মন্ত্রিপরিষদ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নিকার গঠন

সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সভাপতি করে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার) গঠন করেছে। বুধবার (৪ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ২০ সদস্যের এই কমিটি গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।   নিকারে স্থানীয় সরকার, অর্থ, স্বরাষ্ট্র, শিল্প ও আইন মন্ত্রী, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবকে সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে। এছাড়া জনপ্রশাসন, ভূমি, স্বরাষ্ট্র, অর্থ, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ, সমন্বয় ও সংস্কার, আইন ও বিচার বিভাগ, স্থানীয় সরকার বিভাগ, পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগের সচিবও কমিটির সদস্য হয়েছেন।   নিকার নতুন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর ও পরিদপ্তর স্থাপন, পুনর্গঠন এবং নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব বিবেচনা করবে। এছাড়া নতুন বিভাগ, জেলা, উপজেলা, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও থানা গঠন বা স্থাপনের প্রস্তাব এবং সেগুলোর সীমানা পুনর্নির্ধারণ সম্পর্কিত বিষয়ও কমিটি দেখবে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৪, ২০২৬ 0
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। ছবি: সংগৃহীত
জীবনের শেষদিন পর্যন্ত মন্ত্রিত্ব নেব না: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

মন্ত্রিপরিষদে আর কখনও যোগ না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, যিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য।   মঙ্গলবার সকালে কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম-এ সরকারি কর্মকর্তা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত আমি আর মন্ত্রিত্ব গ্রহণ করব না।   সম্প্রতি একটি শপথ অনুষ্ঠানে আসন গ্রহণ নিয়ে ঘটে যাওয়া একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ওই ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়ে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় জানান, মন্ত্রিসভায় ডাক পাওয়ার বিষয়টি তিনি আগে থেকেই জানতেন। তবে অনুষ্ঠানে একজন কর্মকর্তা তাকে না চিনে আসন ছেড়ে চলে যেতে বলেন এবং পরে এসএসএফ ডাকার হুমকি দেন। এই পরিস্থিতিতে তিনি অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন বলে দাবি করেন, যদিও গণমাধ্যমে বিষয়টি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।   বর্ষীয়ান এই নেতা আরও বলেন, তিনি একজন সংসদ সদস্য হিসেবে জনগণের কথা তুলে ধরাকেই অগ্রাধিকার দেন। মন্ত্রী হওয়ার চেয়ে সংসদে জনগণের সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করাই তাঁর মূল লক্ষ্য।   তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিনের জমে থাকা সমস্যার সমাধান এক দিনে সম্ভব নয়। প্রায় ১৭ বছরের বিভিন্ন সমস্যার ধীরে ধীরে সমাধান করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।   কেরানীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত ওই মতবিনিময় সভায় স্থানীয় শিক্ষা ও সরকারি দপ্তরের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় মাদক, যানজট, গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট এবং দখল বাণিজ্যসহ বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরা হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।   অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপি-এর সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী, সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল মাওয়া এবং কেরানীগঞ্জ মডেল ও দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা (ওসি)।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬ 0
‘গুম-খুনের আতঙ্কমুক্ত বাংলাদেশ চাই’—নাগরিকের কণ্ঠে নতুন প্রত্যাশা

নতুন মন্ত্রিপরিষদের শপথ অনুষ্ঠান ঘিরে জাতীয় সংসদ ভবন এলাকায় জড়ো হওয়া সাধারণ মানুষের কণ্ঠে উঠে এসেছে নিরাপত্তা, সুশাসন ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশের প্রত্যাশা। মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবন সংলগ্ন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে কথা হয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে।   কক্সবাজার থেকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আসা আরিফ উল্লাহ সকাল থেকেই নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠান দেখতে অপেক্ষা করছিলেন। তিনি জানান, প্রায় ১০ দিন আগে সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরেছেন। নতুন সরকারের কাছে প্রত্যাশা জানতে চাইলে তিনি বলেন, জনগণের সমর্থনে ক্ষমতায় আসা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) যেন দেশকে শান্তিপূর্ণ বাসযোগ্য রাষ্ট্রে পরিণত করে এবং মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।   আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রসঙ্গ তুলে আরিফ উল্লাহ বলেন, আমরা চাই মানুষ যেন গুম-খুনের আতঙ্কে না থাকে। দেশের আইনশৃঙ্খলা উন্নত হোক, দুর্নীতি কমুক। পাশাপাশি শিক্ষাব্যবস্থায় পরিবর্তন এনে শুধু সার্টিফিকেটনির্ভর নয়, কারিগরি ও জীবনমুখী শিক্ষা চালু করা প্রয়োজন।   একই স্থানে দাঁড়িয়ে শপথ অনুষ্ঠান দেখছিলেন ঢাকার একটি কলেজের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান। নতুন সরকারের কাছে প্রত্যাশা জানিয়ে তিনি বলেন, দেশ যেন বেকারত্বমুক্ত হয়। বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনসহ (পিএসসি) বিভিন্ন নিয়োগে প্রশ্নফাঁসের ঘটনা বন্ধ করতে হবে। নতুন শিক্ষামন্ত্রীর কাছে আশা—নকল ও প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।   অন্যদিকে মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনের এক সংসদ সদস্যের বহরের সঙ্গে সংসদ ভবনের সামনে আসা মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, নতুন সরকার যেন সহনশীলতা ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে দেশ পরিচালনা করে। তিনি বলেন, অতীতের মতো যেন কোনো ধরনের দমন-পীড়ন না হয়। আইনের চোখে সবাই সমান থাকবে এবং নাগরিকরা সমান অধিকার ভোগ করবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।   নতুন সরকারের শপথকে ঘিরে সাধারণ মানুষের এসব প্রত্যাশা দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।  

