ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে বিশ্বজুড়ে উন্মাদনার শেষ নেই, তবে বাংলাদেশের সমর্থকদের মাঝে এই আসরকে ঘিরে অন্যরকম এক আবেগ কাজ করে। কিছুদিন আগেও যেখানে দেশের দর্শকদের মনে শঙ্কা জেগেছিল যে প্রিয় দলের খেলাগুলো হয়তো সরাসরি দেখার সুযোগ মিলবে না, সেই শঙ্কার মেঘ এখন পুরোপুরি কেটে গেছে। এবারের ফুটবল বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচ দেশের ক্রীড়াপ্রেমীরা ঘরে বসেই অত্যন্ত সহজে উপভোগ করতে পারবেন। বরাবরের মতো এবারও টেলিভিশনের পর্দার পাশাপাশি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোতে খেলা দেখার দারুণ সুযোগ থাকছে।
দেশের মূল ধারার টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর মধ্যে রাষ্ট্রীয় স্যাটেলাইট চ্যানেল বিটিভি (BTV)-এর পাশাপাশি বেসরকারি ক্রীড়াভিত্তিক চ্যানেল টি-স্পোর্টস এবং সময় টেলিভিশন প্রতিটি ম্যাচ সরাসরি সম্প্রচার করছে। ফলে টিভির সামনে বসে যারা খেলা দেখতে অভ্যস্ত, তারা খুব সহজেই চোখ রাখতে পারেন এই চ্যানেলগুলোতে। কেবল টেলিভিশন স্ক্রিনেই নয়, ব্যস্ততার কারণে যারা টিভির সামনে বসার সময় পাবেন না, তাদের জন্য রয়েছে অনলাইন ও মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে লাইভ স্ট্রিমিং দেখার চমৎকার ব্যবস্থা।
ডিজিটাল বা স্মার্ট ডিভাইসে খেলা দেখতে আগ্রহীদের জন্য মোবাইল অপারেটরদের নিজস্ব কিছু অ্যাপে সাবস্ক্রিপশন ফি দিয়ে ম্যাচগুলো সরাসরি উপভোগ করার সুযোগ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রবি ব্যবহারকারীরা 'মাই রবি' (My Robi) অ্যাপে, বাংলালিংক ব্যবহারকারীরা 'টফি' (Toffee) অ্যাপে এবং গ্রামীণফোন গ্রাহকেরা 'বায়োস্কোপ' (Bioscope) অ্যাপের মাধ্যমে যেকোনো স্থান থেকে খেলা দেখতে পারবেন। এছাড়া লিওনেল মেসি কিংবা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোদের মতো বিশ্বসেরা তারকাদের এই মহাদৈত্যাকার দ্বৈরথ উপভোগ করার জন্য 'স্পোর্টসজিফাই' (Sportszify) এবং 'স্পোর্টজেডএক্স' (Sportzfy) এর মতো থার্ড-পার্টি স্পোর্টস অ্যাপগুলোও দারুণ বিকল্প হিসেবে কাজ করছে। ফলে কর্মক্ষেত্রে কিংবা ভ্রমণের সময়ও এখন হাতের মুঠোয় মিলবে বিশ্বকাপের রোমাঞ্চ।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় দক্ষিণ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউএসএফ) নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক পরিণতির খবর পাওয়া গেছে। নিখোঁজ জামিল লিমনের (২৭) মরদেহ উদ্ধার করা হলেও, পুলিশ ধারণা করছে নাহিদা বৃষ্টিকেও (২৭) নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। অভিযুক্ত ঘাতক ও লিমনের রুমমেট হিশাম আবুগারবিয়ার ফ্ল্যাটে ‘প্রচুর রক্ত’ পাওয়ার পর পুলিশ জানিয়েছে, বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভবত আর কখনোই সম্ভব হবে না। নিহত বৃষ্টির বড় ভাই জাহিদ হাসান প্রান্ত মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘১০ টাম্পা বে নিউজ’-কে জানান, শুক্রবার গভীর রাতে যুক্তরাষ্ট্রের তদন্তকারীরা বাংলাদেশে তাদের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, লিমন ও হিশামের শেয়ার করা ফ্ল্যাটে যে পরিমাণ রক্ত পাওয়া গেছে, তা থেকে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে বৃষ্টি আর বেঁচে নেই। পুলিশের আশঙ্কা, হত্যার পর মরদেহটি সম্ভবত ছিন্নবিচ্ছিন্ন বা টুকরো টুকরো করে ফেলা হয়েছে, যার ফলে এটি খুঁজে পাওয়া অত্যন্ত কঠিন। গত শুক্রবার সকাল সোয়া ৬টার দিকে হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের পাশ থেকে লিমনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর কয়েক ঘণ্টা পরেই সকাল ৯টার দিকে ইউএসএফ ক্যাম্পাসের কাছে লেক ফরেস্ট এলাকায় অভিযুক্ত হিশাম আবুগারবিয়ার বাড়িতে অভিযান চালায় হিলসবোরো কাউন্টি শেরিফ কার্যালয়। পুলিশ হিশামের বাড়িতে পৌঁছালে তিনি নিজেকে ঘরের ভেতর তালাবদ্ধ করে রাখেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট ‘সোয়াট’ (SWAT) তলব করা হয়। প্রায় ২০ মিনিটের রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতির পর হিশাম আত্মসমর্পণ করেন। তার বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতা, তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করা এবং অবৈধভাবে মরদেহ সরানোর মতো ছয়টি গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, হিশাম ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক। তিনি লিমনের রুমমেট হিসেবে একই ফ্ল্যাটে থাকতেন। অন্যদিকে, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি গবেষণারত নাহিদা বৃষ্টি গত ১৬ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ ছিলেন। লিমনের সাথে তার আগে প্রেমের সম্পর্ক থাকলেও বর্তমানে ছিল না বলে জানিয়েছেন বৃষ্টির পরিবার। তদন্তকারীরা লিমনের মৃত্যু নিশ্চিত করলেও বৃষ্টির নিখোঁজ রহস্য ও তাকে হত্যার নৃশংসতা এখন পুরো ফ্লোরিডা ও বাংলাদেশি কমিউনিটিতে শোকের ছায়া ফেলেছে।
স্টেডিয়ামের ঠিক মাঝখানে জ্বলজ্বল করছে বিশাল এক সোনালি ট্রফি, আর তাকে ঘিরে সোনালি পোশাকের শিল্পীদের নজরকাড়া পরিবেশনা। আজটেক সভ্যতার সোনালি অতীতের ছোঁয়া মেশানো পোশাক ও নাচের অনন্য ঢঙে মেক্সিকান সংগীতশিল্পী লিলা ডাউনস সুরেলা কণ্ঠে বিশ্ববাসীকে স্বাগত জানিয়ে গেয়ে উঠলেন, ‘বিশ্ববাসী, মেক্সিকোয় স্বাগত!’ আর এর মধ্য দিয়েই মেক্সিকোর ঐতিহাসিক আজতেকা স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে বেজে উঠল ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের দামামা। রঙিন আবিরে ছেয়ে যায় স্টেডিয়ামের চারপাশ। এই নিয়ে তিনটি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজন করে ইতিহাসের পাতায় প্রথম এবং একমাত্র স্টেডিয়াম হিসেবে নাম লেখাল ফুটবলের এই ‘ক্যাথেড্রাল’। যদিও সহ-আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাতেও আলাদাভাবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে, তবে ঐতিহ্য ও ইতিহাসের বিচারে বিশ্বকাপের মূল উদ্বোধনটি এখানেই সম্পন্ন হলো। উদ্বোধনী মঞ্চে মেক্সিকোর কিংবদন্তি রক ব্যান্ড ‘মানা’ যখন ‘ওই মি আমোর’ (হে, আমার ভালোবাসা) গানের সুর তোলে, তখন গ্যালারিতে উপস্থিত দর্শকরা দুই হাত প্রসারিত করে তৈরি করেন বিখ্যাত ‘মেক্সিকান ওয়েভ’। এরপর ভেনেজুয়েলার গায়ক ড্যানি ওশানের পরিবেশনা এবং মেক্সিকান মিউজিক্যাল গ্রুপ লস অ্যাঞ্জেলস আজুলসের সঙ্গে ফোক ব্যালে পারফরম্যান্সও ছিল বেশ নজরকাড়া। মঞ্চে আসেন কলম্বিয়ান গায়ক জে বলভিনও। তবে দর্শকদের আসল উন্মাদনা শুরু হয় যখন হলুদ, বেগুনি ও সাদা পোশাকে মঞ্চে প্রবেশ করেন বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ‘রানি’ শাকিরা। সানগ্লাস চোখে নাইজেরিয়ান গায়ক বার্না বয়কে সঙ্গী করে তিনি যখন ‘দাই দাই’ গানের সুর ধরেন, তখন গোটা স্টেডিয়াম যেন আনন্দে ফেটে পড়ে। ২০১০ সালের ‘ওয়াকা ওয়াকা’ খ্যাত শাকিরার জাদুকরী পারফরম্যান্স ছাড়া বিশ্বকাপ যেন সত্যিই অসম্পূর্ণ! শাকিরার সুরের মূর্ছনার পাশাপাশি মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার উদ্বোধনী ম্যাচকে ঘিরে স্বাগতিক দর্শকদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। বাদ্যযন্ত্র, নাচ-গান আর লাল রঙের আবিরে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে ৮০ হাজার আসনবিশিষ্ট এই স্টেডিয়ামের গ্যালারি। অলিম্পিকের আদলে ৪৮টি অংশগ্রহণকারী দেশের পতাকা হাতে মাঠে প্রবেশ করেন প্রতিনিধিরা। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো যখন সোনালি ট্রফিটি উঁচিয়ে ধরেন, তখন দর্শকদের গর্জনে প্রকম্পিত হয় পুরো গ্যালারি। তবে স্টেডিয়ামের ভেতরের এই সুশৃঙ্খল উৎসবের বিপরীতে মেক্সিকো সিটির ফ্যান জোনগুলোতে দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয় নিরাপত্তাকর্মীদের। অতিরিক্ত ভিড় এবং ধাক্কাধাক্কির কারণে কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলেও, সব মিলিয়ে ফুটবলের এই মহোৎসবের উন্মাদনায় মেতে উঠেছে গোটা বিশ্ব।
