সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
বাংলাদেশ

পরীক্ষার হলে মা, বাইরে শিশুকে কোলে নিয়ে দায়িত্ব পালনে পুলিশ সদস্য

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬ ৩:৫২
পরীক্ষার হলে মা, বাইরে শিশুকে কোলে নিয়ে দায়িত্ব পালনে পুলিশ সদস্য
পরীক্ষার হলে মা, বাইরে শিশুকে কোলে নিয়ে দায়িত্ব পালনে পুলিশ সদস্য

পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি এক নারী পরীক্ষার্থীর কোলের শিশুকে আগলে রেখে মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সাতক্ষীরায় কর্মরত পুলিশ সদস্য শিল্পী। শুক্রবার সকালে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে জেলা প্রশাসনের অধীনে অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ পরীক্ষা চলাকালে এই অনন্য দায়িত্বশীলতার চিত্র দেখা যায়।

 

নিয়োগ পরীক্ষা দিতে আসা এক নারী পরীক্ষার্থী তাঁর ছোট সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে কেন্দ্রে পৌঁছান। তবে শিশুটিকে দেখাশোনা করার মতো কেউ না থাকায় পরীক্ষা শুরু হওয়ার মুহূর্তে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েন ওই মা। সন্তানকে কোথায় রাখবেন আর কীভাবে পরীক্ষা দেবেন—এ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।

 

ঘটনাটি নজরে আসে কেন্দ্রে ডিউটিতে থাকা পুলিশ সদস্য শিল্পীর। মায়ের অসহায় পরিস্থিতি বুঝতে পেরে তিনি উদ্যোগী হয়ে শিশুটিকে নিজের জিম্মায় নেন। এরপর সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত পরীক্ষার পুরো এক ঘণ্টা সময় শিশুকে কোলে নিয়েই কেন্দ্রের নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

 

পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী মা নিশ্চিন্তে হলে ঢুকে পরীক্ষা শেষ করেন। অন্যদিকে কেন্দ্রের বাইরে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি পুরোটা সময় শিশুটিকে আগলে রাখেন নারী পুলিশ সদস্য শিল্পী।

 

শিল্পী সাতক্ষীরা পুলিশ লাইনে কর্মরত। সরকারি কলেজের পরীক্ষার সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্বে সেদিন নিয়োজিত ছিলেন তিনি।

 

ঘটনাটি পরীক্ষাকেন্দ্রে উপস্থিত অন্যান্য পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দৃষ্টি কাড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চাকরির পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে সন্তানের নিরাপত্তার উদ্বেগ দূর করে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ তৈরি করে দেওয়া অত্যন্ত প্রশংসনীয় উদ্যোগ।

 

নিজের প্রতিক্রিয়ায় পুলিশ সদস্য শিল্পী জানান, নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনের সময় এক মাতৃত্বের সংকট তাঁর চোখে পড়ে। শিশুটিকে দেখার কেউ না থাকায় ওই নারী দুশ্চিন্তায় ছিলেন। তাই সহানুভূতির জায়গা থেকেই তিনি শিশুটিকে নিজের কাছে রেখে অভিভাবককে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ তৈরি করে দেন।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

বাংলাদেশ

View more
রাজধানীর পুলিশ হাউজিং-১ এলাকায় অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহিরের ভাড়া দেওয়া বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৮৪ জনকে আটক করেছে ডিবি। ছবি: সংগৃহীত
অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়িতে চলতো ডিজে পার্টি, মাদক-নারীসহ আটক ৮৪

রাজধানীর পুলিশ হাউজিং-১ এলাকায় অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহিরের ভাড়া দেওয়া বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৮৪ জনকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবরের অভিযানে মাদকদ্রব্যও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ২৬ জন নারী ও ৫৮ জন পুরুষ রয়েছেন।    ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, বাড়িটিতে ডিজে পার্টির পাশাপাশি মাদক সেবন ও মাদকের কারবার চলার গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালায় গোয়েন্দা উত্তরা বিভাগের একটি দল। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে আফগানিস্তানের একজন নাগরিকও রয়েছেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।    পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযানে বাড়িটি থেকে গাঁজা, ইয়াবা, মদ এবং ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। বাড়িটির মালিক অতিরিক্ত ডিআইজি জহির অনলাইনে বাসা ভাড়ার প্ল্যাটফর্ম এয়ারবিএনবির মাধ্যমে সেটি ভাড়া দিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন ডিবির কর্মকর্তারা।    গোয়েন্দা উত্তরা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার ইলিয়াস কবির বলেন, বাড়িটি একজন হোস্ট ও একজন কো-হোস্টের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছিল। কো-হোস্ট মাহবুবুল আলমকেও আটক করা হয়েছে।    বাড়ির মালিক আব্দুল্লাহ আল জহির বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছেন, তাঁর বাড়িটি এয়ারবিএনবিসহ ভ্রমণকারীদের আবাসনের প্ল্যাটফর্মে ভাড়ার জন্য তালিকাভুক্ত। তাঁর বক্তব্য, ভাড়াটিয়া আড়ালে অপরাধ করলে তার দায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির। এমন কর্মকাণ্ডের কথা জানতে পারলে তাকে আর ভাড়া না দেওয়া, কালো তালিকাভুক্ত করা বা বের করে দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া যায়।    বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযানের পর মঙ্গলবার বিকেলে জহিরকে পুলিশ সদর দপ্তরের পার্সোনাল ম্যানেজমেন্ট-২ শাখা থেকে প্রত্যাহার করে ওএসডি করার আদেশ জারি করা হয়েছে। তাঁকে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।  সূত্র: ইত্তেফাক

