ক্যাম্পিং

আগামী ১৪ আগস্ট সেন্ট্রাল পার্কে বিশেষ রাতভর ক্যাম্পিংয়ের আয়োজন করেছে নিউইয়র্ক সিটি পার্কস বিভাগ। ছবি: সংগৃহীত
নিউ ইয়র্কের সেন্ট্রাল পার্কে বিনামূল্যে রাত কাটানোর সুযোগ, খোলা আকাশের নিচে ক্যাম্পিংয়ের আয়োজন

প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য ব্যতিক্রমী এক উদ্যোগ নিয়েছে নিউইয়র্ক সিটি পার্কস বিভাগ। আগামী ৮ আগস্ট থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিউইয়র্ক সিটির বিভিন্ন পার্কে বিনামূল্যে রাতভর ক্যাম্পিংয়ের আয়োজন করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে আগামী ১৪ আগস্ট বিখ্যাত সেন্ট্রাল পার্কেও এক রাতের বিশেষ ক্যাম্পিংয়ের সুযোগ পাবেন নির্বাচিত অংশগ্রহণকারীরা।   তবে এই ক্যাম্পিংয়ে অংশ নিতে চাইলে সরাসরি নিবন্ধন করলেই হবে না। অংশগ্রহণকারীদের লটারির মাধ্যমে নির্বাচন করবে নিউইয়র্ক সিটি পার্কস বিভাগ। প্রতি সপ্তাহের সোমবার আবেদন গ্রহণ শুরু হবে এবং চার দিন পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। এরপর লটারির মাধ্যমে নির্বাচিতদের নাম ঘোষণা করা হবে।   পার্কস বিভাগের ‘আরবান পার্ক রেঞ্জার্স’ কর্মসূচির আওতায় আয়োজিত এই ক্যাম্পিংয়ে অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে পুরো সময় থাকবেন অভিজ্ঞ পার্ক রেঞ্জাররা। তারা ক্যাম্পিং পরিচালনার পাশাপাশি নিরাপত্তা, প্রকৃতি সম্পর্কে তথ্য এবং বিভিন্ন কার্যক্রমে সহায়তা করবেন।   ক্যাম্পিং কর্মসূচিতে থাকবে বনভূমিতে রেঞ্জারদের নেতৃত্বে রাতের হাঁটা, গল্প বলা, ক্যাম্পফায়ারের পরিবেশে ‘স্মোরস’ তৈরির আয়োজন এবং বন্যপ্রাণী পর্যবেক্ষণের সুযোগ। এছাড়া অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পরিচিতি বাড়াতে বিভিন্ন খেলাধুলা ও দলীয় কার্যক্রমও রাখা হয়েছে।   ১৪ আগস্ট সেন্ট্রাল পার্কে ক্যাম্পিং অনুষ্ঠিত হবে ওয়েস্ট ১০৬তম স্ট্রিট ও সেন্ট্রাল পার্ক ওয়েস্ট এলাকার কাছে। কর্মসূচি শুরু হবে সন্ধ্যা ৭টায় এবং শেষ হবে পরদিন সকাল ৮টায়। এই ক্যাম্পিংয়ের জন্য লটারির নিবন্ধন ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং নির্বাচিতদের নাম ৬ আগস্টের মধ্যে জানিয়ে দেওয়া হবে।   নিউইয়র্ক সিটি পার্কস বিভাগের ভাষ্য, ক্যাম্পিং মানুষকে প্রকৃতির আরও কাছাকাছি নিয়ে আসে এবং পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে স্মরণীয় সময় কাটানোর সুযোগ তৈরি করে। যারা আগে কখনো ক্যাম্পিং করেননি, তাদের এই অভিজ্ঞতার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়াই কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।   প্রতিটি ক্যাম্পিং আয়োজনে প্রায় ৩০ জন অংশ নিতে পারবেন। সাধারণত পাঁচ থেকে আটটি পরিবার অংশ নিলেও এটি শুধু পরিবারের জন্য সীমাবদ্ধ নয়। বন্ধুদের দল কিংবা ক্যাম্পিংয়ে আগ্রহী অন্যরাও আবেদন করতে পারবেন।   পার্কস বিভাগের আরবান পার্ক রেঞ্জার্সের পরিচালক মার্ক সানচেজ স্থানীয় সংবাদমাধ্যম গথামিস্টকে বলেন, দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে এই কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে। প্রতি আয়োজনে প্রায় ৩০০ জন আবেদন করেন। অনেকের জন্য এই অভিজ্ঞতাই পরে অ্যাডিরনড্যাক, গ্লেসিয়ার বা ইয়েলোস্টোনের মতো জাতীয় উদ্যানে ক্যাম্পিং করার অনুপ্রেরণা হয়ে ওঠে।   কর্মসূচির আওতায় তাঁবুর ব্যবস্থা করবে নিউইয়র্ক সিটি পার্কস বিভাগ। তবে অংশগ্রহণকারীদের নিজ নিজ স্লিপিং ব্যাগ, বিছানাপত্র, খাবার ও হালকা নাস্তা সঙ্গে আনতে হবে।   ৮ আগস্টের প্রথম ক্যাম্পিং অনুষ্ঠিত হবে ব্রুকলিনের মেরিন পার্কের সল্ট মার্শ নেচার সেন্টারে। আর ১৮ সেপ্টেম্বর কর্মসূচির শেষ দিনে স্ট্যাটেন আইল্যান্ডের ব্লু হেরন নেচার সেন্টার এবং কুইন্সের রকাওয়ে বিচ এই দুটি স্থানে একযোগে রাতভর ক্যাম্পিংয়ের আয়োজন করা হবে।   উল্লেখ্য, সাধারণ সময়ে নিউইয়র্ক সিটির পার্কগুলোতে রাতযাপন বা ক্যাম্পিং নিষিদ্ধ। তবে এই বিশেষ কর্মসূচির আওতায় নির্বাচিত অংশগ্রহণকারীরা পার্ক রেঞ্জারদের তত্ত্বাবধানে বৈধভাবে রাতভর ক্যাম্পিং করার সুযোগ পাবেন।

