রাজনীতি

বিরোধী দলীয় নেতা

৫২ ও জুলাইয়ের চেতনায় বৈষম্যহীন দেশ গড়ে তোলার সময় এসেছে

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
ডা. শফিকুর রহমান
ডা. শফিকুর রহমান

মহান ভাষা আন্দোলনের অমর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন আমাদের শিখিয়েছে কীভাবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে বুক পেতে দিতে হয়। সেই একই প্রেরণা থেকে চব্বিশের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতা রাজপথে রক্ত দিয়ে দেশকে ফ্যাসিবাদের কবল থেকে মুক্ত করেছে। এখন সময় এসেছে সব ভেদাভেদ ভুলে ৫২ ও জুলাইয়ের রক্তস্নাত চেতনায় একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার।

 

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

 

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “১৯৫২ সালের সেই বীর সন্তানদের আত্মত্যাগ আজ বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। তাঁদের সেই ত্যাগের পথ ধরেই আমাদের তরুণ প্রজন্ম চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে বিজয় ছিনিয়ে এনেছে। আমাদের সন্তানদের দেখা সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে এখন এক টেবিলে আসতে হবে। আমরা এমন এক রাষ্ট্র চাই যেখানে রাজনৈতিক নিপীড়ন থাকবে না, থাকবে কেবল ন্যায়বিচার ও সুশাসন।”

 

সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি অত্যন্ত দায়িত্বশীল অবস্থান ব্যক্ত করে বলেন, “জনগণ আমাদের ওপর যে পবিত্র আমানত ও দায়িত্ব অর্পণ করেছে, তা পালনে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। একটি গঠনমূলক বিরোধী দল হিসেবে আমরা সংসদে ও রাজপথে সবসময় জনগণের অধিকারের কথা বলব। সরকারের প্রতিটি জনকল্যাণমূলক কাজকে আমরা স্বাগত জানাব, তবে জনগণের স্বার্থের পরিপন্থী কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে আমরা রাজপথে কঠিন প্রতিরোধ গড়ে তুলব।”

 

মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় তিনি বলেন, “বাংলা ভাষাকে কেবল ফেব্রুয়ারির আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না, একে জীবনের সর্বস্তরে পৌঁছে দিতে হবে। আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি ও ভাষাকে ধারণ করেই বিশ্বমঞ্চে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হবে।”

 

এ সময় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং ১১ দলীয় জোটের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তাঁরা ভাষা শহীদ ও জুলাই বিপ্লবের বীর শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Advertisement

রাজনীতি

View more
ছবি: সংগৃহীত
বিএনপি নেতাকর্মীদের বাধায় শ্রদ্ধা জানাতে পারলেন না ব্যারিস্টার রুমিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের তোপের মুখে পড়েছেন। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টার দিকে সরাইল উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এই নজিরবিহীন ঘটনা ঘটে। উত্তেজিত নেতাকর্মীরা রুমিন ফারহানার আনা পুষ্পস্তবকটি বেদীর সামনেই টেনে-হিঁচড়ে ছিঁড়ে ফেলেন।   প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে রাত পৌনে ১২টার দিকে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে শহীদ মিনারে পৌঁছান রুমিন ফারহানা। তিনি যখন পুষ্পস্তবক নিয়ে বেদীর সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন, তখন সরাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী সেখানে উপস্থিত হন। তাঁরা রুমিন ফারহানাকে লক্ষ্য করে 'ভুয়া ভুয়া' স্লোগান দিতে শুরু করলে উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা তাঁর হাতের পুষ্পস্তবকটি কেড়ে নিয়ে ছিঁড়ে ফেলেন। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলে রুমিন ফারহানা কর্মী-সমর্থকদের কড়া পাহারায় এলাকা ত্যাগ করেন।   এই ঘটনার প্রতিবাদে রুমিন ফারহানার সমর্থকরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁরা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শাহবাজপুর প্রথম গেট এলাকায় টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এ সময় মহাসড়কের দুই পাশে যানজটের সৃষ্টি হয় এবং বিক্ষোভকারীরা এই ন্যাক্কারজনক হামলার বিচার দাবি করেন।   ঘটনার বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমি নিয়ম মেনেই প্রথমে ফুল দিতে গিয়েছিলাম, কিন্তু বিএনপির কিছু নেতাকর্মী পূর্বপরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে। দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসেছে। এখন যদি তারা তৃণমূলের কর্মীদের নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে, তবে এর পরিণতি ভয়াবহ হবে। দলের পদ ব্যবহার করে যারা এমন হিংস্রতা করছে, তাদের বিরুদ্ধে হাই-কমান্ডের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত, অন্যথায় সরকারের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ণ হবে।”   ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাহ মোহাম্মদ আব্দুর রউফ জানিয়েছেন, শহীদ মিনারে দুই পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও বিশৃঙ্খলার খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলের ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দোষীদের শনাক্ত করার কাজ চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।   অমর একুশের পবিত্র রাতে এমন রাজনৈতিক সংঘাত ও ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধায় বিঘ্ন ঘটানোর ঘটনায় স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