আর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। ১১ জুন থেকে পর্দা উঠতে যাচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও মর্যাদাপূর্ণ ফুটবল আসর ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬। ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এই আয়োজন যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হবে উত্তর আমেরিকার তিন দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে। প্রায় ৪০ দিনের এই প্রতিযোগিতা শেষে ১৯ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে শিরোপা নির্ধারণী ফাইনাল। প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী, এবারের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে মেক্সিকো সিটির ঐতিহ্যবাহী এস্তাদিও আজতেকা স্টেডিয়ামে। স্বাগতিক মেক্সিকো উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকার। অন্যদিকে, ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে, যা টুর্নামেন্ট চলাকালে নিউ ইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়াম নামে পরিচিত থাকবে। টুর্নামেন্টের ধাপভিত্তিক সময়সূচি অনুযায়ী গ্রুপ পর্ব থেকে শুরু করে ফাইনাল পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পর্বগুলো নিম্নরূপ: গ্রুপ পর্ব: ১১ জুন থেকে ২৭ জুন রাউন্ড অব ৩২: ২৮ জুন থেকে ৩ জুলাই রাউন্ড অব ১৬: ৪ জুলাই থেকে ৭ জুলাই কোয়ার্টার ফাইনাল: ৯ জুলাই থেকে ১১ জুলাই সেমিফাইনাল: ১৪ জুলাই ও ১৫ জুলাই ফাইনাল: ১৯ জুলাই ২০২৬ বিশ্বকাপ গ্রুপ পর্বের সময়সূচি (বাংলাদেশ সময়) একনজরে গ্রুপ পর্বের সকল ম্যাচের তারিখ, ভেন্যু এবং সময় তারিখ গ্রুপ ম্যাচ ভেন্যু সময় জুন ১১ গ্রুপ ‘এ’ মেক্সিকো–দক্ষিণ আফ্রিকা মেক্সিকো সিটি রাত ১টা জুন ১২ গ্রুপ ‘এ’ দক্ষিণ কোরিয়া–চেক প্রজাতন্ত্র গুয়াদালহারা সকাল ৮টা জুন ১২ গ্রুপ ‘বি’ কানাডা–বসনিয়া টরন্টো রাত ১টা জুন ১৩ গ্রুপ ‘ডি’ যুক্তরাষ্ট্র–প্যারাগুয়ে লস অ্যাঞ্জেলেস সকাল ৭টা জুন ১৩ গ্রুপ ‘বি’ কাতার–সুইজারল্যান্ড সান ফ্রান্সিসকো রাত ১টা জুন ১৪ গ্রুপ ‘সি’ ব্রাজিল–মরক্কো নিউইয়র্ক–নিউজার্সি ভোর ৪টা জুন ১৪ গ্রুপ ‘সি’ হাইতি–স্কটল্যান্ড বোস্টন সকাল ৭টা জুন ১৪ গ্রুপ ‘ডি’ অস্ট্রেলিয়া–তুরস্ক ভ্যাঙ্কুভার সকাল ১০টা জুন ১৪ গ্রুপ ‘ই’ জার্মানি–কুরাসাও হিউস্টন রাত ১১টা জুন ১৪ গ্রুপ ‘এফ’ নেদারল্যান্ডস–জাপান ডালাস রাত ২টা জুন ১৫ গ্রুপ ‘ই’ আইভরিকোস্ট–ইকুয়েডর ফিলাডেলফিয়া ভোর ৫টা জুন ১৫ গ্রুপ ‘এফ’ সুইডেন–তিউনিসিয়া মন্তেরেই সকাল ৮টা জুন ১৫ গ্রুপ ‘এইচ’ স্পেন–কেপ ভার্দে আটলান্টা রাত ১০টা জুন ১৫ গ্রুপ ‘জি’ বেলজিয়াম–মিসর সিয়াটল রাত ১টা জুন ১৬ গ্রুপ ‘এইচ’ সৌদি আরব–উরুগুয়ে মায়ামি ভোর ৪টা জুন ১৬ গ্রুপ ‘জি’ ইরান–নিউজিল্যান্ড লস অ্যাঞ্জেলেস সকাল ৭টা জুন ১৬ গ্রুপ ‘আই’ ফ্রান্স–সেনেগাল নিউইয়র্ক–নিউজার্সি রাত ১টা জুন ১৭ গ্রুপ ‘আই’ ইরাক–নরওয়ে বোস্টন ভোর ৪টা জুন ১৭ গ্রুপ ‘জে’ আর্জেন্টিনা–আলজেরিয়া কানসাস সিটি সকাল ৭টা জুন ১৭ গ্রুপ ‘জে’ অস্ট্রিয়া–জর্ডান সান ফ্রান্সিসকো সকাল ১০টা জুন ১৭ গ্রুপ ‘কে’ পর্তুগাল–কঙ্গো হিউস্টন রাত ১১টা জুন ১৭ গ্রুপ ‘এল’ ইংল্যান্ড–ক্রোয়েশিয়া ডালাস রাত ২টা জুন ১৮ গ্রুপ ‘এল’ ঘানা–পানামা টরন্টো ভোর ৫টা জুন ১৮ গ্রুপ ‘কে’ উজবেকিস্তান–কলম্বিয়া মেক্সিকো সিটি সকাল ৮টা জুন ১৮ গ্রুপ ‘এ’ চেকপ্রজাতন্ত্র–দক্ষিণ আফ্রিকা আটলান্টা রাত ১০টা জুন ১৮ গ্রুপ ‘বি’ সুইজারল্যান্ড–বসনিয়া লস অ্যাঞ্জেলেস রাত ১টা জুন ১৯ গ্রুপ ‘বি’ কানাডা–কাতার ভ্যাঙ্কুভার ভোর ৪টা জুন ১৯ গ্রুপ ‘এ’ মেক্সিকো–দক্ষিণ কোরিয়া গুয়াদালহারা সকাল ৭টা জুন ১৯ গ্রুপ ‘ডি’ যুক্তরাষ্ট্র–অস্ট্রেলিয়া সিয়াটল রাত ১টা জুন ২০ গ্রুপ ‘সি’ স্কটল্যান্ড–মরক্কো বোস্টন ভোর ৪টা জুন ২০ গ্রুপ ‘সি’ ব্রাজিল–হাইতি ফিলাডেলফিয়া সকাল ৭টা জুন ২০ গ্রুপ ‘ডি’ তুরস্ক–প্যারাগুয়ে সান ফ্রান্সিসকো সকাল ১০টা জুন ২০ গ্রুপ ‘এফ’ নেদারল্যান্ডস–সুইডেন হিউস্টন রাত ১১টা জুন ২০ গ্রুপ ‘ই’ জার্মানি–আইভরিকোস্ট টরন্টো রাত ২টা জুন ২১ গ্রুপ ‘ই’ ইকুয়েডর–কুরাসাও কানসাস সিটি ভোর ৬টা জুন ২১ গ্রুপ ‘এফ’ তিউনিসিয়া–জাপান মন্তেরেই সকাল ১০টা জুন ২১ গ্রুপ ‘এইচ’ স্পেন–সৌদি আরব আটলান্টা রাত ১০টা জুন ২১ গ্রুপ ‘জি’ বেলজিয়াম–ইরান লস অ্যাঞ্জেলেস রাত ১টা জুন ২২ গ্রুপ ‘এইচ’ উরুগুয়ে–কেপ ভার্দে মায়ামি ভোর ৪টা জুন ২২ গ্রুপ ‘জি’ নিউজিল্যান্ড–মিসর ভ্যাঙ্কুভার সকাল ৭টা জুন ২২ গ্রুপ ‘জে’ আর্জেন্টিনা–অস্ট্রিয়া ডালাস রাত ১১টা জুন ২২ গ্রুপ ‘আই’ ফ্রান্স–ইরাক ফিলাডেলফিয়া রাত ৩টা জুন ২৩ গ্রুপ ‘আই’ নরওয়ে–সেনেগাল নিউইয়র্ক–নিউজার্সি সকাল ৬টা জুন ২৩ গ্রুপ ‘জে’ জর্ডান–আলজেরিয়া সান ফ্রান্সিসকো সকাল ৯টা জুন ২৩ গ্রুপ ‘কে’ পর্তুগাল–উজবেকিস্তান হিউস্টন রাত ১১টা জুন ২৩ গ্রুপ ‘এল’ ইংল্যান্ড–ঘানা বোস্টন রাত ২টা জুন ২৪ গ্রুপ ‘এল’ পানামা–ক্রোয়েশিয়া টরন্টো ভোর ৫টা জুন ২৪ গ্রুপ ‘কে’ কলম্বিয়া–কঙ্গো গুয়াদালাহারা সকাল ৮টা জুন ২৪ গ্রুপ ‘বি’ কানাডা–সুইজারল্যান্ড ভ্যাঙ্কুভার রাত ১টা জুন ২৪ গ্রুপ ‘বি’ বসনিয়া–কাতার সিয়াটল রাত ১টা জুন ২৫ গ্রুপ ‘সি’ স্কটল্যান্ড–ব্রাজিল মায়ামি ভোর ৪টা জুন ২৫ গ্রুপ ‘সি’ মরক্কো–হাইতি আটলান্টা ভোর ৪টা জুন ২৫ গ্রুপ ‘এ’ মেক্সিকো–চেক প্রজাতন্ত্র মেক্সিকো সিটি সকাল ৭টা জুন ২৫ গ্রুপ ‘এ’ দক্ষিণ কোরিয়া–দক্ষিণ আফ্রিকা মন্তেরেই সকাল ৭টা জুন ২৫ গ্রুপ ‘ই’ ইকুয়েডর–জার্মানি নিউইয়র্ক–নিউজার্সি রাত ২টা জুন ২৫ গ্রুপ ‘ই’ কুরাসাও–আইভরিকোস্ট ফিলাডেলফিয়া রাত ২টা জুন ২৬ গ্রুপ ‘এফ’ জাপান–সুইডেন ডালাস ভোর ৫টা জুন ২৬ গ্রুপ ‘এফ’ তিউনিসিয়া–নেদারল্যান্ডস কানসাস সিটি ভোর ৫টা জুন ২৬ গ্রুপ ‘ডি’ যুক্তরাষ্ট্র–তুরস্ক লস অ্যাঞ্জেলেস সকাল ৮টা