আসিফ নজরুল

মহানবী (সা.)–এর জীবনী লিখতে চান আসিফ নজরুল
মহানবী (সা.)–এর জীবনী লিখতে চান আসিফ নজরুল

সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল সহজ ভাষায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)–এর জীবনী লেখার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। শনিবার (৭ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।   পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, কয়েক বছর আগে হজ পালন করার পর ধর্মীয় বিষয়ে জানার প্রতি তার আগ্রহ বেড়ে যায়। সে সময় তিনি মহানবী (সা.)–এর জীবনী নিয়ে বেশ কয়েকটি বই পড়েন এবং সেখান থেকেই সহজ ভাষায় নবীজির জীবন ও কর্ম নিয়ে একটি বই লেখার প্রবল ইচ্ছা তার মনে জন্ম নেয়।   আসিফ নজরুল বলেন, সম্ভাব্য বইটিতে তিনি শুধু ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ নয়, মানুষের পথপ্রদর্শক হিসেবে মহানবী (সা.)–এর ভূমিকার পাশাপাশি ব্যবসা, যুদ্ধ পরিচালনা, কূটনীতি, রাষ্ট্র পরিচালনা ও মানবাধিকারের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে তার অসামান্য সাফল্য তুলে ধরতে চান।   তবে তিনি স্বীকার করেন, এটি একটি বড় ও কঠিন কাজ। তবুও সাহস করে তিনি এ বিষয়ে প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেছিলেন। কিন্তু দেশে সরকার পরিবর্তনের পর তার ব্যক্তিগত জীবনেও বড় পরিবর্তন আসে, ফলে লেখালেখি তো দূরের কথা, বিষয়টি নিয়ে ভাবার মতো সময়ও তিনি পাননি।   বর্তমানে আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আল্লাহর রহমতে তার মনে সেই পুরোনো ইচ্ছা আবার জেগে উঠেছে এবং ইনশাআল্লাহ তিনি কাজটি শুরু করবেন। পোস্টের শেষে তিনি সবার কাছে দোয়া কামনা করেন।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৭, ২০২৬ 0
অধ্যাপক আসিফ নজরুল। ছবি: সংগৃহীত
আমেরিকায় বাড়ির গুজব, স্বজনপ্রীতির অভিযোগ—সবকিছুই মিথ্যা: আসিফ নজরুল

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল তার বিরুদ্ধে ছড়ানো দুর্নীতির অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন।   সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, এক বছর আগে ইউটিউবে একটি গুজব ছড়ানো হয় যে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি কিনেছেন এবং পরিবারসহ সেখানে চলে গেছেন। কিন্তু তিনি জানান, এমন কোনো সম্পত্তি তার নেই।   তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে কেউ বাড়ি কিনলে তার রেকর্ড থাকে এবং তা গোপন রাখা সম্ভব নয়। এ বিষয়ে তিনি সাংবাদিক, ইউটিউবার ও সংশ্লিষ্টদের চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলেন—যদি যুক্তরাষ্ট্রে তার বাড়ির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়, তা প্রকাশ করতে।   তার দাবি, এই চ্যালেঞ্জ দেওয়ার প্রায় আট মাস পার হলেও কেউ তার নামে যুক্তরাষ্ট্রে কোনো বাড়ি বা সম্পত্তির প্রমাণ দেখাতে পারেনি। তিনি বলেন, বাংলাদেশ তো দূরের কথা, বিশ্বের অন্য কোনো দেশেও তার কোনো বাড়ি বা সম্পত্তি নেই।   আসিফ নজরুল আরও বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিদায়ের পর হঠাৎ করে তার ও কয়েকজন সহকর্মীর বিরুদ্ধে নতুন করে দুর্নীতির গুজব ছড়ানো শুরু হয়েছে। প্রথমে কিছু অনলাইন মাধ্যমে এসব প্রচারিত হয়, পরে তা বিভিন্ন মাধ্যমে কপি করে ছড়ানো হয়।   ফেসবুক পোস্টে তিনি তিনটি বিষয়ের ওপর জোর দেন— প্রথমত, তিনি দাবি করেন, জীবনে কখনো কোনো ধরনের দুর্নীতি করেননি। সরকারি দায়িত্বে থাকাকালে বা অন্য সময়েও তিনি এক টাকাও দুর্নীতি করেননি এবং তার কোনো নতুন ব্যাংক হিসাব বা সম্পদ তৈরি হয়নি।   দ্বিতীয়ত, তিনি স্বজনপ্রীতির অভিযোগও অস্বীকার করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সরকারি দায়িত্বে থাকাকালে প্রায় পাঁচ হাজার আইন কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হলেও সেখানে তার কোনো আত্মীয়কে নিয়োগ দেওয়া হয়নি।   তৃতীয়ত, তিনি এলাকাপ্রীতির অভিযোগও নাকচ করেন। উপদেষ্টা থাকাকালে তিনি নিজের গ্রাম বা বেড়ে ওঠা এলাকায় যাননি বলেও উল্লেখ করেন। তবে নিয়ম মেনে লালবাগ শাহী মসজিদের উন্নয়ন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠ উন্নয়নে অনুদান আনতে সহায়তা করেছেন বলে জানান।   পোস্টের শেষাংশে তিনি বলেন, বহু বছর ধরে তার বিরুদ্ধে নানা ধরনের অপবাদ দেওয়া হয়েছে, তবে তিনি বিশ্বাস করেন সত্য শেষ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠিত হবে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৪, ২০২৬ 0
আসিফ নজরুল।
হেয়ার রোডের সরকারি বাসা ছাড়ছেন আসিফ নজরুল

অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা হিসেবে রাজধানীর হেয়ার রোডের যে সরকারি বাসায় ছিলেন আসিফ নজরুল, নতুন সরকার দায়িত্বগ্রহণ করায় সেটি ছাড়ছেন তিনি। বৃহস্পতিবার নিজের ফেসবুক পোস্টে বাসা ছাড়ার কথা জানিয়ে তিনি লেখেন, বাসাটির প্রতি মায়া জন্মে গেছে।   আসিফ নজরুল লিখেছেন, হেয়ার রোডের এই বাসায় ওঠার সময় জায়গাটি খুব বড় হওয়ায় আপন মনে হয়নি এবং শুরুতে সবার মন খারাপ ছিল। সরকারি বাসায় ওঠার কারণে সন্তানদেরও মন খারাপ হয়েছিল, কারণ ফুলার রোডের বন্ধুদের থেকে তারা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।   তবে বাসা ছাড়ার সময় এই জায়গার প্রতি মায়া তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি লেখেন, দু-একদিনের মধ্যে তারা বাসাটি ছেড়ে যাবেন। ঝোপঝাড়, রোদ-ছায়া, চিলের ডানা আর বিশাল আকাশের জন্য এই বাসার প্রতি আলাদা মায়া অনুভব করছেন বলে জানান তিনি। পোস্টের শেষাংশে তিনি লেখেন, বিদায় হেয়ার রোড।   অন্তর্বর্তী সরকারে আইন উপদেষ্টার পাশাপাশি আসিফ নজরুল প্রবাসী কল্যাণ উপদেষ্টা এবং পরে ক্রীড়া উপদেষ্টার দায়িত্বও পালন করেন। তফসিল ঘোষণার দিন থেকে ছাত্র উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার পদত্যাগ কার্যকর হলে তিনি ক্রীড়া উপদেষ্টার দায়িত্ব পান।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0
আসিফ নজরুল। ছবি: সংগৃহীত
আইন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ নজরুল দুই বছরে কী কী করেছে?

