সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

ক্যালিফোর্নিয়ায় ১.৫ মিলিয়ন ডলারের বাড়ি পাওয়া যাচ্ছে ২ লাখ ৬২ হাজার ডলারে

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: অক্টোবর ৮, ২০২৬ ২২:২৩
ক্যালিফোর্নিয়ার ওয়ালনাট ক্রিকে বাজারমূল্যের চেয়ে অনেক কম দামে বিক্রি হচ্ছে চার বেডরুমের আধুনিক বাড়ি। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
ক্যালিফোর্নিয়ার ওয়ালনাট ক্রিকে বাজারমূল্যের চেয়ে অনেক কম দামে বিক্রি হচ্ছে চার বেডরুমের আধুনিক বাড়ি। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের ওয়ালনাট ক্রিকে বাজারদরের তুলনায় অনেক কম দামে বাড়ি কেনার সুযোগ তৈরি হয়েছে। সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়ার এই শহরে কম ও অতি কম আয়ের যোগ্য পরিবারগুলোর জন্য তিনটি নতুন বাড়ি বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে চার শোবার ঘরের একটি বাড়ির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র ২ লাখ ৬২ হাজার ৭৫০ ডলার। বাড়িটির বাজারমূল্য আনুমানিক ১২ লাখ থেকে ১৫ লাখ ডলার। ফলে নির্ধারিত দামে বাড়িটি কেনার সুযোগ পেলে ক্রেতারা বাজারদরের তুলনায় অনেক কম খরচে নিজেদের আবাসনের ব্যবস্থা করতে পারবেন।

 

মার্কিন সংবাদমাধ্যম কেটিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওয়ালনাট ক্রিক শহরের বাজারদরের নিচে বাড়ির মালিকানা কর্মসূচির আওতায় এই সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। প্রথমবারের মতো বাড়ি কিনতে আগ্রহী এবং নির্দিষ্ট আয়ের সীমার মধ্যে থাকা পরিবারগুলো আবেদন করতে পারবেন। পুরো কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে বে এরিয়া অ্যাফোর্ডেবল হোমওনারশিপ অ্যালায়েন্স নামের একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে। এ কাজে তাদের সঙ্গে রয়েছে কমিউনিটি হাউজিং ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন এবং মেকানিকস ব্যাংক। যোগ্য ক্রেতাদের জন্য ব্যাংকটি বাড়ির প্রাথমিক জমার অর্থে সহায়তা এবং ঋণসংক্রান্ত ভর্তুকিও দেবে।

 

বিক্রির জন্য নির্ধারিত বাড়িগুলো নতুন নির্মিত এবং প্রতিটির আয়তন ২ হাজার বর্গফুটের বেশি। তিন থেকে চারটি শোবার ঘরবিশিষ্ট এসব বাড়ির দাম ২ লাখ ৬২ হাজার ৭৫০ ডলার থেকে ৩ লাখ ৭৭ হাজার ডলারের মধ্যে। শহর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, মোট তিনটি বাড়ি এই কর্মসূচির আওতায় বিক্রি করা হবে। এর মধ্যে একটি বাড়ি ওয়ালনাট ক্রিকের অ্যাবিগেইল আবাসন প্রকল্পে অবস্থিত। দোতলা এই বাড়িটির আয়তন আড়াই হাজার বর্গফুটের বেশি। এতে খোলামেলা নকশার বসার জায়গা, মূল শোবার ঘরে পোশাক রাখার আলাদা জায়গা এবং সাজানো পেছনের উঠান রয়েছে।

 

