জাতীয় দলের বর্তমান ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল জানিয়েছেন, বয়স ৩৭–৩৮ হলেও অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের এক ফরম্যাটে ধরে রাখলে তারা ২০২৭ বিশ্বকাপ পর্যন্ত দলের জন্য সহায়ক হতে পারবেন। আশরাফুল বলেন, সাকিব আল হাসান যদি দলে ফিরে আসেন, তবে তিনি ব্যাটিং ও বোলিং উভয়েই অবদান রাখতে পারবেন।
এক প্রশ্নের জবাবে আশরাফুল বলেন, বর্তমানে টেস্ট ও টি-২০ দলের পারফরম্যান্স ভালো হলেও ওয়ানডেতে দীর্ঘদিন ফাঁক রয়েছে। যারা খেলছে, তারা ভালো করছে, কিন্তু ম্যাচ জেতার ক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন। বিসিএলের ফলাফলের পর স্পষ্ট হবে কোন জায়গায় আরও শক্তি প্রয়োজন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলতে হলে টপ এইটে থাকতে হবে। ওয়ানডে ফরম্যাটে মুশফিক, রিয়াদ ও সাকিবের মতো অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের মিডল অর্ডার ছাড়ার পর পারফরম্যান্সে ফাঁক দেখা দিয়েছে। সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার পরিকল্পনা কৌশলগতভাবে এগোচ্ছে।
এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল। এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে। একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই। “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান। এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে। সূত্র: Royanews
দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে। এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা। এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)। ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না। তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে। সূত্র: ABC News
যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে। নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা। ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল। তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে। এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস
ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে। কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে। প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী— • রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন • জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী • প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান • স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর • স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি) • পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির • অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী) • শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান • আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান • তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন • পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান • বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির • শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু • নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ • শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান • পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু • মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান • সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান • সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি • স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন • যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি • ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন • বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী • বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু • কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু • গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস • ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর • রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায় • জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ • সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী • পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।
জাতীয় দলের বর্তমান ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল জানিয়েছেন, বয়স ৩৭–৩৮ হলেও অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের এক ফরম্যাটে ধরে রাখলে তারা ২০২৭ বিশ্বকাপ পর্যন্ত দলের জন্য সহায়ক হতে পারবেন। আশরাফুল বলেন, সাকিব আল হাসান যদি দলে ফিরে আসেন, তবে তিনি ব্যাটিং ও বোলিং উভয়েই অবদান রাখতে পারবেন। এক প্রশ্নের জবাবে আশরাফুল বলেন, বর্তমানে টেস্ট ও টি-২০ দলের পারফরম্যান্স ভালো হলেও ওয়ানডেতে দীর্ঘদিন ফাঁক রয়েছে। যারা খেলছে, তারা ভালো করছে, কিন্তু ম্যাচ জেতার ক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন। বিসিএলের ফলাফলের পর স্পষ্ট হবে কোন জায়গায় আরও শক্তি প্রয়োজন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলতে হলে টপ এইটে থাকতে হবে। ওয়ানডে ফরম্যাটে মুশফিক, রিয়াদ ও সাকিবের মতো অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের মিডল অর্ডার ছাড়ার পর পারফরম্যান্সে ফাঁক দেখা দিয়েছে। সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার পরিকল্পনা কৌশলগতভাবে এগোচ্ছে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দিনের তৃতীয় ম্যাচে শ্রীলঙ্কা পাথুম নিশাঙ্কার সেঞ্চুরি ও ব্যাটারদের ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে অস্ট্রেলিয়াকে ৮ উইকেটের ব্যবধানে হারিয়ে সুপার এইট নিশ্চিত করেছে। এই জয়ের ফলে ৩ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শ্রীলঙ্কা গ্রুপ টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে। অস্ট্রেলিয়া ১৮২ রানে ইনিংস শেষ করে। ব্যাটিংয়ে নেমে ট্রাভিস হেড ৫৬ রানে ও মিচেল মার্শ ৫৪ রানে দলের জন্য দৃঢ় প্রতিরক্ষা গড়ে তোলেন। তবে মিডল অর্ডার ভেঙে গেলে অস্ট্রেলিয়া চাপের মধ্যে পড়ে। শ্রীলঙ্কার বোলার দুশান হেমন্ত সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়েছেন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শ্রীলঙ্কা দ্বিতীয় ওভারের পর কুশল পেরেরার উইকেট হারালেও ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা ও কুশল মেন্ডিস চাপে ফেলেননি। তারা ৯৭ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের পথে এগোতে সাহায্য করেন। মেন্ডিস ৫১ রানে আউট হন। এরপর নিশাঙ্কার সঙ্গে পাভান রত্নায়েক ৭৯ রানের অপরাজিত জুটি গড়ে শ্রীলঙ্কাকে জয় এনে দেন। পাথুম নিশাঙ্কা ১০০ রানে অপরাজিত থাকেন, ইনিংসটি মাত্র ৫২ বলে ১০টি চার ও ৫টি ছয়ে সাজানো। অপরাজিত রত্নায়েক ১৫ বলে ২৮ রান যোগ করেন। এই জয়ের মাধ্যমে শ্রীলঙ্কা গ্রুপে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে, জিম্বাবুয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে, অস্ট্রেলিয়া ও আয়ারল্যান্ড দুই পয়েন্ট নিয়ে তিন ও চতুর্থ স্থানে অবস্থান করছে। ওমান এখনও কোনো পয়েন্ট সংগ্রহ করতে পারেনি।
বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে জাতীয় দলে ফিরিয়ে আনার দীর্ঘ প্রতীক্ষিত প্রক্রিয়াটি আজ থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সবশেষ বোর্ড সভায় আলোচনার পর বিষয়টি এখন বাস্তবে রূপ নিচ্ছে। বিসিবি পরিচালক আসিফ আকবর নিশ্চিত করেছেন যে, সাকিবের ফেরার পথে বিদ্যমান আইনি ও দাপ্তরিক জটিলতা নিরসনে আজ রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সরকারের কাছে প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেবেন তাঁর আইনজীবীরা। আসিফ আকবর গণমাধ্যমকে জানান, সাকিবের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত তথ্য, চলমান মামলা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পেপারওয়ার্ক এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। তিনি বলেন, “সাকিবের আইনজীবী সকল কাগজপত্র গুছিয়ে ফেলেছেন। আজই সেই ফাইলগুলো সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দেওয়া হবে। আমরা বোর্ড থেকে সরকারকে অনুরোধ করেছি যেন সাকিবের বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হয়। নির্বাচকরা যদি মনে করেন তিনি খেলার জন্য প্রস্তুত, তবে আমরা তাঁকে অবশ্যই মাঠে চাই।” দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের পর সাকিবের ফেরার পথ আরও সুগম হতে পারে বলে মনে করছেন বিসিবির এই পরিচালক। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে আসা বিএনপি সরকারের মনোভাব সম্পর্কে আসিফ আকবর বলেন, “বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সাম্প্রতিক বক্তব্যে স্পষ্ট যে, সাকিবের বিরুদ্ধে যদি সরাসরি কোনো গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ বা খুনের প্রমাণ না থাকে, তবে সরকার তাঁর প্রতি নমনীয় থাকবে। বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব সবসময়ই খেলাধুলা ও সংস্কৃতিকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখার কথা বলেছেন। সুতরাং বিষয়টি এখন অনেকটাই পরিষ্কার।” সাকিবের ভক্তরা এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন, কবে নাগাদ আবার প্রিয় তারকাকে লাল-সবুজের জার্সিতে মাঠ মাতাতে দেখা যাবে। দাপ্তরিক এই প্রক্রিয়া শুরু হওয়াকে সাকিবের প্রত্যাবর্তনের পথে একটি বিশাল মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।