বিশ্ব

শিশু ও শিক্ষাখাতে সহযোগিতা জোরদারে ঢাকায় আসছেন মার্কিন বিশেষ দূত চার্লস জে. হার্ডার

Unknown প্রকাশ: এপ্রিল ১৬, ২০২৬ ১৯:৩৬
যুক্তরাষ্ট্রের ‘বেস্ট ফিউচার জেনারেশনস’ বিষয়ক বিশেষ দূত চার্লস জে. হার্ডার। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের ‘বেস্ট ফিউচার জেনারেশনস’ বিষয়ক বিশেষ দূত চার্লস জে. হার্ডার। ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষা ও শিশুদের কল্যাণে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের কৌশলগত সহযোগিতা আরও জোরদার করতে তিন দিনের সফরে শনিবার (১৮ এপ্রিল) ঢাকায় আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের ‘বেস্ট ফিউচার জেনারেশনস’ বিষয়ক বিশেষ দূত চার্লস জে. হার্ডার।

 

সফরকালে তিনি বাংলাদেশের আগামী প্রজন্মের উন্নয়ন ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে একাধিক বৈঠকে অংশ নেবেন। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের অধীন ‘বেস্ট ফিউচার জেনারেশনস’ উদ্যোগটির মূল লক্ষ্য বিশ্বব্যাপী শূন্য থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশুদের সুরক্ষা, কল্যাণ ও সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

 

তিন দিনের এই সফরে হার্ডার সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি এবং শিক্ষা খাতের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গেও মতবিনিময় করবেন। দুই দেশের সহযোগিতার মাধ্যমে কীভাবে বাংলাদেশের শিশুদের জন্য নিরাপদ ও সম্ভাবনাময় পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়, সেটিই আলোচনার প্রধান বিষয় হবে।

 

সফরসূচিতে শিক্ষা, শিশুস্বাস্থ্য, পুষ্টি, নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন এবং শিশু অধিকার সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা বৃদ্ধির দিকগুলো গুরুত্ব পাবে।

 

ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সফরের সময় বিশেষ দূত সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, উন্নয়ন সংস্থা, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেবেন। এসব বৈঠকে শিশুদের কল্যাণে বাস্তবসম্মত ও টেকসই উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হবে।

 

বর্তমানে বিশেষ দূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করা চার্লস জে. হার্ডার পেশায় একজন আইনজীবী। যুক্তরাষ্ট্রে ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিনি আইন পেশায় যুক্ত আছেন এবং ব্যবসা, গণমাধ্যম ও সাংবিধানিক আইনে বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিত।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

Advertisement

বিশ্ব

View more
রণধীর জয়সওয়াল
শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে ঢাকার অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: জয়সওয়াল

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের জন্য ঢাকার পাঠানো আনুষ্ঠানিক অনুরোধ ভারত পেয়েছে এবং সেটি বর্তমানে আইনি ও বিচারিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।   শুক্রবার নয়াদিল্লিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত দ্বি-সাপ্তাহিক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকারের পাঠানো শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের অনুরোধ ভারত পেয়েছে এবং সেটি বর্তমানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর্যায়ে রয়েছে।   রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “হ্যাঁ, আমরা প্রত্যর্পণের একটি অনুরোধ পেয়েছি। আগেও যেমন জানিয়েছি, বিষয়টি বর্তমানে পর্যালোচনার অধীনে রয়েছে।”   তিনি আরও বলেন, প্রত্যর্পণ-সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন এবং বিচারিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই ভারতের পক্ষ থেকে এ অনুরোধ বিবেচনা করা হবে।   একই সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকরা জানতে চান, বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক হত্যা মামলায় ভারতের হেফাজতে থাকা এক ব্যক্তিকে ফেরত চেয়ে ঢাকা থেকে আরেকটি প্রত্যর্পণ অনুরোধ এসেছে কি না।   জবাবে জয়সওয়াল বলেন, এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তিনি নিশ্চিত নন। বিষয়টি যাচাই করে দেখতে হবে বলেও জানান তিনি। প্রশ্নকারী সাংবাদিকও ওই মামলার অভিযুক্ত ব্যক্তি বা নিহত রাজনীতিকের পরিচয় প্রকাশ করেননি।   তবে এ প্রসঙ্গেও ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র পুনর্ব্যক্ত করেন, ভারতের কাছে আসা যেকোনো প্রত্যর্পণ অনুরোধ সংশ্লিষ্ট আইনি বিধান ও বিচারিক প্রক্রিয়া অনুসারেই পরীক্ষা করে দেখা হয়।   বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রত্যর্পণ চুক্তি কার্যকর থাকলেও কোনো ব্যক্তিকে প্রত্যর্পণের ক্ষেত্রে দুই দেশের প্রযোজ্য আইন, চুক্তির শর্ত এবং বিচারিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়। শেখ হাসিনাকে ঘিরে বাংলাদেশের পাঠানো অনুরোধের ক্ষেত্রেও একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে বলে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