মোহাম্মদ ইব্রাহিম আগস্ট ৩, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: কোলাজ - আমেরিকা বাংলা
প্রাইভেট জেটে চড়ে লাখ টাকার সামার ক্যাম্পে ধনকুবেরদের সন্তানরা

আমেরিকার শীর্ষ ধনী ও ধনকুবের পরিবারের সন্তানরা সাধারণ কোনো উপায়ে নয়, বরং লাখ লাখ টাকা খরচ করে প্রাইভেট জেটে চড়ে পাড়ি জমাচ্ছে বিভিন্ন বিলাসবহুল বা অভিজাত ‘সামার স্লিপঅ্যাওয়ে ক্যাম্পে’। গ্রীষ্মকালীন এই ক্যাম্পগুলোর একেকটির ফি ১৭ হাজার থেকে শুরু করে ২০ হাজার মার্কিন ডলারেরও বেশি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক পোস্ট-এর এক বিশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, মূলত বিশ্বের বড় বড় শিল্পপতিদের সন্তানদের সাথে প্রভাবশালী নেটওয়ার্ক বা আজীবন টিকে থাকার মতো বন্ধুত্ব তৈরি করা এবং ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের জন্য বিশেষ জীবনমুখী দক্ষতা অর্জন করতেই ধনী অভিভাবকরা সন্তানদের পেছনে এই বিশাল অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগ করছেন।   ফ্লোরিডার বোকা রাটন-এর বাসিন্দা এবং পেশায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর এলিজাবেথ ওয়েপ্রিন জানান, নিউ ইয়র্কের বিখ্যাত রাকুয়েট লেক ক্যাম্পে তাঁর দুই মেয়ের সাত সপ্তাহের সামার ক্যাম্পিংয়ের জন্য তিনি এক দশকে প্রায় ছয় অঙ্কের ডলার বা কোটি টাকার ওপরে খরচ করেছেন। সেখানে প্রতি বছর জনপ্রতি ফি শুরু হয় ১৭ হাজার ৪৫০ ডলার থেকে। ডিজিটাল ডিভাইস ও সোশ্যাল মিডিয়ার আসক্তি থেকে মুক্ত রাখার পাশাপাশি বড় বড় করপোরেট লিডার বা টাইকুনদের পরিবারের সাথে গভীর যোগাযোগ তৈরি করাই ছিল এই খরচের মূল উদ্দেশ্য। এলিজাবেথ বলেন, তিনি সবসময় তাঁর সন্তানদের বলেন যে নিজেদের পরিচিতি বা নেটওয়ার্কই হলো পৃথিবীর সবকিছু, কারণ ইন্টার্নশিপ, চাকরির সুযোগ বা নতুন অভিজ্ঞতা সবই নির্ভর করে কার সাথে কার চেনা-জানা আছে তার ওপর।   আরেক লাইফস্টাইল ইনফ্লুয়েন্সার রাচেল পটাশ তাঁর দুই মেয়েকে মেইন অঙ্গরাজ্যের অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও মেয়েদের জন্য বিশেষায়িত ‘ক্যাম্প ভেগা’-তে পাঠাতে বছরে ৪০ হাজার ডলারের বেশি খরচ করেন। প্রাইভেট স্কুলের পুরো বছরের ফির সমান টাকা ক্যাম্পিংয়ে দেওয়ার পরও, এবার তিনি তাঁর ১৩ ও ১৫ বছর বয়সী দুই মেয়ে ও তাদের বান্ধবীদের জন্য বিশেষ উপহার হিসেবে একটি ‘প্রাইভেট জেট’ ভাড়া করেছেন। নিউ ইয়র্ক থেকে মেইনের ক্যাম্প গ্রাউন্ডে সরাসরি পৌঁছাতে এই প্রথম শ্রেণির বিলাসবহুল ভ্রমণের আয়োজন করেছেন তিনি। রাচেল পটাশ স্পষ্ট করে বলেন, টাকা আসবে এবং যাবে, কিন্তু বাচ্চাদের সাবলম্বী ও স্বাধীন নারী হিসেবে গড়ে তুলতে সামার ক্যাম্পের চেয়ে ভালো বিনিয়োগ আর কিছুই হতে পারে না।   