জুন ২৬ গ্রুপ ‘ডি’ প্যারাগুয়ে–অস্ট্রেলিয়া সান ফ্রান্সিসকো সকাল ৮টা জুন ২৬ গ্রুপ ‘আই’ নরওয়ে–ফ্রান্স বোস্টন রাত ১টা জুন ২৬ গ্রুপ ‘আই’ সেনেগাল–ইরাক টরন্টো রাত ১টা জুন ২৭ গ্রুপ ‘এইচ’ উরুগুয়ে–স্পেন গুয়াদালাহারা সকাল ৬টা জুন ২৭ গ্রুপ ‘এইচ’ কেপ ভার্দে–সৌদি আরব হিউস্টন সকাল ৬টা জুন ২৭ গ্রুপ ‘জি’ নিউজিল্যান্ড–বেলজিয়াম ভ্যাঙ্কুভার সকাল ৯টা জুন ২৭ গ্রুপ ‘জি’ মিসর–ইরান সিয়াটল সকাল ৯টা জুন ২৭ গ্রুপ ‘এল’ পানামা–ইংল্যান্ড নিউইয়র্ক–নিউজার্সি রাত ৩টা জুন ২৭ গ্রুপ ‘এল’ ক্রোয়েশিয়া–ঘানা ফিলাডেলফিয়া রাত ৩টা জুন ২৮ গ্রুপ ‘কে’ কলম্বিয়া–পর্তুগাল মায়ামি ভোর ৫:৩০ মি. জুন ২৮ গ্রুপ ‘কে’ গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গো–উজবেকিস্তান আটলান্টা ভোর ৫:৩০ মি. জুন ২৮ গ্রুপ ‘জে’ জর্ডান–আর্জেন্টিনা ডালাস সকাল ৮টা জুন ২৮ গ্রুপ ‘জে’ আলজেরিয়া–অস্ট্রিয়া কানসাস সিটি সকাল ৮টা বিশ্বকাপ নকআউট পর্বের সময়সূচি (বাংলাদেশ সময়) একনজরে শেষ ৩২, শেষ ১৬, কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল এবং ফাইনাল ম্যাচ তারিখ ম্যাচ নং পর্ব / মুখোমুখি দল ভেন্যু সময় ■ দ্বিতীয় রাউন্ড (শেষ ৩২) ২৮ জুন ম্যাচ ৭৩ এ২ – বি২ লস অ্যাঞ্জেলেস রাত ১টা ২৯ জুন ম্যাচ ৭৬ সি১ – এফ২ হিউস্টন রাত ১১টা ২৯ জুন ম্যাচ ৭৪ ই১ – এ/বি/সি/ডি/এফ-৩ বোস্টন রাত ২:৩০ মি. ৩০ জুন ম্যাচ ৭৫ এফ১ – সি২ মন্তেরেই সকাল ৭টা ৩০ জুন ম্যাচ ৭৮ ই২ – আই২ ডালাস রাত ১১টা ৩০ জুন ম্যাচ ৭৭ আই১ – সি/ডি/এফ/জি/এইচ-৩ নিউইয়র্ক–নিউজার্সি রাত ৩টা ১ জুলাই ম্যাচ ৭৯ এ১ – সি/ই/এফ/এইচ/আই-৩ মেক্সিকো সিটি সকাল ৭টা ১ জুলাই ম্যাচ ৮০ এল১ – ই/এইচ/আই/জে/কে-৩ আটলান্টা রাত ১০টা ১ জুলাই ম্যাচ ৮২ জি১ – এ/ই/এইচ/আই/জে-৩ সিয়াটল রাত ২টা ২ জুলাই ম্যাচ ৮১ ডি১ – বি/ই/এফ/আই/জে-৩ সান ফ্রান্সিসকো সকাল ৬টা ২ জুলাই ম্যাচ ৮৪ এইচ১ – জে২ লস অ্যাঞ্জেলেস রাত ১টা ৩ জুলাই ম্যাচ ৮৩ কে২ – এল২ টরন্টো ভোর ৫টা ৩ জুলাই ম্যাচ ৮৫ বি১ – ই/এফ/জি/আই/জে-৩ ভ্যাঙ্কুভার সকাল ৯টা ৩ জুলাই ম্যাচ ৮৮ ডি২ – জি২ ডালাস রাত ১২টা ৪ জুলাই ম্যাচ ৮৬ জে১ – এইচ২ ডালাস ভোর ৪টা ৪ জুলাই ম্যাচ ৮৭ কে১ – ডি/ই/আই/জে/এল-৩ কানসাস সকাল ৭:৩০ মি. ■ তৃতীয় রাউন্ড (শেষ ১৬) ৪ জুলাই ম্যাচ ৯০ জয়ী ম্যাচ ৭৩ – জয়ী ম্যাচ ৭৫ হিউস্টন রাত ১১টা ৪ জুলাই ম্যাচ ৮৯ জয়ী ম্যাচ ৭৪ – জয়ী ম্যাচ ৭৭ ফিলাডেলফিয়া রাত ৩টা ৫ জুলাই ম্যাচ ৯১ জয়ী ম্যাচ ৭৬ – জয়ী ম্যাচ ৭৮ নিউইয়র্ক/নিউজার্সি রাত ২টা ৬ জুলাই ম্যাচ ৯২ জয়ী ম্যাচ ৭৯ – জয়ী ম্যাচ ৮০ মেক্সিকো সিটি সকাল hexagon ৬টা ৬ জুলাই ম্যাচ ৯৩ জয়ী ম্যাচ ৮৩ – জয়ী ম্যাচ ৮৪ ডালাস রাত ১টা ৭ জুলাই ম্যাচ ৯৪ জয়ী ম্যাচ ৮১ – জয়ী ম্যাচ ৮২ সিয়াটল সকাল ৬টা ৭ জুলাই ম্যাচ ৯৫ জয়ী