আমেরিকা

নিউইয়র্কে সন্তানদের বিনামূল্যে ডে-কেয়ার ও শিক্ষার সুযোগ, ২-কে আসনের আবেদনের শেষ দিন আজ

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: জুন ২৬, ২০২৬ ২১:৩৪
নিউইয়র্কে ২ হাজার বিনামূল্যের ২-কে আসন। ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্কে ২ হাজার বিনামূল্যের ২-কে আসন। ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্ক সিটির সরকারি স্কুলে বিনামূল্যের ২-কে (2-K) কর্মসূচিতে ভর্তির জন্য আবেদন করার শেষ দিন শুক্রবার। নির্ধারিত কয়েকটি স্কুল জেলায় বসবাসকারী পরিবারগুলোকে শুক্রবার রাত ১১টা ৫৯ মিনিটের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে।

 

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম এবিসি৭ নিউইয়র্ক জানিয়েছে, এ দফায় মোট ২ হাজার বিনামূল্যের ২-কে আসন বরাদ্দ দেওয়া হবে। এসব আসনের জন্য আবেদন করতে পারবেন স্কুল ডিস্ট্রিক্ট ৬, ১০, ১৮, ২৩ ও ২৭-এর বাসিন্দারা।

মেয়র জোহরান মামদানির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলোর অন্যতম ছিল সাশ্রয়ী শিশু পরিচর্যা ব্যবস্থা গড়ে তোলা। সেই উদ্যোগের অংশ হিসেবে চালু করা হচ্ছে এই সম্প্রসারিত ২-কে কর্মসূচি।

 

সিটি প্রশাসন জানিয়েছে, নতুন আসনগুলোর বেশিরভাগই হবে পূর্ণদিবসের কর্মসূচি। সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত, বছরে ২৬০ দিন সেবা দেওয়া হবে। এতে কর্মজীবী অভিভাবকদের শিশু পরিচর্যার চাপ অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রথম পর্যায়ে ওয়াশিংটন হাইটস, ইনউড, ইস্ট ব্রুকলিনের ক্যানারসি, ব্রাউনসভিল এবং ওশান হিল এলাকায় এই আসনগুলো চালু করা হবে।

 

আবেদন করা যাবে MySchools.nyc ওয়েবসাইটে, ফোনে ৭১৮-৯৩৫-২০০৯ নম্বরে যোগাযোগ করে অথবা নিউইয়র্ক সিটির ফ্যামিলি ওয়েলকাম সেন্টার-এ গিয়ে।

কর্মসূচির প্রচারে সম্প্রতি একটি ২-কে জিঙ্গেল প্রতিযোগিতারও আয়োজন করে সিটি প্রশাসন। বৃহস্পতিবার ব্রুকলিনের ইস্ট ফ্ল্যাটবুশের একটি প্রাক্-শৈশব শিক্ষা কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রতিযোগিতার বিজয়ী অ্যালেগ্রা লেভি ও তাঁর ব্যান্ডের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মেয়র মামদানি।

 

সিটি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চলতি শরৎ মৌসুমে ২ হাজার বিনামূল্যের আসন দিয়ে কর্মসূচি শুরু হবে। আগামী চার বছরে এটি আরও সম্প্রসারণ করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
ভ্রমণরত বড় জাহাজ। ছবি:সংগৃহীত
মেক্সিকো ভ্রমণে বাড়ছে খরচ, ক্রুজযাত্রীদের প্রবেশ ফি দ্বিগুণ

