সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার

নিকি মিনাজ

ডোনাল্ড ট্রাম্প, নিকি মিনাজ
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি হিসেবে নিকি মিনাজকে নিয়োগের প্রস্তাবে সায় ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসের পরবর্তী প্রেস সেক্রেটারি হিসেবে জনপ্রিয় র‍্যাপ শিল্পী নিকি মিনাজকে নিয়োগ দেওয়ার প্রস্তাবকে ভালো ধারণা বলে মন্তব্য করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ফ্লোরিডায় দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে চিন্তাভাবনা করবেন। তবে নিকি মিনাজকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই পদে নিয়োগের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে কিংবা তাঁকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে, এমন কোনো ঘোষণা দেয়নি হোয়াইট হাউস। আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে গুরুত্বপূর্ণ পদটি শূন্য থাকায় ট্রাম্পের এই মন্তব্য নতুন করে আলোচনায় এসেছে।   ডানপন্থী রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও অনলাইন উপস্থাপক বেনি জনসনের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে নিকি মিনাজের প্রসঙ্গ ওঠে। জনসন জানতে চান, জনপ্রিয় এই র‍্যাপ শিল্পীকে হোয়াইট হাউসের পরবর্তী প্রেস সেক্রেটারি করা উচিত কি না। জবাবে ট্রাম্প বলেন, এটি ভালো ধারণা এবং বিষয়টি নিয়ে তিনি ভাববেন। পরক্ষণেই জনসনকে উদ্দেশ করে ট্রাম্প মন্তব্য করেন, তিনিও এই দায়িত্ব ভালোভাবে পালন করতে পারবেন।   ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের পর নিকি মিনাজকে নিয়ে শুরু হওয়া আলোচনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। তবে সাক্ষাৎকারে তাঁর বক্তব্য ছিল হালকা মেজাজের কথোপকথনের অংশ। প্রেসিডেন্ট কোনো আনুষ্ঠানিক নিয়োগপ্রক্রিয়া, সম্ভাব্য সাক্ষাৎকার কিংবা সিদ্ধান্তের সময়সূচির কথা জানাননি। ফলে তিনি সত্যিই মিনাজকে নিয়োগের কথা ভাবছেন, নাকি কেবল উপস্থাপকের প্রস্তাবে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, তা এখনো পরিষ্কার নয়।   হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি পদটি গত কয়েক মাস ধরে আলোচনায় রয়েছে। গত ২৭ আগস্ট দায়িত্ব ছাড়েন ক্যারোলিন লিভিট। এরপর প্রায় ৪৫ দিন পদটি শূন্য ছিল। অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে কেটি জাকারিয়াকে নতুন প্রেস সেক্রেটারি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। কিন্তু দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় তাঁকে পদ ছাড়তে হয়। এরপর থেকে আবারও স্থায়ী প্রেস সেক্রেটারি ছাড়াই চলছে হোয়াইট হাউসের নিয়মিত যোগাযোগ কার্যক্রম।   কেটি জাকারিয়া ১৩ অক্টোবর হোয়াইট হাউসে প্রথম আনুষ্ঠানিক সংবাদ ব্রিফিং করেন। প্রায় ১৪ মিনিটের ওই ব্রিফিংয়ের পর তাঁর পেশাগত অভিজ্ঞতা ও আইনজীবী পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধানে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো অঙ্গরাজ্যে তাঁর আইন পেশা পরিচালনার অনুমোদনের নথি পাওয়া যায়নি। পরে ট্রাম্প জানান, তিনি জাকারিয়াকে দায়িত্বটি পুনর্বিবেচনা করতে বলেছিলেন। ১৬ অক্টোবর তাঁর দায়িত্ব ছাড়ার খবর নিশ্চিত হয়।   এই পরিস্থিতিতে নিকি মিনাজকে পরবর্তী প্রেস সেক্রেটারি করার আলোচনা প্রথম সামনে আসে হোয়াইট হাউসের কমিউনিকেশনস ডিরেক্টর স্টিভেন চেউংয়ের একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্ট থেকে। গত ২৫ অক্টোবর এয়ার ফোর্স ওয়ানে নিকি মিনাজের সঙ্গে ধারণ করা একটি ভিডিও প্রকাশ করেন তিনি। ভিডিওতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অর্থনৈতিক নীতি ও নেতৃত্বের প্রশংসা করতে দেখা যায় র‍্যাপ শিল্পীকে। পোস্টের সঙ্গে চেউং রসিকতার সুরে মন্তব্য করেন, সম্ভবত হোয়াইট হাউসের নতুন প্রেস সেক্রেটারি পাওয়া গেছে।   চেউংয়ের ওই পোস্টে মার্কিন পতাকা ও হাসির ইমোজি দিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান নিকি মিনাজ। এরপর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে সম্ভাব্য প্রেস সেক্রেটারি হিসেবে নিয়ে আলোচনা ছড়িয়ে পড়ে। তবে চেউংয়ের মন্তব্য ছিল অনানুষ্ঠানিক। সেটিকে নিয়োগের ঘোষণা কিংবা হোয়াইট হাউসের আনুষ্ঠানিক অবস্থান হিসেবে নিশ্চিত করা যায়নি।   একই দিন মিশিগানের পোর্ট হুরন শহরে রিপাবলিকান প্রার্থীদের সমর্থনে আয়োজিত নির্বাচনি সমাবেশে ট্রাম্পের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন নিকি মিনাজ। সেখানে তিনি প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন এবং তাঁর প্রতি রাজনৈতিক সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। সমাবেশে ট্রাম্পও মিনাজের উপস্থিতির কথা উল্লেখ করে তাঁকে মঞ্চে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেন। মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে এই উপস্থিতি র‍্যাপ শিল্পীর রাজনৈতিক অবস্থানকে আবারও আলোচনায় আনে।   