সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

ইলন মাস্কের সঙ্গে সম্পর্কের আকস্মিক ইতি, চার সন্তানের মা শিভন জিলিসের দাবি

বায়জিদ হাসান প্রকাশ: অক্টোবর ২, ২০২৬ ১৪:৪১
ইলন মাস্কের সঙ্গে সম্পর্কের আকস্মিক ইতি
ইলন মাস্কের সঙ্গে সম্পর্কের আকস্মিক ইতি

ইলন মাস্কের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক হঠাৎ শেষ হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন প্রযুক্তি নির্বাহী শিভন জিলিস। শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে জিলিস দাবি করেন, কোনো ধরনের আগাম সতর্কতা ছাড়াই তাদের সম্পর্কের ইতি ঘটে। মাস্কের সঙ্গে জিলিসের চার সন্তান রয়েছে।

 

জিলিস লেখেন, এক সপ্তাহের ব্যবধানে ভালোবাসার সম্পর্ক থেকে বিচ্ছেদের অবস্থায় চলে যাওয়া তার জন্য অত্যন্ত কঠিন ছিল। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সম্পর্ক শেষ হওয়ার আগে তিনি এ ধরনের কোনো পরিবর্তনের আভাস পাননি। তবে বিচ্ছেদের কারণ কী, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু জানাননি।

 

মাস্ক ও জিলিসের চার সন্তানের মধ্যে ২০২১ সালে যমজ সন্তান স্ট্রাইডার ও অ্যাজুর জন্ম নেয়। এরপর ২০২৪ সালে তাদের কন্যা আর্কাডিয়া এবং ২০২৫ সালে ছেলে সেলডনের জন্ম হয়। জিলিস তার পোস্টে সন্তানদের নিয়ে গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বলেন, তাদের চার সন্তানই তার জীবনের সবচেয়ে বড় আনন্দের উৎস।

 

বিচ্ছেদের ঘোষণা দেওয়ার পাশাপাশি জিলিস মাস্কের সঙ্গে সাম্প্রতিক কিছু ব্যক্তিগত বার্তার স্ক্রিনশটও প্রকাশ করেন। সেখানে ২৪ সেপ্টেম্বরের একটি কথোপকথনে মাস্ককে জিলিসের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতে দেখা যায়। একই কথোপকথনে একটি অনুষ্ঠানে তাকে নিজের সঙ্গী হিসেবে আমন্ত্রণ জানানোর প্রসঙ্গও আসে। এর কয়েক দিনের মধ্যেই সম্পর্কের আকস্মিক সমাপ্তির কথা জানানোয় বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

 

এর আগে ২৭ সেপ্টেম্বর জিলিস এক্সে লিখেছিলেন, “নতুন দিন, নতুন জীবন।” তখন তিনি ওই পোস্টের বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি। পরে সম্পর্কের বিচ্ছেদের কথা প্রকাশ করার পর আগের পোস্টটি নতুন করে আলোচনায় আসে। মাস্ক তাকে এক্সে অনুসরণ করা বন্ধ করেছেন বলেও একাধিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