মেক্সিকো ভ্রমণে বিদেশি ক্রুজযাত্রীদের খরচ আরও বাড়ছে। দেশটির জনপ্রিয় কয়েকটি ক্রুজ পর্যটনকেন্দ্রে নামা বিদেশি যাত্রীদের প্রবেশ ফি ৫ ডলার থেকে দ্বিগুণ করে ১০ ডলার করা হয়েছে।   নতুন ফি গত ১ আগস্ট থেকে কার্যকর হয়েছে। মেক্সিকোর ধাপে ধাপে কর ও ফি বাড়ানোর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর আওতায় রয়েছে জনপ্রিয় ক্রুজ গন্তব্য কাবো সান লুকাস, পুয়ের্তো ভালার্তা, কোজুমেল ও কোস্টা মায়া।   ভ্রমণবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘দ্য পয়েন্টস গাই’-এর ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ক্লিন্ট হেন্ডারসন বলেন, ভ্রমণের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন কর ও ফি ক্রমেই বাড়ছে। ফলে মেক্সিকো ভ্রমণের মোট খরচও ধীরে ধীরে বাড়তে পারে।   তবে ১০ ডলারের এই ফি-ই শেষ নয়। মেক্সিকোর পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে ফি বেড়ে ১৫ ডলার হবে। এরপর ২০২৮ সালের ১ আগস্ট থেকে তা ২১ ডলারে উন্নীত হওয়ার কথা রয়েছে।   অর্থাৎ, আগামী দুই বছরে জনপ্রিয় এসব পর্যটনকেন্দ্রে ক্রুজযাত্রীদের প্রবেশ ফি বর্তমানের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি হতে পারে।   মেক্সিকো অবশ্য এর আগে আরও বেশি ফি আরোপের পরিকল্পনা করেছিল। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বিদেশি ক্রুজযাত্রীদের জন্য ৪২ ডলারের একটি ফি পুনর্বহাল করা হয়েছিল। তবে ক্রুজ শিল্পের ব্যাপক আপত্তির পর তা কমিয়ে ৫ ডলার করা হয়, যা ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছিল।   এবার নতুন করে ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্তে ভ্রমণ খাতে খরচ আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে পরিবার নিয়ে ক্রুজ ভ্রমণে গেলে যাত্রীসংখ্যা বেশি হওয়ায় অতিরিক্ত ফি মোট খরচে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।   শুধু মেক্সিকো নয়, সামগ্রিকভাবেই ক্রুজ ভ্রমণের খরচ বাড়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। জ্বালানি, খাবার, কর্মী ও অন্যান্য পরিচালন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন ক্রুজ কোম্পানিও অতিরিক্ত চার্জ আরোপ করছে।   এরই মধ্যে মালয়েশিয়াভিত্তিক স্টারড্রিম ক্রুজেস এশিয়াগামী কিছু ভ্রমণে দৈনিক জ্বালানি সারচার্জ চালু করেছে। যাত্রাপথ অনুযায়ী এই অতিরিক্ত ফি প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২৬ ডলার পর্যন্ত হতে পারে।   এ ছাড়া সেলিব্রিটি ক্রুজেস প্রতিদিনের গ্র্যাচুইটি বা সেবা ফিও যাত্রীপ্রতি ১ দশমিক ৫০ ডলার বাড়িয়েছে। এ সিদ্ধান্ত নিয়েও যাত্রীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।   ফলে মেক্সিকোর নতুন প্রবেশ ফি কেবল একটি অতিরিক্ত খরচ নয়; বরং কর, জ্বালানি ও সেবা ফি সব মিলিয়ে ক্রুজ ভ্রমণের সামগ্রিক ব্যয় বাড়ার একটি বৃহত্তর প্রবণতার অংশ হয়ে উঠছে।

নীলুফা নিশাত প্রকাশ: আগস্ট ১২, ২০২৬ ৫:৩৪
ব্রঙ্কসের থ্রগস নেক এলাকায় বাড়ির সামনে এক নারীকে গুলি; দুই মুখোশধারী সন্দেহভাজনকে খুঁজছে পুলিশ। ছবি সংগৃহীত

ব্রঙ্কসে বাড়ির সামনে নারীকে গুলি, দুই মুখোশধারী সন্দেহভাজনকে খুঁজছে পুলিশ

নিউইয়র্কের কিউ৮ বাস রুটে ক্যামেরার কড়া নজর, ট্রাফিক আইন ভাঙলেই ৫০ থেকে ২৫০ ডলার পর্যন্ত জরিমানা

