সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
আমেরিকা

নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশি প্রবাসীদের অংশগ্রহণে জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের জন্য প্রায় ১০ লাখ ডলার অনুদান সংগ্রহ

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি প্রকাশ: নভেম্বর ৩, ২০২৬ ১৯:৩৩
নিউ ইয়র্কে জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের সম্প্রসারণ প্রকল্পের তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
নিউ ইয়র্কে জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের সম্প্রসারণ প্রকল্পের তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

নিউ ইয়র্কে নিজেদের সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে প্রায় ১০ লাখ ডলার অনুদান পেয়েছে জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টার (জেএমসি)। গত ২৪ অক্টোবর নিউ ইয়র্কের লাগার্ডিয়া বিমানবন্দরসংলগ্ন ম্যারিয়ট হোটেলে এই তহবিল সংগ্রহ নৈশভোজ অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্রটির পরিচালনা পর্ষদ ও নির্বাহী কমিটি যৌথভাবে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে নিউ ইয়র্কসহ বিভিন্ন এলাকার মুসলিম কমিউনিটির সদস্য, বাংলাদেশি প্রবাসী, ধর্মীয় নেতা, ব্যবসায়ী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা অংশ নেন।

 

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ব্যক্তিরা ৫০ ডলার থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১ লাখ ডলার পর্যন্ত অনুদান দেন। বিভিন্ন পর্যায়ের এসব অনুদান মিলিয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ করতে সক্ষম হয় প্রতিষ্ঠানটি। সংগৃহীত অর্থ জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় করা হবে বলে আয়োজকেরা জানিয়েছেন। প্রকল্পটির মাধ্যমে কেন্দ্রটির অবকাঠামো ও কার্যক্রমের পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

 

নৈশভোজে প্রধান বক্তব্য দেন প্রখ্যাত ইসলামি বক্তা ও ধর্মীয় আলোচক শেখ উসমান বিন ফারুক। অতিথি বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামি গবেষক শেখ ড. জাকির আহমেদ, জেএমসির প্রধান ইমাম আবু জাফর বেগ এবং কেন্দ্রটির পরিচালক ইমাম শামসি আলী। বক্তারা জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের দীর্ঘদিনের ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে নিউ ইয়র্কে মুসলিম জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ও চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কেন্দ্রটির সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন।

 

বক্তারা বলেন, সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ধর্মীয় শিক্ষা কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা সম্ভব হবে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ইসলামি মূল্যবোধ ও ধর্মীয় শিক্ষার প্রসারে এটি ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি কমিউনিটির সদস্যদের জন্য আরও কার্যকর সামাজিক ও শিক্ষামূলক পরিবেশ গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হবে। ধর্মীয় কার্যক্রমের পাশাপাশি সামাজিক সম্পৃক্ততা ও জনকল্যাণমূলক সেবাও আরও বিস্তৃত করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তাঁরা।

 

অনুষ্ঠানের তহবিল সংগ্রহ কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন আফতাব মান্নান। উদ্যোগটির সঙ্গে আরও যুক্ত ছিলেন জেএমসির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ এম. রহমান তুহিন, সভাপতি ড. নাজমুল এইচ. খান এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার। তাঁদের নেতৃত্বে আয়োজিত এই উদ্যোগে কমিউনিটির বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষের অংশগ্রহণ ছিল।

 

নিউ ইয়র্কের দীর্ঘদিনের ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টার অন্যতম। প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় শিক্ষা, নামাজের ব্যবস্থা, সামাজিক যোগাযোগ এবং কমিউনিটির কল্যাণমূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এসব সেবার পরিধি বাড়বে এবং ক্রমবর্ধমান মুসলিম জনগোষ্ঠীর চাহিদা পূরণে প্রতিষ্ঠানটি আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে বলে আশা করছেন আয়োজক ও কমিউনিটির সদস্যরা।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

