লন্ডন

অ্যাম্বুলেন্সগুলি পরিচালনা করত ইহুদী স্বেচ্ছাসেবং সংস্থা।
লন্ডনে ইহুদি-বিদ্বেষের ঘটনা, তদন্তে নেমেছে সন্ত্রাসবিরোধী পুলিশ

যুক্তরাজ্যের উত্তর লন্ডনের ইহুদি অধ্যুষিত গোল্ডার্স গ্রিন এলাকায় চারটি অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিসংযোগের ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে।  স্থানীয় একটি সিনাগগের পাশে রাখা এই অ্যাম্বুলেন্সগুলো মূলত ইহুদি স্বেচ্ছাসেবক দল দ্বারা পরিচালিত হতো। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নিয়ে তদন্তে নেমেছে যুক্তরাজ্যের সন্ত্রাস-মোকাবিলাকারী বিশেষ পুলিশ বাহিনী। এই ঘটনাকে সরাসরি ইহুদি-বিদ্বেষী আক্রমণ হিসেবে অভিহিত করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার। এক বিবৃতিতে তিনি ইহুদি সম্প্রদায়ের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। স্টারমার বলেন, আমাদের আধুনিক সমাজে কোনো ধরনের ইহুদি বিদ্বেষ বা সাম্প্রদায়িক সহিংসতার স্থান নেই। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও স্থানীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মেট্রোপলিটান পুলিশের প্রধান মার্ক রাওলি অতিরিক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, গোল্ডার্স গ্রিনসহ আশপাশের ইহুদি অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করতে ২৬৪ জন অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কি লন্ডনে পৌঁছাতে পারে? ব্রিটিশ সরকারের ভিন্নমত

ইরানের কাছে লন্ডন পর্যন্ত আঘাত হানতে সক্ষম দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে—ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)-এর এমন দাবি নাকচ করে দিয়েছে যুক্তরাজ্য।   ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি লন্ডনে পৌঁছাতে পারে—এমন কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য তাদের কাছে নেই। এ বিষয়ে দেশটির ক্যাবিনেট মন্ত্রী স্টিভ রিড বলেন, ইরান যুক্তরাজ্যকে লক্ষ্যবস্তু করছে বা তা করার সক্ষমতা রাখে—এমন সুনির্দিষ্ট মূল্যায়ন আমাদের কাছে নেই।   এর আগে আইডিএফ দাবি করেছিল, তেহরান-এর হাতে এমন ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, যা প্রায় ৪ হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। এদিকে সাম্প্রতিক এক ঘটনায় ইরান ভারত মহাসাগরে অবস্থিত যুক্তরাজ্য-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক ঘাঁটি দিয়েগো গার্সিয়া লক্ষ্য করে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এই ঘাঁটির দূরত্ব প্রায় ৩ হাজার ৮০০ কিলোমিটার।   স্টিভ রিড জানান, নিক্ষেপ করা দুটি ক্ষেপণাস্ত্রের একটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় এবং অন্যটি মাঝ আকাশে ধ্বংস করা হয়। তবে এগুলো ব্রিটিশ ভূখণ্ডের কতটা কাছাকাছি পৌঁছেছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।   বিশ্লেষকদের মতে, প্রায় ৩,৮০০ কিলোমিটার দূরে আঘাত হানার সক্ষমতা ইরানের সামরিক শক্তি বৃদ্ধির ইঙ্গিত দেয়। তবে লন্ডন যেহেতু ইরান থেকে প্রায় ৪,৪০০ কিলোমিটার দূরে, তাই ব্রিটিশ সরকার এখনই এটিকে সরাসরি হুমকি হিসেবে বিবেচনা করছে না।   তবে ইসরায়েল বারবার সতর্ক করে বলছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ক্রমেই বাড়ছে, যা ভবিষ্যতে ইউরোপের নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২২, ২০২৬ 0
ক্যান্সারের পর বদলে গেছে জীবন — খোলামেলা স্বীকারোক্তি প্রিন্সেস কেটের
ক্যান্সারের পর বদলে গেছে জীবন — খোলামেলা স্বীকারোক্তি প্রিন্সেস কেটের

ব্রিটেনের রাজপরিবারের সদস্য প্রিন্সেস কেট ক্যান্সার ধরা পড়ার পর নিজের জীবনযাত্রায় বড় পরিবর্তনের কথা খোলামেলাভাবে জানিয়েছেন। সম্প্রতি লন্ডনের একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, অসুস্থতার পর থেকে তিনি জীবনধারা নিয়ে অনেক বেশি সচেতন হয়ে উঠেছেন এবং বিশেষ করে মদ্যপান অনেক কমিয়ে দিয়েছেন।   লন্ডনের একটি বীয়ারহলে সফরের সময় তাকে পানীয় অফার করা হলে ৪৪ বছর বয়সী প্রিন্সেস কেট বলেন, “আমার রোগ ধরা পড়ার পর থেকে আমি খুব বেশি অ্যালকোহল পান করি না। এখন আমাকে এ বিষয়ে অনেক বেশি সচেতন থাকতে হয়।”   স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, অ্যালকোহল সেবনের সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের ঝুঁকি জড়িত। যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, মদ্যপান স্তন ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, কোলোরেক্টাল ক্যান্সার, খাদ্যনালী ক্যান্সার এবং মুখ ও গলার ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।   বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অ্যালকোহল কম পান করা বা পুরোপুরি পরিহার করা শরীরের সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।   প্রিন্সেস কেটের এই মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই তার সতর্ক ও সচেতন জীবনযাপনের সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৪, ২০২৬ 0
যুক্তরাজ্যের সাবেক লেবার পার্টি নেতা জেরেমি করবিন
ব্রিটেন যেন আবারও `অবৈধ যুদ্ধে’ জড়িয়ে না পড়ে, হুঁশিয়ারি জেরেমি করবিনের