অ্যাবিগেইল প্রকল্পের বাড়িটি কিনতে হলে আবেদনকারীদের অতি কম আয়ের পরিবারের জন্য নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হবে। চার সদস্যের পরিবারের বার্ষিক আয় সর্বোচ্চ ৮১ হাজার ৪০০ ডলার, পাঁচ সদস্যের পরিবারের ৮৭ হাজার ৯০০ ডলার, ছয় সদস্যের পরিবারের ৯৪ হাজার ৪২৫ ডলার, সাত সদস্যের পরিবারের ১ লাখ ৯২৫ ডলার এবং আট সদস্যের পরিবারের ১ লাখ ৭ হাজার ৪৫০ ডলারের মধ্যে থাকতে হবে। এসব আয়সীমা পূরণ করলেই বাড়ি কেনা নিশ্চিত হবে না। আবেদনকারীদের ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা, ন্যূনতম ঋণমান এবং বাড়ির প্রাথমিক জমার অর্থের শর্তও পূরণ করতে হবে।

 

অন্য দুটি বাড়ি ওয়ালনাট ক্রিকের এনক্লেভ আবাসন প্রকল্পে অবস্থিত। এগুলো কিনতে পারবেন নির্দিষ্ট নিম্ন আয়ের সীমার মধ্যে থাকা পরিবারগুলো। বাড়ি দুটির দাম তিন লাখ ডলারের মাঝামাঝি পর্যায়ে নির্ধারণ করা হয়েছে। তিন সদস্যের পরিবারের বার্ষিক আয় সর্বোচ্চ ১ লাখ ২২ হাজার ২০০ ডলার, চার সদস্যের পরিবারের ১ লাখ ৩৫ হাজার ৭৫০ ডলার, পাঁচ সদস্যের পরিবারের ১ লাখ ৪৬ হাজার ৬৫০ ডলার এবং ছয় সদস্যের পরিবারের ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫০০ ডলারের মধ্যে থাকতে হবে। সাত সদস্যের পরিবারের ক্ষেত্রে আয়সীমা ১ লাখ ৬৮ হাজার ৩৫০ ডলার এবং আট সদস্যের পরিবারের জন্য ১ লাখ ৭৯ হাজার ২০০ ডলার।

 

এই কর্মসূচিতে আবেদন করার জন্য পরিবারের সব সদস্যকে গত তিন বছরে কোনো বাড়ির মালিক না থাকার শর্ত পূরণ করতে হবে। অর্থাৎ, শুধু আবেদনকারী নিজে বাড়ির মালিক ছিলেন কি না, তা নয়, পরিবারের অন্য সদস্যদের মালিকানার ইতিহাসও বিবেচনায় নেওয়া হবে। পাশাপাশি আবেদনকারীদের নির্ধারিত ন্যূনতম ঋণমান, প্রাথমিক জমার অর্থ এবং আয়-ঋণের অনুপাতসংক্রান্ত শর্ত পূরণ করতে হবে। যোগ্যতা যাচাইয়ের পর আবেদনকারীদের মধ্য থেকে লটারির মাধ্যমে বাড়ির ক্রেতা নির্বাচন করা হবে। ওয়ালনাট ক্রিকে বসবাস করেন বা সেখানে কাজ করেন, এমন আবেদনকারীরা অগ্রাধিকার পাবেন।

 

আগ্রহী ক্রেতাদের আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে লটারির জন্য আবেদন করতে হবে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে বাড়ির মালিকানা কর্মসূচির আয়োজকেরা ২১ অক্টোবর একটি অনলাইন তথ্যসভা আয়োজন করবেন। সেখানে বাড়ির দাম, আয়ের সীমা, আবেদনপ্রক্রিয়া এবং ঋণসংক্রান্ত শর্ত সম্পর্কে জানার সুযোগ থাকবে। আগ্রহীরা মাই হোম গেটওয়ের ওয়েবসাইটে কর্মসূচির বিস্তারিত তথ্য ও আবেদনসংক্রান্ত নির্দেশনা দেখতে পারবেন।

 

তবে বাজারদরের তুলনায় কম দামে বাড়ি কেনার সুযোগ পেলেও ক্রেতাদের কিছু দীর্ঘমেয়াদি শর্ত মানতে হবে। বাড়ির মালিককে সম্পত্তি ভালো অবস্থায় রাখতে হবে এবং বছরে অন্তত ১০ মাস সেখানে নিজেকে বসবাস করতে হবে। বাড়িটি অন্য কাউকে ভাড়া দেওয়া যাবে না। ভবিষ্যতে বিক্রি করতে চাইলে শহর কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত ক্রেতার কাছে বিক্রি করতে হবে। একই সঙ্গে বাড়িটি আগামী ৪৫ বছর বাজারদরের নিচে বিক্রির আবাসন কর্মসূচির আওতায় থাকবে। অর্থাৎ, এটি সাধারণ বাজারে ইচ্ছেমতো দামে বিক্রি করার মতো সম্পত্তি নয়।

