বিশ্ব

ইয়েমেন থেকে ইসরাইলে সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণ

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ২৮, ২০২৬ 0
ইয়েমেন থেকে ইসরাইলে সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণ
ইয়েমেন থেকে ইসরাইলে সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণ

ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে চলমান সংঘাত নতুন রূপ নিচ্ছে। যুদ্ধের দ্বিতীয় মাসে পদার্পণ করার পর প্রথমবারের মতো ইয়েমেন থেকে ইসরাইলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের ঘটনা নিশ্চিত করেছে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী।

 

শনিবার (২৮ মার্চ) ভোরে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানায়, তারা ইয়েমেন থেকে একটি ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইলি ভূখণ্ড লক্ষ্য করে নিক্ষেপের ঘটনা শনাক্ত করেছে। ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত ও হুমকি মোকাবিলার জন্য দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

 

ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা এই যুদ্ধে সরাসরি অংশ নেয়ার হুমকি দেয়ার পর হামলার ঘটনা ঘটেছে। যদিও শুরু থেকেই বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী ইসরাইলের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছিল, তবে সরকারি ভাবে ইয়েমেন থেকে আসা কোনো হামলার কথা এবার প্রথমবার স্বীকার করা হলো।

 

এর ঠিক একদিন আগে তেল আবিব লক্ষ্য করে ইরান থেকে কয়েক দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছিল, যা পাঁচ ঘণ্টার ব্যবধানে ঘটেছিল এবং এলাকায় তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি করেছিল। ইয়েমেন থেকে শুরু হওয়া এই নতুন ফ্রন্ট মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল ও দীর্ঘস্থায়ী করার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

 

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

Advertisement

বিশ্ব

View more
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ইসরায়েল আমাদের জ্ঞানশূন্য করতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে হামলা করছে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি দেশটির শিক্ষা ও একাডেমিক কেন্দ্রগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলার তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, এই হামলার মূল লক্ষ্য কেবল সামরিক স্থাপনা নয়, বরং ইরানের মেধা ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজকে ধ্বংস করা। আরাঘচির মতে, ইরানের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা কেন্দ্রগুলোকে টার্গেট করার মাধ্যমে ইসরায়েল মূলত ইরানকে ‘জ্ঞানশূন্য’ (brain-drain) করার একটি সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র লিপ্ত হয়েছে। তিনি একে আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক মূল্যবোধের চরম লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করেছেন।   পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, ইরানের তরুণ প্রজন্ম ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়ে তাদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত করাই এই হামলার প্রধান উদ্দেশ্য। তবে তিনি দৃঢ়তার সাথে জানিয়েছেন যে, এ ধরণের হামলা চালিয়ে ইরানের বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতি থামানো সম্ভব হবে না। ইতিমধ্যে ইরানের বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে বোমা ও ড্রোন হামলার খবর পাওয়া গেছে, যা নিয়ে বিশ্বজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে। আরাঘচি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই ‘সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাগত আগ্রাসনের’ বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।   বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধের ময়দান যখন সাধারণ অবকাঠামো থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দিকে মোড় নেয়, তখন তা দীর্ঘমেয়াদী মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধের রূপ ধারণ করে। ইরানের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা খাতের ওপর এই আঘাত দেশটির ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব ও উদ্ভাবনী শক্তিকে দুর্বল করার একটি কৌশল হতে পারে। তবে তেহরান জানিয়েছে, তারা ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দ্রুত সংস্কার করবে এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এই হামলার প্রতিবাদে ইরানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্র বিক্ষোভের খবরও পাওয়া গেছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩০, ২০২৬ 0
ইসরাইলের নিরাপত্তা মন্ত্রণালয় লক্ষ্য করে ইরানের হামলা

৫০ তম 'ভূমি দিবস' : অধিকাংশ ভূমি হারিয়ে ফিলিস্তিনিদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই

ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মোজতবা খামেনি। ছবি: সংগৃহীত

৩১তম দিনে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ: তেহরানে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও ব্ল্যাকআউট, তেলের দখল নিতে চান ট্রাম্প