লন্ডনের রাজপথে উত্তাল জনস্রোত আর প্রতিবাদের মুখে দাঁড়িয়ে যুক্তরাজ্যের সাবেক লেবার পার্টি নেতা জেরেমি করবিন ব্রিটিশ সরকারকে এক চরম সতর্কবার্তা দিয়েছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল কর্তৃক ইরানে হামলার প্রতিবাদে আয়োজিত এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ব্রিটেন যেন আবারও কোনো “অবৈধ যুদ্ধে” জড়িয়ে না পড়ে। লন্ডনে মার্কিন দূতাবাসের সামনে সমবেত বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশ্যে দেওয়া এক বিবৃতিতে করবিন ২০০৩ সালের ইরাক আক্রমণের স্মৃতি মনে করিয়ে দেন। তিনি উল্লেখ করেন, সে সময় লাখ লাখ মানুষ যুদ্ধের বিরোধিতা করলেও তাদের কথা কর্ণপাত করা হয়নি। যার ফলশ্রুতিতে বিশ্বকে এক বিধ্বংসী পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছিল। করবিন কঠোর সমালোচনা করে বলেন, "দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাজ্য অন্ধভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে অনুসরণ করে আসছে, যা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে কেবল বিপর্যয়কর হস্তক্ষেপই ডেকে এনেছে।" তিনি আরও যোগ করেন, "আমরা এখানে ভিন্ন কিছুর পক্ষে লড়াই করতে এসেছি—এমন এক পররাষ্ট্রনীতি যা হবে সহযোগিতা, সাম্য এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে।" মেট্রোপলিটন পুলিশের তথ্যমতে, এদিন অন্তত ৫,০০০ মানুষ সেন্ট্রাল লন্ডনের রাস্তায় মিছিলে অংশ নেন। তাদের দাবি একটাই—ইরানের ওপর মার্কিন-ইসরায়েলি হামলা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে এবং বৈশ্বিক শান্তি বজায় রাখতে হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৭, ২০২৬ 0
ইরানি রাষ্ট্রদূত সাইয়েদ আলী মৌসাভি।
সংঘাতে না জড়াতে ব্রিটেনকে কড়া হুঁশিয়ারি ইরানের

ইরানের ওপর যেকোনো ধরনের হামলায় অংশ না নিতে যুক্তরাজ্যকে চরম সতর্কবার্তা দিয়েছেন দেশটিতে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত সাইয়েদ আলী মৌসাভি। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, ব্রিটেনের যেকোনো উস্কানিমূলক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ইরান তার আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করতে দ্বিধা করবে না। সম্প্রতি ‘সানডে উইথ লরা কুইন্সবার্গ’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে মৌসাভি এই হুঁশিয়ারি দেন। সাক্ষাৎকারে তার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল— ব্রিটিশ যুদ্ধবিমান যদি ইরানের ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করে, তবে সেগুলোকে ইরান লক্ষ্যবস্তু হিসেবে গণ্য করবে কি না। এর জবাবে রাষ্ট্রদূত অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, "নিজেদের রক্ষা করার ব্যাপারে আমাদের কোনো সংশয় নেই। আমরা আশা করি ব্রিটিশ সরকারসহ অন্যান্য পক্ষগুলো তাদের কর্মকাণ্ডের সংবেদনশীলতা বুঝতে পারবে এবং অত্যন্ত সতর্ক থাকবে।" সাক্ষাৎকারে মৌসাভি আরও উল্লেখ করেন যে, ব্রিটেন এখন পর্যন্ত ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো আগ্রাসনে জড়ায়নি, যা একটি ইতিবাচক দিক। তিনি মন্তব্য করেন, ব্রিটিশ সরকার সম্ভবত ইরাক যুদ্ধের ভয়াবহতা থেকে শিক্ষা নিয়েছে এবং যেকোনো অবৈধ আগ্রাসনের পরিণতি সম্পর্কে তারা অবগত।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৭, ২০২৬ 0
লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনে যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষর করছেন বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম (বাঁয়ে) ও গ্রেনাডার হাইকমিশনার রাচের ক্রোনি। ছবি লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে প্রাপ্ত
বাংলাদেশ–গ্রেনাডার আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্কের সূচনা

