কক্সবাজার

ছবি: সংগৃহীত
কক্সবাজারে ছুরিকাঘাতে ছাত্রদল নেতা খোরশেদ নিহত

Cox's Bazar শহরে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে খোরশেদ আলম নামে এক ছাত্রদল নেতা নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাত ১০টার দিকে সমুদ্র সৈকতের কবিতাচত্বর পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে। নিহত খোরশেদ আলম শহরের পাহাড়তলী এলাকার বাসিন্দা এবং স্থানীয়ভাবে ছাত্রদলের সক্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।   প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, একদল দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে গুরুতর আহত করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পরপরই জেলায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এর প্রতিবাদে জেলা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করে দ্রুত জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান। তারা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন।   এ বিষয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ জানায়, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তারিন নামের এক তরুণীকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: কক্সবাজার সৈকতের বালিয়াড়িতে কোনো স্থাপনা থাকবে না

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়ি দখলমুক্ত রাখার জন্য কোনো স্থাপনা অনুমোদন করা হবে না। রবিবার (২২ মার্চ) বিকেল সোয়া ৪টার দিকে সুগন্ধা পয়েন্টে উচ্ছেদকৃত স্থান পরিদর্শনকালে তিনি এ তথ্য জানান।   মন্ত্রী জানান, নাজিরারটেক থেকে টেকনাফ পর্যন্ত সমুদ্রসৈকতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের অভিযান চলমান থাকবে। পাশাপাশি প্রকৃত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে।   পরিদর্শনকালে মন্ত্রী জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন, সমুদ্রসৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পরিবেশ রক্ষায় বালিয়াড়িতে কোনো স্থাপনা রাখা যাবে না এবং কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।   এর আগে, ৯ মার্চ জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশনার ধারাবাহিকতায় সুগন্ধা ও কলাতলী পয়েন্ট দখলমুক্ত করা হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পরিচয়ে প্রতারণা: কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তার এক ব্যক্তি

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগে আরিফ মাঈনুদ্দিন (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁর কাছ থেকে ভুয়া প্রজ্ঞাপন, প্রধানমন্ত্রীর ছবিসংবলিত ভিজিটিং কার্ড এবং দুটি মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়েছে।   শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে চকরিয়া এলাকা থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও কক্সবাজার জেলা পুলিশ-এর যৌথ অভিযানে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।   রোববার রাজধানীর মিন্টো রোড-এ অবস্থিত ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)-এর অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম।   সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আরিফ মাঈনুদ্দিন বিভিন্ন সময় ভিন্ন ভিন্ন নামে নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে আসছিলেন। তিনি একটি ভুয়া প্রজ্ঞাপন তৈরি করে দাবি করেন, সরকার তাঁকে প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। সেই প্রজ্ঞাপনে বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার কথাও উল্লেখ করা হয়।   পুলিশ জানায়, এসব ভুয়া নথি তিনি সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরে পাঠিয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পরিচয়ে ভুয়া ভিজিটিং কার্ড তৈরি করে ব্যবহার করছিলেন। অভিযানে তাঁর কাছ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক (প্রশাসন) পরিচয়ে তৈরি করা একটি জাল সিলও উদ্ধার করা হয়েছে।   ডিবি কর্মকর্তারা আরও জানান, গত ১০ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ সরকারের নকল লোগো ও প্যাড ব্যবহার করে আরিফ একটি ভুয়া প্রজ্ঞাপন তৈরি করেন। সেখানে তিনি নিজেকে ‘গুমের ভিকটিম পুনর্বাসন’ প্রকল্পের আওতায় বিশেষ সম্মানিত ব্যক্তি হিসেবে দাবি করেন এবং বিভিন্ন সুবিধা প্রদানের কথা উল্লেখ করেন।   এ ছাড়া ‘গুম কল্যাণ ট্রাস্ট’-এর সদস্যসচিব পরিচয়ে তিনি বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ঈদে নিজ দেশে ফেরার বদলে ১৫ মাসে নতুন করে আশ্রয় নিয়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজার রোহিঙ্গা

