সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
বাংলাদেশ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর নিউক্লিয়ার ফিজিক্সে পিএইচডি, ফান্ডিং ২ কোটির বেশি

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬ ২:৩০
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর নিউক্লিয়ার ফিজিক্সে পিএইচডি
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর নিউক্লিয়ার ফিজিক্সে পিএইচডি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ফাহমিদা আক্তার চৌধুরী ইভা যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল মিশিগান ইউনিভার্সিটিতে নিউক্লিয়ার ফিজিক্সে পিএইচডির সুযোগ পেয়েছেন। ২০২৬ সালের Fall সেমিস্টার থেকে শুরু হতে যাওয়া এই প্রোগ্রামে তিনি পূর্ণ অর্থায়ন পেয়েছেন। প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই ফান্ডিংয়ের মোট মূল্য বাংলাদেশি মুদ্রায় দুই কোটি টাকারও বেশি বলে জানানো হয়েছে। 

 

ফাহমিদা ২০১৭ সালে চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজ থেকে এইচএসসি শেষ করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হন। ২০২৩ সালে স্নাতক সম্পন্ন করার পর উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যান। পরে সেন্ট্রাল মিশিগান ইউনিভার্সিটিতে পদার্থবিজ্ঞানে মাস্টার্সে ভর্তি হন এবং পূর্ণ স্কলারশিপে সেই ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। 

 

মাস্টার্সের পাশাপাশি গবেষণাতেও সক্রিয় ছিলেন ফাহমিদা। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন একাডেমিক ও বৈজ্ঞানিক সম্মেলনে তিনি নিজের গবেষণাকর্ম উপস্থাপন করেন এবং গবেষক ও শিক্ষাবিদদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সুযোগ পান। 

 

মাস্টার্স শেষ করার পর একই বিশ্ববিদ্যালয়ে নিউক্লিয়ার ফিজিক্সে পিএইচডির জন্য পূর্ণ অর্থায়নের সুযোগ পান তিনি। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, পুরো পিএইচডি প্রোগ্রামের ফান্ডিংয়ের পরিমাণ দুই কোটি টাকারও বেশি।

 

ফাহমিদার উচ্চশিক্ষার পথচলায় পরিবারের সমর্থনের কথাও প্রকাশিত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা থেকে শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাবা ও স্বামীর সহযোগিতা পেয়েছেন তিনি। বর্তমানে স্বামী চিকিৎসক রোমান খানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন ফাহমিদা। 

 

নিউক্লিয়ার ফিজিক্সের মতো বিশেষায়িত একটি ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণ অর্থায়নে পিএইচডির সুযোগ পাওয়া ফাহমিদার একাডেমিক ও গবেষণাভিত্তিক পথচলার গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

 

সূত্র: আজকের পত্রিকা

 


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

বাংলাদেশ

View more
তারেক রহমান
পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য আছে, দুই পক্ষ এক হয়েছে:তারেক রহমান

দেশের বাইরে থেকে অর্থ সরবরাহ করে দেশের ভেতরে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ অভিযোগ করেন। একই সঙ্গে সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে দেশবাসীকে সতর্ক ও সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা এ খবর প্রকাশ করেছে।   জনসভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর কাছে থাকা গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া সাবেক স্বৈরাচারী শক্তি দেশের বাইরে থেকে অর্থ সরবরাহ করছে। তাঁর অভিযোগ, দেশের ভেতরে আরেকটি পক্ষ সেই পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে। নির্বাচনের আগে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে—এমন রাজনৈতিক পক্ষের সঙ্গে এই অর্থায়নকারীদের যোগসাজশ রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।   তারেক রহমান বলেন, দেশের কয়েকটি স্থানে কলকারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছে বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, একটি পক্ষ সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ দিচ্ছে, আরেকটি পক্ষ দেশের ভেতরে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে। এ ধরনের তৎপরতা সম্পর্কে জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।   তবে অর্থ সরবরাহের অভিযোগে কারা জড়িত, কত অর্থ দেওয়া হয়েছে কিংবা কোন কোন কারখানায় কীভাবে এই অর্থ ব্যবহৃত হয়েছে—সে বিষয়ে জনসভায় বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। অভিযোগগুলোর পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য প্রমাণ বা সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্যও এসব প্রতিবেদন থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ হিসেবেই বিবেচনা করা প্রয়োজন।   বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার উন্নয়নের প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত না করার ওপর গুরুত্ব দেন। তাঁর মতে, দেশে যেন নতুন করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, সে জন্য জনগণকে সচেতন থাকতে হবে। একই সঙ্গে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বন্ধ কলকারখানা পুনরায় চালুর মাধ্যমে বেকারত্ব কমানোর উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি।   তারেক রহমান জানান, গত সাত মাসে রাজশাহী জেলায় ছয়টি বন্ধ কলকারখানা পুনরায় চালু করা হয়েছে। আগামী ১২ মাসে সারা দেশে আরও প্রায় ৪৬টি বন্ধ কলকারখানা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এসব উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।   জনসভায় কৃষকদের সহায়তার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, অনুষ্ঠানের শুরুতে রাজশাহী অঞ্চলের ৩৮ হাজার ৯৭০ জন আখচাষির জন্য ১২ কোটি টাকা প্রণোদনা দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট কৃষকদের মোবাইল হিসাবের মাধ্যমে অর্থ পাঠানো হয় এবং কয়েকজন কৃষকের হাতে চেক তুলে দেওয়া হয়।   রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে শ্রমিক অসন্তোষ, অর্থায়ন এবং অস্থিতিশীলতার অভিযোগ দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে নতুন আলোচনা তৈরি করতে পারে। তবে এসব অভিযোগের প্রকৃত চিত্র স্পষ্ট করতে নির্দিষ্ট তথ্য, তদন্তের ফলাফল এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হবে।