নিউইয়র্কের কিউ৮ বাস রুটে ক্যামেরার কড়া নজর, ট্রাফিক আইন ভাঙলেই ৫০ থেকে ২৫০ ডলার পর্যন্ত জরিমানা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরানের হুমকিতে গোপনে বিমান বদলের কথা স্বীকার করলেন ট্রাম্প

সুযোগ পেলে আবারও মারার হুমকি স্টেট ট্রুপারের
ট্রাফিক স্টপে ১৮ বছরের তরুণীর মুখে ঘুষি! সুযোগ পেলে আবারও মারার হুমকি স্টেট ট্রুপারের

যুক্তরাষ্ট্রের আরকানসাসে একটি ট্রাফিক স্টপের সময় ১৮ বছর বয়সী তরুণীকে মাটিতে ফেলে মুখে ঘুষি মারার ঘটনায় এক স্টেট ট্রুপারের আচরণ নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ড্যাশক্যাম ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর নাগরিক অধিকার আইনজীবী বেন ক্রাম্প ঘটনাটির আনুষ্ঠানিক তদন্ত দাবি করেছেন।   ঘটনাটি ঘটে ১ আগস্ট রাত প্রায় ১০টা ৪৫ মিনিটে আরকানসাসের ম্যানিলার কাছে স্টেট হাইওয়ে ১৮-তে। পুলিশ রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী আলিসা হ্যাকেট ঘণ্টায় ৬০ মাইলের জোনে ৭১ মাইল গতিতে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। গাড়ির হ্যাজার্ড লাইটও চালু ছিল।   হ্যাকেট পুলিশকে জানান, তার গাড়ির জানালা ভেঙে যাওয়ায় তিনি দ্রুত বাড়ি ফিরছিলেন। আরকানসাস স্টেট পুলিশ ট্রুপার মোইসেস আরেয়ানো তাকে থামান।   পুলিশ রিপোর্টে বলা হয়, ট্রুপার গাড়িতে একটি অ্যালকোহলের বোতল দেখতে পান এবং হ্যাকেটের বয়স ২১ বছরের কম হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করেন। প্রকাশিত ভিডিওতে পরে ওই বোতলটি সিল করা ছিল বলে ট্রুপারকে স্বীকার করতে শোনা যায়। রিপোর্টে আরও বলা হয়, হ্যাকেট সিটবেল্ট পরেননি এবং গাড়ির লাইসেন্স প্লেট যথাযথভাবে দৃশ্যমান ছিল না।   ঘটনার শুরুতে তাকে কয়েকটি সাইটেশন দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছিল। পরিস্থিতি বদলে যায় আরেক ট্রুপারের সঙ্গে কথোপকথনের পর। ড্যাশক্যাম ফুটেজে ওই ট্রুপারকে বলতে শোনা যায়, কয়েক দিন আগেও হ্যাকেটকে স্পিডিংয়ের কারণে থামানো হয়েছিল। এরপর হ্যাকেটের আচরণ নিয়ে মন্তব্য করে তাকে জেলে নেওয়ার পরামর্শ দেন ওই ট্রুপার।   এরপর আরেয়ানো হ্যাকেটকে গাড়ি থেকে বের হতে বলেন এবং তাকে গ্রেফতারের উদ্যোগ নেন। পুলিশ রিপোর্ট অনুযায়ী, হ্যাকেট প্রথমে গাড়ি থেকে বের হলেও কেন তাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে জানতে চান এবং একপর্যায়ে অফিসারের কাছ থেকে সরে যাওয়ার চেষ্টা করেন।   এরপরই পরিস্থিতি শারীরিক সংঘর্ষে রূপ নেয়। ড্যাশক্যাম ভিডিওতে ট্রুপারকে হ্যাকেটকে মাটিতে ফেলে নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করতে দেখা যায়। একপর্যায়ে তিনি তরুণীর মুখের পাশে ঘুষি মারেন।   