নিউ ইয়র্কে একদল অপেশাদার চোর মিডটাউনের একটি পার্কিং গ্যারেজ থেকে বিলাসবহুল গাড়ি চুরি করার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত পার্কিং গেটের বাধায় ব্যর্থ হয়, জানিয়েছে পুলিশ।
রবিবার ভোর ৬টার কিছু আগে ম্যানহাটনের হেলস কিচেন এলাকায় ওয়েস্ট ৪৩তম স্ট্রিটের একটি গ্যারেজে ৪-৫ জন চোর প্রবেশ করে। তারা একটি নীল ম্যাকলারেন, একটি মার্সিডিজ জি-ওয়াগনসহ বেশ কয়েকটি দামী গাড়িতে ভাঙচুর চালিয়ে সেগুলো নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে।
একজন চোর ২০২০ সালের ম্যাকলারেনটি নিয়ে বের হতে সক্ষম হলেও বেশি দূর যেতে পারেনি। কয়েক লাখ ডলারের এই স্পোর্টস কারটি কাছের একটি খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে দুর্ঘটনায় পড়ে। গাড়িটির মালিক পরে বলেন, এটা খুবই হতাশাজনক। নিউ ইয়র্কে এমন গাড়ি আগে দেখেছি, কিন্তু প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারিনি এটা আমার গাড়ি। নিশ্চিত হওয়ার পর মাথায় হাজারটা চিন্তা ঘুরছিল।
এদিকে, এক তৎপর পার্কিং কর্মী গ্যারেজের সামনের ধাতব গেট নামিয়ে দিয়ে বাকি চোরদের পালাতে বাধা দেন। তবে এ সময় একটি সাদা রেঞ্জ রোভার ক্ষতিগ্রস্ত হয় গেটটি গাড়িটির হুডের ওপর পড়ে। আরেক ভুক্তভোগী, যার ভলভো গাড়িটিও টার্গেট করা হয়েছিল, বলেন, আমি হতবাক। আমার গাড়ির সামনের কাচ ভেঙে গেছে। গাড়ির চাবি ভেতরেই ছিল।
চোররা শেষ পর্যন্ত নিজেদের একটি ধূসর বিএমডব্লিউ গাড়িতে করে পালিয়ে যায়। সর্বশেষ খবর পর্যন্ত তাদের কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।
- ইমা এলিস, নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আমেরিকা
View moreযুক্তরাষ্ট্রে জালাপেনো মরিচের সঙ্গে সম্পর্কিত সালমোনেলা সংক্রমণের প্রাদুর্ভাব আরও ছড়িয়ে পড়েছে। রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ৩২ অঙ্গরাজ্যে অন্তত ৪৩১ জন আক্রান্ত হয়েছেন এবং ৫৭ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। তদন্তে মেক্সিকোর সিনালোয়া অঞ্চলে উৎপাদিত জালাপেনো মরিচকে সম্ভাব্য উৎস হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। এসব মরিচ যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি ও বিতরণ করেছে কোস্ট সিট্রাস ডিস্ট্রিবিউটরস। খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের তদন্ত এখনো চলছে। এরই মধ্যে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কায় জালাপেনো মরিচ এবং এসব মরিচ দিয়ে তৈরি বিভিন্ন খাবার বাজার থেকে প্রত্যাহার করা হচ্ছে। এর মধ্যে সালসা, গুয়াকামোলে, পিকো দে গায়ো, স্যুপ মিশ্রণ, স্টাফড মাশরুমসহ বিভিন্ন প্রস্তুত খাবার রয়েছে। টেক্সাস ও লুইজিয়ানায় ৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্টের মধ্যে বিক্রি হওয়া কিছু পণ্যও প্রত্যাহারের আওতায় এসেছে। দেশটির বড় কয়েকটি খুচরা বিক্রেতা ও খাদ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের পণ্যেও প্রত্যাহারের ঘোষণা এসেছে। হোল ফুডস, টেলর ফ্রেশ ফুডসসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জালাপেনোযুক্ত পণ্য এর আওতায় রয়েছে। রেস্তোরাঁ খাতেও এর প্রভাব পড়েছে। তদন্তে আক্রান্তদের বড় একটি অংশ অসুস্থ হওয়ার আগে মেক্সিকান ধাঁচের রেস্তোরাঁয় খাবার খাওয়ার কথা জানিয়েছে। চিপোটলে ও কিউডোবার মতো বড় রেস্তোরাঁ শৃঙ্খলও আক্রান্ত উৎসের জালাপেনো ব্যবহার বন্ধ করেছে। সালমোনেলা সংক্রমণে সাধারণত জ্বর, ডায়রিয়া, পেটব্যথা, বমি বমি ভাব ও বমির মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম এমন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সংক্রমণ গুরুতর হতে পারে। কর্তৃপক্ষ ভোক্তা ও খাদ্য ব্যবসাগুলোকে প্রত্যাহার করা জালাপেনো বা এসব মরিচ দিয়ে তৈরি পণ্য খাওয়া, বিক্রি বা পরিবেশন না করার নির্দেশ দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট পণ্য ঘরে থাকলে তা ফেলে দেওয়া বা নির্ধারিত নিয়মে ফেরত দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।