সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
বিশ্ব

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল মোদির ‘পদত্যাগপত্র’, যা জানা গেল

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ৩০, ২০২৬ ২৩:১৩
নরেন্দ্র মোদির নামে ছড়িয়ে পড়া কথিত পদত্যাগপত্রকে ভুয়া বলেছে ভারত সরকার। ছবি: সংগৃহীত
নরেন্দ্র মোদির নামে ছড়িয়ে পড়া কথিত পদত্যাগপত্রকে ভুয়া বলেছে ভারত সরকার। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নামে একটি কথিত পদত্যাগপত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ভাইরাল হওয়া ওই নথিতে দাবি করা হয়, ‘ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার’ কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। তবে ভারত সরকার এটিকে সম্পূর্ণ ভুয়া ও ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে এবং জনগণকে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার না করার আহ্বান জানিয়েছে।

 

ভারতের সরকারি তথ্যসংস্থা প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর (পিআইবি) ফ্যাক্টচেক ইউনিট বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কথিত পদত্যাগপত্রটি প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় থেকে জারি করা হয়নি। এতে ব্যবহৃত স্বাক্ষরও নরেন্দ্র মোদির প্রকৃত স্বাক্ষর নয়।

পিআইবি তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে বলেছে, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বাক্ষর করা একটি চিঠি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে। প্রধানমন্ত্রী এমন কোনো চিঠি জারি করেননি এবং এতে তার কোনো স্বাক্ষরও নেই।”

 

ভাইরাল নথিতে ভারতের জাতীয় প্রতীক অশোক চক্র এবং প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষরের মতো একটি চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছিল। এতে এমনভাবে ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাতে এটি সরকারি নথি বলে মনে হতে পারে। তবে সরকারি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এটি একটি জাল নথি এবং এর সঙ্গে সরকারের কোনো সম্পর্ক নেই।

পিআইবি জনগণকে পরামর্শ দিয়েছে, এ ধরনের কোনো নথি বা দাবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করার আগে অবশ্যই সরকারি উৎস থেকে তথ্য যাচাই করতে হবে। সংস্থাটি বলেছে, ভুয়া তথ্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে তা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। তাই যাচাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার না করাই দায়িত্বশীল আচরণ।

 

এটি প্রথমবার নয়। এর আগেও নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি একাধিক ভুয়া ভিডিও ও ভুয়া নথি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সম্প্রতি প্রশ্নপত্র ফাঁস–সংক্রান্ত বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে তার নামে একটি এআই-নির্মিত ভিডিওও ভাইরাল হয়েছিল। ওই ভিডিওতে দাবি করা হয়, প্রধানমন্ত্রী বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য দিয়েছেন। পরে পিআইবি জানায়, ভিডিওটি সম্পূর্ণ ভুয়া এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।

 

ভুয়া তথ্য ও এআই-নির্মিত বিভ্রান্তিকর কনটেন্টের বিস্তার নিয়ে বিশ্বজুড়েই উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি সিদ্ধান্ত, নির্বাচন বা গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ইস্যুকে কেন্দ্র করে এ ধরনের ভুয়া নথি ও ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই তথ্য যাচাইয়ের জন্য সরকারি ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাইকৃত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট এবং বিশ্বস্ত সংবাদমাধ্যমের ওপর নির্ভর করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

বিশ্ব

View more
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারকে বিয়েতে রিজেক্ট করলেন নারী
এআই চাকরি কেড়ে নিতে পারে, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারকে বিয়েতে রিজেক্ট করলেন নারী