 

বে এরিয়া অ্যাফোর্ডেবল হোমওনারশিপ অ্যালায়েন্স কনকর্ড, ইস্ট পালো আল্টো ও অ্যান্টিওকসহ বে এরিয়ার বিভিন্ন শহরে প্রথমবারের মতো বাড়ি কিনতে আগ্রহীদের জন্য একই ধরনের কর্মসূচি পরিচালনা করে। সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়ায় বাড়ির উচ্চমূল্যের কারণে অনেক পরিবার নিজেদের আবাসন কেনার ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়ে। ওয়ালনাট ক্রিকের এই উদ্যোগ সেই পরিস্থিতিতে যোগ্য নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর জন্য একটি বিকল্প সুযোগ তৈরি করেছে। তবে বাড়ির সংখ্যা মাত্র তিনটি হওয়ায় আগ্রহী আবেদনকারীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

 

সূত্র: কেটিটিভি


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
মিশিগানের মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি তরুণ মাহবুব রহমান নিহত
মিশিগানের মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় বাংলাদেশি তরুণ মাহবুব রহমান নিহত

যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের ওয়ারেন শহরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মাহবুব রহমান নামে এক বাংলাদেশি তরুণের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে শহরের ১২ মাইল রোড ও হুভার রোডের সংযোগস্থলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।   স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার পর মাহবুব রহমানকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।   কীভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে ওয়ারেন পুলিশ।   তবে দুর্ঘটনার সময় অন্য কোনো যানবাহন জড়িত ছিল কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। মাহবুব রহমানের বয়স, মিশিগানে তাঁর বসবাসের সময়কাল কিংবা পারিবারিক পরিচয় সম্পর্কেও বিস্তারিত জানা যায়নি।   এ ঘটনায় পুলিশের তদন্তের চূড়ান্ত ফলাফল এখনো প্রকাশিত হয়নি। দুর্ঘটনার কারণ ও পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে তদন্তের পরবর্তী তথ্যের অপেক্ষা রয়েছে।

প্রকাশ: অক্টোবর ১০, ২০২৬ ০:৪১
টেক্সাসের মহাসড়ক থেকে উদ্ধার হওয়ার পর পুলিশের গাড়ির সামনের সিটে বসে থাকা সেই আহত পেঁচা। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

টহল দিতে গিয়ে আহত পেঁচার দেখা, উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করলেন পুলিশ কর্মকর্তা

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সাবেক বিচারক নাভি পিল্লাইয়ের নোবেল জয়ের দিনেই আইসিসির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

সাবেক বিচারকের নোবেল জয়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

দূষিত খাবার ও অনিরাপদ শারীরিক সম্পর্কের মাধ্যমে ছড়ানো এই ব্যাকটেরিয়ার বিস্তার রোধে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

শারীরিক সম্পর্কের মাধ্যমে ছড়ানো ডায়রিয়া প্রকট হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে, অ্যান্টিবায়োটিকেও মিলছে না ফল

যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অস্থিরতায় বিকল্প হিসেবে লুক্সেমবার্গের পাসপোর্ট চাইছেন অনেক মার্কিনি। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার বিকল্প খুঁজছেন আমেরিকানরা, পূর্বপুরুষের সূত্রে নিচ্ছেন লুক্সেমবার্গের নাগরিকত্ব

যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তিত হয়ে দেশ ছাড়ার কথা ভাবতে শুরু করেছিলেন ডেনভারের বাসিন্দা পঁয়ত্রিশ বছর বয়সী ট্রান্সজেন্ডার নারী ক্যারিস ক্যাসিডি। ছোটবেলা থেকেই ইউরোপে পাড়ি জমানোর স্বপ্ন দেখতেন তিনি, যা বয়স বাড়ার সাথে সাথে আরও প্রবল হয়। নিউজউইককে তিনি জানান, ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগেও আমেরিকায় সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক বিভাজন ছিল এবং এখানকার তুলনায় ইউরোপে সামাজিক গতিশীলতা অনেক বেশি। আমেরিকায় সাধারণ মানুষের কাছে কেবল একটাই প্রত্যাশা থাকে যে তারা সারাজীবন কাজ করে যাবে। কেউ নিজের অবস্থার উন্নতি করতে চাইলে তাকে বিশাল ঋণের বোঝায় পড়তে হয় অথবা জীবনের অন্যান্য আনন্দ থেকে বঞ্চিত হতে হয় বলে মনে করেন ক্যাসিডি।   ইউরোপকে নিজের স্বপ্ন পূরণের একটি আদর্শ জায়গা হিসেবে বিবেচনা করতেন ক্যাসিডি। খোঁজ নিয়ে তিনি জানতে পারেন, তার একজন পূর্বপুরুষ উনিশ শতকে লুক্সেমবার্গ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়েছিলেন। এই সূত্র ধরেই প্রায় ছয় লাখ একানব্বই হাজার মানুষের ছোট ও স্থলবেষ্টিত দেশ লুক্সেমবার্গের নাগরিকত্ব দাবি করার সুযোগ পান তিনি। দেশটির আইন অনুযায়ী, ১৮১৫ সাল বা তার পরে জন্মগ্রহণকারী কোনো পূর্বপুরুষের সাথে অবিচ্ছিন্ন পুরুষ বংশানুক্রমিক সম্পর্ক থাকলে নাগরিকত্ব পাওয়া সম্ভব। এছাড়া ১৯৬৯ সালের ১ জানুয়ারি বা তার পরে জন্মগ্রহণকারী সন্তানরাও নারীদের মাধ্যমে এই নাগরিকত্ব পেতে পারেন।   প্রায় এক বছর ধরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহের পর অবশেষে গত মার্চ মাসে লুক্সেমবার্গের নাগরিকত্ব লাভ করেন ক্যাসিডি। লুক্সেমবার্গের পাসপোর্ট পাওয়ার জন্য কোনো ভাষা পরীক্ষা দেওয়া বা দেশটিতে ভ্রমণের বাধ্যবাধকতা নেই। নাগরিকত্ব পাওয়ার পরপরই তিনি যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে সুইডেনে পাড়ি জমান। ক্যাসিডি জানান, ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রশাসন নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকার কারণেই তিনি দ্রুত দেশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে অনেক আমেরিকানই এখন বিকল্প পাসপোর্ট হিসেবে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের নাগরিকত্ব নেওয়ার চেষ্টা করছেন।   ডোনাল্ড ট্রাম্প পুনরায় হোয়াইট হাউসে ফেরার পর থেকে এই ছোট্ট ইউরোপীয় দেশটির নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য মার্কিনিদের আবেদন বহুগুণ বেড়ে গেছে। জাতীয় নিবন্ধনের তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম বছরে তিন হাজার পাঁচশো চুয়াত্তর জন আমেরিকান লুক্সেমবার্গের নাগরিকত্ব পেয়েছেন। দেশটির বিচার মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওই বছর ৬৫৭ জন মার্কিনি স্বেচ্ছায় আবেদনের মাধ্যমে নতুন নাগরিক হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছেন যা আগের বছরের তুলনায় ৪০ শতাংশ বেশি। বাকিরা জন্মসূত্রে বা ১৯৪৮ সালের এপ্রিলের আগে দেশটিতে জন্মের কারণে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই নাগরিক হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন।   