বিচ্ছেদের পরও মাস্কের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং সন্তানদের যৌথভাবে দেখাশোনা করার আশা প্রকাশ করেছেন জিলিস। তিনি বলেন, মাস্কের প্রতি তার গভীর যত্ন ও শুভকামনা রয়েছে। তবে সম্পর্ক কেন শেষ হলো, সে বিষয়ে মাস্ক বা তার প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে এখনো কোনো প্রকাশ্য ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। ফলে বিচ্ছেদের পেছনের কারণ আপাতত অজানা।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয় ঘিরে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ
কেটামিনের প্রভাবে অসুস্থ অবস্থায় যৌন সম্পর্ক, কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয় ঘিরে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরে কথিত যৌন নিপীড়নের একটি ঘটনায় নতুন করে তদন্ত শুরু হওয়ার পর অভিযোগের বিস্তারিত তথ্য সামনে এসেছে। ২০২৪ সালের অক্টোবরে বিশ্ববিদ্যালয়ের চি ফাই ভ্রাতৃসংঘের একটি বাড়িতে এক নারী শিক্ষার্থীকে মাদক ও অ্যালকোহল গ্রহণে প্ররোচিত করে একাধিক ব্যক্তি যৌন নিপীড়ন করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত বিশ্ববিদ্যালয়ের টাইটেল নাইন তদন্তের সাক্ষাৎকারের নথিতে ওই নারীর বর্ণনায় ঘটনার আরও কিছু তথ্য উঠে এসেছে।    অভিযোগকারীকে মামলার নথিতে জেন ডো নামে পরিচয় দেওয়া হয়েছে। তার অভিযোগ, ঘটনার রাতে তিনি আগে থেকেই অ্যালকোহলের প্রভাবে ছিলেন। পরে তাকে কেটামিন গ্রহণে চাপ দেওয়া হয়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কেটামিনের প্রভাবে তিনি এতটাই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন যে স্বাভাবিকভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতাও হারিয়ে ফেলেছিলেন। টাইটেল নাইন তদন্তের সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তিনি একপর্যায়ে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন এবং আর চালিয়ে যেতে চান না বলে জানিয়েছিলেন।    তদন্তের নথিতে তার এক রুমমেটের বক্তব্যও রয়েছে। ওই রুমমেটের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার প্রায় এক সপ্তাহ পর জেন ডো অভিযুক্তদের একজনকে বলেছিলেন, তিনি এত বেশি কেটামিন নিয়েছিলেন যে তার চোখও স্বাভাবিকভাবে কাজ করছিল না, তবুও তার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করা হয়। এই বক্তব্য টাইটেল নাইন তদন্তের সাক্ষাৎকারের নথিতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।    কর্নেলের টাইটেল নাইন তদন্তে অভিযোগকারী, অভিযুক্তদের মধ্যে ছয়জন এবং ২০ জন সাক্ষীর সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। তদন্তে মোট ৩২ জনের কাছ থেকে তথ্য নেওয়া হয় এবং ৫০টির বেশি সাক্ষাৎকারের নথি তৈরি হয় বলে দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট ও সিবিএস নিউজের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। তবে প্রকাশিত নথিতে টাইটেল নাইন প্যানেলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের যুক্তি বা শুনানির সম্পূর্ণ কার্যবিবরণী নেই।    অভিযুক্তদের বক্তব্যেও ঘটনার ভিন্ন বর্ণনা রয়েছে। তাদের একজন দাবি করেছেন, তিনি ওই নারীর কাছ থেকে কেটামিন নেওয়ার আগে তার সম্মতি নিয়েছিলেন। আরেক অভিযুক্ত স্কট ক্রেটজমার দাবি করেছেন, তিনি কক্ষে মাত্র কয়েক মিনিট ছিলেন এবং ওই নারীকে অস্বাভাবিকভাবে নেশাগ্রস্ত মনে হয়নি। তার আইনজীবীও তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।    ঘটনাটি নিয়ে ২০২৬ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর ওই নারী সাতজন সাবেক ভ্রাতৃসংঘ সদস্য, কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়, চি ফাই এবং আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে দেওয়ানি মামলা করেন। মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, ২০২৪ সালের ওই রাতে তাকে মাদক ও অ্যালকোহলের প্রভাবে অসহায় অবস্থায় নিয়ে গিয়ে একাধিক ব্যক্তি যৌন নিপীড়ন করেন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তখন কোনো ফৌজদারি অভিযোগ আনা হয়নি।    তবে দেওয়ানি মামলা দায়েরের পর বিষয়টি আবার সামনে আসে। টম্পকিন্স কাউন্টির ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি ম্যাথিউ ভ্যান হাউটেন ২৮ সেপ্টেম্বর জানান, মামলাটি নতুন করে তদন্ত করা হবে এবং প্রমাণ গ্র্যান্ড জুরির সামনে উপস্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি বলেন, ২০২৪ সালে ওই নারীর প্রাথমিক শপথ করা বক্তব্যে মাদক প্রয়োগ বা একাধিক ব্যক্তির যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ছিল না। তবে নতুন তথ্য সামনে আসার পর তদন্ত পুনরায় খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।    এরপর ১ অক্টোবর নিউইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোচুল অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া জেমসের দপ্তরকে এই মামলার বিশেষ প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ দেন। ফলে এখন নিউইয়র্ক অ্যাটর্নি জেনারেলের দপ্তর অভিযোগের ঘটনাটি স্বাধীনভাবে তদন্ত করবে এবং তদন্তে অপরাধের প্রমাণ পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ থাকবে। লেটিশিয়া জেমস বলেছেন, তদন্তটি তথ্য ও আইনের ভিত্তিতে পরিচালিত হবে।    কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ও নতুন তদন্তকে সমর্থন করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় জানিয়েছে, তারা আগে নিজেদের টাইটেল নাইন প্রক্রিয়ায় বিষয়টি তদন্ত করেছিল এবং অভিযুক্ত কয়েকজনের বিরুদ্ধে বহিষ্কার ও সাময়িক বহিষ্কারসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ তদন্ত ও বর্তমান ফৌজদারি তদন্ত দুটি পৃথক প্রক্রিয়া।    বর্তমানে ঘটনাটি তদন্তাধীন। অভিযোগগুলো এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধের চূড়ান্ত রায়ও হয়নি। নতুন তদন্তে অভিযোগকারী ও অভিযুক্তদের বক্তব্য, পূর্বের তদন্তের নথি এবং অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনা করে পরবর্তী আইনি সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