নিজ দেশে নিপীড়িত জাতি রোহিঙ্গা সম্প্রদায়। নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার প্রত্যাশা থাকলেও বাস্তবে তা সম্ভব হয়নি- বরং নতুন করে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়ার সংখ্যা বাড়ছে রোহিঙ্গাদের মধ্যে। গত প্রায় ১৫ মাসে বাংলাদেশে নতুন করে আশ্রয় নিয়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজারের বেশি রোহিঙ্গা।   জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) প্রকাশিত সর্বশেষ মাসিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নতুন আগত নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৪৫৬ জন। জানুয়ারির তুলনায় এ সংখ্যা কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে।   বর্তমানে কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরগুলোতে মোট ১১ লাখ ৮৪ হাজার ৮৬৪ জন রোহিঙ্গা অবস্থান করছেন। তাদের বড় একটি অংশ ২০১৭ সালের পর মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন।   প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাখাইন রাজ্যে চলমান সহিংসতা ও নির্যাতনের কারণে নতুন করে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে প্রবেশ অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে ২০২৪ সাল থেকে নতুন শরণার্থীদের ঢল লক্ষ্য করা গেছে এবং তাদের বায়োমেট্রিক নিবন্ধন কার্যক্রম চলছে।   ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মধ্যে প্রায় ৭৮ শতাংশই নারী ও শিশু। পাশাপাশি উল্লেখযোগ্যসংখ্যক মানুষ প্রতিবন্ধী, গুরুতর অসুস্থ, একক অভিভাবক বা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এসব মানুষের আইনি ও শারীরিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৭, ২০২৬ 0
ব্যাটারিচালিত টমটম ও অন্যান্য অযান্ত্রিক যানবাহনের সংখ্যা আর বাড়তে দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
এক সপ্তাহের মধ্যে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের সব অবৈধ স্থাপনা অপসারণ হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম কক্সবাজার সফরে এসে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় যোগ দেন এবং সমুদ্রসৈকতের শৃঙ্খলা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেন। তিনি জানিয়েছেন, কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতকে সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা হবে এবং সৈকতে থাকা সব অবৈধ ও অস্থায়ী স্থাপনা এক সপ্তাহের মধ্যে অপসারণ করা হবে। জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে ও নবগঠিত বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।   স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, ব্যাটারিচালিত টমটম ও অন্যান্য অযান্ত্রিক যানবাহনের সংখ্যা আর বৃদ্ধি পাবে না। ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য অতিরিক্ত জনবল সরবরাহ করা হবে এবং লাইসেন্সের নিয়মকানুন কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হবে।   তিনি বলেন, সৈকতকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, ময়লা-আবর্জনা অপসারণ এবং পর্যটকদের জন্য অসুবিধাজনক কর্মকাণ্ড বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কক্সবাজার শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে, যা পুলিশ প্রশাসনের নেতৃত্বে বাস্তবায়ন করা হবে।   স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতায় কক্সবাজারে আইন-শৃঙ্খলা ও সার্বিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৯, ২০২৬ 0
কক্সবাজার শহরের কলাতলী আদর্শগ্রামে গ্যাসপাম্পে বিস্ফোরণের পর আগুন ছড়িয়ে পড়েছে আশপাশের ঘরবাড়িতে। বুধবার রাতের চিত্র। ছবি: সংগৃহীত
কক্সবাজারে এলপিজি পাম্পে ভয়াবহ বিস্ফোরণ: আগুনে ঘরবাড়ি পুড়ে আতঙ্ক

