বিদ্যুৎ বিলের চাপ কমাতে নিউইয়র্কে ২০০ ডলারের রিবেট চেক দেবে সরকার
ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিলের চাপ কমাতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক রাজ্য সরকার নতুন আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। নতুন বাজেটের অংশ হিসেবে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলারের তহবিল বরাদ্দ করা হয়েছে, যার আওতায় যোগ্য বাসিন্দারা এককালীন রিবেট চেক পাবেন।
“প্রটেক্টিং আওয়ার ওয়ালেটস এনার্জি রিবেট” নামের এই কর্মসূচির মাধ্যমে রিবেট অর্থ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডাকযোগে পাঠানো হবে। এতে আলাদা করে আবেদন করার প্রয়োজন হবে না বলে জানিয়েছে রাজ্য প্রশাসন।
আয়ের ভিত্তিতে এই রিবেটের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে। যৌথভাবে কর দাখিলকারীদের ক্ষেত্রে বার্ষিক আয় ১ লাখ ৫০ হাজার ডলারের নিচে হলে ২০০ ডলার এবং ১ লাখ ৫০ হাজার থেকে ৩ লাখ ডলারের মধ্যে হলে ১৫০ ডলার দেওয়া হবে। একক করদাতাদের ক্ষেত্রে নির্ধারিত শর্ত পূরণ করলে ১০০ ডলার রিবেট দেওয়া হবে।
সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, ২০২৪ করবর্ষে নিউইয়র্কের পূর্ণকালীন বাসিন্দা হতে হবে এবং সময়মতো ট্যাক্স রিটার্ন দাখিল করতে হবে। পাশাপাশি নির্ধারিত আয়ের সীমার মধ্যে থাকতে হবে এবং অন্য কারও ট্যাক্স রিটার্নে নির্ভরশীল হিসেবে তালিকাভুক্ত থাকা যাবে না।
রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে ধাপে ধাপে এই রিবেট চেক বিতরণ করা হবে। উচ্চ জ্বালানি ব্যয়ের কারণে সাধারণ মানুষের আর্থিক চাপ কমাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসন জানিয়েছে।
© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আমেরিকা
View moreযুক্তরাষ্ট্রে হাসপাতালগুলোর ওপর সাইবার হামলার ঝুঁকি বাড়তে থাকায় কম্পিউটার ও ডিজিটাল ব্যবস্থা ছাড়াই রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য খাতের বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, হাসপাতালগুলো প্রযুক্তির ওপর এতটাই নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে যে হঠাৎ কম্পিউটার ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেলে চিকিৎসাসেবা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়তে পারে। এমন পরিস্থিতি মোকাবিলায় হাসপাতালগুলোকে নিয়মিত মহড়ার মাধ্যমে প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউজউইকের ১৫ অক্টোবর প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিউইয়র্ক সিটিতে আয়োজিত নিউজউইকের এআই হেলথ সামিটে এসব উদ্বেগ তুলে ধরেন জেফারসন হেলথের নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং প্রধান ডিজিটাল ও তথ্য কর্মকর্তা লুইস টাভেরাস। তিনি জানান, সাইবার অপরাধীদের হামলার ঝুঁকি বাড়ার কারণে হাসপাতালের প্রযুক্তিগত নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়মিত হালনাগাদ করতে হচ্ছে। টাভেরাসের বক্তব্য অনুযায়ী, আগে তাঁর প্রতিষ্ঠানের প্রযুক্তি দল মাসে একবার বিভিন্ন নিরাপত্তা সংশোধনী ইনস্টল করত। কিন্তু এখন সাইবার হামলার ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় প্রতিদিনই নিরাপত্তাব্যবস্থা হালনাগাদ করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, সাইবার অপরাধীরা আর্থিকভাবে শক্তিশালী এবং প্রতিদিনই নতুন উপায়ে হাসপাতালের প্রযুক্তিব্যবস্থায় প্রবেশের চেষ্টা করছে। সাইবার হামলা হাসপাতালের চিকিৎসাসেবায় কতটা প্রভাব ফেলতে পারে, তার একটি উদাহরণ দেখা