নেব্রাস্কার বাসিন্দা ড্যানিয়েল অ্যাটজও একইভাবে ইউরোপে বসবাসের স্বপ্ন দেখছিলেন এবং ২০০৮ সালের লুক্সেমবার্গের জাতীয়তা আইন তাকে সেই সুযোগ এনে দেয়। ওই আইন অনুযায়ী, ১৯০০ সালের ১ জানুয়ারি জীবিত থাকা কোনো লুক্সেমবার্গ নাগরিকের বংশধররা তাদের নাগরিকত্ব পুনরুদ্ধার করার সুযোগ পান। অ্যাটজ ২০১৪ সালে তার নাগরিকত্ব ফিরে পান এবং সেখানে নিজের হারিয়ে যাওয়া ইউরোপীয় আত্মীয়দের সাথে নতুন করে সম্পর্ক স্থাপন করেন। তিনি নিউজউইককে জানান, লুক্সেমবার্গের এই পরিবারটি তাকে অনেক মানসিক সমর্থন দিয়েছে এবং এই নাগরিকত্ব তার জীবনকে পুরোপুরি বদলে দিয়েছে।   বর্তমানে অ্যাটজ লাক্সসিটিজেনশিপ ডটকম নামের একটি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অন্যান্য আমেরিকানদের লুক্সেমবার্গের পাসপোর্ট পেতে সহায়তা করছেন। তিনি জানান, ২০১৬ সালে প্রথমবারের মতো মার্কিনিদের মধ্যে লুক্সেমবার্গের নাগরিকত্ব নেওয়ার প্রবণতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিল। আর এখন প্রতি তিন মাসে প্রায় নয়শ জন আমেরিকান লুক্সেমবার্গের নাগরিকত্ব পাচ্ছেন। ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে তার প্রতিষ্ঠানে সেবাপ্রত্যাশীদের ভিড় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। অ্যাটজ জানান, ক্যাসিডির মতো এলজিবিটিকিউ সম্প্রদায়ের অনেকেই যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতি নিয়ে ভীত এবং তারা ইউরোপে স্থায়ী হতে চাইছেন।   নাগরিকত্ব পাওয়ার হার বাড়লেও এর মানে এই নয় যে আমেরিকানরা দলে দলে লুক্সেমবার্গে গিয়ে বসবাস শুরু করছেন। লুক্সেমবার্গ ইউরোপের অন্যতম ব্যয়বহুল দেশ এবং সেখানে সব ধরনের পেশার মানুষের জন্য পর্যাপ্ত কাজের সুযোগ নেই। তাই অনেকেই ইউরোপীয় ইউনিয়নে প্রবেশের টিকিট হিসেবে এই পাসপোর্ট ব্যবহার করেন। অ্যাটজ জানান, পাসপোর্ট হাতে পাওয়ার পর নব্বই শতাংশেরও বেশি মানুষ স্প্যানিশ, পর্তুগিজ বা ফরাসি শহরগুলোতে পাড়ি জমান। ক্যাসিডি নিজেও লুক্সেমবার্গে স্থায়ী হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করলেও আর্থিক দিক বিবেচনায় তিনি ইউরোপের অন্য কোনো দেশে বাস করার কথা ভাবছেন।   সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিদেশে বসবাসকারী অনেক আমেরিকান তাদের যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করছেন এবং এই সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। তবে ক্যাসিডি এখনই নিজের মার্কিন পাসপোর্ট ছাড়তে রাজি নন। তিনি বলেন, অনেক খারাপ ঘটনা ঘটলেও হয়তো আগামী দিনে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। তার ভেতরের আমেরিকান সত্তা এখনও আশাবাদী যে শেষ পর্যন্ত সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে এবং একটি সুন্দর সমাপ্তি দেখা যাবে। তবে ট্রাম্প প্রশাসনের শেষ কয়েক বছরে যুক্তরাষ্ট্রে কী ঘটে, তা সবার জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে মনে করেন তিনি।   উৎস: নিউজউইক