ম্যাচ ৮৬ – জয়ী ম্যাচ ৮৮ আটলান্টা রাত ১০টা ৭ জুলাই ম্যাচ ৯৬ জয়ী ম্যাচ ৮৫ – জয়ী ম্যাচ ৮৭ ভ্যাঙ্কুভার রাত ২টা ■ কোয়ার্টার ফাইনাল ৯ জুলাই ম্যাচ ৯৭ জয়ী ম্যাচ ৮৯ – জয়ী ম্যাচ ৯০ বোস্টন রাত ২টা ১০ জুলাই ম্যাচ ৯৮ জয়ী ম্যাচ ৯৩ – জয়ী ম্যাচ ৯৪ লস অ্যাঞ্জেলেস রাত ১১টা ১১ জুলাই ম্যাচ ৯৯ জয়ী ম্যাচ ৯১ – জয়ী ম্যাচ ৯২ মায়ামি রাত ৩টা ১২ জুলাই ম্যাচ ১০০ জয়ী ম্যাচ ৯৫ – জয়ী ম্যাচ ৯৬ কানসাস সকাল ৭টা ■ সেমিফাইনাল ১৪ জুলাই ম্যাচ ১০১ জয়ী ম্যাচ ৯৭ – জয়ী ম্যাচ ৯৮ ডালাস রাত ১টা ১৫ জুলাই ম্যাচ ১০২ জয়ী ম্যাচ আটলান্টা রাত ১টা ■ ফাইনাল এবং ৩য় স্থান ১৮ জুলাই ম্যাচ ১০৩ তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ মায়ামি রাত ৩টা ১৯ জুলাই ম্যাচ ১০৪ গ্র্যান্ড ফাইনাল (Final) নিউইয়র্ক–নিউজার্সি রাত ১টা এবারের বিশ্বকাপে মোট ৪৮টি দল অংশ নিচ্ছে, যাদের ১২টি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি গ্রুপে রয়েছে ৪টি করে দল। প্রায় ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে এই আসরে। বিশ্বকাপে নতুন চারটি দেশের অভিষেক ঘটছে বলেও জানানো হয়েছে। এগুলো হলো কেপ ভার্দে, কুরাসাও, জর্ডান এবং উজবেকিস্তান। ফুটবল বিশ্বে এই দলগুলো কেমন পারফরম্যান্স করে, তা নিয়ে আগ্রহ রয়েছে সমর্থকদের মধ্যে।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রথম ম্যাচ শুরু হওয়ার মাত্র কয়েক দিন আগে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে তীব্র উদ্বেগ ও সংশয় দেখা দিয়েছে। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ব্যস্ততম সময়ে ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় ও একের পর এক ট্রেইল বাতিল হওয়ার ঘটনা এই উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। এর ফলে কয়েক দিনের মধ্যে স্টেডিয়ামে ম্যাচ দেখতে আসা হাজার হাজার ফুটবল ভক্তের চাপ এই ভঙ্গুর পরিবহন ব্যবস্থা কীভাবে সামাল দেবে, তা নিয়ে সাধারণ যাত্রী ও প্রবাসীদের মনে এখন বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে। আঞ্চলিক ট্রেন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান এনজে ট্রানজিটের নিয়মিত যাত্রীরা এই অব্যবস্থাপনা নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে রেললাইনের ওপরের বৈদ্যুতিক তারের জটিলতার কারণে গত মঙ্গলবার বিকেলে যাত্রীদের প্রায় ৪৫ মিনিট পর্যন্ত স্টেশনে ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে বলে মার্কিন রেল কর্তৃপক্ষ অ্যামট্র্যাক নিশ্চিত করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে নিউ জার্সি এবং নিউ ইয়র্ক অঞ্চলের রেল যোগাযোগে ঘটে যাওয়া একের পর এক বড় ধরনের যান্ত্রিক ও কাঠামোগত সমস্যার এটি