- প্রচ্ছদ
- Topic
বাল্টিমোর
যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের বাল্টিমোর কাউন্টিতে একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একাধিক গাড়ি এবং রাস্তার পাশের একটি আবাসিক ভবনে সজোরে ধাক্কা য়েছে। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনায় বাসের যাত্রী ও ভবনের বাসিন্দাসহ অন্তত ৩৭ জন আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, গত মঙ্গলবার মেরিল্যান্ড ট্রানজিট অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (MTA) একটি যাত্রীবাহী বাস রজার্স ফোর্জ এলাকায় দ্রুত গতিতে চলার সময় হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারায়। বাসটি প্রথমে সড়কে থাকা কয়েকটি গাড়িকে পিষে দিয়ে সরাসরি রাস্তার পাশের 'রজার্স ফোর্জ অ্যাপার্টমেন্টস' নামক একটি আবাসিক ভবনের দেয়াল ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়ে। দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ এবং জরুরি উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে নিকটস্থ বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠায়। উদ্ধারকারীদের সূত্রে জানা গেছে, আহত ৩৭ জনের মধ্যে ৩ জনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। দুর্ঘটনার তীব্রতায় ভবনটির একাংশ ধসে পড়ার ঝুঁকিতে থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে ভবনের সব বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ভয়াবহ এই দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো জানা যায়নি। বাসটির কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল নাকি চালক অসুস্থ ছিলেন, তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের বাল্টিমোরে পুলিশের একটি ট্রাফিক চেকপোস্ট বা সংকেত অমান্য করে পালিয়ে যাওয়ার সময় সড়ক দুর্ঘটনায় ২০ বছর বয়সী এক মোপেড চালকের মৃত্যু হয়েছে। বাল্টিমোর পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার ঠিক কিছু আগে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ঘটনার রাতে বাল্টিমোরের ইউটা স্ট্রিটের ১০০ ব্লকে কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তারা দুটি মোপেড বা ছোট মোটরসাইকেলকে থামার জন্য সংকেত দেন। ট্রাফিক পুলিশের সংকেত পেয়ে মোপেড চালকদের একজন ঘটনাস্থলেই থেমে যান। তবে অপর চালকটি পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে তীব্র গতিতে নিজের মোপেড চালিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে ফ্র্যাঙ্কলিন স্ট্রিটের ৬০০ ব্লকে পৌঁছালে দ্রুতগতির মোপেডটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের একটি ইটের দেয়ালের সঙ্গে প্রচণ্ড জোরে ধাক্কা খায়। ধাক্কার তীব্রতায় চালক মোপেড থেকে ছিটকে রাস্তায় পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে জরুরি উদ্ধারকারী দল ও পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত তরুণকে উদ্ধার করে এবং চিকিৎসার জন্য নিকটবর্তী একটি হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বাল্টিমোর পুলিশের ক্র্যাশ টিম বা দুর্ঘটনাবিষয়ক বিশেষ তদন্ত দল ইতিমধ্যেই এই ঘটনার মূল কারণ উদঘাটনে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ প্রশাসন এই দুর্ঘটনার বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী বা অন্য কারো কাছে কোনো তথ্য থাকলে তা দিয়ে সহায়তা করার অনুরোধ জানিয়েছে। তথ্যদাতারা চাইলে নিজেদের পরিচয় গোপন রেখেও অপরাধ দমন শাখার হটলাইন নম্বরে যোগাযোগ করে তথ্য দিতে পারবেন বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
বাল্টিমোর গ্যাস অ্যান্ড ইলেকট্রিক (বিজিই) গ্রাহকদের মাসিক বিদ্যুৎ বিল গড়ে ৮ ডলার করে বাড়ানোর জন্য রাজ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে আবেদন জানিয়েছে। তীব্র দাবদাহের মধ্যে, যখন তাপমাত্রা ১০০ ডিগ্রি ছাড়িয়ে গেছে, তখনই বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানটি ম্যারিল্যান্ড পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি)-এর কাছে এই প্রস্তাব পাঠায়। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সেবা বজায় রাখতেই এই মূল্যবৃদ্ধি প্রয়োজন। ম্যারিল্যান্ড পিএসসি এই আবেদনটি পর্যালোচনা করে দেখবে এবং নতুন এই বিদ্যুৎ বিলের হার ২০২৭ সালের শুরুর দিকে কার্যকর হতে পারে। তবে এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করার আগে সাধারণ জনগণের মতামত ও ইনপুট নেওয়ার সুযোগ থাকবে বলে জানা গেছে। গ্রাহকদের ওপর বাড়তি খরচের চাপ কমাতে বিজিই একটি বিশেষ বিনিয়োগ কৌশলও এই ফাইলে যুক্ত করেছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, গ্রাহকদের নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা দেওয়ার জন্য সর্বনিম্ন যেটুকু বিনিয়োগের প্রয়োজন, তা মাথায় রেখেই এই আবেদন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ফ্লেক্সপে (FlexPay) প্রস্তাবনা, যা গ্রাহকদের বিদ্যুৎ খরচের ওপর আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ দেবে। বিজিই জানিয়েছে, তারা গ্রাহকদের আর্থিক সক্ষমতার কথা বিবেচনা করে এর আগে এই আবেদন জমা দেওয়া বিলম্বিত করেছিল। এছাড়া বড় প্রকল্পগুলো স্থগিত রেখে শুধু জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজে ব্যয় সীমিত রাখা হয়েছিল। বিজিই’র প্রেসিডেন্ট ও সিইও তামলা অলিভিয়ার বলেন, "এই মুহূর্তে আমাদের গ্রাহকদের কাছে সাশ্রয়ী মূল্যই সবচেয়ে বড় বিষয়। জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের কারণে গ্রাহকেরা যে চাপের মধ্যে আছেন, তা আমরা বুঝতে পারছি। সেই কারণেই আমরা বড় পরিকল্পনাগুলো স্থগিত রেখেছি এবং শুধু অতিপ্রয়োজনীয় কাজগুলো চালু রেখেছি।" তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, বিদ্যুৎ ব্যবস্থার রক্ষণাবেক্ষণ পুরোপুরি বন্ধ করার কোনো সুযোগ নেই। দীর্ঘ সময় ধরে প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ না করলে ভবিষ্যতে ঘন ঘন লোডশেডিং, দীর্ঘস্থায়ী বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং জরুরি মেরামতের কারণে গ্রাহকদের আরও বেশি মাশুল গুনতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যে অবৈধভাবে সিগারেট চোরাচালান এবং জাল স্ট্যাম্প ব্যবহার করে বিপুল পরিমাণ ট্যাক্স বা কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগে সাদ আল কুতাইবি (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সাথে আদালত তাকে রাজ্য সরকারকে ৬৮ হাজার ডলারেরও বেশি (বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় ৮০ লাখ টাকা) ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। মঙ্গলবার (১৬ জুন) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস বাল্টিমোরের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, বাল্টিমোরের বাসিন্দা সাদ আল কুতাইবি রাজ্যে ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে অবৈধ সিগারেট আমদানি এবং কর জاليةতির ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার কথা আদালতে স্বীকার করেছেন। তার বিরুদ্ধে ট্যাক্স স্ট্যাম্প জাল করা এবং বিপুল পরিমাণ অবৈধ সিগারেট মজুত রাখার অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে ৩০ দিনের কারাদণ্ড এবং বড় অঙ্কের এই জরিমানা করেন। তদন্তকারীরা জানান, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর মাসের মধ্যে আল কুতাইবি নর্থ ক্যারোলাইনা থেকে ট্যাক্স ছাড়া কম দামে সিগারেট কিনে মেরিল্যান্ডে নিয়ে আসতেন। এরপর সেখানে আসল ট্যাক্স স্ট্যাম্পের মতো দেখতে শত শত নকল বা জাল স্ট্যাম্প ব্যবহার করে প্রতি প্যাকেটে ৫ ডলার করে সরকারি ট্যাক্স ফাঁকি দিতেন। পরবর্তীতে সেই সিগারেটগুলো সাধারণ ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করে তিনি বিপুল টাকা হাতিয়ে নিতেন। গোয়েন্দা পুলিশ বাল্টিমোরে তার প্রধান আস্তানায় তল্লাশি চালিয়ে ৮ হাজারেরও বেশি ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়া সিগারেটের প্যাকেট এবং প্রচুর জাল স্ট্যাম্প উদ্ধার করে। মেরিল্যান্ডের অ্যালকোহল, টোব্যাকো অ্যান্ড ক্যানাবিস কমিশনের (এটিসিসি) নির্বাহী পরিচালক জেфরি এ. কেলি বলেন, "সিগারেটের ওপর ট্যাক্স ধরা হয় মূলত জনস্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে, যাতে অপ্রাপ্তবয়স্করা সহজে তামাকজাত পণ্য কিনতে না পারে এবং ধূমপানজনিত রোগের দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা খরচ চালানো যায়। এই সফল অভিযানের ফলে জاليةতি করে ব্যবসায়ীদের ঠকানোর পথ বন্ধ হলো।" অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যান্থনি ব্রাউন সতর্ক করে বলেন, যারা সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ও জালিয়াতি করে নিজেদের পকেট ভারী করতে চাইবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে প্রশাসন সবসময় কঠোর থাকবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।