আমেরিকা

View more
নিউ ইয়র্কে জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের সম্প্রসারণ প্রকল্পের তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা
নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশি প্রবাসীদের অংশগ্রহণে জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের জন্য প্রায় ১০ লাখ ডলার অনুদান সংগ্রহ

নিউ ইয়র্কে নিজেদের সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে প্রায় ১০ লাখ ডলার অনুদান পেয়েছে জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টার (জেএমসি)। গত ২৪ অক্টোবর নিউ ইয়র্কের লাগার্ডিয়া বিমানবন্দরসংলগ্ন ম্যারিয়ট হোটেলে এই তহবিল সংগ্রহ নৈশভোজ অনুষ্ঠিত হয়। কেন্দ্রটির পরিচালনা পর্ষদ ও নির্বাহী কমিটি যৌথভাবে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে নিউ ইয়র্কসহ বিভিন্ন এলাকার মুসলিম কমিউনিটির সদস্য, বাংলাদেশি প্রবাসী, ধর্মীয় নেতা, ব্যবসায়ী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা অংশ নেন।   অনুষ্ঠানে উপস্থিত ব্যক্তিরা ৫০ ডলার থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১ লাখ ডলার পর্যন্ত অনুদান দেন। বিভিন্ন পর্যায়ের এসব অনুদান মিলিয়ে প্রায় ১০ লাখ ডলার সংগ্রহ করতে সক্ষম হয় প্রতিষ্ঠানটি। সংগৃহীত অর্থ জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় করা হবে বলে আয়োজকেরা জানিয়েছেন। প্রকল্পটির মাধ্যমে কেন্দ্রটির অবকাঠামো ও কার্যক্রমের পরিধি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।   নৈশভোজে প্রধান বক্তব্য দেন প্রখ্যাত ইসলামি বক্তা ও ধর্মীয় আলোচক শেখ উসমান বিন ফারুক। অতিথি বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামি গবেষক শেখ ড. জাকির আহমেদ, জেএমসির প্রধান ইমাম আবু জাফর বেগ এবং কেন্দ্রটির পরিচালক ইমাম শামসি আলী। বক্তারা জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের দীর্ঘদিনের ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে নিউ ইয়র্কে মুসলিম জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ও চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কেন্দ্রটির সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব দেন।   বক্তারা বলেন, সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ধর্মীয় শিক্ষা কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা সম্ভব হবে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ইসলামি মূল্যবোধ ও ধর্মীয় শিক্ষার প্রসারে এটি ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি কমিউনিটির সদস্যদের জন্য আরও কার্যকর সামাজিক ও শিক্ষামূলক পরিবেশ গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি হবে। ধর্মীয় কার্যক্রমের পাশাপাশি সামাজিক সম্পৃক্ততা ও জনকল্যাণমূলক সেবাও আরও বিস্তৃত করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তাঁরা।   অনুষ্ঠানের তহবিল সংগ্রহ কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন আফতাব মান্নান। উদ্যোগটির সঙ্গে আরও যুক্ত ছিলেন জেএমসির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ এম. রহমান তুহিন, সভাপতি ড. নাজমুল এইচ. খান এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার। তাঁদের নেতৃত্বে আয়োজিত এই উদ্যোগে কমিউনিটির বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষের অংশগ্রহণ ছিল।   নিউ ইয়র্কের দীর্ঘদিনের ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টার অন্যতম। প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় শিক্ষা, নামাজের ব্যবস্থা, সামাজিক যোগাযোগ এবং কমিউনিটির কল্যাণমূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সম্প্রসারণ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এসব সেবার পরিধি বাড়বে এবং ক্রমবর্ধমান মুসলিম জনগোষ্ঠীর চাহিদা পূরণে প্রতিষ্ঠানটি আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে বলে আশা করছেন আয়োজক ও কমিউনিটির সদস্যরা।

প্রকাশ: নভেম্বর ৩, ২০২৬ ১৯:৩৩
মেরিল্যান্ড স্টেট বিএনপির উদ্যোগে ১০ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভা

মেরিল্যান্ড স্টেট বিএনপির উদ্যোগে ১০ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভা

যুক্তরাষ্ট্রে সমকামী দম্পতির সন্তানকে ভর্তি না করার সুযোগ পাচ্ছে সরকারি অর্থায়নের ধর্মীয় স্কুল

যুক্তরাষ্ট্রে সমকামী দম্পতির সন্তানকে ভর্তি না করার সুযোগ পাচ্ছে সরকারি অর্থায়নের ধর্মীয় স্কুল

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতির কড়াকড়িতে কমছে নতুন ভাড়াটে পরিবার, চাপে আবাসন খাত

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতির কড়াকড়িতে কমছে নতুন ভাড়াটে পরিবার, চাপে আবাসন খাত

বিলাসিতা নয়, রুচির পরিচয়: যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সাশ্রয়ী আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড
বিলাসিতা নয়, রুচির পরিচয়: যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সাশ্রয়ী আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি পরিবারগুলোর জীবনযাত্রায় পোশাক-পরিচ্ছদ, ব্যক্তিগত ব্যবহার্য সামগ্রী এবং লাইফস্টাইল পণ্য নির্বাচনে বাড়ছে সচেতনতা। পারিবারিক অনুষ্ঠান, সামাজিক আয়োজন, কমিউনিটি সম্মেলন কিংবা কর্মক্ষেত্রে নিজেকে পরিপাটি ও রুচিশীলভাবে উপস্থাপন করতে অনেকেই বেছে নিচ্ছেন পরিচিত আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের পণ্য।   তবে মানসম্মত পণ্য কিনতে মানেই যে হাজার হাজার ডলার খরচ করতে হবে, এমন নয়। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে মধ্যম আয়ের পরিবারের সামর্থ্যের মধ্যে এমন অনেক ব্র্যান্ড রয়েছে, যেগুলোর পণ্য দৈনন্দিন ব্যবহার থেকে শুরু করে বিশেষ আয়োজনেও হতে পারে উপযোগী।   বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি মধ্যবিত্ত ও পেশাজীবী পরিবারগুলোর জন্য কেনাকাটার ক্ষেত্রে এখন শুধু পণ্যের দাম নয়, মান, স্থায়িত্ব, ডিজাইন এবং ব্যবহারিক সুবিধাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। একটি সুন্দর হাতব্যাগ, মানানসই ঘড়ি, ভালো মানের সানগ্লাস কিংবা পোশাকের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ জুতা একজন মানুষের ব্যক্তিগত স্টাইলকে আরও পরিপূর্ণ করে তুলতে পারে। এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের পণ্য কেনার পাশাপাশি নিজের বাজেট ও প্রয়োজনের মধ্যে ভারসাম্য রাখার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।   