কক্সবাজার শহরের কলাতলী এলাকায় একটি এলপিজি গ্যাসপাম্পে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার রাত আনুমানিক নয়টার দিকে কলাতলী বাইপাস সড়কের আদর্শগ্রাম এলাকায় অবস্থিত এন আলম এলপিজি গ্যাসপাম্প-এ এ বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের পর আগুন দ্রুত আশপাশের বসতবাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে এবং এলাকায় তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।   প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যার পর গ্যাসপাম্পের ট্যাংক থেকে গ্যাস লিকেজ হয়ে আগুন ধরে যায়। পাম্পের কর্মচারীরা বালু ও পানি ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। কিছুক্ষণ পর ট্যাংকে জমে থাকা গ্যাসে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে এবং আগুন পুনরায় ছড়িয়ে পড়ে।   ঘটনাস্থলের আশপাশে অন্তত পাঁচ শতাধিক বসতবাড়ি রয়েছে। পাশাপাশি পশ্চিম দিকে অবস্থিত কলাতলী হোটেল–মোটেল জোন এলাকায় প্রায় দুই শতাধিক হোটেল ও রেস্তোরাঁ রয়েছে। বিস্ফোরণের আগুন রাত ১১টার মধ্যে প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের তীব্রতায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম উদ্বেগ তৈরি হয় এবং অনেকে পাহাড়ি এলাকায় নিরাপদ আশ্রয় নেন।   আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এর সাতটি ইউনিট এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সদস্যরা। রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি বলে জানান অলক বিশ্বাস।   স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন আগে চালু হওয়া এই পাম্পে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার লিটার এলপিজি গ্যাস মজুত ছিল। বিস্ফোরণের ফলে ট্যাংক থেকে গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে এবং আশপাশের অনেক ঘরবাড়ি আগুনে পুড়ে যায়। ঘরের ভেতরে থাকা গ্যাস সিলিন্ডারগুলোও থেমে থেমে বিস্ফোরিত হতে থাকে।   ঘটনার পর রাত আটটা থেকে ওই এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রয়েছে। ফলে হোটেল–মোটেল জোনের অন্তত দুই শতাধিক স্থাপনা অন্ধকারে রয়েছে। স্থানীয়দের কেউ কেউ ধারণা করছেন, এটি নাশকতামূলক ঘটনা হতে পারে, তবে কর্তৃপক্ষ এখনো বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।   এ ঘটনায় প্রায় ১০ থেকে ১২ জন দগ্ধ হয়েছেন বলে জানা গেছে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।   কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনার পর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সম্মানজনক ও নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রচেষ্টা জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ানের পুত্র নেকমেতিন বিলাল এরদোয়ান। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের নিজ জন্মভূমি মিয়ানমারে নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।   বাংলাদেশ সফরের দ্বিতীয় দিনে বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশেষ বিমানে কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছান বিলাল এরদোয়ানের নেতৃত্বে তুরস্কের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল। তাঁর সঙ্গে ছিলেন জার্মানির বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার মেসুত ওজিল এবং তুরস্কের সহযোগিতা ও সমন্বয় সংস্থা (TIKA)-এর চেয়ারম্যান আরন আবদুল্লাহ।   বিমানবন্দরে প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানান কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মান্নান এবং পুলিশ সুপার এ.এন.এম সাজেদুর রহমান। পরে তারা শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কার্যালয়ে কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।   সাক্ষাৎ শেষে গণমাধ্যমকে সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে বিলাল এরদোয়ান বলেন, ২০১৭ সালে রোহিঙ্গা সংকট শুরুর পর থেকে শিক্ষা ও মানবিক সহায়তাসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে তুরস্ক সরকার রোহিঙ্গাদের পাশে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এই সহায়তা অব্যাহত থাকবে। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, তুরস্ক সরকার ও জনগণ সবসময় রোহিঙ্গা শরণার্থীদের পাশে থাকবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাদের অধিকারের পক্ষে সোচ্চার ভূমিকা রাখবে।   ব্রিফিং শেষে প্রতিনিধি দলটি সড়কপথে উখিয়ার রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শনে যান। সফরসূচিতে ক্যাম্প-৯–এ তুরস্কের ফিল্ড হাসপাতাল এবং ক্যাম্প-১৬–এ টিকার সহায়তায় পরিচালিত শিক্ষা ও সংস্কৃতি কেন্দ্র পরিদর্শন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আয়োজিত প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, ফুটবল টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান এবং পবিত্র রমজান মাসের প্রথম ইফতার কর্মসূচিতেও অংশগ্রহণ করবেন তারা।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
মরদেহ
টেকনাফ সৈকতে ভেসে এলো নারী ও পুরুষের মরদেহ