নিজের রিপোর্টে আরেয়ানো লিখেছেন, হ্যাকেটকে বারবার শরীর ঘুরিয়ে হাত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও তিনি তা মানছিলেন না। তাকে নিয়ন্ত্রণে আনতেই মুখের বাম পাশে একবার বন্ধ মুষ্টিতে আঘাত করেন বলে দাবি করেন ট্রুপার।   ঘুষি খাওয়ার পর হ্যাকেটকে প্রতিবাদ করতে শোনা যায়। ভিডিওতে তিনি বলেন, একজন অফিসার তার মুখে ঘুষি মারতে পারেন না। জবাবে ট্রুপারকে তার সেই বক্তব্য চ্যালেঞ্জ করতে শোনা যায়। পরে হ্যাকেট তার মাকে ফোন করার অনুরোধও করেন।   একপর্যায়ে ট্রুপার তার দিকে স্টান গান তাক করেন, তবে পুলিশ রিপোর্ট অনুযায়ী সেটি ব্যবহার করা হয়নি। এরপর হ্যাকেট হাত পেছনে দিলে তাকে হ্যান্ডকাফ পরানো হয়।   পুলিশ রিপোর্ট অনুযায়ী, হ্যাকেটের বিরুদ্ধে গ্রেফতারে বাধা দেওয়া, অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় অ্যালকোহল রাখা, স্পিডিং, সিটবেল্ট না পরা, লাইসেন্স প্লেট যথাযথভাবে প্রদর্শন না করা এবং গাড়ির হেডলাইটসংক্রান্ত অভিযোগ আনা হয়।   তবে ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর মূল বিতর্ক তৈরি হয়েছে গ্রেফতারের কারণ এবং একজন ১৮ বছর বয়সী তরুণীকে নিয়ন্ত্রণে নিতে ট্রুপারের ব্যবহৃত শক্তি প্রয়োজনীয় ও আইনসম্মত ছিল কি না, তা নিয়ে।   যুক্তরাষ্ট্রের পরিচিত নাগরিক অধিকার আইনজীবী বেন ক্রাম্প ঘটনাটির আনুষ্ঠানিক তদন্ত দাবি করেছেন। তার দাবি, ড্যাশক্যাম ভিডিওতে দেখা আচরণ যথাযথভাবে পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট অফিসারের বলপ্রয়োগ আইনসঙ্গত ছিল কি না তা নির্ধারণ করা প্রয়োজন।   ঘটনায় অভিযুক্ত ট্রুপার মোইসেস আরেয়ানো তুলনামূলকভাবে নতুন সদস্য। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে আরকানসাস স্টেট পুলিশের প্রশিক্ষণ শেষ করে তিনি ট্রুপ সি-তে যোগ দেন।   ঘটনাটিকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হলেও ভিডিওর একটি অংশ দেখে পুরো ঘটনার আইনি বৈধতা নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। পুলিশের রিপোর্টে হ্যাকেটের বিরুদ্ধে গ্রেফতারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে, অন্যদিকে প্রকাশিত ফুটেজে অফিসারের বলপ্রয়োগ নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।   এখন তদন্তের মূল বিষয় হবে, হ্যাকেটকে গ্রেফতারের সিদ্ধান্তের আইনি ভিত্তি কী ছিল এবং তাকে মাটিতে ফেলে মুখে ঘুষি মারার মতো বলপ্রয়োগ ওই পরিস্থিতিতে যুক্তিসংগত ও প্রয়োজনীয় ছিল কি না।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ১২, ২০২৬ ২:২৭
আমেরিকায় পুলিশ থামালে বাংলাদেশিরা ভুলেও যে ৪ কথা বলবেন না

আমেরিকায় পুলিশ থামালে বাংলাদেশিরা ভুলেও যে ৪ কথা বলবেন না

আইসিইর হাতে আসছে ‘ইলেকট্রিক গ্লাভস’

আইসিইর হাতে আসছে ‘ইলেকট্রিক গ্লাভস’, স্পর্শেই দেওয়া যাবে যন্ত্রণাদায়ক শক

স্লট মেশিনে জিতলেন ৪ কোটি ২৯ লাখ ডলার

স্লট মেশিনে জিতলেন ৪ কোটি ২৯ লাখ ডলার, ক্যাসিনো দিল মাত্র ২.২৫ ডলার আর স্টেক ডিনার