ভারতে এক সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন এক নারী, কারণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ভবিষ্যতে ওই ব্যক্তির চাকরি কেড়ে নিতে পারে বলে তার আশঙ্কা। ম্যাচমেকার ও ডেটিং কোচ ওএন্দ্রিলা কাপুরের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিও ঘিরে ঘটনাটি আলোচনায় এসেছে। কাপুরের দাবি, ওই নারী তাকে স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলেন যে এআইয়ের কারণে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারের চাকরির ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি অনিশ্চিত। বিষয়টি ভারতের বিয়ের বাজারে পেশা, আর্থিক নিরাপত্তা এবং প্রযুক্তির প্রভাব নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।   কাপুর জানান, ভারতীয় ম্যাচমেকিংয়ে দীর্ঘদিন ধরে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়াররা পছন্দের পাত্রদের তালিকায় ওপরের দিকে ছিলেন। ভালো বেতন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজের সুযোগ এবং যুক্তরাষ্ট্রে কাজ বা ভিসার সম্ভাবনার কারণে অনেক পরিবার এই পেশার পাত্রদের বাড়তি গুরুত্ব দিত। কিন্তু প্রযুক্তি খাতে একের পর এক ছাঁটাই এবং এআইয়ের দ্রুত বিস্তারের খবরের মধ্যে কিছু মানুষের দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন এসেছে বলে তিনি মনে করেন। এবার সেই পরিবর্তনেরই একটি উদাহরণ হিসেবে ওই নারীর সিদ্ধান্ত সামনে এসেছে।   কাপুরের ৫ সেপ্টেম্বরের পোস্টে বলা হয়, ওই নারী তাকে জানিয়েছিলেন, তিনি কোনো সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারকে বিয়ে করবেন না, কারণ এআই তার চাকরি নিয়ে নিতে পারে। কাপুর বলেন, ম্যাচমেকার হিসেবে তিনি নানা ধরনের পছন্দ ও শর্ত শুনেছেন, তবে এই কারণটি তাকে বিশেষভাবে ভাবিয়েছে। তার প্রশ্ন, এআইয়ের পরিবর্তনের প্রভাব থেকে আসলে কোন পেশা পুরোপুরি নিরাপদ?   কাপুরের মতে, এআইয়ের প্রভাব এখন শুধু প্রযুক্তি খাতেই সীমাবদ্ধ নেই। ফাইন্যান্স, ডিজাইন, কনসাল্টিং, আইন, হেলথকেয়ারসহ বিভিন্ন পেশায় প্রযুক্তিটির ব্যবহার বাড়ছে। ফলে শুধু বর্তমান পেশার নাম দেখে ভবিষ্যতের চাকরির নিরাপত্তা বিচার করলে ভুল ধারণা তৈরি হতে পারে। তার বক্তব্য, একজন মানুষকে বিয়ের ক্ষেত্রে আগামী ৪০ বছরের জন্য একটি নির্দিষ্ট চাকরি বেছে নেওয়া হচ্ছে না, বরং এমন একজন সঙ্গী বেছে নেওয়া হচ্ছে, যিনি সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারবেন।   কাপুর আরও বলেন, চাকরির পদবি বা পেশা সময়ের সঙ্গে বদলে যেতে পারে। কোনো কোম্পানি বন্ধ হয়ে যেতে পারে, কোনো শিল্পে পরিবর্তন আসতে পারে, আবার নতুন প্রযুক্তির কারণে কাজের ধরনও পাল্টে যেতে পারে। তাই বিয়ের ক্ষেত্রে শুধু পেশার স্থায়িত্বকে প্রধান মানদণ্ড হিসেবে দেখলে ভবিষ্যৎ সম্পর্কে একটি ভুল নিরাপত্তাবোধ তৈরি হতে পারে। তার মতে, কঠোর পরিশ্রম, মানিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা, আর্থিক দায়িত্বশীলতা এবং অনিশ্চিত পরিস্থিতি সামলানোর দক্ষতা একজন জীবনসঙ্গীর ক্ষেত্রে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।   কাপুরের এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। কেউ মনে করছেন, বিয়ের ক্ষেত্রে আর্থিক স্থিতিশীলতা গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় ওই নারীর উদ্বেগ পুরোপুরি অযৌক্তিক নয়। অন্যদিকে অনেকে মনে করছেন, একটি নির্দিষ্ট পেশাকে এআইয়ের কারণে ভবিষ্যৎ অনিরাপদ ধরে নিয়ে পুরো পেশার মানুষকে বিয়ের জন্য অযোগ্য ভাবা ঠিক নয়। আলোচনায় উঠে এসেছে, প্রযুক্তির পরিবর্তন যখন প্রায় সব খাতেই প্রভাব ফেলছে, তখন জীবনসঙ্গী নির্বাচনে বর্তমান চাকরির পাশাপাশি ব্যক্তির দক্ষতা, মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা এবং আর্থিক দায়িত্বশীলতাও বিবেচনা করা উচিত।   তবে ঘটনাটি কোনো বৈজ্ঞানিক গবেষণা বা বড় পরিসরের জরিপের ফল নয়। এটি কাপুরের সঙ্গে কথা বলা এক নারীর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের বর্ণনা, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এআই ভবিষ্যতে বিভিন্ন পেশার কর্মসংস্থানে কী ধরনের প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে আলোচনা চললেও এই একটি ঘটনার ভিত্তিতে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের চাকরির নিরাপত্তা সম্পর্কে কোনো সার্বিক সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ ৪:৪
নেটওয়ার্ক ঠিকমতো না পাওয়ায় টেকনিশিয়ানকে টাওয়ারে বেঁধে রাখল গ্রামবাসী

