খেলাধুলা

বিসিবির ক্রীড়া কূটনীতিকে কৃতিত্ব, স্যালুট জানালেন আসিফ নজরুল

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
আসিফ নজরুল। ছবি: সংগৃহীত
আসিফ নজরুল। ছবি: সংগৃহীত

নিরাপত্তাজনিত কারণে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেনি বাংলাদেশ, তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি) দেশের ক্রিকেট বোর্ডকে কোনো শাস্তি বা আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলছে না। বরং বাংলাদেশকে ২০২৮–২০৩১ সালের মধ্যে একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগও প্রদান করা হচ্ছে।

 

ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ওই বিশ্বকাপে অন্যান্য দল মাঠে থাকলেও বাংলাদেশের অনুপস্থিতি দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে আফসোস সৃষ্টি করেছিল। লাহোরে আইসিসি, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)-এর মধ্যে অনুষ্ঠিত ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের পর এ বিষয়ে ইতিবাচক বার্তা আসে। বিশ্বকাপে না খেললেও বিসিবির প্রাপ্য অর্থ পরিশোধ করা হবে এবং টুর্নামেন্টের লাভের অংশও পাবে বাংলাদেশ।

 

যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বৈঠকের পর মন্তব্য করেন, বিসিবি যে ক্রিকেট ডিপ্লোমেসি দেখিয়েছে, তার জন্য আইসিসি কোনো শাস্তি দিচ্ছে না। বরং ভবিষ্যতে একটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের সহ-আয়োজক করা হচ্ছে। এটা একটি দারুণ অর্জন। দেশের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় নেওয়া এই সিদ্ধান্ত উদাহরণ হয়ে থাকবে।

 

সূচি অনুযায়ী, বাংলাদেশকে কলকাতা ও মুম্বাইয়ে চারটি ম্যাচ খেলার কথা ছিল। নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে বিসিবি ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তরের অনুরোধ করেছিল। আইসিসি ও বিসিবি নিজ নিজ অবস্থানে অনড় থাকায় শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ অংশ নিতে পারেনি।

 

আসিফ নজরুল আরও বলেন, “এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের ক্রিকেটার ও বিসিবি নিয়েছে। দেশের মানুষের নিরাপত্তা ও মর্যাদার প্রশ্নে যে ত্যাগ স্বীকার করা হয়েছে, তা যুগান্তকারী উদাহরণ। শুধু আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট নয়, দেশের ঐতিহ্যবাহী এবং মাঠপর্যায়ের খেলাগুলোকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে।”

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের বিমানবাহী রণতরী কিছুই না; মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা

মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে।   ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে।   ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য।   আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে।   প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা

Advertisement

খেলাধুলা

View more
আসিফ নজরুল। ছবি: সংগৃহীত
বিসিবির ক্রীড়া কূটনীতিকে কৃতিত্ব, স্যালুট জানালেন আসিফ নজরুল

নিরাপত্তাজনিত কারণে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেনি বাংলাদেশ, তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি) দেশের ক্রিকেট বোর্ডকে কোনো শাস্তি বা আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলছে না। বরং বাংলাদেশকে ২০২৮–২০৩১ সালের মধ্যে একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজনের সুযোগও প্রদান করা হচ্ছে।   ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ওই বিশ্বকাপে অন্যান্য দল মাঠে থাকলেও বাংলাদেশের অনুপস্থিতি দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে আফসোস সৃষ্টি করেছিল। লাহোরে আইসিসি, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)-এর মধ্যে অনুষ্ঠিত ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের পর এ বিষয়ে ইতিবাচক বার্তা আসে। বিশ্বকাপে না খেললেও বিসিবির প্রাপ্য অর্থ পরিশোধ করা হবে এবং টুর্নামেন্টের লাভের অংশও পাবে বাংলাদেশ।   যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বৈঠকের পর মন্তব্য করেন, বিসিবি যে ক্রিকেট ডিপ্লোমেসি দেখিয়েছে, তার জন্য আইসিসি কোনো শাস্তি দিচ্ছে না। বরং ভবিষ্যতে একটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের সহ-আয়োজক করা হচ্ছে। এটা একটি দারুণ অর্জন। দেশের নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় নেওয়া এই সিদ্ধান্ত উদাহরণ হয়ে থাকবে।   সূচি অনুযায়ী, বাংলাদেশকে কলকাতা ও মুম্বাইয়ে চারটি ম্যাচ খেলার কথা ছিল। নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে বিসিবি ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তরের অনুরোধ করেছিল। আইসিসি ও বিসিবি নিজ নিজ অবস্থানে অনড় থাকায় শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ অংশ নিতে পারেনি।   আসিফ নজরুল আরও বলেন, “এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের ক্রিকেটার ও বিসিবি নিয়েছে। দেশের মানুষের নিরাপত্তা ও মর্যাদার প্রশ্নে যে ত্যাগ স্বীকার করা হয়েছে, তা যুগান্তকারী উদাহরণ। শুধু আন্তর্জাতিক মানের ক্রিকেট নয়, দেশের ঐতিহ্যবাহী এবং মাঠপর্যায়ের খেলাগুলোকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে।”