মে মাসের এক সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, আমেরিকার প্রায় ২ কোটি ৪৬ লাখ অভিভাবক চান তাঁদের সন্তানরা এমন সামার ক্যাম্পে যাক। তবে অত্যন্ত চড়া খরচের কারণে ৩৮ শতাংশ পরিবারই শেষ পর্যন্ত এর নাগাল পায় না। সাধারণ বা মধ্যবিত্ত পরিবারের মাত্র ১৩ শতাংশ শিশু এই সুযোগ পায়, যেখানে ধনী পরিবারের ক্ষেত্রে এই হার ৪৫ শতাংশ। হ্যাম্পটনসের একটি এআই-চালিত সামার ডে ক্যাম্পের সাপ্তাহিক ফিই ৪ হাজার ৫০০ ডলার, যেখানে শিশুদের ওমাকাসে বা জাপানি খাবার তৈরির বিশেষ ক্লাস এবং ট্রোজান-হর্স ওয়ার্কশপের মতো অদ্ভুত ও আকর্ষণীয় সব বিষয় শেখানো হয়, যার ফলে সেখানেও ধনী অভিভাবকদের একটি বিশাল নেটওয়ার্ক তৈরি হয়।   এমনকি এই অভিজাত ক্যাম্পগুলোতে নির্দিষ্ট ইউনিফর্মের কঠোর নিয়ম থাকলেও নামী ব্র্যান্ডের দামি নাইটড্রেস, দামি প্রসাধনী এবং বিলাসবহুল ব্যাগ নিয়ে যাওয়ার এক অদৃশ্য প্রতিযোগিতা চলে ধনী সন্তানদের মাঝে। ক্যাম্পের জিনিসপত্র কেনাকাটার জন্য ‘ডেনি’স অ্যান্ড লেস্টার’স’-এর মতো নামী বিপণিবিতানগুলোতে অভিভাবকরা জানুয়ারি মাস থেকেই বুকিং দেওয়া শুরু করেন, যেখানে শুধু কেনাকাটাতেই একেকজন অভিভাবক ১ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার ডলার পর্যন্ত খরচ করেন। ক্যাম্প শুরুর পর অভিভাবকরা দামি গাড়ি বা আরভি ভাড়া করে ক্যাম্পের মাঝামাঝি সময়ে সন্তানদের সাথে দেখা করতে ‘ভিজিটিং ডে’-তে যান এবং তাদের জন্য বিলাসবহুল খাবার ও নানা উপহার নিয়ে আসেন। খরচের অঙ্কটা আকাশচুম্বী হলেও, প্রভাবশালী মহলে সম্পর্কের কথা বিবেচনা করে অভিভাবকরা এই বিপুল পরিমাণ অর্থকে একবাক্যে স্বার্থক বলেই মনে করছেন।   সূত্র: নিউ ইয়র্ক পোস্ট

তাবাস্সুম জুন ২৪, ২০২৬ ১৪:০
জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

Top week

আমেরিকার বিলাসবহুল শহর। ছবি:সংগৃহীত

নতুন বাসিন্দা খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি অঙ্গরাজ্য, দিচ্ছে ২৩ হাজার ডলার পর্যন্ত প্রণোদনা

সিদ্দিকুর রহমান আগস্ট ৩, ২০২৬ ১৪:০