কক্সবাজারের টেকনাফ সমুদ্রসৈকতে জোয়ারের পানিতে ভেসে আসা অজ্ঞাতপরিচয় দুই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন লম্বরী ও মিঠাপানিরছড়া সৈকতের পৃথক দুটি স্থান থেকে এই মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে একজন নারী ও একজন পুরুষ রয়েছেন। সৈকতের বালুচরে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় জেলেরা পুলিশে খবর দিলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।   কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অলক বিশ্বাস ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সকালে জোয়ারের স্রোতে মরদেহ দুটি তীরের আলাদা স্থানে ভেসে আসে। স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়। উদ্ধার হওয়া মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির কাজ চলছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য এগুলোকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হয়েছে।   পুলিশের প্রাথমিক তথ্যমতে, নিহতদের পরিচয় এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তাদের পরিচয় নিশ্চিত করতে এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে পুলিশের বিশেষ টিম কাজ শুরু করেছে। এটি কি কোনো নিছক দুর্ঘটনা নাকি এর পেছনে অন্য কোনো রহস্য রয়েছে, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এই ঘটনার পর মেরিন ড্রাইভ ও সংলগ্ন সৈকত এলাকায় নিরাপত্তা টহল জোরদার করা হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
মাসিক ১৮১৮ টাকায় আকাশপথে কক্সবাজার ভ্রমণের সুযোগ
মাসিক ১৮১৮ টাকায় আকাশপথে কক্সবাজার ভ্রমণের সুযোগ

বেসরকারি বিমান সংস্থা নভোএয়ার কক্সবাজার ভ্রমণে আকর্ষণীয় একটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। মাত্র ১,৮১৮ টাকা মাসিক কিস্তিতে দুই রাতের এই ভ্রমণ সুবিধা পাওয়া যাবে। অফারটি আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত চালু থাকবে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।   এই প্যাকেজটি নিতে হলে অন্তত দুইজনের জন্য বুকিং করতে হবে। প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত সুবিধার মধ্যে রয়েছে কক্সবাজারে যাওয়া-আসার বিমান টিকিট (সব ধরনের ট্যাক্স ও সারচার্জসহ), হোটেলে থাকা, বিমানবন্দর থেকে হোটেলে যাতায়াত এবং সাহ্‌রি অথবা ইফতারের ব্যবস্থা।   ছয় মাসে কিস্তিতে অর্থ পরিশোধ করা যাবে এবং এ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কোনো সার্ভিস চার্জ বা সুদ দিতে হবে না। দেশের শীর্ষ ২৪টি ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তির আওতায় সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে গ্রাহকেরা এ প্যাকেজ কিনতে পারবেন।   ভ্রমণকারীরা কক্সবাজারের ১৫টি হোটেলের মধ্যে নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী আবাসন বেছে নিতে পারবেন। নির্বাচিত হোটেলের ধরন ও রুমের মান অনুযায়ী প্যাকেজের মূল্য পরিবর্তিত হবে। তালিকাভুক্ত হোটেলের মধ্যে রয়েছে সি প্যালেস, উইনডি টেরেস, গ্রেস কক্স স্মার্ট হোটেল, হোটেল কল্লোল, নিসর্গ হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট, বেস্ট ওয়েস্টার্ন হেরিটেজ, বেস্ট ওয়েস্টার্ন বে হিল, কক্স টুডে, লং বিচ হোটেল, ওশান প্যারাডাইস, গ্রিন নেচার রিসোর্ট অ্যান্ড সুইট, সীগাল হোটেল, রামাদা, ডেরা রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা এবং সি পার্ল বিচ রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা।   এ ছাড়া নভোএয়ারের ফ্রিকোয়েন্ট ফ্লায়ার প্রোগ্রাম ‘স্মাইলস’-এর সদস্যরা ভ্রমণের মাধ্যমে পয়েন্ট অর্জন করতে পারবেন। নির্দিষ্ট পরিমাণ পয়েন্ট জমা হলে তারা বিনামূল্যে টিকিটসহ বিভিন্ন সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। অংশীদার বিভিন্ন ব্র্যান্ড থেকেও বিশেষ ছাড় পাওয়া যাবে। নভোএয়ারের ওয়েবসাইটে নিবন্ধনের মাধ্যমে সহজেই স্মাইলস সদস্য হওয়া যায়।   বর্তমানে নভোএয়ার ঢাকা থেকে কক্সবাজার ছাড়াও চট্টগ্রাম, সিলেট ও সৈয়দপুর রুটে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
শাহজাহান চৌধুরী
ঋণ খেলাপিদের মনোনয়ন দেওয়া দলগুলোর লজ্জা হওয়া উচিত: শাহজাহান চৌধুরী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কক্সবাজার-১ আসনের রাজনৈতিক ময়দান এখন টালমাটাল। গত সোমবার চকরিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ১১ দলীয় জোট মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল ফারুকের শেষ নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী তীব্র আক্রমণাত্মক বক্তব্য দেন।   সাবেক এই সংসদ সদস্য বলেন, "এই নির্বাচনে যারা চিহ্নিত ঋণখেলাপি ও ব্যাংক লুটেরাদের মনোনয়ন দিয়েছে, তাদের ন্যূনতম রাজনৈতিক লজ্জা হওয়া উচিত। জামায়াতে ইসলামী এমন এক সংগঠন যেখানে কোনো চাঁদাবাজ বা লুটেরার ঠাঁই নেই।" তিনি ভোটারদের আশ্বস্ত করে বলেন, ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়েই দেশে ভয়ের রাজনীতির কবর রচিত হয়েছে, তাই কোনো হুমকি-ধমকিতে জনগণ কান দেবে না।   জনসভায় প্রধান বক্তা হিসেবে প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল ফারুক চকরিয়া ও পেকুয়ার উন্নয়নের একটি বিশাল ‘রোডম্যাপ’ পেশ করেন। তিনি নির্বাচিত হলে তার প্রধান কাজগুলোর মধ্যে থাকবে: পেকুয়ায় একটি সরকারি কলেজ ও সোনালী ব্যাংক স্থাপন। চট্টগ্রাম-ক্সবাজার মহাসড়ককে আধুনিক ৬ লেনে উন্নীত করা। উপকূলীয় ইউনিয়নগুলো নিয়ে ‘মাতামুহুরী’ নামে একটি পূর্ণাঙ্গ নতুন উপজেলা গঠন। চকরিয়ায় একটি আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ। লবণ চাষিদের ওপর দীর্ঘদিনের সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা।   আব্দুল্লাহ আল ফারুক ঘোষণা করেন যে, তার লক্ষ্য একটি রাজনৈতিক প্রতিহিংসামুক্ত জনপদ গড়ে তোলা যেখানে প্রতিটি মানুষ মর্যাদা নিয়ে বাস করবে। তিনি ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি সব ভয়ভীতি উপেক্ষা করে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে এই জনপদের আমূল পরিবর্তন নিশ্চিত করতে হবে। কক্সবাজার জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আখতার আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিশিষ্ট ইসলামী গবেষক মাওলানা আলী হাসান ওসামাসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। কয়েক হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতিতে চকরিয়ার এই শেষ জনসভাটি এক বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0
৯ বছর বয়সী শিশু হুজাইফা আর বেঁচে নেই
মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে আহত ৯ বছর বয়সী শিশু হুজাইফা আর বেঁচে নেই