নেটওয়ার্ক ঠিকমতো না পাওয়ায় টেকনিশিয়ানকে টাওয়ারে বেঁধে রাখল গ্রামবাসী

কলকাতা থেকে ২২ হাজার রুপিতে এমবিবিএস সনদ

কলকাতা থেকে ২২ হাজার রুপিতে এমবিবিএস সনদ, দেশে ভুয়া চিকিৎসকের ভয়াবহ চিত্র

৪.০ জিপিএতে ১২৬ কলেজে আবেদন

৪.০ জিপিএতে ১২৬ কলেজে আবেদন, সবগুলোতেই চান্স; বৃত্তি ৯০ লাখ ডলারের বেশি

মিশন শেষে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে সম্পর্ক ছিন্ন করল সেনাসদস্য
“সে উধাও হয়ে আমাদের অসহায় করে গেছে”: মিশন শেষে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে সম্পর্ক ছিন্ন করল সেনাসদস্য

উগান্ডার মবারারার বাসিন্দা জুলিয়েট মবাবাজি অভিযোগ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাসদস্য ট্রাভিস প্রেস্টন তাকে বিয়ে করে দুই সন্তান নেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে গিয়ে যোগাযোগ ও আর্থিক সহায়তা বন্ধ করে দিয়েছেন। সন্তান দুটির বয়স এখন ৩ ও ৭ বছর। প্রেস্টনের অবস্থান জানতে এবং সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সহায়তার জন্য প্রকাশ্যে উদ্যোগ নিয়েছেন উগান্ডার জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ব্রুনো কে।   মবাবাজির দাবি, মবারারায় প্রেস্টনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়, যখন তিনি সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাসদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। পরে তাদের বিয়ে হয় এবং প্রায় দুই বছর তারা একসঙ্গে সংসার করেন। এই সময় তাদের দুটি সন্তান জন্ম নেয়।   মবাবাজির ভাষ্য অনুযায়ী, প্রেস্টনের মিশন শেষ হওয়ার পর তিনি যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যান। এরপর ধীরে ধীরে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন এবং পরিবারের জন্য আর কোনো আর্থিক সহায়তাও পাঠান না। সন্তানদের নিয়ে একাই জীবন চালাতে গিয়ে মবাবাজি তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো সাড়া পাননি বলে অভিযোগ করেছেন।   বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর উগান্ডার সংগীতশিল্পী ব্রুনো কে মবাবাজি ও তার সন্তানদের সহায়তায় এগিয়ে আসেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত উগান্ডানদের, বিশেষ করে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে প্রেস্টনকে শনাক্ত করতে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে থাকা কয়েকজন উগান্ডানও এ বিষয়ে সহায়তার আগ্রহ দেখিয়েছেন।   ব্রুনো কে একই সঙ্গে কাম্পালায় অবস্থিত ইউএস অ্যাম্বাসির সহায়তা চেয়েছেন। তার অন্যতম দাবি, মবাবাজির সন্তানরা তাদের কথিত মার্কিন বাবা থেকে কোনোভাবে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্বের অধিকার পেতে পারে কি না, সেটিও যেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যাচাই করে। তবে এখন পর্যন্ত মার্কিন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রেস্টনের অবস্থান, অভিযোগগুলোর সত্যতা বা শিশু দুটির নাগরিকত্ব নিয়ে কোনো প্রকাশ্য নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।    যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বিদেশে জন্ম নেওয়া কোনো শিশু নির্দিষ্ট আইনি শর্ত পূরণ করলে জন্মের সময়ই মার্কিন নাগরিকত্ব পেতে পারে। মার্কিন নাগরিক বাবা বা মায়ের মাধ্যমে নাগরিকত্ব পাওয়ার ক্ষেত্রে শিশুর সঙ্গে জৈবিক বা আইনগত সম্পর্ক, বাবা বা মায়ের নাগরিকত্ব এবং সন্তানের জন্মের আগে যুক্তরাষ্ট্রে নাগরিক বাবা বা মায়ের শারীরিক উপস্থিতির মতো বিষয় বিবেচনা করা হয়। মার্কিন নাগরিক বাবা সন্তানটির পিতৃত্ব স্বীকার না করলে বা পর্যাপ্ত নথি না থাকলে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত প্রমাণের প্রয়োজন হতে পারে।    পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়ম অনুযায়ী, বিদেশে জন্ম নেওয়া সন্তানের মার্কিন নাগরিকত্বের দাবি যাচাইয়ের ক্ষেত্রে জন্মনিবন্ধন, মার্কিন নাগরিক বাবা বা মায়ের নাগরিকত্বের প্রমাণ, বিয়ের নথি এবং যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস বা শারীরিক উপস্থিতির তথ্যসহ বিভিন্ন নথি প্রয়োজন হতে পারে। পর্যাপ্ত নথি না থাকলে নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমেও জৈবিক সম্পর্ক প্রমাণের সুযোগ রয়েছে।    এদিকে পরিবারটির তাৎক্ষণিক প্রয়োজন মেটাতেও ব্রুনো কে অর্থ সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছেন। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খাবার, শিশুদের পড়াশোনা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় খরচে সহায়তার জন্য তিনি অনলাইন লাইভস্ট্রিমের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহ করছেন। তবে ৫ মিলিয়ন উগান্ডান শিলিং সংগ্রহের দাবিটি নির্ভরযোগ্য স্বাধীন সূত্রে নিশ্চিত করা যায়নি।    মবাবাজির অভিযোগের বিষয়ে ট্রাভিস প্রেস্টনের কোনো প্রকাশ্য বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো এখনো একতরফা দাবি হিসেবেই রয়েছে। বিষয়টির পরবর্তী অগ্রগতি নির্ভর করছে প্রেস্টনের অবস্থান শনাক্ত হওয়া, পিতৃত্ব ও পারিবারিক সম্পর্কের নথি যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপের ওপর।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ ০:১০
ডিএনএ পরীক্ষায় আপন বোনের পরিচয় পাওয়ার পর মীনা গেলটিঙ্ক ও মিনাল তিজেনের পুনর্মিলন। ছবি: সংগৃহীত

৪০ বছর পর ডিএনএ পরীক্ষায় জানা গেল, এতদিনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু আসলে আপন দুই বোন

সুইডেনে মুসলিমদের সমঅধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতার দাবি জানিয়েছে ভিজন পার্টি। ছবি: সংগৃহীত

মুসলিমদের সমান অধিকার ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিতের আহ্বান সুইডেনের ভিজন পার্টির

‘দ্য শাইনিং সোলো’ রিয়েলিটি শোতে ইউ সান। ছবি: সংগৃহীত

সিলিকন পুতুলের মতো চেহারা, কোরীয় রিয়েলিটি শো তারকার ত্বক নিয়ে নেটিজেনদের আলোচনা

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন অভিবাসন বিধিনিষেধের প্রস্তাব করেছে ফিনল্যান্ড সরকার। ছবি: সংগৃহীত
ফিনল্যান্ডে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য নিয়ম কঠোর করছে সরকার, স্পাউজ ভিসা ও নাগরিকত্ব পেতে দীর্ঘ অপেক্ষা