বায়জিদ হাসান প্রকাশ: জুলাই ১৭, ২০২৬ ১২:২৮
তীব্র তাপমাত্রার মধ্যে ইরানের রাজধানী তেহরানের একটি রাস্তায় মাথায় পানি ঢেলে নিজেকে ঠান্ডা করছেন এক ট্যাক্সিচালক

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর ইরানে বিদ্যুৎ সংকট, তীব্র গরমে এসি বন্ধের আহ্বান সরকারের

ছবি: সংগৃহীত

একসঙ্গে মৃত্যুর সিদ্ধান্তে নদীতে ঝাঁপ দিলেন প্রেমিক, পালিয়ে গেলেন প্রেমিকা

ছবি: হাউস অব লর্ডসে নতুন দায়িত্বের পথে লন্ডনের মেয়র স্যার সাদিক খান।

লন্ডনের প্রথম মুসলিম মেয়র থেকে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষে: হাউস অব লর্ডসে স্যার সাদিক খানের নতুন যাত্রা

জেনিফার কাস্ত্রো ছবি: সংগৃহীত
জানালার আসন নিয়ে তুমুল বিতর্ক, এবার বিমান সংস্থা ও ভিডিওধারণকারীর বিরুদ্ধে মামলা

ব্রাজিলে বিমানের একটি জানালার আসন নিয়ে ঘটে যাওয়া ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেওয়ার পর এবার আইনি লড়াইয়ে নেমেছেন সেই নারী যাত্রী। সংরক্ষিত আসন ছাড়তে অস্বীকৃতি জানানোর ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে ক্ষতির অভিযোগ এনে তিনি বিমান সংস্থা গোল এয়ারলাইন্স এবং ভিডিও ধারণ ও প্রকাশকারী এক সহযাত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।  ২৯ বছর বয়সী জেনিফার কাস্ত্রো ব্রাজিলের একটি ব্যাংকের কর্মী ছিলেন। গত বছরের ডিসেম্বরে গোল এয়ারলাইন্সের একটি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে তিনি আগে থেকেই সংরক্ষণ করা জানালার আসনে বসতে গেলে সেখানে একটি শিশুকে দেখতে পান। শিশুটি সরে যাওয়ার পর তিনি নিজের নির্ধারিত আসনে বসেন। পরে শিশুটি কান্না করায় তাকে আসনটি ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করা হলেও কাস্ত্রো তা প্রত্যাখ্যান করেন।    ঘটনার সময় আরেক যাত্রী তার অনুমতি ছাড়াই ভিডিও ধারণ করেন এবং সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন। অল্প সময়ের মধ্যেই ভিডিওটি লাখো মানুষের কাছে পৌঁছে যায় এবং বিষয়টি নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়। কেউ কাস্ত্রোর সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন, আবার অনেকে বলেন, আগে থেকে সংরক্ষণ করা আসন ব্যবহার করা একজন যাত্রীর অধিকার।    কাস্ত্রোর দাবি, ভাইরাল ভিডিওর পর তিনি ব্যাপক অনলাইন হয়রানি, ব্যক্তিগত আক্রমণ ও মানসিক চাপে পড়েন। এর প্রভাব তার কর্মজীবনেও পড়ে এবং শেষ পর্যন্ত তাকে আগের পেশা ছাড়তে হয়। তার অভিযোগ, একটি সাধারণ বিমানযাত্রাকে অননুমোদিতভাবে ভিডিও করে প্রকাশ করার কারণে তার সুনাম ও ব্যক্তিগত জীবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।    এ কারণে তিনি গোল এয়ারলাইন্স এবং ভিডিও ধারণকারী যাত্রীর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা করেছেন। তার বক্তব্য, এই আইনি পদক্ষেপ শুধু নিজের ক্ষতির প্রতিকার চাওয়ার জন্য নয়, ভবিষ্যতে যেন কোনো ব্যক্তি অনুমতি ছাড়া একইভাবে জনসমক্ষে অপদস্থ না হন, সেই বার্তাও দিতে চান তিনি।    এদিকে মামলার বিষয়ে গোল এয়ারলাইন্স প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেনি। ঘটনাটি এখন ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, যাত্রীর অধিকার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুমতি ছাড়া ভিডিও প্রকাশের সীমা নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ১৭, ২০২৬ ১০:২
বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু

বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জোট সরকারের পতন, ভেঙে দেওয়া হলো ইসরায়েলের পার্লামেন্ট

K2 Airways Boeing 737 cargo plane that crashed in the Arabian Sea

পাকিস্তানে কার্গো বিমান বিধ্বস্ত: ব্ল্যাক বক্স উদ্ধারে আন্তর্জাতিক সহায়তা চাইলেন নিহতদের স্বজনরা

সামাজিক ও মানবিক দায়িত্ব পালনে এক অনন্য নজির স্থাপন করল নরওয়ে জাতীয় ফুটবল দল। ছবি: সংগৃহীত