নারীদের হাতব্যাগের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পরিচিত কয়েকটি ব্র্যান্ড হলো কোচ, মাইকেল করস, কেট স্পেড এবং চার্লস অ্যান্ড কিথ। এসব ব্র্যান্ডের বিভিন্ন ডিজাইন ও দামের হাতব্যাগ পাওয়া যায়। অফিস, পারিবারিক অনুষ্ঠান কিংবা সামাজিক আয়োজনে ব্যবহারের জন্য এসব ব্র্যান্ডের বিভিন্ন ধরনের ব্যাগ রয়েছে। বিশেষ করে মৌসুমি ছাড়, আউটলেট স্টোর এবং বিশেষ বিক্রয় অফারের সময় তুলনামূলক কম দামে এসব পণ্য কেনার সুযোগ তৈরি হয়। ফলে খুব বেশি অর্থ ব্যয় না করেও মানসম্মত একটি ব্যাগ সংগ্রহ করা সম্ভব।   ঘড়ির ক্ষেত্রে নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য ক্যাসিও, টাইমেক্স, ফসিল, সিকো এবং সিটিজেন উল্লেখযোগ্য আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড। তুলনামূলক সাশ্রয়ী দামের পাশাপাশি এসব ব্র্যান্ডের বিভিন্ন মডেলে রয়েছে দৈনন্দিন ব্যবহার, অফিস এবং আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানের উপযোগী ডিজাইন। একটু বেশি বাজেট থাকলে টিসোর মতো ব্র্যান্ডও বিবেচনায় রাখা যায়। তবে ঘড়ি কেনার সময় শুধু বাহ্যিক সৌন্দর্য নয়, এর স্থায়িত্ব, কার্যকারিতা এবং নিজের ব্যবহারের প্রয়োজন বিবেচনা করা উচিত।   সানগ্লাসের ক্ষেত্রেও রয়েছে বেশ কিছু পরিচিত ব্র্যান্ড। রে-ব্যান, ওকলি, পোলারয়েড এবং মাইকেল করসের বিভিন্ন ধরনের সানগ্লাস যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পাওয়া যায়। এগুলোর মধ্যে বিভিন্ন ডিজাইন, মূল্য ও ব্যবহারের উপযোগিতা রয়েছে। তবে সানগ্লাস কেনার ক্ষেত্রে শুধু ব্র্যান্ড বা ফ্যাশনকে গুরুত্ব না দিয়ে ইউভি সুরক্ষা নিশ্চিত করাও জরুরি। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, চোখের সুরক্ষার জন্য শতভাগ ইউভি সুরক্ষা বা ইউভি ৪০০ সুবিধাসম্পন্ন সানগ্লাস বেছে নেওয়া ভালো।   নারীদের প্রসাধনীর ক্ষেত্রেও বিভিন্ন বাজেটের আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড রয়েছে। মেবেলিন, লরিয়েল প্যারিস, এনওয়াইএক্স এবং ইএলএফ তুলনামূলক সাশ্রয়ী দামের প্রসাধনীর জন্য পরিচিত। অন্যদিকে ম্যাকের মতো ব্র্যান্ডের পণ্যও অনেকের পছন্দের তালিকায় থাকে। ব্যক্তিগত পরিচর্যার ক্ষেত্রে ত্বকের ধরন ও প্রয়োজন অনুযায়ী পণ্য নির্বাচন করা জরুরি। পুরুষদের গ্রুমিং ও ব্যক্তিগত পরিচর্যার জন্যও নিভিয়া, জ্যাক ব্ল্যাক এবং দ্য অর্ডিনারির মতো ব্র্যান্ডের বিভিন্ন পণ্য পাওয়া যায়।   পুরুষদের পোশাক ও জুতার ক্ষেত্রেও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রয়েছে বেশ কিছু পরিচিত আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড। টমি হিলফিগার, ক্যালভিন ক্লেইন এবং লেভিসের পোশাক অফিস, দৈনন্দিন ব্যবহার কিংবা সামাজিক অনুষ্ঠানের জন্য বিবেচনা করা যেতে পারে।   