তদন্ত ও পণ্য প্রত্যাহার কার্যক্রম এখনো চলমান থাকায় আক্রান্তের সংখ্যা আরও পরিবর্তিত হতে পারে বলে কর্তৃপক্ষের আপডেট থেকে বোঝা যাচ্ছে।
১০ মাসের নাতনিকে গাড়িতে রেখেই কাজে চিকিৎসক দাদি, ৮ ঘণ্টা পর মিলল শিশুর মরদেহ
টেক্সাসে বাবার সঙ্গে ৫ বছরের শিশুকেও আটক করে অভিবাসন আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়ার অভিযোগ
কংগ্রেসে প্রথম আফগান-আমেরিকান হিসেবে নির্বাচিত আয়েশা ওয়াহাব
যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা অঙ্গরাজ্যে একটি চার্টার বিমান বিধ্বস্ত হয়ে এতে থাকা আটজনই নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটের দিকে পশ্চিম আলাস্কার একটি দুর্গম রাডার কেন্দ্রের কাছে বিমানটি বিধ্বস্ত হয় বলে মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে সিএনএন। সেসনা ৪৪১ মডেলের বিমানটি আলাস্কার অ্যাংকারেজ থেকে প্রায় ৪৫০ মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত কেপ নিউএনহামের উদ্দেশে যাচ্ছিল। গন্তব্যের কাছাকাছি পৌঁছানোর পরই বিমানটি বিধ্বস্ত হয় বলে প্রাথমিক তথ্যে জানিয়েছে ফেডারেল এভিয়েশন প্রশাসন। আলাস্কান কমান্ড জানিয়েছে, বিমানটি ছিল বেসামরিকভাবে চুক্তিবদ্ধ একটি ফ্লাইট। এতে মোট আটজন ছিলেন। দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে এবং কেউ বেঁচে নেই বলে নিশ্চিত করে। তবে বিমানটি কী কারণে বিধ্বস্ত হয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফেডারেল এভিয়েশন প্রশাসন ও ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড দুর্ঘটনাটি তদন্ত করবে। তদন্তের নেতৃত্ব দেবে ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড। কেপ নিউএনহামের ওই স্থাপনায় শুধু সামরিক বিমান এবং অনুমোদিত চার্টার বিমান অবতরণ করতে পারে। দুর্গম এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় সেখানে বিমান চলাচলও বিশেষ অনুমতির আওতায় পরিচালিত হয়। দুর্ঘটনায় আটজনের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন মার্কিন বিমানবাহিনীর লেফটেন্যান্ট জেনারেল রবার্ট ডেভিস। তিনি বলেন, এটি সামরিক পরিবার এবং সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সম্প্রদায়ের জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক ক্ষতি। তিনি আরও বলেন, নিহতরা কঠিন পরিবেশে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করা নিবেদিতপ্রাণ পেশাজীবী ছিলেন। বিমানটিতে থাকা যাত্রী ও ক্রুদের পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তাদের স্বজনদের আনুষ্ঠানিকভাবে মৃত্যুর খবর জানানোর পর নাম প্রকাশ করা হবে বলে আলাস্কান কমান্ড জানিয়েছে। দুর্ঘটনার পর তদন্তকারীরা বিমানটির গতিপথ, আবহাওয়া, উড্ডয়ন পরিস্থিতি এবং যান্ত্রিক কোনো সমস্যা ছিল কি না, সেসব বিষয় খতিয়ে দেখবেন। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি।
৪০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়াল যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ঋণ, বাড়ছে অর্থনৈতিক চাপ
টেলর সুইফটের সাবেক প্রেমিক কনর কেনেডি আন্তর্জাতিক মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায়!