নিকি মিনাজ দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সংগীতজগতের পরিচিত মুখ। ত্রিনিদাদ ও টোবাগোতে জন্ম নেওয়া এই শিল্পী ছোটবেলায় যুক্তরাষ্ট্রে যান। র‍্যাপ সংগীতের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাঁর বিপুলসংখ্যক অনুসারী রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি ট্রাম্পের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়ে আসছেন। তবে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী হিসেবে পরিচিতি থাকা এবং হোয়াইট হাউসের সরকারি মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করা সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়।   হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারির প্রধান দায়িত্ব হলো প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্ত, প্রশাসনিক নীতি ও সরকারি কার্যক্রম সম্পর্কে সাংবাদিকদের তথ্য দেওয়া। নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিং, গণমাধ্যমের প্রশ্নের জবাব এবং প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক অবস্থান তুলে ধরাও এই পদের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ফলে এই দায়িত্ব পালনের জন্য সরকারি নীতি, রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং গণমাধ্যমের সঙ্গে যোগাযোগের দক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ।   এদিকে পরবর্তী প্রেস সেক্রেটারি কে হতে পারেন, তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক মহলে আরও কয়েকটি নাম আলোচনায় রয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রিন্সিপাল ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আনা কেলি, রাজনৈতিক বিশ্লেষক স্কট জেনিংস, হ্যারিসন ফিল্ডস, মার্গো মার্টিন ও নাটালি হার্প। তবে তাঁদের কাউকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে হোয়াইট হাউস আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানায়নি।   অনলাইন পূর্বাভাসভিত্তিক বেটিং প্ল্যাটফর্ম কালশি ও পলিমার্কেটেও পরবর্তী প্রেস সেক্রেটারি নিয়ে লেনদেন চলছে। প্রকাশিত প্রতিবেদনে আনা কেলিকে ঘিরে তুলনামূলক বেশি লেনদেনভিত্তিক সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে নিকি মিনাজের ক্ষেত্রে এই হার অনেক কম। তবে এসব প্ল্যাটফর্মের সংখ্যা সরকারি নিয়োগপ্রক্রিয়ার তথ্য নয়। লেনদেনকারীদের ধারণা ও বাজারের পরিস্থিতির ওপর এগুলো পরিবর্তিত হতে পারে।   এ বিষয়ে শনিবার হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র স্টিভেন চেউং নিউজউইককে জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তাঁর দল বর্তমানে মধ্যবর্তী নির্বাচনকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। চেউংয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, ট্রাম্প নিজেই প্রশাসনের নীতি ও রাজনৈতিক বার্তা জনগণের কাছে তুলে ধরছেন। তিনি বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে গিয়ে রিপাবলিকান প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে যাবেন। তবে পরবর্তী স্থায়ী প্রেস সেক্রেটারি নিয়োগের নির্দিষ্ট সময় সম্পর্কে কোনো ঘোষণা দেননি তিনি।   আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী কংগ্রেস নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনের আগে হোয়াইট হাউসের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ পদটি শূন্য থাকলেও প্রেসিডেন্টের নির্বাচনি প্রচারণা অব্যাহত রয়েছে। প্রশাসনের একজন কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, নির্বাচনের আগে স্থায়ী নিয়োগের সিদ্ধান্ত আসার সম্ভাবনা কম। তবে এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস আনুষ্ঠানিক সময়সীমা ঘোষণা করেনি।   সব মিলিয়ে নিকি মিনাজকে হোয়াইট হাউসের পরবর্তী প্রেস সেক্রেটারি করার প্রস্তাবকে ভালো ধারণা বলে মন্তব্য করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু তাঁর মন্তব্যের পরও কোনো আনুষ্ঠানিক নিয়োগপ্রক্রিয়া শুরু হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে জনপ্রিয় র‍্যাপ শিল্পী সত্যিই হোয়াইট হাউসের মুখপাত্রের দায়িত্ব পাবেন কি না, তা এখনো অনিশ্চিত।   সূত্র: নিউজউইক

নুরুল্লাহ সাইদ অক্টোবর ৩১, ২০২৬ ১৪:০
জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

Top week

ড. ফেরদৌস সালেহীনের লেখা সূরা আল-ফাতিহার তাফসির ও জীবনের প্রতিফলনবিষয়ক নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন বা উপস্থাপনা। ছবি: সংগৃহীত

সূরা ফাতিহার সাত আয়াত যেভাবে বদলে দিল ড. ফেরদৌস সালেহীনের জীবনদৃষ্টি

অক্টোবর ২৬, ২০২৬ ১৪:০