ফিনল্যান্ডে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য অভিবাসন ও বসবাসের নিয়ম আরও কঠোর করার উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির সরকার। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, ফিনল্যান্ডে পড়তে যাওয়া শিক্ষার্থীদের স্বামী বা স্ত্রী ও সন্তানদের পারিবারিক ভিত্তিতে রেসিডেন্স পারমিটের আবেদন করার আগে শিক্ষার্থীকে দেশটিতে অন্তত এক বছর বসবাস করতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের রেসিডেন্স পারমিটের ক্ষেত্রে ভাষাগত দক্ষতার শর্তও যুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।   ফিনল্যান্ডের ক্ষমতাসীন ডানপন্থি জোট সরকার প্রস্তাবিত আইনটি দেশটির সংসদে পাঠিয়েছে। সরকারের ভাষ্য, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আর্থিক ঝুঁকি কমানো, শিক্ষার্থী অভিবাসন ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করা এবং প্রকৃত শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করাই এসব পরিবর্তনের অন্যতম লক্ষ্য।   উচ্চশিক্ষার জন্য প্রতিবছর বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ১৩ থেকে ১৫ হাজার শিক্ষার্থী ফিনল্যান্ডে যান। এর মধ্যে বাংলাদেশ ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ রয়েছে। ফলে নতুন প্রস্তাবিত নিয়মগুলো বিদেশি শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।   প্রস্তাব অনুযায়ী, ফিনল্যান্ডে পড়তে যাওয়া কোনো শিক্ষার্থীর স্বামী বা স্ত্রী এবং সন্তানদের রেসিডেন্স পারমিটের আবেদনের ক্ষেত্রে নতুন অপেক্ষার সময় যুক্ত হবে। শিক্ষার্থী দেশটিতে আসার পর অন্তত এক বছর পার না হলে পরিবারের সদস্যরা পারিবারিক সম্পর্কের ভিত্তিতে রেসিডেন্স পারমিটের আবেদন করতে পারবেন না।   বর্তমানে শিক্ষার্থীর পরিবারের সদস্যরা নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে পারিবারিক সম্পর্কের ভিত্তিতে ফিনল্যান্ডে রেসিডেন্স পারমিটের আবেদন করতে পারেন। নতুন নিয়ম কার্যকর হলে পরিবারকে ফিনল্যান্ডে নেওয়ার পরিকল্পনা করা শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত এক বছরের সময় বিবেচনায় রাখতে হবে।   সরকারের প্রস্তাব অনুযায়ী, পরিবারের সদস্যদের জন্য নতুন অপেক্ষার নিয়ম ২০২৭ সালের ৫ এপ্রিল থেকে কার্যকর হতে পারে। তবে এর আগে প্রস্তাবটি সংসদীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের রেসিডেন্স পারমিটের ক্ষেত্রেও পরিবর্তন আনার প্রস্তাব করা হয়েছে। নতুন ব্যবস্থায় আবেদনকারীদের নির্দিষ্ট ভাষাগত দক্ষতা থাকার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। সরকারের যুক্তি, ফিনল্যান্ডে পড়াশোনার জন্য আসা শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রমে সফলভাবে অংশ নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ভাষাগত সক্ষমতা থাকা গুরুত্বপূর্ণ।   ফিনিশ সরকারের মতে, কিছু ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার রেসিডেন্স পারমিটকে ইউরোপের চাকরির বাজারে প্রবেশের একটি মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছেন। এ ধরনের প্রবণতা ঠেকাতে এবং প্রকৃত শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যবস্থা আরও কার্যকর করতে ভাষাগত যোগ্যতার শর্ত যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।   