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে যারা ডাক পেয়েছেন
মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে যারা ডাক পেয়েছেন

আজ সকালে সংসদ সদস্য হিসাবে শপথ গ্রহণ করেছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ীরা। বিকালে শপথ নিতে যাচ্ছেন মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা।   এবার নতুন সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শপথ নিতে এখন পর্যন্ত যারা ডাক পেয়েছেন বলে জানা গেছে তাদের মধ্যে আছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, মো. জাহিদ হোসেন, আব্দুল আউয়াল মিন্টু, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, আফরোজা খানম রিতা, আসাদুল হাবিব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের, দীপেন দেওয়ান, আ ন ম এহসানুল হক মিলন, মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ।   বিএনপি নেতাদের মধ্যে আরো ডাক পেয়েছেন- ইশরাক হোসেন, এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, শরীফুল আলম, ফরহাদ হোসেন আজাদ, শামা ওবায়েদ, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশিদ হাবিব, রাজিব আহসান, আজিজুল বারি হেলাল। তারা প্রতিমন্ত্রী হতে পারেন বলে জানা যাচ্ছে।   এছাড়া বিএনপি জোটে অংশ নিয়ে নির্বাচিত গণসংহতি আন্দোলনের নেতা জোনায়েদ সাকি, (বিএনপি), গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক নুর এবং নির্বাচনের আগে বিএনপিতে যোগ দেওয়া ববি হাজ্জাজ ডাক পেয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬ 0
ড. শেখ আব্দুর রশীদ
মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নিয়োগ বাতিল নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিল সরকার

মন্ত্রিপরিষদ সচিব পদে শেখ আব্দুর রশীদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করে শনিবার নতুন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নিয়োগের আদেশ জারি করা হয়েছিল। এ বিষয়ে সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়।   এই প্রেক্ষাপটে রোববার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন।   আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে প্রেস সচিব তার পোস্টে লিখেছেন, শেখ আব্দুর রশীদ-এর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিলের প্রেক্ষিতে বিভিন্ন মাধ্যমে নানা ধরনের 'অপতথ্য ও অনুমাননির্ভর বক্তব্য' প্রচারিত হচ্ছে।   "প্রকৃতপক্ষে, ব‍্যক্তিগত কারণে তিনি নির্বাচনের কিছুদিন আগেই প্রধান উপদেষ্টার নিকট দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির আবেদন জানান। তবে, নির্বাচন সন্নিকটে চলে আসায় মাঠ প্রশাসনের শৃঙ্খলা ও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বার্থে প্রধান উপদেষ্টার অনুরোধে তিনি নির্বাচনকাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালনে সম্মত হন।"   অতএব, বিষয়টি নিয়ে অহেতুক অনুমাননির্ভর তথ্য বা বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন শফিকুল আলম।   প্রসঙ্গত, গতকালই প্রধান উপদেষ্টার আইসিটি ও টেলিযোগাযোগ বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবের পদত্যাগ এবং দেশ ছাড়ার খবর নিয়ে দিনভর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা হয়।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া
মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নিয়োগ বাতিল, নতুন সচিব সিরাজ উদ্দিন মিয়া

মন্ত্রিপরিষদ সচিব পদে শেখ আব্দুর রশীদের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। তার জায়গায় চুক্তিভিত্তিক নতুন মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে এম সিরাজ উদ্দিন মিয়াকে নিয়োগ দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।   শনিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দুটি পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে শেখ আব্দুর রশীদের নিয়োগ বাতিলের তথ্য জানানো হয়।   জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ মামুন শিবলীর সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৮ই অক্টোবর যে প্রজ্ঞাপনে শেখ আব্দুর রশীদকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব পদে চুক্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, তার নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ এখন বাতিল করা হলো।   অন্যদিকে ঊর্ধ্বতন নিয়োগ- ১ শাখা থেকে জারি করা পৃথক আরেক প্রজ্ঞাপনে এম সিরাজ উদ্দিন মিয়াকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের কথা বলা হয়েছে। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে এতে উল্লেখ করা হয়।   ২০২৪ সালের জুলাই অগাস্ট আন্দোলনের পর শেখ আব্দুর রশীদকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। অন্যদিকে এম সিরাজ উদ্দিন মিয়া আগে প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব (চুক্তিভিত্তিক) ছিলেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

Top week

ফাইল ফটো।
আমেরিকা

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৮, ২০২৬ 0