ক্যালিফোর্নিয়ার কোন হাইস্কুল থেকে ইউসি বার্কলিতে সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি হয়! তালিকায় চমকপ্রদ তথ্য
মিশিগানে সরকারি চাকরি খুঁজছেন এমন প্রার্থীদের জন্য ডিপার্টমেন্ট অব স্টেটে নতুন নিয়োগের সুযোগ এসেছে। আগস্টে প্রকাশিত একাধিক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট এইড ৬-ই৮ পদে স্থায়ী ফুলটাইম কর্মী নেওয়া হচ্ছে। সাম্প্রতিক একটি বিজ্ঞপ্তিতে বেতন প্রতি দুই সপ্তাহে ১,৭৫৩.৬০ থেকে ২,৪১৭.৬০ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। মিশিগান সিভিল সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট এইড পদে মূলত সেক্রেটারি অব স্টেটের শাখা অফিসে নাগরিকদের বিভিন্ন সেবা দিতে হয়। গ্রাহকের আবেদন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পর্যালোচনা, বিভিন্ন ট্রানজেকশন প্রসেস করা, সেবার নিয়ম ও বিকল্প পদ্ধতি সম্পর্কে তথ্য দেওয়া এবং নির্ভুলতার সঙ্গে কাজ করা এর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তবে একটি বিষয় চাকরিপ্রার্থীদের বিশেষভাবে খেয়াল রাখা দরকার। ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট এইড ৬ হলো এন্ট্রি লেভেল পদ, যেখানে সাধারণত হাই স্কুল শেষ করার সমমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রয়োজন এবং নির্দিষ্ট ধরনের অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক নয়। কিন্তু ৬-ই৮ গ্রেডটি অভিজ্ঞ পর্যায়ের পদ। মিশিগান সিভিল সার্ভিসের বর্তমান চাকরির স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী, ই-৮ পর্যায়ে পৌঁছাতে ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট এইড সিরিজে নির্দিষ্ট অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হতে পারে। তাই শুধু হাই স্কুল ডিপ্লোমা বা জিইডি থাকলেই ৬-ই৮ পদে সরাসরি যোগ্যতা নিশ্চিত হয় না। এই পদে গাড়ির লাইসেন্স, রেজিস্ট্রেশন, গাড়ির টাইটেলসহ মিশিগান সেক্রেটারি অব স্টেটের বিভিন্ন সেবা সংক্রান্ত কাজও থাকতে পারে। কাজের ধরন অনুযায়ী গ্রাহকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ এবং বিপুলসংখ্যক ট্রানজেকশন সামলানোর সক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ। আগস্টে প্রকাশিত একটি ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট এইড ৬-ই৮ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে স্থায়ী ফুলটাইম পদ হিসেবে প্রতি দুই সপ্তাহে ১,৭৫৩.৬০ থেকে ২,৪১৭.৬০ ডলার বেতনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। একই ধরনের আরেকটি আগস্টের বিজ্ঞপ্তিতে বার্ষিক ৪৫,৫৯৩.৬০ থেকে ৬২,৮৫৭.৬০ ডলার পর্যন্ত বেতন দেওয়া হয়েছে। পদ, লোকেশন ও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী বেতন ও শেষ তারিখ ভিন্ন হতে পারে। মিশিগান স্টেট গভর্নমেন্টের ফুলটাইম কর্মীরা চাকরির ধরন ও যোগ্যতা অনুযায়ী হেলথ ইন্স্যুরেন্স, রিটায়ারমেন্ট সুবিধা, পেইড লিভসহ বিভিন্ন সরকারি সুবিধা পাওয়ার সুযোগ পান। এছাড়া রাজ্য সরকারের চাকরিতে কর্মীদের জন্য অন্যান্য আর্থিক ও ক্যারিয়ার সুবিধাও রয়েছে। আবেদন করতে হলে মিশিগান স্টেটের সরকারি চাকরির পোর্টালে সংশ্লিষ্ট নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি খুঁজে আবেদন করতে হয়। আবেদন সাধারণত নিওগভ ব্যবস্থার মাধ্যমে ইলেকট্রনিকভাবে জমা দিতে হয়। চাকরিপ্রার্থীদের আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট জব স্পেসিফিকেশন, পজিশন ডেসক্রিপশন, শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা এবং অন্যান্য শর্ত ভালোভাবে দেখে নেওয়া জরুরি। মিশিগানের ডিপার্টমেন্ট অব স্টেটের চাকরিতে ব্যাকগ্রাউন্ড চেকসহ অতিরিক্ত নিয়োগ শর্তও থাকতে পারে। তাই কোনো নির্দিষ্ট পদে আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তির সব শর্ত যাচাই করা উচিত। আগস্টে প্রকাশিত কয়েকটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির শেষ তারিখ ইতোমধ্যে পেরিয়ে গেছে। তবে একই গ্রেডের নতুন পদ আগস্টেই প্রকাশিত হয়েছে এবং কিছু বিজ্ঞপ্তির আবেদন সময়ও চলমান রয়েছে। ফলে মিশিগানে সরকারি চাকরি খুঁজছেন এমন প্রার্থীদের জন্য প্রতিটি নতুন পোস্টিং আলাদাভাবে দেখে দ্রুত আবেদন করা গুরুত্বপূর্ণ।
নিউইয়র্কে বাবা-মায়েদের একান্ত সময়ের সুযোগ, মামদানির ‘পেরেন্টস নাইট আউট’-এ ৪ ঘণ্টার ফ্রি চাইল্ডকেয়ার
গাজায় শান্তি পরিকল্পনায় ফোর্স গঠনের লক্ষ্যে ২০ কোটি ডলারেরও বেশি অর্থ দিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন