আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস

বিশেষ স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বিশেষ স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।    আজ শনিবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি এই ডাকটিকিট অবমুক্ত করেন।   স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচনের পাশাপাশি আজ একটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ দিন ছিল নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রীর জন্য। দায়িত্ব গ্রহণের পর এদিনই প্রথমবারের মতো তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দাপ্তরিক কাজ শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কার্যালয়ে পৌঁছালে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।   অফিসের প্রথম দিনে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় চত্বরে একটি 'স্বর্ণচাঁপা' ফুলের চারা রোপণ করেন। বৃক্ষরোপণ শেষে তিনি দেশের সমৃদ্ধি কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেন এবং বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। এ সময় সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
ড. ইফতেখারুজ্জামান
দুর্নীতি ও ধর্মান্ধতা একুশের চেতনার পরিপন্থী: ড. ইফতেখারুজ্জামান

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশর (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান এক জোরালো আহ্বান জানিয়েছেন। শনিবার সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন। সেখানে তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সমাজে বিদ্যমান দুর্নীতি এবং ধর্মান্ধতা কোনোভাবেই একুশের মূল আদর্শের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।   ড. ইফতেখারুজ্জামান তার বক্তব্যে বাংলাদেশের সকল নাগরিকের সমান অধিকারের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, ভাষা আন্দোলনের যে চেতনা আমাদের বৈষম্যহীন সমাজের স্বপ্ন দেখিয়েছিল, সেখানে ধর্ম কিংবা জাতিগত বিভেদ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। যারা নারী, ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু, আদিবাসী এবং প্রতিবন্ধীসহ সমাজের প্রান্তিক মানুষের অধিকার হরণ করেন, তারা আসলে একুশের চেতনার বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছেন। এই ধরনের বৈষম্যমূলক মানসিকতাকে আধুনিক বাংলাদেশে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করার সময় এসেছে।   টিআইবি প্রধান এমন একটি বাংলাদেশের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যেখানে একুশের মূলমন্ত্র অর্থাৎ সাম্য, সামাজিক মর্যাদা এবং ন্যায়বিচার সুপ্রতিষ্ঠিত হবে। তার মতে, একুশের প্রকৃত চেতনা ধারণ করতে হলে প্রতিটি নাগরিকের জন্য সমান অধিকার এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করা জরুরি। দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখাই হবে ভাষা শহীদদের প্রতি আমাদের শ্রেষ্ঠ সম্মান। এই লক্ষ্য অর্জনে রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক পর্যায়ে বৈষম্যহীন পরিবেশ গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
শহীদ মিনারে জামায়াত আমিরকে দেখে ‘রাজাকার’ স্লোগান, অতঃপর..
শহীদ মিনারে জামায়াত আমিরকে দেখে ‘রাজাকার’ স্লোগান, অতঃপর..

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের সূচনালগ্নে এবারই প্রথম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর আমির ডা. শফিকুর রহমান।   শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা ২২ মিনিটের দিকে তিনি শহীদ মিনারের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম, এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন এবং ১১-দলীয় জোটের কয়েকজন শীর্ষ নেতা।   শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় হঠাৎ সেখানে উপস্থিত একদল যুবক স্লোগান দিতে শুরু করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, তারা মুক্তিযুদ্ধ-সংক্রান্ত বিভিন্ন স্লোগান দেন। এর জবাবে উপস্থিত জামায়াতের নেতা-কর্মীরাও পাল্টা স্লোগান দেন, যা মুহূর্তের মধ্যে উত্তেজনা বাড়িয়ে তোলে।   এ সময় জোটের কয়েকজন সংসদ সদস্য শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ অতিক্রম করছিলেন। হট্টগোল শুরু হলে তারা দ্রুত আমিরের গাড়ির কাছে ফিরে যান। পরে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং নিরাপত্তা জোরদার করে। এর পর ডা. শফিকুর রহমান ও জোটের নেতারা শহীদ মিনার এলাকা ত্যাগ করেন।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
মাতৃভাষা দিবসে শহীদ মিনারে বিরোধীদলীয় নেতার শ্রদ্ধা নিবেদন

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষাশহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর আমির ডা. শফিকুর রহমান। এটি তার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রথম শ্রদ্ধা নিবেদন।   শুক্রবার রাত ১২টা ২২ মিনিটে তিনি শহীদ মিনারের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে নীরবতা পালন করা হয়।   শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিরোধীদলীয় হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন। এছাড়া ১১ দলীয় জামায়াত জোটের শীর্ষ নেতারাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।   দলীয় সূত্র জানায়, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ডা. শফিকুর রহমান আজিমপুর কবরস্থানে ভাষাশহীদদের মাজার জিয়ারত করবেন এবং তাদের রূহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া করবেন।   মহান একুশের প্রথম প্রহরে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী।   শুক্রবার রাত ১২টা ১ মিনিটে মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ভাষাশহীদদের প্রতি পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। তিনি কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন।   এরপর রাত ১২টা ৬ মিনিটে তারেক রহমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষার অধিকারের জন্য জীবন উৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় তিনি শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করেন।   পরবর্তীতে রাত ১২টা ১২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভার সদস্যরা বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এ সময় মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।   রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ করে মহান ভাষা আন্দোলনের চেতনা পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে প্রস্তুত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার

মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহীদদের বরণ করে নিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আগামীকাল শনিবার ভাষা আন্দোলনের ৭৪ বছর পূর্ণ হচ্ছে। আজ শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে দিবসের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু হবে।   সরেজমিনে দেখা গেছে, শহীদ মিনারের চারপাশের সড়কগুলো নতুন রঙে ও নান্দনিক সাজে সাজানো হয়েছে। রাস্তার ডিভাইডারে বসানো হয়েছে নতুন ফুলের গাছ। দুপুরের পর থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের ভিড় জমে ওঠে। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে সন্ধ্যা সাতটার পর থেকে এলাকাটি সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য খালি করে দেওয়া হয়।   নিরাপত্তা জোরদারে দোয়েল চত্বর, ঢাকা মেডিকেল কলেজ, জগন্নাথ হল ও শিববাড়ি মন্দির মোড়সহ আশপাশের এলাকায় ব্যারিকেড দিয়ে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুম স্থাপনের পাশাপাশি সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তল্লাশি আরও কঠোর করা হয়েছে এবং শুধুমাত্র নির্ধারিত পাসধারীদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।   ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী আজ সকালে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে জানান, শহীদ মিনারের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ধরনের শঙ্কা নেই। কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় ও স্বেচ্ছাসেবক দল মোতায়েন রয়েছে উল্লেখ করে তিনি সবাইকে শৃঙ্খলা বজায় রেখে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর আহ্বান জানান।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
শহিদ দিবসে নিরাপত্তা হুমকি নেই: র‍্যাব ডিজি

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবস উপলক্ষে কোনো ধরনের সুনির্দিষ্ট নিরাপত্তা হুমকি নেই বলে নিশ্চিত করেছেন র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) মহাপরিচালক একেএম শহিদুর রহমান। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে আয়োজিত সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিষয়ক এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।   র‍্যাব ডিজি বলেন, যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় র‍্যাব সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে এবং সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারকে কেন্দ্র করে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রেখে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। পুরো এলাকাকে ইনার ও আউটার পেরিমিটারসহ কয়েকটি সুনির্দিষ্ট সেক্টরে ভাগ করে ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে।   তিনি জানান, প্রতিটি সেক্টরে র‍্যাবের ফুট পেট্রোল, গাড়ির পেট্রোল এবং স্ট্রাইকিং রিজার্ভ বাহিনী নিয়োজিত থাকবে। নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ইতোমধ্যে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াডের মাধ্যমে পুরো এলাকায় সুইপিং সম্পন্ন করা হয়েছে এবং বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট সার্বক্ষণিক স্ট্যান্ডবাই থাকবে।   নজরদারি জোরদার করতে শহীদ মিনার ও আশপাশের এলাকা ৬৪টি সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি ভিভিআইপি, ভিআইপি এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন শ্রদ্ধা নিবেদন নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। র‍্যাবের স্পেশাল ফোর্স সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রয়েছে উল্লেখ করে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, গৃহীত এসব ব্যবস্থার মাধ্যমে এবারের ২১শে ফেব্রুয়ারির সব কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে।  

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0
শহীদ মিনারে নির্বাচনের মতো নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা থাকবে ডিএমপি কমিশনার
শহীদ মিনারে নির্বাচনের মতো নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা থাকবে: ডিএমপি কমিশনার

আসন্ন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নিশ্ছিদ্র ও কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ সাজ্জাদ আলী। আজ শুক্রবার সকালে শহীদ মিনারের প্রস্তুতি ও সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।   ডিএমপি কমিশনার বলেন, সাম্প্রতিক নির্বাচনের সময় যেভাবে সুশৃঙ্খল ও ত্রুটিমুক্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছিল, শহীদ মিনারের ক্ষেত্রেও একই ধরনের কঠোর অবস্থান বজায় থাকবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সবার সহযোগিতায় কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই দিবসটি পালিত হবে।   নিরাপত্তা পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরে কমিশনার জানান, শহীদ মিনার ও এর আশপাশ এলাকায় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন প্রায় ১৫ হাজার পুলিশ সদস্য। পুলিশের পাশাপাশি বিশাল এই কর্মযজ্ঞে সমন্বয় করবেন স্বেচ্ছাসেবকরাও। পুরো এলাকাকে বিভিন্ন সেক্টরে ভাগ করে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে।   একই সময়ে র‍্যাবের মহাপরিচালক নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে বিশেষায়িত ইউনিট। নিরাপত্তার অংশ হিসেবে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারির পাশাপাশি থাকবে ডগ স্কোয়াড এবং বোম্ব ডিস্পোজাল ইউনিট। সাধারণ মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
শহীদ দিবসে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে ডিএমপি

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা রোধে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। তিনি বুধবার দুপুরে ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সে আয়োজিত সমন্বয় সভায় গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেন।   কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শান্তিপূর্ণ শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠান নিশ্চিত করতে ডিএমপি এই নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সভা আয়োজন করে। সভায় ডিএমপি কমিশনার বলেন, “শহীদ দিবসে কেউ যেন কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সে ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।”   সভায় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) মো. সরওয়ার গোয়েন্দা বিভাগকে আগাম তথ্য সরবরাহ ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা যথাযথভাবে নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অপরদিকে, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম বলেন, প্রতিটি সংস্থা নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করলে দিবসটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে।   সমন্বয় সভায় ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ছাড়াও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, ওয়াসা ও ফায়ার সার্ভিসসহ সরকারের বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা শহীদ মিনার ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিজ নিজ কর্মপরিকল্পনা ও মতামত উপস্থাপন করেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Top week

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন
আমেরিকা

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক এপ্রিল ৩, ২০২৬ 0