গেছে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে। ওই সময় র্যানসমওয়্যার হামলার কারণে ইউনিভার্সিটি অব মিসিসিপি মেডিকেল সেন্টারের প্রায় তিন ডজন ক্লিনিক সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়। হাসপাতালটির ইলেকট্রনিক স্বাস্থ্য রেকর্ড ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় নির্ধারিত কিছু চিকিৎসা কার্যক্রম বাতিল করা হয় এবং কর্মীদের হাতে-কলমে কাজ চালিয়ে যেতে হয়। সাইবার হামলার প্রভাব শুধু চিকিৎসাসেবা বন্ধ হওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। রোগীদের জীবনও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে আমেরিকান ইকোনমিক জার্নাল: ইকোনমিক পলিসিতে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, সাইবার হামলা শুরুর সময় হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগীদের মধ্যে মৃত্যুহার ৩৪ থেকে ৩৮ শতাংশ বেশি ছিল। তবে গবেষণায় পাওয়া এই পার্থক্যকে সব হাসপাতাল বা প্রতিটি সাইবার হামলার ক্ষেত্রে একইভাবে প্রযোজ্য বলে ধরে নেওয়া যাবে না। জেফারসন হেলথের কর্মকর্তা টাভেরাস জানান, এতদিন হাসপাতালগুলো ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালু রাখার পরিকল্পনার ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। কিন্তু প্রযুক্তিব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেলে রোগীদের চিকিৎসা কীভাবে অব্যাহত থাকবে, সে বিষয়ে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নেওয়া হয়নি। এ কারণে তাঁর প্রতিষ্ঠান এখন চিকিৎসাসেবা অব্যাহত রাখার জন্য আলাদা পরিকল্পনা তৈরিতে গুরুত্ব দিচ্ছে। এই পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে কম্পিউটার ছাড়াই জরুরি চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা এবং হাসপাতালের ন্যূনতম কোন সেবা ও ব্যবস্থা চালু রাখা প্রয়োজন, তা নির্ধারণ করা। প্রযুক্তিগত বিপর্যয়ের মধ্যেও রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা অব্যাহত রাখাই এর উদ্দেশ্য। কয়েক সপ্তাহ আগে জেফারসন হেলথে প্রায় তিন ঘণ্টার জন্য প্রযুক্তিব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাওয়ার অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন টাভেরাস। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ওই সময় চিকিৎসাকর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে তরুণ চিকিৎসকদের অনেকেই কম্পিউটার ব্যবস্থা ছাড়া কীভাবে কাজ চালিয়ে যেতে হবে, তা বুঝতে পারছিলেন না। এই অভিজ্ঞতার পর হাসপাতালগুলোতে অগ্নিনির্বাপণ মহড়ার মতো প্রযুক্তিব্যবস্থা বন্ধ থাকার পরিস্থিতি মোকাবিলার মহড়া চালুর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। টাভেরাস প্রতি তিন মাসে অন্তত একবার দুই থেকে তিন ঘণ্টার জন্য পরীক্ষামূলকভাবে কম্পিউটার ব্যবস্থা বন্ধ রেখে চিকিৎসাকর্মীদের প্রস্তুত করার সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তাঁর মতে, শুধু সাইবার হামলা প্রতিরোধ করাই যথেষ্ট নয়। কোনো কারণে নিরাপত্তাব্যবস্থা ব্যর্থ হলে হাসপাতাল যেন দ্রুত স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফিরতে পারে, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে হাসপাতালের কার্যক্রম ছয় থেকে আট সপ্তাহ বন্ধ থাকার মতো পরিস্থিতি এড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। একই সম্মেলনে প্রযুক্তিব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আরেকটি অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন মেট্রোহেলথ সিস্টেমের প্রধান ক্লিনিক্যাল