আইন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল নিজের দায়িত্বকালের দুই বছরের গুরুত্বপূর্ণ কাজের বিবরণ সম্প্রতি ফেসবুকে প্রকাশ করেছেন। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১২টায় তিনি তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ‘আসিফ নজরুল কি করেছে?’ শিরোনামে পোস্টে এ সব তথ্য তুলে ধরেন।   আসিফ নজরুল জানান, মন্ত্রণালয়ে তিনি সরাসরি সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায়িত্বে না থাকলেও প্রতিটি কর্মকাণ্ডে তিনি অংশগ্রহণ করেছেন এবং গভীর রাতে পর্যন্ত অফিসে থাকেন, সপ্তাহান্তেও কাজ করেছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, সমালোচনা করতে চাইলে করুক, তবে আগে কার্যক্রমগুলো জেনে নিক।   কী কাজ করা হয়েছে?   ১. আইনি সংস্কার: আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) অধ্যাদেশ: গুমকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা, সাক্ষীর সুরক্ষা, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক নিয়োগ, ক্ষতিপূরণ ব্যবস্থা প্রবর্তন। সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ: যোগ্যতা ও সুযোগের ভিত্তিতে বিচারপতি নিয়োগের স্বচ্ছ প্রক্রিয়া। সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ: বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ, আর্থিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব বিচার বিভাগের হাতে। বাণিজ্যিক আদালত অধ্যাদেশ: দ্রুত মামলা নিষ্পত্তি, ভার্চুয়াল শুনানি, অনলাইন মামলা ব্যবস্থাপনা। মানবাধিকার কমিশন পুনর্গঠন: OPCAT বাস্তবায়ন, কমিশনার নিয়োগে স্বচ্ছতা। গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ: তদন্ত, শাস্তি ও ক্ষতিপূরণের সংজ্ঞা নির্ধারণ। জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ: প্রতিরোধকারীদের সুরক্ষা, মামলা প্রত্যাহার ও নতুন মামলা দায়ের নিষিদ্ধ। দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইন সংশোধন: গ্রেফতার, রিমান্ড ও বিচার প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধন: পৃথক ট্রাইব্যুনাল, সাক্ষী সুরক্ষা ও দ্রুত বিচার। সাইবার সুরক্ষা, পাওয়ার অব অ্যাটর্নি, বিবাহ নিবন্ধন, DCC, পুলিশ সংস্কার, টেলিযোগাযোগ আইন সংশোধনীসহ আরও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।   ২. প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও ডিজিটালাইজেশন: বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও পদোন্নতি প্রক্রিয়া উন্নয়ন। তথ্য ও সেবা কেন্দ্র স্থাপন, অনলাইন সাক্ষ্যগ্রহণ ও ই-কজলিস্ট কার্যক্রম। ই-ফ্যামিলি কোর্ট, অনলাইন বেইলবন্ড, আদালতের নাম সংশোধন, দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত পৃথকীকরণ। নিবন্ধন অধিদপ্তরের ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন ব্যবস্থা, স্বচ্ছতা ও জনবান্ধব সেবা নিশ্চিতকরণ।   ৩. হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার: জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থান ও সাইবার আইনের আওতায় দায়ের প্রায় ২৪,০০০ মামলা প্রত্যাহার। রাজনৈতিক, হয়রানিমূলক মামলা থেকে মুক্তি পায় লক্ষাধিক মানুষ।   ৪. গণহত্যার বিচার ও প্রসিকিউশন সহায়তা: আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের বিচারক ও প্রসিকিউটরদের নিয়োগ, বিচার প্রক্রিয়ার তদারকি। চারটি মামলার রায়, আরও ছয়টি মামলার বিচার চূড়ান্ত পর্যায়ে।   ৫. দৈনন্দিন কার্যক্রম: দুই বছরে মন্ত্রণালয়ে ২,২৮১টি নথি নিষ্পত্তি। ৫৭৮টি বিষয়ে আইনি মতামত প্রদান। ১২৭টি অধ্যাদেশ ও এক আদেশ কোডিফাই করা হয়েছে। প্রায় ৫,৫০০ আইন কর্মকর্তাকে নিয়োগ এবং প্রধান বিচারপতি সহ নতুন বিচারক নিয়োগ।   আসিফ নজরুলের পোস্টের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে যে, আইন মন্ত্রণালয় এই দুই বছরে আইনি সংস্কার, ডিজিটালাইজেশন ও জনগণের প্রাপ্য সেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ব্যাপক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
আসিফ নজরুল। ছবি: সংগৃহীত
বিসিবির ক্রীড়া কূটনীতিকে কৃতিত্ব, স্যালুট জানালেন আসিফ নজরুল