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি। পিসিবি

পাকিস্তান কেন ভারতের সাথে খেলতে রাজি হয়েছে, জানালেন নাকভি

বয়কট প্রত্যাহার করল পাকিস্তান, ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে অংশগ্রহণ নিশ্চিত

বয়কট প্রত্যাহার করল পাকিস্তান, ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে অংশগ্রহণ নিশ্চিত

আইসিসির ইভেন্ট আয়োজনের দায়িত্ব পাচ্ছে বাংলাদেশ

ছবি: সংগৃহীত
টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ ইস্যু: বাংলাদেশকে শাস্তি নয়, পুরস্কার দিল আইসিসি

নিজেদের দাবিতে অটল থেকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ না নিলেও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বিরুদ্ধে কোনো ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে না আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। বরং ২০৩১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগেই বাংলাদেশকে আরও একটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট আয়োজনের সুযোগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।   সোমবার আইসিসির দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে আইসিসি, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম পাকিস্তানকে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি খেলতে অনুরোধ জানান।   আইসিসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পিসিবি ও বিসিবির সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপসহ দক্ষিণ এশিয়ায় ক্রিকেটের সামগ্রিক ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অনুপস্থিতিকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ উল্লেখ করে আইসিসি জানায়, বাংলাদেশের সমৃদ্ধ ক্রিকেট ঐতিহ্য ও বৈশ্বিক ক্রিকেট বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।   নিরাপত্তা সংকটের কারণে নিজেদের ম্যাচগুলো ভারতের পরিবর্তে শ্রীলঙ্কায় আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে আইসিসি তাতে সম্মত না হওয়ায় বিশ্বকাপে অংশ নেয়নি বাংলাদেশ দল।   আইসিসি আরও জানায়, বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ার কারণে বাংলাদেশের ক্রিকেটে কোনো দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব যেন না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে সংস্থাটি কাজ করবে। প্রায় ২০ কোটির বেশি সমর্থক নিয়ে বিশ্বের অন্যতম প্রাণবন্ত ক্রিকেট বাজার হিসেবে বাংলাদেশের ক্রিকেট উন্নয়নে আইসিসি সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলেও উল্লেখ করা হয়।     আইসিসি স্পষ্ট করেছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপে অংশ না নেওয়ায় বিসিবির ওপর কোনো আর্থিক, খেলাসংক্রান্ত বা প্রশাসনিক জরিমানা বা শাস্তি আরোপ করা হবে না। প্রয়োজনে বিসিবি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটির (ডিআরসি) কাছে যাওয়ার অধিকার রাখবে, যা আইসিসির বর্তমান বিধিমালার আওতায় অক্ষুণ্ন থাকবে।   আইসিসি, বিসিবি ও পিসিবির সমঝোতার অংশ হিসেবে সিদ্ধান্ত হয়েছে, ২০৩১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগেই বাংলাদেশ একটি আইসিসি বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট আয়োজন করবে। তবে এটি আইসিসির প্রচলিত আয়োজক নির্বাচন প্রক্রিয়া, সময়সূচি ও পরিচালনাগত শর্তাবলির অধীন থাকবে। উল্লেখ্য, ২০৩১ সালে ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ আয়োজনের কথা রয়েছে বাংলাদেশের।   আইসিসির প্রধান নির্বাহী সনযোগ গুপ্তাকে উদ্ধৃত করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অনুপস্থিতি দুঃখজনক। তবে এটি বাংলাদেশকে একটি প্রধান ক্রিকেট জাতি হিসেবে আইসিসির দীর্ঘস্থায়ী অঙ্গীকারকে পরিবর্তন করবে না। বিসিবিসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে দেশটির ক্রিকেটের টেকসই উন্নয়ন এবং খেলোয়াড় ও সমর্থকদের জন্য ভবিষ্যৎ সুযোগ আরও শক্তিশালী করার দিকে আমরা মনোযোগী।