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং তেচ্ছি ব্রিজ এলাকায় মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ছোঁড়া গুলিতে আহত ৯ বছর বয়সী শিশু হুজাইফা সুলতানা আফনানকে বাঁচানো যায়নি। শনিবার সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।   হুজাইফার মা সাবেকুন নাহার ও চাচা শওকত আলী মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তারা জানান, গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর থেকেই হুজাইফা রাজধানীর জাতীয় ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল।   এর আগে গত ১১ জানুয়ারি হোয়াইক্যং তেচ্ছি ব্রিজ এলাকায় বাবা জসিম উদ্দিনের সঙ্গে বাড়ি ফেরার পথে মিয়ানমার প্রান্ত থেকে ছোঁড়া গুলিতে গুরুতর আহত হয় শিশু হুজাইফা। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে উখিয়ার গয়ালমারা এলাকার একটি এনজিও হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।   চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অ্যানেস্থেশিয়া ও আইসিইউ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক হারুন অর রশিদ সে সময় গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, অস্ত্রোপচার করা হলেও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার কারণে হুজাইফার মস্তিষ্কে ঢুকে যাওয়া গুলিটি বের করা সম্ভব হয়নি। তবে মস্তিষ্কের চাপ কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য হুজাইফাকে ঢাকার জাতীয় ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দীর্ঘ চিকিৎসা চললেও শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর কাছে হার মানে শিশুটি।   প্রতিবেদক: শ্যামল সান্যাল

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি
টেকনাফ সীমান্তে আরাকান আর্মির গুলি, বাংলাদেশি দুই কিশোর আহত