ওয়ারেন্ট ছাড়াই তুলে নেওয়ার ক্ষমতা বাড়ল আইসিইর
বৈধ কাগজপত্র পেন্ডিং থাকলেও গ্রেফতার, ওয়ারেন্ট ছাড়াই তুলে নেওয়ার ক্ষমতা বাড়ল আইসিইর

যুক্তরাষ্ট্রে ইমিগ্রেশন এনফোর্সমেন্ট ঘিরে নতুন করে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। একদিকে আইসিইর মাঠপর্যায়ের অফিসারদের ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতারের সুযোগ বাড়িয়েছে সংস্থাটির নতুন ব্যাখ্যা, অন্যদিকে বডি ক্যামেরা ব্যবহারের পরিধি বাড়ানো হচ্ছে। একই সময়ে ম্যাসাচুসেটস আইসিইর সিভিল ইমিগ্রেশন কার্যক্রমে রাজ্য ও স্থানীয় সংস্থার সহযোগিতা সীমিত করে নতুন আইন কার্যকর করেছে।   ১২ আগস্ট পর্যন্ত পাওয়া তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, এই তিনটি পরিবর্তনের মধ্যে আইসিইর ওয়ারেন্টবিহীন গ্রেফতারের নীতিটি একেবারে নতুন নয়। ভারপ্রাপ্ত আইসিই পরিচালক টড লায়ন্স গত ২৮ জানুয়ারি একটি অভ্যন্তরীণ মেমোর মাধ্যমে এ বিষয়ে নতুন নির্দেশনা দেন। পরে আদালতে জমা দেওয়া নথির মাধ্যমে ওই নির্দেশনার বিস্তারিত প্রকাশ্যে আসে।   যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ইমিগ্রেশন আইনে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে আইসিই অফিসারদের ওয়ারেন্ট ছাড়াই কাউকে গ্রেফতারের ক্ষমতা আগে থেকেই রয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে অফিসারের কাছে ওই ব্যক্তি ইমিগ্রেশন আইন লঙ্ঘন করে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন বলে বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ থাকতে হবে এবং ওয়ারেন্ট সংগ্রহের আগেই তিনি সরে যেতে পারেন বা তাকে আর খুঁজে পাওয়া নাও যেতে পারে, এমন সম্ভাবনাও থাকতে হবে।   নতুন নির্দেশনায় মূল পরিবর্তন এসেছে আইনের “likely to escape” বা ওয়ারেন্ট পাওয়ার আগেই সরে যাওয়ার সম্ভাবনা সংক্রান্ত অংশের ব্যাখ্যায়। আগে আইসিই এই বিষয়টিকে অনেকটা ভবিষ্যতে কোর্ট হিয়ারিং বা ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়ায় হাজির না হওয়ার ঝুঁকি বা “ফ্লাইট রিস্কের” সঙ্গে মিলিয়ে দেখত। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দুটি বিষয় এক নয়।   এখন অফিসারকে ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, প্রশাসনিক অ্যারেস্ট ওয়ারেন্ট সংগ্রহ করতে যে সময় লাগবে, সেই সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে একই জায়গা বা অন্য কোনো স্পষ্টভাবে শনাক্তযোগ্য স্থানে পাওয়া যাবে কি না। অর্থাৎ ভবিষ্যতে তিনি কোর্টে হাজির হবেন কি না, তার বদলে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থল থেকে সরে যাওয়ার সম্ভাবনার ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।   