প্রকাশ: অক্টোবর ৯, ২০২৬ ২২:৭
ফ্রেসনো শহরের ব্রডওয়ে স্ট্রিট এবং ডাডলি অ্যাভিনিউয়ের কাছে ঘটনাস্থলে তদন্ত করছেন পুলিশ কর্মকর্তারা। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

বাড়ির সামনে থেকে সরে যেতে বলায় বৃদ্ধকে মারধর, ক্যালিফোর্নিয়ায় গুলিবিদ্ধ আইসিই কর্মকর্তা

উত্তর আমেরিকার বাংলাদেশি কমিউনিটির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও পারস্পরিক যোগাযোগ জোরদারে কাজ করার অঙ্গীকার করেছে ফোবানার নতুন নেতৃত্ব। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

ফোবানার ২০২৬–২০২৭ কমিটির যাত্রা শুরু, আগামী বছরের হিউস্টন সম্মেলন ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

নিউইয়র্কের কুইন্সে ১২ বছর বয়সী শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে নাজিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কে ১২ বছরের শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে বাংলাদেশি ৭২ বছর বয়সী ব্যক্তি গ্রেপ্তার

ক্ষমতার অপব্যবহার করে কোটি কোটি ডলার দুর্নীতি করা সাবেক সিআইএ কর্মকর্তা ডেভিড রাশ। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
যুক্তরাষ্ট্র সরকারের প্রায় ১৯৪ মিলিয়ন ডলার আত্মসাৎ, কারাদণ্ডের মুখে সাবেক সিআইএ কর্মকর্তা

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির বা সিআইএ এর এক সাবেক কর্মকর্তা সরকারি তহবিলের প্রায় ১৯৪ মিলিয়ন বা ১৯ কোটি ৪০ লাখ ডলার আত্মসাতের কথা স্বীকার করেছেন। ডেভিড জে. রাশ নামের ৪৯ বছর বয়সী ওই কর্মকর্তা নিজের পদমর্যাদার অপব্যবহার করে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেন। আত্মসাৎ করা এই অর্থ দিয়ে তিনি ফ্লোরিডায় বিলাসবহুল সম্পত্তি, শত শত স্বর্ণের বার এবং দামি গাড়ি কিনেছিলেন। সম্প্রতি আদালতে দোষ স্বীকার করার পর তার এসব অবৈধ সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মার্কিন বিচার বিভাগ এবং এফবিআইয়ের তদন্তে এই নজিরবিহীন দুর্নীতির চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে।   ডেভিড রাশ সিআইএ এর একজন ঊর্ধ্বতন নির্বাহী পদে কর্মরত ছিলেন এবং শীর্ষ পর্যায়ের গোপনীয় তথ্য বা টপ সিক্রেট ক্লিয়ারেন্সের অধিকারী ছিলেন। তদন্তে জানা যায়, সিআইএতে এই উচ্চ পদে পৌঁছানোর জন্য তিনি নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং সামরিক অভিজ্ঞতার বিষয়েও মিথ্যা তথ্য দিয়েছিলেন। ভার্জিনিয়ার ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্টে কর্মরত থাকার সুবাদে তিনি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও শ্রেণিবদ্ধ কার্যক্রমে যুক্ত থাকার সুযোগ পান। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তিনি একটি ভুয়া স্পেশাল অ্যাক্সেস প্রোগ্রাম তৈরি করেন। অত্যন্ত গোপনীয়তার অজুহাত দেখিয়ে তিনি অন্যান্য কর্মকর্তাদের এই প্রকল্পের বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া থেকে বিরত রাখেন।   ভুয়া এই গোপন কর্মসূচির আওতায় ডেভিড রাশ কয়েকজন সরকারি ঠিকাদারকে নিযুক্ত করেন এবং তাদের বোঝান যে তারা একটি বৈধ ও অতি গোপনীয় সরকারি প্রকল্পের অংশ। আদালতের নথিতে এটিকে স্যাপ নাম্বার ওয়ান হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর তিনি সরকারি কাজে যুক্ত একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে প্রায় ১৪৫ মিলিয়ন ডলার একটি নির্দিষ্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরের নির্দেশ দেন। সংবেদনশীল সরকারি কাজের কথা বলে একটি স্বাধীন সাবকন্ট্রাক্টরের মাধ্যমে তিনি এই হোল্ডিং কোম্পানি ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি খুলেছিলেন। পরবর্তীতে এই তহবিলের অর্থ দিয়ে তিনি দক্ষিণ ফ্লোরিডায় বিলাসবহুল আবাসন কেনা এবং সংস্কারের কাজ শুরু করেন।   আত্মসাৎ করা অর্থ দিয়ে ফ্লোরিডায় অন্তত চারটি বিলাসবহুল রিয়েল এস্টেট সম্পত্তি কিনেছিলেন এই সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা। এর মধ্যে পাম বিচ এলাকায় ১৩ দশমিক ৯ মিলিয়ন, ২২ দশমিক ৯ মিলিয়ন এবং ২৭ মিলিয়ন ডলার মূল্যের তিনটি বাড়ি ও জমি রয়েছে। এছাড়া হোপ সাউন্ড এলাকায় ৪০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে আরও একটি জমি কেনেন তিনি। পাশাপাশি এক লাখ ৭২ হাজার ডলারের বেশি দামের একটি বিএমডব্লিউ গাড়ি এবং ৬৩ হাজার ডলারের বেশি মূল্যের একাধিক দামি ঘড়ি কেনেন। এফবিআই তার ভার্জিনিয়ার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ২৯৮টি স্বর্ণের বার, ২১ লাখ ডলারের বেশি নগদ অর্থ, এক লাখের বেশি ইউরো এবং রোলেক্সসহ অন্তত ৩০টি দামি ঘড়ি উদ্ধার করে।   ডেভিড রাশ মিথ্যা দাবি করে এসব স্বর্ণের বার কিনেছিলেন এই বলে যে, একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল সরকারি কাজের জন্য এগুলো প্রয়োজন। এফবিআই পরিচালক কাশ প্যাটেল এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, রাশ তার নিজের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী সরকারের কোটি কোটি ডলার প্রতারণা করে হাতিয়ে নিয়েছেন এবং ব্যক্তিগত বিলাসের জন্য তা ব্যয় করেছেন। তিনি তার শপথ, সহকর্মী এবং আমেরিকার জনগণের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। আগামী ২০২৭ সালের ২৮ জানুয়ারি তার সাজা ঘোষণার দিন ধার্য করা হয়েছে। এই অপরাধের জন্য তার সর্বোচ্চ ২০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে, সেই সাথে তাকে জরিমানা প্রদান ও অবৈধভাবে অর্জিত সমস্ত সম্পদ বাজেয়াপ্তের সম্মুখীন হতে হবে।   উৎস: ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস এবং রিয়েল্টর ডটকম