প্রকাশ: অক্টোবর ২০, ২০২৬ ৯:৪৮
তিন সহোদর মুসআব মোহাম্মদ আজাদ, সাদ মোহাম্মদ আজাদ ও মুআজ মোহাম্মদ আজাদ

সিডনিতে একসঙ্গে কোরআনের হাফেজ হলেন বাংলাদেশি তিন ভাই, জানানো হয় সম্মাননা

উদারতা বা নমনীয়তার নামে পূজায় শরিক হওয়া কিংবা পূজাকে সঠিক পথ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ে মুসলমানদের সতর্ক করেন তিনি

পূজায় অংশ নিলে ঈমান থাকবে না: বায়তুল মোকাররম খতিব

প্রবাসী কর্মীদের মেধাবী সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তি দিতে আবেদন আহ্বান করেছে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড। ছবি: সংগৃহীত

প্রবাসী কর্মীর সন্তানদের বৃত্তি দিচ্ছে সরকার, জেনে নিন আবেদনের যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

অপরাধের তথ্য সংগ্রহ করতে বিভিন্ন সময় ছদ্মবেশ ধারণ করতেন নিহত সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির। ছবি: সংগৃহীত
কখনো মুচি, কখনো ফেরিওয়ালা - ছদ্মবেশে অপরাধের খবর সংগ্রহ করতেন সাংবাদিক আলিফ

কখনো মুচি, কখনো ফেরিওয়ালা কিংবা ভিক্ষুকের ছদ্মবেশে অপরাধের তথ্য সংগ্রহ করতেন নেত্রকোনার সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির। সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান নিয়ে অনুসন্ধান করতেন তিনি। গত ১৫ অক্টোবর দুর্গাপুরে গুলিতে নিহত হওয়ার পর তাঁর ঝুঁকিপূর্ণ সাংবাদিকতা ও আগে পাওয়া হুমকির বিষয়গুলো সামনে এসেছে।    স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে এবং আলিফের ‘ডিটেকটিভ আর্টিকেল’ পেজের প্রকাশনা পর্যালোচনা করে এশিয়া পোস্ট জানিয়েছে, অপরাধচক্রের কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে তিনি বিভিন্ন ছদ্মবেশ নিতেন। সংগৃহীত তথ্যের পাশাপাশি অপরাধসংক্রান্ত ভিডিও প্রকাশ করতেন।    আলিফের বাড়ি নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের ডিটপুর গ্রামে। তিনি মোহব্বত আলী ফকিরের ছেলে। সাবেক এই সেনাসদস্য অবসরের পর সাংবাদিকতায় যুক্ত হন। ‘গোয়েন্দা তথ্য’ ও আইপি টেলিভিশন রূপসী বাংলার জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতেন বলে স্থানীয় প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।    তাঁর অনুসন্ধানের বড় অংশজুড়ে ছিল সীমান্তের মাদক ও গরু চোরাচালান। এসব বিষয়ে তথ্য প্রকাশের কারণে তিনি হুমকি পেয়েছিলেন বলে পরিবার ও স্থানীয়দের বরাতে সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। পরিবারের ধারণা, অপরাধচক্র নিয়ে তাঁর কাজের সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের যোগসূত্র থাকতে পারে। তবে হত্যার উদ্দেশ্য হিসেবে এই অভিযোগ এখনো তদন্তে চূড়ান্তভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি।    এর আগেও হামলার শিকার হয়েছিলেন আলিফ। ডয়চে ভেলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর সোমেশ্বরী নদীতে সংবাদ সংগ্রহের সময় তাঁকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। পরে ঢাকায় দীর্ঘ চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হন তিনি।    গত ১৫ অক্টোবর রাতে দুর্গাপুরের তেলুঞ্জিয়া এলাকায় একটি দোকানের সামনে তাঁকে গুলি করা হয়। পুলিশ ও পরিবারের তথ্যের বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনাস্থলটি তাঁর বসবাসের বাড়ির কাছে। মরদেহে ছয়টি গুলির ক্ষত পাওয়া যায়।    হত্যাকাণ্ডের পর তাঁর স্ত্রী আনন্দিতা সাংমা অজ্ঞাত আটজনকে আসামি করে দুর্গাপুর থানায় মামলা করেন। পরে হত্যায় জড়িত সন্দেহে অপূর্ব নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার শাকের আহমেদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোরকে জানান, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।    সোমবার (১৯ অক্টোবর) আজকের পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তার সাজিবুল ইসলাম ওরফে অপূর্বর এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। হত্যাকাণ্ডে কার কী ভূমিকা ছিল এবং কেন আলিফকে লক্ষ্য করা হয়েছিল, তা তদন্তের বিষয়।  সূত্র: যুগান্তর