সর্বশেষ উদাহরণ, যা বিশ্বকাপের মতো বড় বৈশ্বিক আসরের প্রাক্কালে স্থানীয় প্রশাসনকে বেশ বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলেছে। রেলওয়ের এই ধারাবাহিক বিপর্যয় কেবল সাম্প্রতিক কোনো ঘটনা নয়, বরং মাত্র দুই সপ্তাহ আগেই পেন স্টেশনের ভেতরে একটি অ্যামট্র্যাক ওয়ার্ক ট্রেনের ইঞ্জিন বা বগিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল। সেই অগ্নিকাণ্ডের জের ধরে নিউ ইয়র্ক এবং নিউ জার্সির মধ্যকার পুরো রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ থমকে গিয়েছিল এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। এমন তিক্ত অভিজ্ঞতার কারণে স্থানীয় বাসিন্দা মরিন হ্যাগানের মতো সাধারণ যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন যে, বিশ্বকাপের সময় এই যাতায়াত ব্যবস্থা সাধারণ মানুষের জন্য একটি দুঃস্বপ্ন হতে চলেছে এবং যারা খেলা দেখতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন তাদের জন্য তিনি এখনই বেশ সমবেদনা বোধ করছেন। পরিবহন ব্যবস্থার এই চরম অনিশ্চয়তার কারণে অনেক অভিজ্ঞ নিত্যযাত্রী ফুটবল দর্শকদের ট্রেনের ওপর ভরসা না করার পরামর্শ দিচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় গণমাধ্যমে অনেকেই বলছেন যে, যারা ট্রেনকে বিশ্বকাপের একমাত্র যাতায়াত মাধ্যম হিসেবে ধরে রেখেছেন, তাদের বিকল্প ভাবা উচিত। খেলা মিস করতে না চাইলে দর্শকদের ট্রেন বাদ দিয়ে নিজস্ব গাড়ি ড্রাইভ করে, বাসে চড়ে কিংবা প্রয়োজনে সাইকেল চালিয়ে হলেও স্টেডিয়ামে যাওয়ার প্রস্তুতি রাখা দরকার। কারণ মেটলাইফ স্টেডিয়ামের ম্যাচগুলোর দিন ট্রেন সময়মতো প্ল্যাটফর্মে আসবে কিংবা বগিতে জায়গা পাওয়া যাবে, এমন কোনো নিশ্চয়তা এই মুহূর্তে এনজে ট্রানজিট দিতে পারছে না। উদ্ভূত পরিস্থিতি সত্ত্বেও এনজে ট্রানজিট কর্তৃপক্ষ ম্যাচ টিকিটধারীদের জন্য বিশেষ ট্রেন টিকিটের ব্যবস্থা করেছে, যার অধীনে নিউ ইয়র্ক সিটি থেকে স্টেডিয়াম পর্যন্ত যাওয়া-আসার একটি রাউন্ড-ট্রিপ টিকিটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৮ ডলার। প্রতি ম্যাচের জন্য এমন ৪০ হাজার বিশেষ টিকিট এনজে ট্রানজিট অ্যাপের মাধ্যমে শুধুমাত্র ভেরিফাইড ফুটবল টিকিটধারীদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে। নিউ ইয়র্ক থেকে পেন স্টেশনের মাধ্যমে সরাসরি মেটলাইফ এবং গার্ডেন স্টেট থেকে আসা যাত্রীরা সিকাকাস জংশনে সংযুক্ত হয়ে ম্যাডোল্যান্ডস লাইনের মাধ্যমে সরাসরি মূল ভেন্যুতে পৌঁছাতে পারবেন। পাশাপাশি গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল টার্মিনালে একটি ডিজিটাল কনসিয়ার্জ প্ল্যাটফর্ম চালু করা হচ্ছে, যা দর্শকদের রিয়েল-টাইম তথ্য ও আঞ্চলিক নানা কার্যক্রমের খোঁজ দেবে।