গাজার মানুষের জন্য ফুটবল ম্যাচের টিকিটের পুরো অর্থ দান করল নরওয়ে

হত্যাকাণ্ডের শিকার অ্যানেস্থেটিস্ট ডা. কিরণ হোনান্নাভার এবং পুলিশ হেফাজতে থাকা তার স্ত্রী ডা. প্রিয়াঙ্কা। ছবি: সংগৃহীত
স্বামীর নিথর দেহ ও রক্তাক্ত সন্তান, পাশে শুয়ে মোবাইল ফোনে ব্যস্ত চিকিৎসক স্ত্রী

ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের ধারওয়াড়ে একটি আবাসিক ভবনের ফ্ল্যাট থেকে এক চিকিৎসকের রক্তাক্ত মরদেহ এবং তার ৮ বছর বয়সী আহত ছেলেকে উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় নিহত চিকিৎসকের স্ত্রী, যিনি নিজেও একজন চিকিৎসক, তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনাস্থলে তাকে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেখা যায় এবং তার দেওয়া বক্তব্যে অসংগতি পাওয়া গেছে। তবে এখন পর্যন্ত হত্যার অভিযোগে তাকে আদালতে দোষী সাব্যস্ত করা হয়নি এবং তদন্ত চলমান রয়েছে।   ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহত চিকিৎসকের নাম ডা. কিরণ হোনান্নাভার (৪৫)। তিনি পেশায় একজন অ্যানেস্থেটিস্ট ছিলেন এবং ধারওয়াড়ের চিরায়ু হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন। ঘটনাটি ঘটেছে কর্ণাটক ইউনিভার্সিটি রোড এলাকার রাঙ্কা স্টেলো অ্যাপার্টমেন্টে, যা একটি উচ্চ নিরাপত্তাবেষ্টিত আবাসিক ভবন।   পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকে ডা. কিরণের সঙ্গে পরিবারের সদস্যরা একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাকে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে স্বজনরা ফ্ল্যাটে গিয়ে দীর্ঘ সময় দরজা না খোলায় ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে তারা ডা. কিরণকে গলায় ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাত নিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। অন্য একটি কক্ষে তার ৮ বছর বয়সী ছেলে গুরুতর ছুরিকাঘাতে আহত অবস্থায় পড়ে ছিল। শিশুটিকে দ্রুত একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং তার চিকিৎসা চলছে।   তদন্তকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, এক কক্ষে ডা. কিরণের মরদেহ পড়ে আছে এবং অন্য কক্ষে আহত শিশুর কাছেই বিছানায় শুয়ে মোবাইল ফোন ব্যবহার করছিলেন তার স্ত্রী ডা. প্রিয়াঙ্কা, যিনি একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ। এই ভিডিওটি তদন্তের অংশ হিসেবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হুবলি-ধারওয়াড় পুলিশের কমিশনার এন. শশিকুমার জানান, প্রাথমিক তদন্তে এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি, যা থেকে ধারণা করা যায় যে বাইরে থেকে কেউ ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেছিল। ঘটনাকালে ফ্ল্যাটে শুধুমাত্র স্বামী, স্ত্রী এবং তাদের সন্তান ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে মনে করছে পুলিশ। তবে কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছে এবং এর পেছনের প্রকৃত কারণ কী তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।   পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, স্বজনরা যখন ফোন করছিলেন, তখন ডা. প্রিয়াঙ্কা ফোন রিসিভ করে প্রথমে জানান, তার স্বামী বিশ্রাম নিচ্ছেন। পরে তিনি বলেন, স্বামী বাইরে গেছেন। কিন্তু পরিবারের সদস্যরা সরাসরি ফ্ল্যাটে পৌঁছে ভিন্ন পরিস্থিতি দেখতে পান। তদন্তকারীদের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদের সময়ও তার বক্তব্যে অসংগতি পাওয়া গেছে এবং তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন বলে মনে হয়েছে।   এ ঘটনায় স্থানীয় থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ভবনের সিসিটিভি ফুটেজ, ফরেনসিক আলামত এবং অন্যান্য প্রমাণ সংগ্রহ করে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে নিহত ও অভিযুক্তের পরিবারের সদস্যদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য বা ঘটনার পূর্ণ বিবরণ সম্পর্কে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ১৬, ২০২৬ ২৩:২২
শিশুকন্যার মৃত্যুর ঘটনায় আদালতে দোষী সাব্যস্ত কোর্টনি গার্টশোর। ছবি: সংগৃহীত

হেয়ার ড্রায়ারের তাপে ৩ মাসের শিশুর মৃত্যু, মাকে দোষী সাব্যস্ত করল আদালত

লিয়ান নুগুয়েন ও অ্যান্ডি চিয়েম তাদের পরিচালিত লন্ড্রোম্যাটে। ছবি: সংগৃহীত

চাকরির পাশাপাশি পার্ট-টাইম ব্যবসা করে বছরে আয় প্রায় ১ কোটি টাকা, সপ্তাহে কাজ মাত্র ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা

Men carry the body of one of several victims who were killed after a police station was was hit by Israeli bombardment in the Jabalia camp.

গাজায় নতুন করে ইসরায়েলি হামলায় নিহত অন্তত ৫, যুদ্ধবিরতির পর বেড়েছে হামলার মাত্রা

0 Comments