মসজিদে ঢুকে নামাজরত ছাত্রশিবির নেতাকে পিটিয়ে জখম

ছবি: সংগৃহীত

প্রথমবারের মতো কোনো সরকারপ্রধান পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে দোয়া করলেন

ছবি: সংগৃহীত

ভাষা শহীদদের প্রতি বিএনপির শ্রদ্ধা নিবেদন

ডা. শফিকুর রহমান
৫২ ও জুলাইয়ের চেতনায় বৈষম্যহীন দেশ গড়ে তোলার সময় এসেছে

মহান ভাষা আন্দোলনের অমর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন আমাদের শিখিয়েছে কীভাবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে বুক পেতে দিতে হয়। সেই একই প্রেরণা থেকে চব্বিশের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতা রাজপথে রক্ত দিয়ে দেশকে ফ্যাসিবাদের কবল থেকে মুক্ত করেছে। এখন সময় এসেছে সব ভেদাভেদ ভুলে ৫২ ও জুলাইয়ের রক্তস্নাত চেতনায় একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার।   শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।   ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “১৯৫২ সালের সেই বীর সন্তানদের আত্মত্যাগ আজ বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। তাঁদের সেই ত্যাগের পথ ধরেই আমাদের তরুণ প্রজন্ম চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে বিজয় ছিনিয়ে এনেছে। আমাদের সন্তানদের দেখা সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে এখন এক টেবিলে আসতে হবে। আমরা এমন এক রাষ্ট্র চাই যেখানে রাজনৈতিক নিপীড়ন থাকবে না, থাকবে কেবল ন্যায়বিচার ও সুশাসন।”   সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি অত্যন্ত দায়িত্বশীল অবস্থান ব্যক্ত করে বলেন, “জনগণ আমাদের ওপর যে পবিত্র আমানত ও দায়িত্ব অর্পণ করেছে, তা পালনে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। একটি গঠনমূলক বিরোধী দল হিসেবে আমরা সংসদে ও রাজপথে সবসময় জনগণের অধিকারের কথা বলব। সরকারের প্রতিটি জনকল্যাণমূলক কাজকে আমরা স্বাগত জানাব, তবে জনগণের স্বার্থের পরিপন্থী কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে আমরা রাজপথে কঠিন প্রতিরোধ গড়ে তুলব।”   মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় তিনি বলেন, “বাংলা ভাষাকে কেবল ফেব্রুয়ারির আনুষ্ঠানিকতায় সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না, একে জীবনের সর্বস্তরে পৌঁছে দিতে হবে। আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি ও ভাষাকে ধারণ করেই বিশ্বমঞ্চে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হবে।”   এ সময় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং ১১ দলীয় জোটের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তাঁরা ভাষা শহীদ ও জুলাই বিপ্লবের বীর শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা

২০২৮ সাল পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীর নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা!

তারেক রহমান ও কন্যা জাইমা রহমান | ছবি: সংগৃহীত

জাইমা রহমানের আবেগঘন পোস্টে বাবার দেশপ্রেমের প্রশংসা

সংগৃহীত

নারীদের সংরক্ষিত ৩৫ আসনে বিএনপির ‘মনোনয়ন যুদ্ধ: আলোচনায় যেসব বিএনপি নেত্রী

জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
গণভোট বাতিল হলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ: নাহিদ ইসলাম

যদি গণভোট বাতিল হয়ে যায়, তাহলে এই নির্বাচনও প্রশ্নবিদ্ধ হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার বাংলামোটরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।   এসময় তিনি সরকারি দল বিএনপিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে জাতীয় সংসদ কার্যকর করার আহ্বান জানান। ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু হলেও ফলাফলে কারচুপির অভিযোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, তা সত্ত্বেও গণতন্ত্র ও দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থে তারা এই ফলাফল মেনে নিয়ে এগোতে চেয়েছেন।   নাহিদ ইসলাম বলেন, জাতীয় সংসদ ও সংবিধান সংস্কার পরিষদকে কার্যকর করতে এনসিপি শপথ গ্রহণ করেছে। তবে শপথের প্রথম দিনেই সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে সরকারি দল বিএনপি শপথ গ্রহণ না করে জনগণের সঙ্গে এবং সংস্কারের পক্ষের মানুষদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম

গণভোট বাতিল হলে সরকারের বৈধতা থাকবে না": নাহিদ ইসলামের হুঁশিয়ারি

আওয়ামী লীগ

১৮ মাস পর আবারও আওয়ামী লীগের উত্থান

ছবি: সংগৃহীত

জিয়াউর রহমানের ফরেন পলিসিতে ফেরত যাচ্ছি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

0 Comments