প্রকাশ: অক্টোবর ২, ২০২৬ ১৫:৪৭
৬-ক্যারেট হীরা আমেরিকান ড্রিম

১২ বছরের খোঁজের অবসান, মিলল ৬ ক্যারেটের হীরা ‘আমেরিকান ড্রিম’, মূল্য হতে পারে ১০ লাখ ডলার

নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ ডিপার্টমেন্টে লেফটেন্যান্ট পদে  হুমায়ুন কবির।

নিউইয়র্ক পুলিশে লেফটেন্যান্ট পদে পদোন্নতি পেলেন শরীয়তপুরের হুমায়ুন কবির

ইলন মাস্কের সঙ্গে সম্পর্কের আকস্মিক ইতি

ইলন মাস্কের সঙ্গে সম্পর্কের আকস্মিক ইতি, চার সন্তানের মা শিভন জিলিসের দাবি

ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা মূলত একটি ‘মাদকের কারখানা
ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা মূলত একটি ‘মাদকের কারখানা’, তাই যুদ্ধ করছি, বললেন ট্রাম্প

ইরানে মার্কিন হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়া পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে মাদকসংক্রান্ত কার্যক্রমও চলত বলে দাবি করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ওকলাহোমার ডুরান্টে এক নির্বাচনী সমাবেশে ২০২৫ সালের ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি এ দাবি করেন। তবে বক্তব্যে এই দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ তুলে ধরেননি।    সমাবেশে ট্রাম্প মিসৌরি থেকে বি-২ বোমারু বিমানের উড্ডয়ন এবং ইরানে হামলার বিবরণ দেন। এ সময় হামলার লক্ষ্যবস্তুগুলোকে ‘মাদকের কারখানা’ হিসেবে উল্লেখ করেন। পরে তিনি দাবি করেন, সেখানে পারমাণবিক কার্যক্রমের পাশাপাশি মাদকসংক্রান্ত কাজও হচ্ছিল।    কোন ধরনের মাদক, কোন স্থাপনায় বা কীভাবে এই কার্যক্রম চলছিল, তা স্পষ্ট করেননি ট্রাম্প। আলাদা কোনো মাদক উৎপাদনকেন্দ্রের নামও উল্লেখ করেননি। ফলে তাঁর বক্তব্য থেকে অভিযোগটির সুনির্দিষ্ট বিবরণ পাওয়া যায়নি।    অথচ ওই অভিযান সম্পর্কে পেন্টাগনের প্রকাশিত বিবরণে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনার কথা বলা হয়েছিল। ২০২৫ সালের ২২ জুনের সংবাদ সম্মেলনে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানান, ফোরদো, নাতাঞ্জ ও ইসফাহানে হামলার উদ্দেশ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস করা অথবা তার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেওয়া।    জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইনও একই সংবাদ সম্মেলনে অপারেশন মিডনাইট হ্যামারকে তিনটি ইরানি পারমাণবিক স্থাপনার বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযান হিসেবে বর্ণনা করেন। সেই সরকারি ব্যাখ্যায় মাদকের কারখানা হামলার লক্ষ্য ছিল বলে উল্লেখ করা হয়নি।    ট্রাম্পের সর্বশেষ মন্তব্য তাই অভিযানের সময় দেওয়া সরকারি ব্যাখ্যার সঙ্গে নতুন একটি অভিযোগ যুক্ত করেছে। তবে তাঁর এই বক্তব্য ইরানের সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে মাদক উৎপাদন বা পাচারের প্রমাণ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি।

প্রকাশ: অক্টোবর ২, ২০২৬ ১১:৯
আইসিই এজেন্টের গুলিতে রেনি গুড নিহতের ঘটনায় সরকারের বিরুদ্ধে পরিবারের দুই মামলা

আইসিই এজেন্টের গুলিতে রেনি গুড নিহতের ঘটনায় সরকারের বিরুদ্ধে পরিবারের দুই মামলা

ছবি: সাস্ট স্পটলাইট

যুক্তরাষ্ট্রে পিএইচডি করার সময় শাবির সাবেক শিক্ষার্থী তানভীরের মৃত্যু

জিপিএ ২.৫ হলেও যুক্তরাষ্ট্রে মাস্টার্সের সুযোগ

জিপিএ ২.৫ হলেও যুক্তরাষ্ট্রে মাস্টার্সের সুযোগ, ফুল ফান্ডে এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সম্পর্কে জানুন