তবে এর অর্থ এই নয় যে আইসিই যেকোনো ব্যক্তিকে কোনো কারণ ছাড়াই ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেফতার করতে পারবে। নির্দেশনা অনুযায়ী, ওয়ারেন্টবিহীন সিভিল ইমিগ্রেশন গ্রেফতারের আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্র থেকে অপসারণযোগ্য এবং ওয়ারেন্ট পাওয়ার আগেই সরে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, এই দুই বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ভিত্তি থাকতে হবে। গ্রেফতারের পর সেই সিদ্ধান্তের পক্ষে বিবেচিত কারণ নথিভুক্ত করার নির্দেশনাও রয়েছে।   টার্গেটেড অপারেশনে আইসিই অফিসারদের সম্ভব হলে আগেই প্রশাসনিক অ্যারেস্ট ওয়ারেন্ট সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে। তবে অভিযান চলাকালে মূল টার্গেটের বাইরে অন্য কোনো সম্ভাব্য অপসারণযোগ্য অভিবাসীর মুখোমুখি হলে এবং সময়মতো ওয়ারেন্ট পাওয়া সম্ভব না হলে নতুন ব্যাখ্যার অধীনে ওয়ারেন্টবিহীন গ্রেফতারের সুযোগ তৈরি হতে পারে। এ ধরনের গ্রেফতারকে সাধারণভাবে “কোল্যাটারাল অ্যারেস্ট” বলা হয়।   এই নীতির বৈধতা নিয়েও আদালতে বিরোধ চলছে। কলোরাডোতে একটি ফেডারেল আদালত এর আগে আইসিইকে স্পষ্ট করে জানিয়েছে, শুধু যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে অবস্থানের সন্দেহই ওয়ারেন্টবিহীন গ্রেফতারের জন্য যথেষ্ট নয়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ওয়ারেন্ট পাওয়ার আগেই সরে যেতে পারেন, এমন সিদ্ধান্তেরও ব্যক্তি ও পরিস্থিতিভিত্তিক আইনি ভিত্তি থাকতে হবে।     এদিকে আইসিইর বডি ক্যামেরা কর্মসূচিতে আগস্টে বড় পরিবর্তন এসেছে। জুলাইয়ে টেক্সাস ও মেইনে আইসিই কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথক ঘটনায় দুই অভিবাসী নিহত হওয়ার পর বডি ক্যামেরা নিয়ে কংগ্রেস ও জনপরিসরে চাপ বাড়ে। ওই দুটি ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রমের পূর্ণাঙ্গ বডি ক্যামেরা রেকর্ডিং না থাকায় স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।   প্রাথমিকভাবে সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ দেশজুড়ে বডি ক্যামেরা চালুর কথা সামনে এলেও ৮ আগস্ট আইসিইর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডেভিড ভেনচুরেলা জানান, আগস্টের শেষ নাগাদ সব অফিসার ও এজেন্টের কাছে বডি ক্যামেরা পৌঁছে দেওয়ার কাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। ফলে আগের সেপ্টেম্বরের সময়সীমার তুলনায় সর্বশেষ ঘোষণায় কর্মসূচি দ্রুত সম্পন্ন করার কথা বলা হয়েছে।   জুলাইয়ে বডি ক্যামেরা কেনার জন্য প্রায় ৩০ দশমিক ৯ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ের তথ্যও সামনে এসেছে। গাড়ি থামিয়ে পরিচালিত এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রমে অন্তত একটি বডি ক্যামেরায় ঘটনা রেকর্ড করার নির্দেশনার কথাও প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।   তবে ক্যামেরা ব্যবহারের পাশাপাশি ভিডিও প্রকাশের নীতি নিয়েও বিতর্ক রয়েছে। আইসিইর নীতিমালায় মৃত্যু বা গুরুতর আহত হওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার ফুটেজ প্রকাশের ক্ষেত্রে সংস্থাটির উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা এবং পরিচালকের সিদ্ধান্তের সুযোগ রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ভিডিও প্রকাশ বিলম্বিত বা আটকে রাখা যেতে পারে। প্রকাশিত ফুটেজে অফিসারদের পরিচয় এবং সংবেদনশীল তথ্যও ঝাপসা বা গোপন করা হতে পারে।   