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0

বিশ্বকাপ ইস্যুতে পাকিস্তানের সহযোগিতার প্রশংসা, ভারত ম্যাচ খেলতে অনুরোধ বিসিবির

পদত্যাগ করলেন বার্সেলোনার সভাপতি

আইসিসি

পাকিস্তানকে রাজি করাতে বাংলাদেশকে পাশে চাইছে আইসিসি

ভারত ম্যাচ না খেলায় ‘মোদির ক্ষোভ’, ভাইরাল ভিডিও ভূয়া
ভারত ম্যাচ না খেলায় ‘মোদির ক্ষোভ’, ভাইরাল ভিডিও ভূয়া

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ ঘিরে যখন উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে, ঠিক তখনই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি কথিত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটিতে দাবি করা হচ্ছে, পাকিস্তান ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী মোদি তাদের কঠোর সমালোচনা করেছেন। তবে নিবিড় পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ভিডিওটি সম্পূর্ণ ভুয়া এবং এটি এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) প্রযুক্তির সাহায্যে তৈরি একটি ‘ডিপফেক’।   ঘটনার সূত্রপাত হয় গত ৩ ফেব্রুয়ারি, যখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এর বেশ কয়েকটি পাকিস্তানি অ্যাকাউন্ট থেকে এই ভিডিও ক্লিপটি শেয়ার করা হয়। ভিডিওতে মোদিকে বলতে শোনা যায় যে, শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ খেলতে গিয়ে ভারতকে ‘ফেলে চলে গেছে’ পাকিস্তান। মুহূর্তেই ভিডিওটি দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন পোস্টে লক্ষাধিক ভিউ জমা হয়।   কিন্তু অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে ভিন্ন তথ্য। নির্ভরযোগ্য কোনো ভারতীয় বা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। ভিডিওটি এআই শনাক্তকরণ টুল দিয়ে পরীক্ষা করা হলে দেখা যায়, এটি ৭১ শতাংশের বেশি কৃত্রিমভাবে তৈরি। রিভার্স ইমেজ সার্চ প্রযুক্তি ব্যবহার করে দেখা গেছে, মূল ভিডিওটি ১২ মে ২০২৫ তারিখে প্রকাশিত হয়েছিল, যেখানে প্রধানমন্ত্রী ভারত–পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে বক্তব্য দিচ্ছিলেন। মূলত সেই পুরনো ভিডিওর ওপর এআই ব্যবহার করে নতুন কণ্ঠ বসিয়ে এই বিভ্রান্তিকর দাবিটি ছড়ানো হয়েছে।   বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির সাহায্যে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর এই অপচেষ্টাকে ‘ডিজিটাল কারসাজি’ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের মতো সংবেদনশীল ইস্যুতে এমন ভিডিও আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো তথ্য শেয়ার করার আগে তা যাচাই করার জন্য সাধারণ ব্যবহারকারীদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬ 0
আইসিসি-র সাবেক সভাপতি এহসান মানি

পাকিস্তানের মন গলাতে জয় শাহকে যেতে বললেন মানি

sri lanka pakistan cricket board

পাকিস্তানকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ শ্রীলঙ্কার

ভারত-পাক দ্বৈরথ

চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য সরকারের দিকে তাকিয়ে পাকিস্তান!

0 Comments