ট্রান্সফরমেশন, ইনোভেশন অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজি কর্মকর্তা ডা. নাবিল চেহাদে। তিনি জানান, সম্মেলনের প্রায় এক সপ্তাহ আগে তাঁদের প্রতিষ্ঠানে হঠাৎ প্রযুক্তিগত বিপর্যয় ঘটে। তবে মেট্রোহেলথের ওই ঘটনা সাইবার হামলার কারণে ঘটেনি। ডেটা সেন্টারের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণব্যবস্থায় সমস্যার কারণে দিনের মাঝামাঝি সময়ে কম্পিউটার ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যায়। এতে চিকিৎসাকর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয় এবং বহির্বিভাগের কার্যক্রম বন্ধ রাখতে হয়। ডা. চেহাদের বক্তব্য অনুযায়ী, কিছু চিকিৎসক তাঁদের নিয়মিত ব্যবহৃত প্রযুক্তিব্যবস্থা ছাড়া কীভাবে কাজ চালিয়ে যাবেন, তা বুঝতে না পেরে কর্মস্থল ছেড়ে যেতে শুরু করেছিলেন। এই অভিজ্ঞতা হাসপাতালের প্রযুক্তিনির্ভরতার সীমাবদ্ধতা সামনে এনেছে। এর আগে ২০২৪ সালে চেঞ্জ হেলথকেয়ারের ওপর বড় ধরনের র্যানসমওয়্যার হামলা যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্যসেবা খাতে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল। র্যানসমওয়্যার গোষ্ঠী এএলপিএইচভি ব্ল্যাকক্যাটের ওই হামলায় চিকিৎসার বিলসংক্রান্ত দাবি, প্রেসক্রিপশন এবং স্বাস্থ্যবিমার যোগ্যতা যাচাইয়ের কার্যক্রম ব্যাহত হয়। আমেরিকান হসপিটাল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, ওই হামলার প্রভাব প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্তরাষ্ট্রের হাসপাতালগুলোতে পড়েছিল। প্রায় এক হাজার হাসপাতালের ওপর পরিচালিত সংস্থাটির জরিপে ৭৪ শতাংশ প্রতিষ্ঠান রোগীদের চিকিৎসাসেবায় প্রভাব পড়ার কথা জানায়। একই জরিপে ৯৪ শতাংশ হাসপাতাল আর্থিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার তথ্য দেয়। এ ছাড়া প্রায় এক-তৃতীয়াংশ হাসপাতাল জানায়, হামলার কারণে তাদের মোট আয়ের অর্ধেকের বেশি অংশ প্রভাবিত হয়েছিল। স্বাস্থ্য খাতের বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য অনুযায়ী, হাসপাতালগুলোতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প ব্যবস্থায় চিকিৎসাসেবা চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতাও বাড়ানো প্রয়োজন। সাইবার হামলা কিংবা অন্য কোনো প্রযুক্তিগত বিপর্যয়ে কম্পিউটার ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেলেও রোগীদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা যাতে অব্যাহত থাকে, সেই প্রস্তুতির ওপরই গুরুত্ব দিচ্ছেন তাঁরা। সূত্র: নিউজউইক
রিফর্মেশন কাজে গ্রাহকদের ৩ লাখ ডলারের বেশি আত্মসাৎ, ঠিকাদারের ৩০ বছরের কারাদণ্ড
আইএমএফে বেতনসহ ইন্টার্নশিপের সুযোগ, ১০–১২ সপ্তাহ ওয়াশিংটনে কাজের সুযোগ
গাড়ির ওপর দিয়ে লাফাবে টেসলা! আকাশে ওড়ার প্রযুক্তি নিয়ে নতুন রোডস্টার উন্মোচন করলেন ইলন মাস্ক
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের হিউস্টন শহরে অভিবাসনবিরোধী তৎপরতা জোরদার হওয়ার মধ্যে নির্মাণশ্রমিকের সংকট আরও তীব্র হয়ে উঠেছে। নির্মাণকাজে যুক্ত অনেক শ্রমিক কর্মস্থলে যাওয়া নিয়ে উদ্বেগে রয়েছেন, আবার কেউ কেউ কাজ ছেড়ে অন্য অঙ্গরাজ্যে চলে যাচ্ছেন। এতে নতুন বাড়ি নির্মাণের কাজ চালিয়ে যেতে শ্রমিকের দল ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন ঠিকাদারেরা। দেশটির অন্যতম ব্যস্ত আবাসন বাজার হিসেবে পরিচিত হিউস্টনে এই সংকট বাড়ির নির্মাণকাজের সময় ও ব্যয়ের ওপর চাপ তৈরি করছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম কেপিআরসি ২। শহরের উত্তরাঞ্চলে সূর্য ওঠার আগেই নতুন বাড়ির কাঠামো তৈরির কাজে নেমে পড়েন নির্মাণকর্মীরা। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে প্রয়োজনীয় শ্রমিক পাওয়া এবং একই কর্মীদল ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় নির্মাতারা। বৃহত্তর হিউস্টন অঞ্চলের কয়েকজন ঠিকাদার কেপিআরসি ২-কে জানিয়েছেন, গত এক বছরে অভিবাসন আইন প্রয়োগের তৎপরতার কারণে তাঁদের একাধিক কর্মী হারাতে হয়েছে। কেউ কর্মস্থলে আসা বন্ধ করেছেন, আবার কেউ টেক্সাস ছেড়ে অন্য অঙ্গরাজ্যে কাজ খুঁজছেন। ফলে চলমান প্রকল্পের কাজের গতি ধরে রাখা নির্মাণ প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গৃহনির্মাতা সমিতির (এনএএইচবি) তথ্য অনুযায়ী, দেশটির নির্মাণশ্রমিকদের চারজনের মধ্যে একজনেরও বেশি অভিবাসী। আবাসন চাহিদা মেটাতে এই কর্মীদের অবদান গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে নির্মাণশিল্পের সঙ্গে যুক্ত সংগঠনগুলো। তবে অভিবাসন কর্তৃপক্ষের অভিযান ও কর্মস্থলে তল্লাশির আশঙ্কা শ্রমিকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। এমনকি বৈধভাবে কাজ করার অনুমতি থাকা কিছু শ্রমিকও কর্মস্থলে যেতে ভয় পাচ্ছেন বলে জানিয়েছে সমিতিটি। এর ফলে নির্মাণ খাতে আগে থেকেই থাকা কর্মীসংকট আরও জটিল হয়ে উঠছে। বৃহত্তর হিউস্টন গৃহনির্মাতা সমিতির প্রধান নির্বাহী অ্যাইমি বার্ট্রান্ড বলেন, নতুন বাড়ি নির্মাণের বাজারের আকার বিবেচনায় হিউস্টন এই সংকটের কেন্দ্রে রয়েছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, নতুন বাড়ি নির্মাণের ক্ষেত্রে হিউস্টন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় বাজারগুলোর একটি, যেখানে ডালাসের অবস্থানও গুরুত্বপূর্ণ। গত কয়েক মাসে শ্রমিকসংকট নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে বলেও জানান তিনি। বার্ট্রান্ডের মতে, নির্মাতারা তাঁদের কর্মীদলের নিরাপত্তা ও কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় শ্রমিক পাওয়া নিয়ে চিন্তিত। কারণ, শ্রমিকের অভাবে নির্মাণকাজ ব্যাহত হলে নতুন বাড়ির সরবরাহেও তার প্রভাব পড়তে পারে। জাতীয় গৃহনির্মাতা সমিতির হিসাব অনুযায়ী, নির্মাণশ্রমিকের ঘাটতির কারণে একটি বাড়ি নির্মাণে গড়ে প্রায় দুই মাস বেশি সময় লাগতে পারে। একই সংকটের কারণে বছরে প্রায় ১৯ হাজার বাড়ি কম নির্মিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। নির্মাতা ও ক্রেতাদের সম্মিলিত আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ বছরে প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ ১ হাজার কোটি ডলার বলে সমিতিটি জানিয়েছে। শ্রমিকের সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে নির্মাণকাজের সময় বাড়ার পাশাপাশি শ্রম ব্যয়ও বাড়তে পারে। এর প্রভাব নতুন বাড়ির দাম এবং বাড়ি কেনার অপেক্ষায় থাকা ক্রেতাদের ওপরও পড়তে পারে। শ্রমিকের ঘাটতি সবচেয়ে বেশি বেড়েছে বাড়ির কাঠামো তৈরির কাজে নিয়োজিত কর্মী, বাগান ও বাইরের জায়গা পরিচর্যার শ্রমিক এবং ছাদ নির্মাণকর্মীদের মধ্যে। জাতীয় গৃহনির্মাতা সমিতির ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরের জরিপে দেখা গেছে, কাঠামো তৈরির শ্রমিকের সংকটের কথা জানিয়েছেন ৫৭ শতাংশ নির্মাতা, যা আগের জরিপের তুলনায় ৯ শতাংশ পয়েন্ট বেশি। বাগান পরিচর্যার শ্রমিকের ক্ষেত্রে এই হার ৩৯ শতাংশ, আর ছাদ নির্মাণকর্মীদের ক্ষেত্রে ৩৬ শতাংশ। সংশ্লিষ্ট খাতের নিয়োগদাতাদের মতে, এসব কাজে দক্ষ ও অভিজ্ঞ কর্মী পাওয়া কঠিন হয়ে পড়লে নির্মাণের বিভিন্ন ধাপ একসঙ্গে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয় না। শ্রমিকসংকটের কারণ হিসেবে শুধু অভিবাসন অভিযানকেই দেখছেন না সংশ্লিষ্টরা। নির্মাণ খাতে কর্মীর চাহিদা, অন্যান্য শিল্পের সঙ্গে শ্রমিক পাওয়ার প্রতিযোগিতা এবং শ্রম ব্যয় বৃদ্ধিও পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করছে। তবে জাতীয় গৃহনির্মাতা সমিতির সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিবাসন তৎপরতা নিয়ে উদ্বেগ শ্রমিকসংকটকে আরও বাড়িয়ে তুলছে। কর্মস্থলে তল্লাশি হলে কী করতে হবে, সে বিষয়ে ঠিকাদারদের জন্য নির্দেশিকাও প্রকাশ করেছে সংগঠনটি। নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের কর্মী ও ব্যবসায়ীদের জন্য এ ধরনের প্রস্তুতি জরুরি হয়ে উঠেছে, কারণ একটি কর্মীদল থেকে কয়েকজন শ্রমিক হারালেও পুরো প্রকল্পের সময়সূচি ব্যাহত হতে পারে। হিউস্টনের নির্মাণশিল্পে এই পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের আবাসনসংকট নিয়ে চলমান উদ্বেগের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। জাতীয় গৃহনির্মাতা সমিতির হিসাবে, দেশটিতে প্রায় ১২ লাখ বাড়ির ঘাটতি রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে নতুন বাড়ি তৈরির গতি কমে গেলে সরবরাহ বাড়ানোর প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত হতে পারে। শ্রমিকসংকটের কারণে নির্মাণ ব্যয় বাড়লে তার চাপ শেষ পর্যন্ত বাড়ি কিনতে আগ্রহী পরিবারগুলোর ওপরও পড়তে পারে। তবে হিউস্টনে ঠিক কতটি প্রকল্পের কাজ বিলম্বিত হয়েছে বা সাম্প্রতিক অভিবাসন অভিযানের কারণে মোট কতজন শ্রমিক কাজ হারিয়েছেন, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান দেওয়া হয়নি। সূত্র: কেপিআরসি ২, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গৃহনির্মাতা সমিতি (এনএএইচবি)।
জালিয়াতি রোধে ওবামাকেয়ারের করছাড়ে কড়াকড়ি, সুবিধা হারাতে পারেন অভিবাসীদের একাংশ
মিসিসিপিটিতে বিচারক নিয়োগের পর সাবেক আইন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সম্মাননা পেলেন আসমা আলী
ইলহান ওমরের বাড়িতে তল্লাশির পর ফোন জব্দ, পরিবারের সদস্যদের তলব
যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৩ দশমিক ৭ শতাংশে পৌঁছেছে। এতে মুদি পণ্য, গাড়ির জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় খাতে পরিবারের ব্যয় আরও বাড়ছে। দেশটির শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিএলএস) বুধবার, ১৪ অক্টোবর প্রকাশিত সর্বশেষ ভোক্তা মূল্যসূচকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ভোক্তা মূল্য বেড়েছে ৩ দশমিক ৭ শতাংশ। আগস্টে এই হার ছিল ৩ দশমিক ৪ শতাংশ। এক মাসের ব্যবধানে মূল্যস্ফীতি বাড়ায় সাধারণ পরিবারের জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ডব্লিউইএসএইচের তথ্য ও উপাত্তবিষয়ক দল এ পরিস্থিতিতে একটি ইন্টার্যাকটিভ অনলাইন টুল তৈরি করেছে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা মুদি পণ্য, গাড়ির জ্বালানি, বিদ্যুৎ, শিশুদের দিবাযত্নকেন্দ্র বা প্রাক্-প্রাথমিক শিক্ষার খরচ এবং পোষা প্রাণীর খাবার, এই পাঁচটি খাতে তাঁদের মাসিক ব্যয় কীভাবে পরিবর্তিত হতে পারে, তা হিসাব করে দেখতে পারবেন। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এসব খাতের মূল্য পরিবর্তনের চিত্র তুলে ধরাই এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য। তবে এটি ব্যক্তিগত কেনাকাটার রসিদভিত্তিক হিসাব নয়, বরং ভোক্তা মূল্যসূচকের ওপর নির্ভরশীল একটি আনুমানিক হিসাব। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারির তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রে সব ধরনের গাড়ির জ্বালানির ভোক্তা মূল্যসূচক প্রায় ৪০ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে বিদ্যুতের মূল্যসূচক বেড়েছে প্রায় ১০ শতাংশ। বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে যুদ্ধ শুরুর পর জ্বালানির বাজারে অস্থিরতা এবং পেট্রোলের দাম বৃদ্ধি মার্কিন পরিবারগুলোর ব্যয়ের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করেছে। জ্বালানির দাম বাড়লে শুধু গাড়ি চালানোর খরচই বাড়ে না, পরিবহন ও পণ্য সরবরাহের ব্যয়েও এর প্রভাব পড়তে পারে। ফলে পরিবারগুলোর দৈনন্দিন বাজেটের পাশাপাশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালন ব্যয়ও চাপে পড়ার আশঙ্কা থাকে। খাদ্যপণ্যের ক্ষেত্রেও দাম বৃদ্ধির চিত্র একরকম নয়। ডব্লিউইএসএইচের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ঘরে রান্নার জন্য কেনা খাবারের মূল্যসূচক বেড়েছে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ। তবে কিছু পণ্যের দাম সামগ্রিক গড়ের তুলনায় অনেক বেশি বেড়েছে। উদাহরণ হিসেবে কাঁচা গরুর কিমার মূল্যসূচক ২০২৫ সালের জানুয়ারির তুলনায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ সামগ্রিক মূল্যস্ফীতির হার দিয়ে সব পণ্যের মূল্য পরিবর্তন বোঝা যায় না। কোনো কোনো পণ্যের দাম দ্রুত বাড়তে পারে, আবার অন্য কিছু পণ্যের দাম কমতেও পারে। বিএলএসের সরকারি তথ্যেও জ্বালানির দামের উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির বিষয়টি উঠে এসেছে। সংস্থাটির হিসাবে, ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে পেট্রোলের মূল্যসূচক এক মাসে ৯ দশমিক ১ শতাংশ বেড়েছে। একই সময়ে সামগ্রিক ভোক্তা মূল্যসূচক মাসিক হিসাবে বেড়েছে ০ দশমিক ৬ শতাংশ, যেখানে আগস্টে বৃদ্ধি ছিল ০ দশমিক ৪ শতাংশ। গত ১২ মাসে জ্বালানি খাতের মূল্যসূচক বেড়েছে ২০ দশমিক ৪ শতাংশ। অন্যদিকে, খাদ্যপণ্যের সামগ্রিক মূল্যসূচক সেপ্টেম্বরে আগের মাসের তুলনায় অপরিবর্তিত ছিল। ঘরে ব্যবহারের জন্য কেনা খাবারের মূল্যসূচক সামান্য কমলেও রেস্তোরাঁয় খাবারের ব্যয় বেড়েছে। ডব্লিউইএসএইচের তৈরি অনলাইন টুলটি মূলত ভোক্তা মূল্যসূচকের পরিবর্তনকে ব্যক্তিগত মাসিক বাজেটের সঙ্গে মিলিয়ে বোঝার সুযোগ দেয়। ব্যবহারকারীরা নির্দিষ্ট খাতে তাঁদের মাসিক ব্যয়ের পরিমাণ দিয়ে আগের সময়ের তুলনায় সম্ভাব্য ব্যয়ের পরিবর্তন দেখতে পারেন। তবে প্রকৃত ব্যয় নির্ভর করবে পরিবারের সদস্যসংখ্যা, কেনাকাটার ধরন, বসবাসের এলাকা এবং বিদ্যুৎ বা জ্বালানি ব্যবহারের পরিমাণের ওপর। তাই টুলে পাওয়া হিসাবকে প্রত্যেক পরিবারের প্রকৃত ব্যয় বৃদ্ধির চূড়ান্ত পরিমাণ হিসেবে দেখা উচিত নয়। মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ার অর্থ হলো, আগের সমপরিমাণ অর্থ দিয়ে এখন তুলনামূলক কম পণ্য বা সেবা কেনা সম্ভব হতে পারে। বিশেষ করে যেসব পরিবারের আয়ের তুলনায় খাদ্য, জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও শিশুদের দেখাশোনার খরচের অংশ বেশি, তাদের বাজেটে চাপ বেশি অনুভূত হতে পারে। মূল্যস্ফীতির সামগ্রিক হার ৩ দশমিক ৭ শতাংশ হলেও প্রতিটি পরিবারের ব্যয় একই হারে বাড়বে, এমন নয়। কোন খাতে কতটা ব্যয় হয়, তার ওপরই ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার পার্থক্য নির্ভর করে। সূত্র: ডব্লিউইএসএইচ, যুক্তরাষ্ট্রের শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরো।
যুক্তরাষ্ট্রের ওরেগনে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গোলাগুলি, তিন শিশু ও এক শিক্ষক নিহত
নিউইয়র্কে মর্মান্তিক ঘটনা, ৯১১ এ কল করে পাঁচ বছরের মেয়েকে হত্যার কথা স্বীকার মায়ের