নিরাপত্তাজনিত কারণে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেনি বাংলাদেশ, তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি) দেশের ক্রিকেট বোর্ডকে কোনো শাস্তি বা আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলছে না। বরং বাংলাদেশকে ২০২৮–২০৩১ সালের মধ্যে একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগও প্রদান করা হচ্ছে।   ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ওই বিশ্বকাপে অন্যান্য দল মাঠে থাকলেও বাংলাদেশের অনুপস্থিতি দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে আফসোস সৃষ্টি করেছিল। লাহোরে আইসিসি, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)-এর মধ্যে অনুষ্ঠিত ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের পর এ বিষয়ে ইতিবাচক বার্তা আসে। বিশ্বকাপে না খেললেও বিসিবির প্রাপ্য অর্থ পরিশোধ করা হবে এবং টুর্নামেন্টের লাভের অংশও পাবে বাংলাদেশ।   যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বৈঠকের পর মন্তব্য করেন, বিসিবি যে ক্রিকেট ডিপ্লোমেসি দেখিয়েছে, তার জন্য আইসিসি কোনো শাস্তি দিচ্ছে না। বরং ভবিষ্যতে একটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের সহ-আয়োজক করা হচ্ছে। এটা একটি দারুণ অর্জন। দেশের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় নেওয়া এই সিদ্ধান্ত উদাহরণ হয়ে থাকবে।   সূচি অনুযায়ী, বাংলাদেশকে কলকাতা ও মুম্বাইয়ে চারটি ম্যাচ খেলার কথা ছিল। নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে বিসিবি ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তরের অনুরোধ করেছিল। আইসিসি ও বিসিবি নিজ নিজ অবস্থানে অনড় থাকায় শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ অংশ নিতে পারেনি।   আসিফ নজরুল আরও বলেন, “এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের ক্রিকেটার ও বিসিবি নিয়েছে। দেশের মানুষের নিরাপত্তা ও মর্যাদার প্রশ্নে যে ত্যাগ স্বীকার করা হয়েছে, তা যুগান্তকারী উদাহরণ। শুধু আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট নয়, দেশের ঐতিহ্যবাহী এবং মাঠপর্যায়ের খেলাগুলোকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে।”

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
অন্তর্বর্তী সরকার কী করে গেল, জানতে চান গুমের ভুক্তভোগীরা

বাংলাদেশ থেকে ‘গুম’ নামক মানবাধিকারবিরোধী ঘৃণ্য অপরাধকে চিরতরে বিলুপ্ত করার অঙ্গীকার করেছেন আইন ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, গুমের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’ এবং এই লক্ষ্য অর্জনে যে আইনি ভিত্তি স্থাপন করা হয়েছে, তা আগামী সরকারগুলোকেও অনুসরণ করতে হবে।   বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডিতে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ল অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সে (বিলিয়া) মানবাধিকার সংস্থা ‘অধিকার’ আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবার এবং গুম থেকে ফিরে আসা ব্যক্তিরা তাদের বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতা ও সরকারের কাছে তাদের প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন।   অনুষ্ঠানে সশরীর উপস্থিত ছিলেন শিল্প এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান Khan। সভায় ২০১২ সালে গুমের শিকার হওয়া বিএনপি নেতা ফিরোজ খানের স্ত্রী আমেনা আক্তার বৃষ্টি আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, "অন্তর্বর্তী সরকার আমাদের গুম হওয়া পরিবারগুলোর জন্য কী করে গেল? আমরা চাই এই সরকার এমন কিছু করে যাক যাতে আগামী সরকার আমাদের পাশে থাকতে বাধ্য হয়।"   ভুক্তভোগীদের এই আর্তনাদের জবাবে আসিফ নজরুল সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, বাংলাদেশ ইতিমধ্যে গুমসংক্রান্ত আন্তর্জাতিক কনভেনশনের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। পাশাপাশি বিচারপতি মঈনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত কমিশনের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুমের বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এছাড়া জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে আরও শক্তিশালী ও স্বাধীন করতে ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫’ প্রণয়ন করা হয়েছে।   মতবিনিময় সভায় গুম থেকে ফিরে আসা সাবেক রাষ্ট্রদূত এম মারুফ জামান, শিক্ষক ইকবাল চৌধুরী, রহমত উল্লাহ এবং কর্নেল (অব.) হাসিনুর রহমান তাদের নিখোঁজ থাকাকালীন শারীরিক, মানসিক ও অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের কথা বর্ণনা করেন। তারা অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর যথাযথ পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানান।   উপদেষ্টা আসিফ নজরুল আশ্বস্ত করেন যে, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ প্রণয়ন এবং নির্যাতনবিরোধী আন্তর্জাতিক সনদে স্বাক্ষরের মাধ্যমে বাংলাদেশ এখন এক নতুন আইনি যুগে প্রবেশ করেছে, যেখানে কোনো অপরাধীই পার পাবে না।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬ 0
আসিফ নজরুল
পাকিস্তানকে ধন্যবাদ জানালেন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশকে আকস্মিক বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান। বাংলাদেশের প্রতি এই অনন্য সংহতি প্রদর্শনের জন্য পাকিস্তান সরকার ও প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক এবং ক্রীড়া উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।   বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। আসিফ নজরুল তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন যে, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ অত্যন্ত বলিষ্ঠ কণ্ঠে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।   গত বুধবার পাকিস্তান মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে শাহবাজ শরিফ স্পষ্ট করে বলেন, “আমরা ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলব না। কারণ খেলার মাঠে কোনো ধরনের রাজনীতি থাকা উচিত নয়। আমরা খুব ভেবেচিন্তে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে আমাদের সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানো উচিত। আমি মনে করি এটি একটি অত্যন্ত উপযুক্ত এবং সঠিক সিদ্ধান্ত।”   উল্লেখ্য, সম্প্রতি ভেন্যু পরিবর্তন ইস্যুতে আইসিসি ও বাংলাদেশের মধ্যে সৃষ্ট টানাপোড়েনের জেরে বাংলাদেশকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়া হয়। এই অন্যায্য সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) আগেই তাদের আপত্তির কথা জানিয়েছিল। এবার খোদ দেশটির প্রধানমন্ত্রী রাজনৈতিক ও নৈতিক অবস্থান থেকে ভারতকে বয়কটের ঘোষণা দেওয়ায় বিশ্ব ক্রিকেটে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। উপদেষ্টা আসিফ নজরুলের এই ধন্যবাদ বার্তা দুই দেশের ক্রীড়া ও কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন এক মাত্রা যোগ করল বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬ 0
‘বাংলাদেশের সমাজ ও রাজনীতি’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল। সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে।    ছবি: সংগৃহীত
আমলারা সংস্কারবিরোধী, কিন্তু তরুণ অফিসারের স্বাধীনতা জরুরি: আসিফ নজরুল

আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেছেন, “আমলারা বাংলাদেশে প্রকৃতিগতভাবে সংস্কারবিরোধী।” তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, এটি কি তাদের ব্যক্তিগত দোষ, নাকি প্রশাসনিক সিস্টেমের ত্রুটি, এবং বলেছেন, “আমি জানি না।” সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে আয়োজিত বাংলাদেশের সমাজ ও রাজনীতি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এসব মন্তব্য করেন। বইটির লেখক বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।   আমলাদের কাজে হতাশা প্রকাশ করে আসিফ নজরুল বলেন, “আমাদের এখানে যারা তরুণ অফিসার আছে, তাদের স্নেহ করি। আমি তাদের বলি, ‘তুমি কেরানি নও, তুমি অফিসার। স্বাধীন বিচার-বুদ্ধি ও ক্ষমতা থাকতে হবে।’”   উপদেষ্টা আরও জানান, প্রশাসনেও থাকাকালীন তিনি জনপ্রিয় ছিলেন, কিন্তু এখন দীর্ঘ সময় কাজ করার পরও দিনে দিনে নানা সমালোচনা সহ্য করতে হয়। তিনি উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া দুর্নীতির গল্প অনেক সময় বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না এবং এগুলো শেষ পর্যন্ত বিনোদনের উপকরণে পরিণত হয়।   আসিফ নজরুল বলেন, বাংলাদেশের সমাজ ও রাজনীতি বই কেবল স্মৃতিকথা নয়, এটি রাষ্ট্র, মানবিকতা এবং নাগরিক দায়িত্ব নিয়ে গভীর অন্তর্দৃষ্টি দেয়। তিনি আরও বলেন, এমন লেখা আরও বেশি পাঠকের কাছে পৌঁছানো উচিত।   অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। আরও বক্তব্য রাখেন তথ্য ও পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রধান নির্বাহী অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও অর্থনীতিবিদ মাহবুবউল্লাহ, দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এবং প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

নুরুল্লাহ সাইদ ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Top week

ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ পারাপারের বিনিময়ে ভারতের কাছে তিন ট্যাংকার ফেরত চাইল ইরান

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৬, ২০২৬ 0