প্রকাশ: অক্টোবর ৯, ২০২৬ ২০:৪৫
যুক্তরাষ্ট্রের উপসাগরীয় উপকূলের দিকে দ্রুত ধেয়ে আসছে শক্তিশালী হারিকেন ইসাইয়াস। এর প্রভাবে জর্জিয়ায় ভারী বৃষ্টিপাত, প্রবল দমকা বাতাস, আকস্মিক বন্যা এবং টর্নেডোর তীব্র আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আবহাওয়া দপ্তরের

জর্জিয়ার দিকে ধেয়ে আসছে হারিকেন ইসাইয়াস, আটলান্টায় ভারী বৃষ্টি ও ঝড়ের সতর্কতা

নিউইয়র্কে আইসের অভিযানে গ্রেপ্তার শিশু নির্যাতনকারী, খুনের আসামিসহ একাধিক অপরাধী

নিউইয়র্কে আইসের অভিযানে গ্রেপ্তার শিশু নির্যাতনকারী, খুনের আসামিসহ একাধিক অপরাধী

‘আমার কাঁধে ৩ হাজার ডলারের পার্স, আমি কীভাবে চুরি করতে পারি?’ গ্রেপ্তারের পর নারীর সাফাই

‘আমার কাঁধে ৩ হাজার ডলারের পার্স, আমি কীভাবে চুরি করতে পারি?’ গ্রেপ্তারের পর নারীর সাফাই

0 Comments