শুধু ভাষার শর্ত নয়, ফিনল্যান্ডে অবস্থানকালে শিক্ষার্থীদের আর্থিক সক্ষমতার বিষয়টিও নতুনভাবে নির্ধারণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারের প্রস্তাব অনুযায়ী, দেশটিতে বসবাসের জন্য শিক্ষার্থীর হাতে প্রয়োজনীয় অর্থের পরিমাণ আইন ও সরকারি ডিক্রির মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে। জীবনযাত্রার ব্যয় ও মূল্যস্ফীতির পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে এই অর্থের সীমা প্রতি তিন বছর পরপর পর্যালোচনা করার কথা বলা হয়েছে।   ফিনল্যান্ডের সরকারের দাবি, বিদেশি শিক্ষার্থীদের একটি অংশ দেশটিতে যাওয়ার পর জীবনযাত্রার ব্যয় বহন করতে সমস্যায় পড়ছেন। বিশেষ করে বিভিন্ন নিয়োগ ও শিক্ষার্থী সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠানের বিভ্রান্তিকর প্রচারণা এবং অতিরিক্ত ফি দেওয়ার কারণে কেউ কেউ ঋণ ও আর্থিক সংকটে পড়ছেন। নতুন নিয়মের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ফিনল্যান্ডে যাওয়ার আগে তাঁদের প্রকৃত আর্থিক সক্ষমতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।   ফিনল্যান্ড গত কয়েক বছরে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও অভিবাসন ব্যবস্থার বিভিন্ন ক্ষেত্রে একাধিক পরিবর্তন এনেছে। নাগরিকত্ব পাওয়ার ক্ষেত্রেও বসবাসের সময়সীমা ও অন্যান্য যোগ্যতার শর্ত কঠোর করা হয়েছে। স্থায়ী রেসিডেন্স পারমিটের ক্ষেত্রেও দীর্ঘ সময় বসবাস, কর্মসংস্থান ও ভাষাগত দক্ষতাকে আগের তুলনায় বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।   শিক্ষা ও পেশাগত উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ ড. মজিবুর দফতরি বলেন, শিক্ষার্থীসহ অন্যান্য অভিবাসীদের পারিবারিক পুনর্মিলন ও রেসিডেন্স পারমিট নবায়নের ক্ষেত্রে আয়সংক্রান্ত শর্ত আরও কঠোর করা হয়েছে। তাঁর মতে, স্থায়ী বসবাসের ক্ষেত্রে ফিনল্যান্ডে থাকার সময়সীমাও বাড়ানো হয়েছে এবং ফিনিশ ভাষার দক্ষতাকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করা হচ্ছে।   ফিনল্যান্ডের নতুন অভিবাসন নীতির কারণে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য পরিবার নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা, পড়াশোনার পাশাপাশি ভবিষ্যতে চাকরি এবং দীর্ঘমেয়াদি বসবাসের বিষয়গুলো আগের তুলনায় আরও সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। বিশেষ করে ভাষাগত যোগ্যতা ও আর্থিক সক্ষমতার শর্ত পূরণে শিক্ষার্থীদের আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন হতে পারে।   প্রস্তাবিত পরিবর্তনের মধ্যে কিছু নিয়ম ২০২৭ সালের এপ্রিল থেকে এবং ভাষাগত দক্ষতাসহ অন্যান্য সংশোধন একই বছরের অক্টোবর থেকে কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে চূড়ান্ত আইন সংসদীয় প্রক্রিয়ায় পরিবর্তিত হতে পারে। তাই ফিনল্যান্ডে উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনা করা শিক্ষার্থীদের আবেদন করার সময় দেশটির সরকারি অভিবাসন কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ নির্দেশনা অনুসরণ করা গুরুত্বপূর্ণ।   সূত্র: ফিনল্যান্ড সরকার, ফিনিশ ইমিগ্রেশন সার্ভিস

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ ২২:০
জার্মানিতে দক্ষ কর্মীদের চাকরি খোঁজার সুযোগ দিচ্ছে অপরচুনিটি কার্ড। ছবি: সংগৃহীত

জার্মানির অপরচুনিটি কার্ডে নতুন সুবিধা, ভিসা ছাড়াই যেতে পারবেন ৮ দেশের নাগরিক

২২ বছর হিমায়িত থাকা ভ্রূণ থেকে জন্ম নেওয়া কন্যাসন্তান জর্জিয়াকে কোলে নিয়ে ক্রিস্টিনা রাপ্তি-তজেলেপি। ছবি: সংগৃহীত

বাইশ বছর হিমায়িত থাকা ভ্রূণ থেকে কন্যাসন্তানের জন্ম দিলেন গ্রিসের এক নারী

নয়াদিল্লিতে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান। ছবি: সংগৃহীত

আমেরিকা মুসলিম দেশগুলোকে পরস্পরের শত্রু বানাতে চায়: পেজেশকিয়ান

0 Comments