অন্যদিকে জুতার ক্ষেত্রে নাইকি, অ্যাডিডাস, নিউ ব্যালান্স এবং ক্লার্কসের বিভিন্ন মডেল পাওয়া যায়। পোশাকের সঙ্গে মানানসই জুতা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক ডিজাইন নির্বাচন করলে অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই পরিপাটি উপস্থিতি নিশ্চিত করা সম্ভব।   এসব ব্র্যান্ডের পণ্য কেনার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি পরিবারগুলোর জন্য আরেকটি সুবিধা হলো বিভিন্ন আউটলেট স্টোর, ডিপার্টমেন্ট স্টোর এবং অনলাইন বিক্রয়কেন্দ্রে নিয়মিত ছাড় পাওয়া যায়। ব্ল্যাক ফ্রাইডে, সাইবার মানডে, মৌসুমি বিক্রয় এবং বিশেষ প্রচারণার সময় অনেক পণ্য স্বাভাবিক দামের তুলনায় কম দামে কেনার সুযোগ থাকে। তবে ছাড়ের পরিমাণ বা প্রকৃত সাশ্রয় নিশ্চিত করতে একাধিক বিক্রেতার দাম তুলনা করা এবং অনুমোদিত বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য কেনা গুরুত্বপূর্ণ।   অনেকের মতে, ব্যক্তিত্ব ও রুচির প্রকাশ শুধু পোশাক কিংবা ব্যবহৃত ব্র্যান্ডের ওপর নির্ভর করে না। বরং পরিচ্ছন্নতা, পরিমিতিবোধ, মানানসই পোশাক এবং নিজের আর্থিক সামর্থ্য অনুযায়ী পণ্য নির্বাচন একজন মানুষের ব্যক্তিগত উপস্থাপনাকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে। তাই সামাজিক অনুষ্ঠানে অন্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে দামি পণ্য কেনার পরিবর্তে প্রয়োজন ও সামর্থ্য অনুযায়ী মানসম্মত পণ্য বেছে নেওয়াই হতে পারে বুদ্ধিমানের কাজ।   যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি কমিউনিটির পরিধি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুন প্রজন্মের পাশাপাশি বিভিন্ন পেশায় যুক্ত পরিবারগুলোর মধ্যেও আন্তর্জাতিক পণ্য ও জীবনযাত্রা সম্পর্কে আগ্রহ তৈরি হচ্ছে। তবে এর অর্থ অপ্রয়োজনীয় বিলাসিতার দিকে ঝুঁকে পড়া নয়। বরং কোন পণ্যটি নিজের জন্য প্রয়োজনীয়, কোন ব্র্যান্ডটি মান ও দামের দিক থেকে উপযোগী এবং কোথায় তুলনামূলক ভালো দামে পাওয়া যাচ্ছে, সে বিষয়ে সচেতন হওয়াই গুরুত্বপূর্ণ।   সব মিলিয়ে, আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড ব্যবহার করা মানেই বিলাসিতা নয়। নিজের সামর্থ্যের মধ্যে মানসম্মত পণ্য নির্বাচন, রুচিশীল পোশাক এবং পরিমিত জীবনযাপনই হতে পারে আধুনিক জীবনধারার পরিচয়। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি পরিবারগুলোর জন্যও স্মার্ট কেনাকাটার এই অভ্যাস ব্যক্তিগত আত্মবিশ্বাস ও সুন্দর জীবনযাপনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রকাশ: নভেম্বর ৩, ২০২৬ ১৭:৫০
ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেপ্তার, পরে সরকারি নথিতে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগ আইসিইর বিরুদ্ধে

ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেপ্তার, পরে সরকারি নথিতে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার অভিযোগ আইসিইর বিরুদ্ধে

মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যুর ১৭ বছর পরও সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ, ৬০০ মিলিয়ন ডলার দাবি মেয়ের

মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যুর ১৭ বছর পরও সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ, ৬০০ মিলিয়ন ডলার দাবি মেয়ের

যুক্তরাষ্ট্রে স্বামীর গুলিতে স্ত্রী নি হত, আত্মহ ত্যা করলেন স্বামী, এতিম ৬ বছরের শিশু

যুক্তরাষ্ট্রে স্বামীর গুলিতে স্ত্রী নি হত, আত্মহ ত্যা করলেন স্বামী, এতিম ৬ বছরের শিশু

যুক্তরাষ্ট্রে ক্ষুধার্ত শিক্ষার্থীদের খাবার দেওয়ায় চাকরি হারালেন ১৯ বছরের অভিজ্ঞ স্কুলকর্মী
যুক্তরাষ্ট্রে ক্ষুধার্ত শিক্ষার্থীদের খাবার দেওয়ায় চাকরি হারালেন ১৯ বছরের অভিজ্ঞ স্কুলকর্মী

ছুটির দিনে অভুক্ত থাকা শিক্ষার্থীদের গোপনে বাড়তি খাবার দেওয়ার 'অপরাধে' চাকরি হারিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের এক প্রবীণ স্কুল ক্যাফেটেরিয়া কর্মী। ৬১ বছর বয়সী ডেনিস হুইটমার্শ দীর্ঘ ১৯ বছর ধরে একই মিডল স্কুল রান্নাঘরে কাজ করছিলেন এবং তার কর্মজীবনের রেকর্ড ছিল সম্পূর্ণ দাগহীন।   তবে কর্তৃপক্ষের নিয়মের তোয়াক্কা না করে অভাবী শিক্ষার্থীদের প্রতি এমন মানবিকতা দেখানোর কারণেই শেষ পর্যন্ত তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। নেটিজেনদের কাছে তার এই কাজ ‘গুড ট্রাবল’ বা ‘মহৎ অপরাধ’ হিসেবে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে।   ডেনিসের সহকর্মীরা জানান, ঘটনার শুরু হয় যখন এক ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী তার ছোট ভাইয়ের জন্য একটি অতিরিক্ত দুধ বাড়ি নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেছিল। এরপর থেকেই ডেনিস অবিক্রীত স্যান্ডউইচ ও আপেল আলাদা করে রাখতে শুরু করেন।   একপর্যায়ে মাত্র ২৭ হাজার ৪০০ ডলার বার্ষিক বেতনের চাকরিজীবী হয়েও তিনি নিজের পকেট থেকে মাসে প্রায় ৮০ ডলার খরচ করে পিনাট বাটার, রুটি এবং গ্র্যানোলা বার কিনে শিক্ষার্থীদের দিতেন। প্রশাসনকে না জানিয়েই তিনি এই কাজ করতেন এবং কখনও এর কোনো ছবিও তোলেননি।   কেউ যেন লজ্জায় না পড়ে, সেজন্য তিনি নীরবে লোডিং দরজার কাছে একটি ক্রেটে খাবারের ব্যাগগুলো রেখে দিতেন। এমন নিঃস্বার্থ ভালোবাসার প্রতিদান হিসেবে এক অভিভাবক তাকে একটি হাতে লেখা চিঠি পাঠিয়েছিলেন, যা তিনি দুই বছর ধরে নিজের অ্যাপ্রনের পকেটে সযত্নে রেখে দিয়েছিলেন।   তবে সম্প্রতি স্কুল ডিস্ট্রিক্টের এক পর্যালোচনায় ডেনিসের এই গোপন বদান্যতার বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসে। এরপরই তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়। ডিস্ট্রিক্ট কর্তৃপক্ষের দাবি, ডেনিস একাধিক প্রাতিষ্ঠানিক নীতি লঙ্ঘন করেছেন।   এর মধ্যে রয়েছে—অনুমোদন ছাড়া স্কুলের মজুত খাবার বাইরে নিয়ে যাওয়া, নির্ধারিত সময়ের বাইরে শিক্ষার্থীদের খাবার পরিবেশন করা, লাইসেন্সপ্রাপ্ত রান্নাঘরে বাইরের খাবার প্রবেশ করানো এবং অবিক্রীত খাবারের দৈনিক হিসাব না রাখা। স্কুল কর্তৃপক্ষের ভাষায়, এটি ছিল একটি 'অনথিভুক্ত বিতরণ কার্যক্রম', যার ফলেই তাকে এমন কঠোর শাস্তির মুখে পড়তে হয়েছে।

প্রকাশ: নভেম্বর ৩, ২০২৬ ১৬:৪
মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ৬২ শতাংশ ভারতীয়-আমেরিকানের সমর্থন ডেমোক্র্যাটদের দিকে

মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ৬২ শতাংশ ভারতীয়-আমেরিকানের সমর্থন ডেমোক্র্যাটদের দিকে

বৈধ ওয়ার্ক পারমিট নিয়েও আইসিইর হাতে আটক ইউসি বার্কলের শিক্ষার্থী

বৈধ ওয়ার্ক পারমিট নিয়েও আইসিইর হাতে আটক ইউসি বার্কলের শিক্ষার্থী, মুক্তির আবেদন আইনজীবীর

যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ ভোট দেওয়ার অভিযোগে ৬৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা, তালিকায় বাংলাদেশিও

যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ ভোট দেওয়ার অভিযোগে ৬৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা, তালিকায় বাংলাদেশিও

0 Comments