ইরানের অস্ত্র কারখানায় ৮০ টিরও বেশি বোমা নিক্ষেপ করেছে ইসরাইল। ছবি: সংগৃহীত

ইরানের অস্ত্র কারখানায় ইসরাইলের ৮০টির বেশি বোমা হামলা

ইউক্রেনে রুশ হামলায় নিহত ৫ জন
ইউক্রেনে রুশ হামলায় নিহত ৫ জন

ইউক্রেন–এর বিভিন্ন অঞ্চলে রাশিয়া–র বোমা হামলায় অন্তত ৫ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও কমপক্ষে ১৪ জন। অন্যদিকে, রাশিয়ার সীমান্তবর্তী বেলগোরোদ এলাকায় ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় একজন নিহত হওয়ার তথ্য জানিয়েছে মস্কো।   রোববার (২৯ মার্চ) স্থানীয় সময় দোনেৎস্ক অঞ্চলের ক্রামাতোরস্ক শহরে রুশ বাহিনী গ্লাইড বোমা হামলা চালায়। এতে হতাহতের পাশাপাশি কয়েকটি বহুতল ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।   কিয়েভের আঞ্চলিক প্রশাসনের অভিযোগ, বেসামরিক এলাকাগুলোকে লক্ষ্য করেই এসব হামলা চালানো হচ্ছে। একই দিনে ওডেসা শহরে মাতৃসদন ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনাও ঘটে, যেখানে বেশ কয়েকজন হতাহত হন।   এর জবাবে ইউক্রেন রাশিয়ার ভেতরে হামলার তৎপরতা বাড়িয়েছে। বাল্টিক সাগরের উস্ত-লুগা বন্দর এলাকায় ড্রোন হামলার পর আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। ইউক্রেনের নিরাপত্তা সংস্থার দাবি, এসব হামলা রাশিয়ার জ্বালানি ও রপ্তানি সক্ষমতা দুর্বল করার কৌশলের অংশ।   এদিকে বেলগোরোদ অঞ্চলেও ইউক্রেনের ড্রোন হামলার দাবি করেছে রাশিয়া। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় রুশ বাহিনী ইউক্রেনের দিকে শত শত ড্রোন ও একটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। কিয়েভের দাবি, এর মধ্যে অধিকাংশ ড্রোন প্রতিহত বা ভূপাতিত করা হয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, এই যুদ্ধ এখন দুই পক্ষের অবকাঠামো ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত করার প্রতিযোগিতায় রূপ নিয়েছে।   তথ্যসূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩০, ২০২৬ 0
জ্বালানি তেল। ছবি সংগৃহীত

তেলের দামে রেকর্ড ভাঙা লাফ! ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের শঙ্কায় বিশ্ববাজারে বড় অস্থিরতা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফাইল ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ১৫ দফার বেশিরভাগ শর্ত মেনে নিয়েছে ইরান: ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: সংগৃহীত

লেবাননে যুদ্ধজড়িত পদক্ষেপ বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন নেতানিয়াহু

ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মোজতবা খামেনি। ছবি: সংগৃহীত
ইরানের নতুন নেতৃত্ব নিয়ে ট্রাম্পের প্রকাশ্য বক্তব্য

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের নতুন নেতৃত্বকে ইতিবাচক হিসেবে বর্ণনা করেছেন। রোববার (২৯ মার্চ) এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি ও পরোক্ষ উভয়ভাবে আলোচনার ধারা চলছে।   ট্রাম্প বলেন, ইরানের বর্তমান শাসকরা ‘যথেষ্ট যুক্তিবাদী’ এবং তেহরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও তা নিশ্চিত নয়। তিনি উল্লেখ করেন, সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যু এবং নতুন নেতৃত্বের দায়িত্ব গ্রহণের পর ইরানের শাসনব্যবস্থায় ইতোমধ্যেই পরিবর্তন ঘটেছে। নতুন নেতৃত্বের আচরণ ও মনোভাব ইতিবাচক বলে তিনি মনে করেন।   এই সময় পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার জানিয়েছেন, এক মাস ধরে চলা সংঘাত সমাধানের লক্ষ্যে ইসলামাবাদে ‘অর্থবহ আলোচনা’ আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। রোববার আঞ্চলিক পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বৈঠকে যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার উপায় ও সম্ভাব্য মার্কিন-ইরান বৈঠকের বিষয় আলোচনা করেছেন।   যদিও আলোচনার সাফল্য এখনও অনিশ্চিত। তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে ইতিবাচক সুর শোনা গেলেও ইসরাইলের অবস্থান শান্তি প্রক্রিয়ায় বাধা হতে পারে। কোনো পক্ষ এখনও বৈঠকে সরাসরি অংশগ্রহণের আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তা দেয়নি। তবুও ট্রাম্পের মন্তব্য যে চুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে, তা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।   তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ৩০, ২০২৬ 0
টানা বৃষ্টির কারণে বেশ কয়েকটি বাড়ির ছাদ ধসে পড়ে। ছবি: সংগৃহীত

ভারি বৃষ্টির কারণে পাকিস্তানে ৯ জনের মৃত্যু

ক্যাথলিক খিস্টানদের প্রধান ধর্মগুরু পোপ চতুর্দশ লিও। ছবি: সংগৃহীত

পোপের বক্তব্য: যুদ্ধপ্রবণদের প্রার্থনায় সাড়া দেন না সৃষ্টিকর্তা

ছবি: সংগৃহীত

কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি সুবিধায় ইরানের হামলায় ভারতীয় শ্রমিক নিহত

0 Comments