প্রকাশ: অক্টোবর ১৯, ২০২৬ ১২:৯
ইউরোপের অস্থিরতায় বাংলাদেশের পোশাক রফতানি নিয়ে উদ্বেগ

ইউরোপে অস্থিরতা দীর্ঘায়িত হলে বড় ঝুঁকিতে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি, বাড়ছে উদ্বেগ

মুন্সীগঞ্জে মেয়েকে ধ র্ষ ণের মামলায় বাবার যাবজ্জীবন

মুন্সীগঞ্জে ১৩ বছরের মেয়েকে ধ র্ষ ণ, ১১ বছর পর বাবার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন

ভবিষ্যতে আন্দোলন-সংগ্রামের প্রয়োজন হলে বিদেশ থেকে এসে যোগ দেবেন ইশরাক হোসেন

জাতীয় সংসদের সরকারদলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি
আগামী বছর দেশে বিদ্যুৎ রাখার জায়গা থাকবে না, দাবি চিফ হুইপের

আগামী বছর দেশে বিদ্যুৎ রাখার জায়গা থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের সরকারদলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। একই সঙ্গে বর্তমানে বিদ্যুতের বিল কমানোর সুযোগ সরকারের হাতে নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি।   রোববার, ১৮ অক্টোবর দুপুরে বরগুনার বেতাগী উপজেলা পরিষদের সম্মেলনকক্ষে উন্নয়ন ও আইনশৃঙ্খলা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের প্রতিবেদনে তাঁর এ বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।  বিদ্যুৎ খাত নিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের সমালোচনা করেন নুরুল ইসলাম মনি। তাঁর অভিযোগ, আগের সরকারের আমলে বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হলেও সেগুলোর ভেতরে যন্ত্রপাতি নেই এবং অর্থ আত্মসাতের উদ্দেশ্যে এসব প্রকল্প করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিকে বিদ্যুতের বিল কমাতে না পারার কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।   তবে কোন বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিষয়ে তিনি অভিযোগ করেছেন, তা প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই। আগামী বছর বিদ্যুতের প্রাপ্যতা নিয়ে তাঁর মন্তব্যের সমর্থনে উৎপাদন বা চাহিদার কোনো পরিসংখ্যানও ওই প্রতিবেদনে দেওয়া হয়নি।  সভায় নাগরিকদের সমান অধিকারের কথাও বলেন চিফ হুইপ। তাঁর বক্তব্য, বাংলাদেশে সবাই এ দেশের নাগরিক এবং সবার অধিকার সমান। এ সময় বেতাগীর ৩৭টি অসহায় ও দুস্থ পরিবারের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। পাশাপাশি দুর্গাপূজা উপলক্ষে উপজেলার পূজামণ্ডপগুলোতে নগদ অর্থ ও জিআর চাল বিতরণ করেন তিনি।  সূত্র: আরটিভি  

প্রকাশ: অক্টোবর ১৯, ২০২৬ ১:১৭
অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ কল্যাণ

ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে আপাতত ৬৬৬ কোটি টাকার কর দিতে হবে না

দুপুর ২টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

দুপুরে পদত্যাগের ঘোষণা দেবেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন

কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অপরিচ্ছন্ন টয়লেট নিজ হাতে পরিষ্কার করেন সংসদ সদস্য আনিছুর রহমান তালুকদার খোকন। ছবি: সংগৃহীত

হাসপাতালের অপরিচ্ছন্ন টয়লেট নিজহাতে পরিষ্কার করলেন এমপি খোকন

0 Comments