ক্যারিবীয় অঞ্চলের দেশ গ্রেনাডার সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেছে বাংলাদেশ। লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনে গত বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে দুই দেশের যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে এ সম্পর্কের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়, জানানো হয়েছে হাইকমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।   বাংলাদেশের পক্ষে যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম এবং গ্রেনাডার পক্ষে যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত হাইকমিশনার রাচের ক্রোনি যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে দুই দেশের কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।   উভয় দেশই ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করলেও, এত দিন আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিল না। হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম অনুষ্ঠানকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয় মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করেন।   তিনি বলেন, উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদিত এ পদক্ষেপ দক্ষিণ–দক্ষিণ সহযোগিতার নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। এটি কেবল কূটনৈতিক আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং দক্ষিণ এশিয়া ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের মধ্যে একটি সেতুবন্ধ। পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ন্যায্য বৈশ্বিক ব্যবস্থার অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির ওপর এ সম্পর্ক গড়ে উঠছে।   তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ওষুধ ও বস্ত্র খাতের বৈশ্বিক সক্ষমতা এবং গ্রেনাডার কৌশলগত অবস্থান কাজে লাগিয়ে বাণিজ্য ও শিল্প সম্প্রসারণে যৌথভাবে কাজ করার সম্ভাবনা রয়েছে।   গ্রেনাডার হাইকমিশনার রাচের ক্রোনি বলেন, বাংলাদেশ ও গ্রেনাডা উভয়ই কমনওয়েলথভুক্ত দেশ এবং গণতন্ত্র, উন্নয়ন, আইনের শাসন ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতার অভিন্ন নীতিতে বিশ্বাসী। আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিক্ষা, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জলবায়ু কার্যক্রমসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।   তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই সম্পর্কের মাধ্যমে জাতিসংঘ, কমনওয়েলথ এবং অন্যান্য বহুপক্ষীয় ফোরামে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব কি বন্ধ? ইউএস ইমিগ্রেশন ওয়েবসাইটে কী বলা আছে

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড পাওয়ার নিয়ম বন্ধ হয়ে গেছে। তবে মার্কিন ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ ইউএস সিটিজেনশিপ এন্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিস  এর অফিসিয়াল তথ্য অনুযায়ী এই দাবি সঠিক নয়। সংস্থাটি জানিয়েছে, বিয়ের মাধ্যমে এখনও গ্রীন কার্ড এবং পরে নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ রয়েছে, তবে আবেদনকারীদের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে হবে এবং বর্তমানে যাচাই-বাছাই আগের তুলনায় বেশি কঠোর করা হয়েছে। ইউএসসিআইএসের নিয়ম অনুযায়ী, একজন মার্কিন নাগরিক বা গ্রীন কার্ডধারী তার স্বামী বা স্ত্রীর জন্য পারিবারিক ভিত্তিতে অভিবাসনের আবেদন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে প্রথমে বৈধ বিয়ের প্রমাণসহ আবেদন জমা দিতে হয়। আবেদন অনুমোদিত হলে বিদেশি স্বামী বা স্ত্রী গ্রীন কার্ড পেতে পারেন এবং স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি পাবেন। সাধারণত মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করলে প্রক্রিয়া তুলনামূলক দ্রুত হয়, আর গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করলে অপেক্ষার সময় কিছুটা বেশি হতে পারে। গ্রীন কার্ড পাওয়ার পর নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার নিয়মও আগের মতোই রয়েছে। ইমিগ্রেশন নীতিমালা অনুযায়ী, যদি কেউ মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করে গ্রীন কার্ড পান এবং কমপক্ষে তিন বছর একসাথে বসবাস করেন, তাহলে তিনি নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারেন। আর যদি গ্রীন কার্ডধারীকে বিয়ে করেন, তাহলে সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে পাঁচ বছর পূর্ণ হলে নাগরিকত্বের আবেদন করা যায়। ইমিগ্রেশন বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে বেশি সাক্ষাৎকার নেওয়া হচ্ছে, অতিরিক্ত কাগজপত্র চাওয়া হচ্ছে এবং যৌথ ব্যাংক হিসাব, বাসার ঠিকানা, ট্যাক্স নথি ও পারিবারিক প্রমাণ জমা দিতে হচ্ছে। ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে সুবিধা নেওয়া ঠেকাতে এই যাচাই-বাছাই বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া আবেদন প্রক্রিয়ায় সময় বেশি লাগার কারণেও অনেকের মধ্যে ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে যে বিয়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বন্ধ হয়ে গেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বিয়ের মাধ্যমে আমেরিকার নাগরিকত্ব বা গ্রীন কার্ড বন্ধ হয়নি। তবে বর্তমানে আবেদন প্রক্রিয়া কঠোর হয়েছে এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে বৈধ বিবাহ, একসাথে বসবাস এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রমাণ করা বাধ্যতামূলক।

Top week

বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?
আমেরিকা

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক মার্চ ২৫, ২০২৬ 0