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে আরাকান আর্মির ছোঁড়া গুলিতে বাংলাদেশি দুই কিশোর আহত হয়েছে। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে উখিয়ার এমএসএফ হাসপাতালে ভর্তি করেছে।     মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের জিমংখালী ও কাঞ্জর পাড়ার মাঝামাঝি নাফ নদী সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।    আহত কিশোরা হলো- টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কাঞ্জর পাড়ার শেখ কামালের ছেলে মো. সোহেল (১৬) এবং একই এলাকার মো. ইউনুসের ছেলে মো. আব্দুল্লাহ (১৭)।   স্থানীয়দের বরাত দিয়ে হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক খোকন চন্দ্র রুদ্র জানান, সকালে স্থানীয় কিশোর সোহেল ও ওবায়দুল্লাহ নাফ নদীর জিমংখালী ও কাঞ্জর পাড়ার মাঝামাঝি সীমান্তে যায়। এক পর্যায়ে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির ছোঁড়া গুলিতে ওই দুই কিশোর গুলিবিদ্ধ হয়। তাদের মাথা, হাত ও পায়ে গুলি লেগেছে।    তিনি বলেন, তবে আঘাতের ধরণ দেখে ধারণা করা হচ্ছে, গুলির আঘাত কোনো ভারী অস্ত্রের নয়।   এর আগে ১৩ জানুয়ারি টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের তেচ্ছিব্রিজ সীমান্তে আরাকান আর্মির ছোঁড়ার গুলিতে সুমাইয়া হুজাইফা (১১) নামের এক শিশু গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়। বর্তমানে সে ঢাকায় চিকিৎসাধীন। তার পরের দিন ওই এলাকায় মিয়ানমারের পোঁতা ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে এক বাংলাদেশি যুবক পা হারান।

ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ২৭, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব কি বন্ধ? ইউএস ইমিগ্রেশন ওয়েবসাইটে কী বলা আছে

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড পাওয়ার নিয়ম বন্ধ হয়ে গেছে। তবে মার্কিন ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ইউএস সিটিজেনশিপ এন্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিস  এর অফিসিয়াল তথ্য অনুযায়ী এই দাবি সঠিক নয়। সংস্থাটি জানিয়েছে, বিয়ের মাধ্যমে এখনও গ্রীন কার্ড এবং পরে নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ রয়েছে, তবে আবেদনকারীদের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং বর্তমানে যাচাই-বাছাই আগের তুলনায় বেশি কঠোর করা হয়েছে। ইউএসসিআইএসের নিয়ম অনুযায়ী, একজন মার্কিন নাগরিক বা গ্রীন কার্ডধারী তার স্বামী বা স্ত্রীর জন্য পারিবারিক ভিত্তিতে অভিবাসনের আবেদন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে প্রথমে বৈধ বিয়ের প্রমাণসহ আবেদন জমা দিতে হয়। আবেদন অনুমোদিত হলে বিদেশি স্বামী বা স্ত্রী গ্রীন কার্ড পেতে পারেন এবং স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি পাবেন। সাধারণত মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করলে প্রক্রিয়া তুলনামূলক দ্রুত হয়, আর গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করলে অপেক্ষার সময় কিছুটা বেশি হতে পারে। গ্রীন কার্ড পাওয়ার পর নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার নিয়মও আগের মতোই রয়েছে। ইমিগ্রেশন নীতিমালা অনুযায়ী, যদি কেউ মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করে গ্রীন কার্ড পান এবং কমপক্ষে তিন বছর একসাথে বসবাস করেন, তাহলে তিনি নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারেন। আর যদি গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করেন, তাহলে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে পাঁচ বছর পূর্ণ হলে নাগরিকত্বের আবেদন করা যায়। ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে বেশি সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে, অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া হচ্ছে এবং যৌথ ব্যাংক হিসাব, বাসার ঠিকানা, ট্যাক্স নথি ও পারিবারিক প্রমাণ জমা দিতে হচ্ছে। ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে সুবিধা নেওয়া ঠেকাতে এই যাচাই-বাছাই বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া আবেদন প্রক্রিয়ায় সময় বেশি লাগার কারণেও অনেকের মধ্যে ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে যে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড বন্ধ হয়নি। তবে বর্তমানে আবেদন প্রক্রিয়া কঠোর হয়েছে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে বৈধ বিবাহ, একসাথে বসবাস এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রমাণ করা বাধ্যতামূলক।

Top week

বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?
আমেরিকা

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ২৫, ২০২৬ 0