামের এই কড়া বার্তা মূলত বিচার বিভাগ এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ উভয়ের জন্যই একটি বিশেষ সংকেত। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, গণভোটের ফলাফলই এই সরকারের টিকে থাকার প্রধান উৎস। যদি আইনি মারপ্যাঁচে সেই ফলাফল বাতিল হয়, তবে সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রে এক বিশাল সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরি হতে পারে, যা দেশকে আবারো অস্থিরতার দিকে ঠেলে দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Advertisement

রাজনীতি

View more
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম
গণভোট বাতিল হলে সরকারের বৈধতা থাকবে না": নাহিদ ইসলামের হুঁশিয়ারি

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক পরিস্থিতিতে নতুন এক বিতর্কের সূত্রপাত ঘটিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম শীর্ষ নেতা ও সরকারের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব নাহিদ ইসলাম। সম্প্রতি গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট দায়েরের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি মন্তব্য করেছেন যে, যদি কোনো কারণে এই গণভোট বাতিল হয়ে যায়, তবে বর্তমান সরকারের নৈতিক ও আইনি বৈধতাও সংকটের মুখে পড়বে।   নাহিদ ইসলাম মনে করেন, এই সরকার জনআকাঙ্ক্ষা এবং গণভোটের মাধ্যমে পাওয়া বিশাল জনম্যান্ডেটের ওপর ভিত্তি করেই রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। ফলে আদালতের রায়ে যদি সেই প্রক্রিয়ায় কোনো ব্যত্যয় ঘটে, তবে তা পুরো শাসনব্যবস্থার ভিত্তিকেই নাড়িয়ে দিতে পারে। তাঁর এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো যখন ১২ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটের স্বচ্ছতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।   রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নাহিদ ইসলামের এই কড়া বার্তা মূলত বিচার বিভাগ এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ উভয়ের জন্যই একটি বিশেষ সংকেত। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, গণভোটের ফলাফলই এই সরকারের টিকে থাকার প্রধান উৎস। যদি আইনি মারপ্যাঁচে সেই ফলাফল বাতিল হয়, তবে সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রে এক বিশাল সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরি হতে পারে, যা দেশকে আবারো অস্থিরতার দিকে ঠেলে দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আরাফাত ইবনে আব্দুল্লাহ ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
আওয়ামী লীগ

১৮ মাস পর আবারও আওয়ামী লীগের উত্থান

ছবি: সংগৃহীত

জিয়াউর রহমানের ফরেন পলিসিতে ফেরত যাচ্ছি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা ছাত্রদল সভাপতি-সম্পাদকের

ছবি: সংগৃহীত
রাজনৈতিক প্রভাব প্রতিপত্তি নয় আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, তাঁর সরকারের অধীনে কোনো দলীয় প্রভাব-প্রতিপত্তি বা জোর-জবরদস্তির স্থান হবে না; বরং আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার চূড়ান্ত ভিত্তি। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া তাঁর প্রথম আনুষ্ঠানিক ভাষণে তিনি এক বৈষম্যহীন ও নিরাপদ ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়ার সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।   প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যের শুরুতে মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেন এবং জুলাই বিপ্লবসহ স্বাধীনতা সংগ্রামে জীবন উৎসর্গকারী সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, “তাবেদারমুক্ত বাংলাদেশে জনগণের সরাসরি ভোটে একটি জবাবদিহিমূলক সরকার যাত্রা শুরু করেছে। দীর্ঘদিনের বঞ্চনা শেষে দেশে গণতন্ত্র ও মানুষের মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠার এই মাহেন্দ্রক্ষণে আমি দেশবাসীকে অভিনন্দন জানাই।”   জাতীয় ঐক্যের ডাক: দেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান—পাহাড় কিংবা সমতলে যেখানেই আমাদের অবস্থান হোক না কেন, এই দেশ আমাদের সবার। আমরা প্রতিটি নাগরিকের জন্য এই জমিনকে একটি নিরাপদ আশ্রয়ে পরিণত করতে চাই। একটি স্বনির্ভর, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাই হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”   আইনশৃঙ্খলা ও দুর্নীতি দমন: বিগত শাসনের ক্ষত তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, “ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি এবং দুর্বল শাসন কাঠামোর মধ্য দিয়ে আমাদের যাত্রা শুরু হয়েছে। তবে আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হলো কঠোরভাবে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের মাধ্যমে জনমনে শান্তি ফিরিয়ে আনা।” তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, দেশে জুয়া ও মাদকের বিস্তার আইনশৃঙ্খলা অবনতির অন্যতম কারণ। তাই এসব সামাজিক ব্যাধি নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।   প্রতিষ্ঠানগুলোর সংস্কার: প্রধানমন্ত্রী আরও ঘোষণা করেন যে, দেশের প্রতিটি সাংবিধানিক এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এখন থেকে কোনো ব্যক্তির ইশারায় নয়, বরং নির্দিষ্ট বিধিবদ্ধ নিয়মে পরিচালিত হবে। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অন্যায় সুবিধা নেওয়ার দিন শেষ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আইনের শাসন সবার জন্য সমান হবে এবং এটিই হবে আমাদের রাষ্ট্র পরিচালনার শেষ কথা।”   তারেক রহমানের এই ভাষণ সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক আশার সঞ্চার করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, প্রধানমন্ত্রীর এই ‘জিরো টলারেন্স’ বার্তা নতুন সরকারের প্রতি জনআস্থা এবং আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করবে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে: ধর্মমন্ত্রী

ডা. শফিকুর রহমান

জুলাইকে অস্বীকার করা মানে শহিদদের অপমান: বিপিএনকে শফিকুর রহমানের কড়া বার্তা

মন্ত্রিসভা বৈঠক

নতুন সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে আজ বিকেলে

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌ‌দি যুবরাজের অভিনন্দন

বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন সৌদি আরবের প্রধানমন্ত্রী ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থার এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।   প্রতিবেদনে জানানো হয়, বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরপরই তারেক রহমানকে বিশেষ অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন সৌদি যুবরাজ। তিনি তারেক রহমানের সুযোগ্য নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠনের বিষয়টিকে সাধুবাদ জানানোর পাশাপাশি বাংলাদেশের জনগণের অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেছেন।   উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানী ঢাকার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এক ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাঁর নেতৃত্বে বর্তমানে ৫০ সদস্যের একটি বিশালাকার মন্ত্রিসভা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে, যার মধ্যে ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।   রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনেই মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী দেশ সৌদি আরবের এই উষ্ণ অভিনন্দন বার্তা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে তারেক রহমান সরকারের জন্য এক বিশাল সাফল্য। এটি দুই দেশের মধ্যকার ভ্রাতৃত্বপূর্ণ ও অর্থনৈতিক সম্পর্ককে ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

রাস্তা পরিস্কারের মধ্য দিয়ে নির্বাচনি এলাকায় কাজ শুরু জামায়াত আমিরের

ছবি: সংগৃহীত

নিয়মের বাইরে খাজনা আদায় করলে চাঁদাবাজির মামলা

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান

১১ তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন জনাব তারেক রহমান

0 Comments