ডেন্টিস্টের পথে গাড়ি থামায় আইসিই, আতঙ্কে মেয়েকে বাসায় পড়াচ্ছেন মার্কিন পরিবার
ডেন্টিস্টের পথে গাড়ি থামায় আইসিই, আতঙ্কে মেয়েকে বাসায় পড়াচ্ছেন মার্কিন পরিবার

টেক্সাসের সান অ্যান্টোনিওতে আইসিই এজেন্টদের হাতে গাড়ি থামানোর ঘটনার পর দৈনন্দিন জীবন বদলে গেছে মার্কিন নাগরিক মনিক রামিরেজের পরিবারের। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ৩১ আগস্ট নাগরিকত্ব যাচাইয়ের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হলেও আবার একই পরিস্থিতিতে পড়ার ভয় কাটেনি। মেয়ের মানসিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে তাকে স্কুলে সরাসরি পাঠানোর বদলে বাসা থেকে অনলাইনে ক্লাস করার ব্যবস্থা করেছেন রামিরেজ।    স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ইউনিভিশনকে তিনি জানান, ঘটনার সময় তারা গাড়িতে ডেন্টিস্টের অ্যাপয়েন্টমেন্টে যাচ্ছিলেন। তার ১৬ বছরের মেয়েও যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। কিন্তু আইসিইর মুখোমুখি হওয়ার পর থেকে মেয়েটি উদ্বেগ ও ভয়ের মধ্যে রয়েছে বলে জানান তিনি।   পরিবারের অনেকেই একই স্কুল থেকে পড়াশোনা করেছেন বলে মেয়েকে সরাসরি ক্লাস থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তটি কঠিন ছিল বলে উল্লেখ করেন রামিরেজ। তবে মেয়ের নিরাপত্তাবোধ ও স্বস্তিকে গুরুত্ব দিয়ে অনলাইন পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।    দ্য ইনডিপেনডেন্টকে রামিরেজ জানিয়েছেন, এখন তারা জন্মসনদ সঙ্গে রাখেন। ডিএইচএসের দাবি, গাড়িটি অনিয়মিত অভিবাসীর নামে নিবন্ধিত ছিল। রামিরেজ তা অস্বীকার করেন।    ইউনিভিশনের সঙ্গে কথোপকথনে রামিরেজ জানান, পরিবারের ছোট শিশুরাও বাইরে যেতে ভয় পায়। সাধারণ পুলিশের গাড়ি দেখলেও তারা ঘরে চলে আসে বলে তার ভাষ্য। সন্তানদের সবাই যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়ার পরও এমন ভয় নিয়ে থাকতে হচ্ছে, বিষয়টি তাকে কষ্ট দিচ্ছে।    অভিবাসন অভিযান নিয়ে নাগরিক অধিকার সংগঠন আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের একটি গবেষণাতেও মার্কিন নাগরিকদের সংশ্লিষ্টতার তথ্য উঠে এসেছে। সংগঠনটি জানিয়েছে, তাদের পর্যালোচিত ঘটনায় ১৫৫ জন মার্কিন নাগরিক আটক, অভিযানের লক্ষ্যবস্তু বা আইন প্রয়োগে অসদাচরণের শিকার হয়েছেন। শিশুদের মধ্যে ৩২ জন মার্কিন নাগরিক ছিল। এগুলো সংগঠনের পর্যালোচিত ঘটনার হিসাব, দেশজুড়ে সব অভিযানের পূর্ণাঙ্গ পরিসংখ্যান নয়।

প্রকাশ: অক্টোবর ২, ২০২৬ ৯:৪৬
২০২৭ সালের আগেই গ্রীন কার্ডে আসছে এই ৪ পরিবর্তন

২০২৭ সালের আগেই গ্রীন কার্ডে আসছে এই ৪ পরিবর্তন, জানুন বিস্তারিত

কর্নওয়ালে নয় দিন বয়সী শিশুর মৃ ত্যুর ঘটনায় আদালতে বাবা-মায়ের সাজা

মাতৃদুগ্ধ পানের পর নবজাতকের মৃ ত্যু, শরীরে কো কে ন; বাবা-মা গ্রে প্তা র

অক্টোবর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড প্রক্রিয়ায় আসছে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পরিবর্তন

গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, অক্টোবর থেকে যেসব নিয়মে আসছে নতুন সুযোগ

0 Comments