অন্যদিকে ফেডারেল পর্যায়ে আইসিইর তৎপরতা বাড়ার মধ্যেই ম্যাসাচুসেটস ভিন্ন পথে এগিয়েছে। গভর্নর মরা হিলি ৫ আগস্ট একটি বিস্তৃত ইমিগ্রেশন সুরক্ষা আইনে স্বাক্ষর করেন। প্রোটেক্ট অ্যাক্ট নামে পরিচিত আইনটি স্কুল, চাইল্ড কেয়ার সেন্টার, কোর্টহাউস এবং হেলথ কেয়ার প্রতিষ্ঠানের মতো সংবেদনশীল স্থানে সিভিল ইমিগ্রেশন এনফোর্সমেন্টের ওপর নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।   আইনটির গুরুত্বপূর্ণ অংশের মধ্যে রয়েছে রাজ্য ও স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা সংস্থার নতুন ২৮৭(জি) চুক্তিতে অংশ নেওয়ার সুযোগ সীমিত করা। এ ধরনের চুক্তির মাধ্যমে নির্দিষ্ট স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা কর্মকর্তারা ফেডারেল ইমিগ্রেশন এনফোর্সমেন্টের কিছু দায়িত্ব পালনের ক্ষমতা পান। নতুন আইনে রাজ্য ও স্থানীয় সম্পদ সিভিল ইমিগ্রেশন এনফোর্সমেন্টে ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সীমাবদ্ধতা আনা হয়েছে।   তবে ম্যাসাচুসেটসের আইনকে সরাসরি “আইসিই নিষিদ্ধ” করার আইন হিসেবে বর্ণনা করা সঠিক হবে না। ফেডারেল সংস্থা হিসেবে আইসিই ম্যাসাচুসেটসেও ফেডারেল ইমিগ্রেশন আইন প্রয়োগ করতে পারে। নতুন আইনটির মূল লক্ষ্য হলো নির্দিষ্ট সংবেদনশীল স্থানে সিভিল ইমিগ্রেশন গ্রেফতার সীমিত করা এবং ফেডারেল ইমিগ্রেশন এনফোর্সমেন্টে রাজ্য ও স্থানীয় সংস্থার অংশগ্রহণ ও সম্পদ ব্যবহারে বাধা তৈরি করা।   ফলে যুক্তরাষ্ট্রে ইমিগ্রেশন এনফোর্সমেন্ট নিয়ে এখন দুই বিপরীতমুখী প্রবণতা স্পষ্ট। ফেডারেল পর্যায়ে আইসিই মাঠপর্যায়ে ওয়ারেন্টবিহীন গ্রেফতারের বিদ্যমান ক্ষমতাকে আরও বিস্তৃতভাবে ব্যাখ্যা করছে এবং দেশজুড়ে বডি ক্যামেরা চালু করছে। অন্যদিকে ম্যাসাচুসেটসের মতো রাজ্যগুলো নিজেদের আইন ও সরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ফেডারেল সিভিল ইমিগ্রেশন এনফোর্সমেন্টে সহযোগিতার সীমা আরও সংকুচিত করছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ১২, ২০২৬ ০:৩২
ক্যালিফোর্নিয়ার জনপ্রিয় কয়েকটি পর্যটনস্থলে প্রতিবছরই ঘটে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা। ছবি: সংগৃহীত

ক্যালিফোর্নিয়ার যে ৫টি পর্যটনস্থলে সবচেয়ে বেশি প্রাণ হারান দর্শনার্থীরা, সেখানে ভুল করলেই বিপদ

ফল সেমিস্টারে ইউনিভার্সিটি অব মিয়ামিতে পড়াশোনা শুরু করতে যাচ্ছেন কাই ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

বাড়ি ছেড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে, বিদায়ের মুহূর্তে কান্নায় ভেঙে পড়লেন ট্রাম্পের নাতনি ও তার মা

বড় শহরের কোলাহল ছেড়ে তুলনামূলক সাশ্রয়ী ও শান্ত শহরগুলোতে বসবাসের আগ্রহ বাড়ছে। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের জন্য এখন সবচেয়ে জনপ্রিয় এলাকা কোনগুলো? জানাল নতুন সমীক্ষা

0 Comments