প্রকাশ: অক্টোবর ২০, ২০২৬ ১৪:২১
রাজধানীর পুলিশ হাউজিং-১ এলাকায় অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহিরের ভাড়া দেওয়া বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৮৪ জনকে আটক করেছে ডিবি। ছবি: সংগৃহীত

অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়িতে চলতো ডিজে পার্টি, মাদক-নারীসহ আটক ৮৪

তিন সহোদর মুসআব মোহাম্মদ আজাদ, সাদ মোহাম্মদ আজাদ ও মুআজ মোহাম্মদ আজাদ

সিডনিতে একসঙ্গে কোরআনের হাফেজ হলেন বাংলাদেশি তিন ভাই, জানানো হয় সম্মাননা

উদারতা বা নমনীয়তার নামে পূজায় শরিক হওয়া কিংবা পূজাকে সঠিক পথ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ে মুসলমানদের সতর্ক করেন তিনি

পূজায় অংশ নিলে ঈমান থাকবে না: বায়তুল মোকাররম খতিব

প্রবাসী কর্মীদের মেধাবী সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তি দিতে আবেদন আহ্বান করেছে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড। ছবি: সংগৃহীত
প্রবাসী কর্মীর সন্তানদের বৃত্তি দিচ্ছে সরকার, জেনে নিন আবেদনের যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

প্রবাসী কর্মীদের মেধাবী সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তি দিতে আবেদন আহ্বান করেছে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড। ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান, ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান এবং ২০২৫ সালের ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং পরীক্ষায় উত্তীর্ণ যোগ্য শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। শুরু হবে ২৫ অক্টোবর, চলবে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত।   বোর্ডের ৮ অক্টোবরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আবেদন করতে হবে শুধু অনলাইনে। সরাসরি বা ডাকযোগে পাঠানো আবেদন গ্রহণ করা হবে না। আগ্রহী শিক্ষার্থীদের ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের অনলাইন পোর্টালে নির্ধারিত ফরম পূরণ করতে হবে।   যেসব প্রবাসী কর্মী বিএমইটির বহির্গমন ছাড়পত্র নিয়ে বিদেশে গেছেন অথবা ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের সদস্যপদ নিয়েছেন, তাঁদের সন্তানরা নির্ধারিত শর্ত পূরণ করে আবেদন করতে পারবেন। একজন প্রবাসী কর্মীর সর্বোচ্চ দুই সন্তান শিক্ষাবৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবে।   এসএসসি ও সমমান ক্যাটাগরিতে আবেদনকারীকে ২০২৬ সালে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে দেশের কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একাদশ বা সমমান শ্রেণি অথবা ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সের প্রথম সেমিস্টার বা বর্ষে অধ্যয়নরত থাকতে হবে। এইচএসসি ও সমমান ক্যাটাগরিতে ২০২৫ সালে উত্তীর্ণ হয়ে দেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বা মেডিকেল কলেজের প্রথম সেমিস্টার বা বর্ষে পড়াশোনা করতে হবে।   এ ছাড়া বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৫ সালে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে দেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রথম সেমিস্টার বা বর্ষে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন।   এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের ন্যূনতম জিপিএ ৫ থাকতে হবে। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের জন্য প্রয়োজন ন্যূনতম জিপিএ ৪ দশমিক ৭৫। তবে প্রবাসে মৃত কর্মীর সন্তানদের ক্ষেত্রে উভয় বিভাগে ন্যূনতম জিপিএ ৪ নির্ধারণ করা হয়েছে।   এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগের জন্য ন্যূনতম জিপিএ ৪ দশমিক ৮০ এবং মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের জন্য জিপিএ ৪ দশমিক ৫০ প্রয়োজন। প্রবাসে মৃত কর্মীর সন্তানদের ক্ষেত্রে উভয় বিভাগে ন্যূনতম জিপিএ ৪ থাকলেই আবেদন করা যাবে। ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ক্যাটাগরিতে সাধারণ আবেদনকারীর ন্যূনতম জিপিএ ৩ দশমিক ৭৫ এবং প্রবাসে মৃত কর্মীর সন্তানের ক্ষেত্রে জিপিএ ৩ হতে হবে।   আবেদনের সঙ্গে পিতা বা মাতার প্রবাসী কর্মী হওয়ার প্রমাণ হিসেবে বিএমইটির বহির্গমন ছাড়পত্র অথবা বোর্ডের সদস্যপদের প্রমাণসহ পাসপোর্টের কপি আপলোড করতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের মোবাইল নম্বরসহ অধ্যয়নরত থাকার প্রত্যয়নপত্র দিতে হবে।   প্রবাসে মৃত কর্মীর সন্তানের ক্ষেত্রে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনের দেওয়া মৃত্যু সনদের কপি প্রয়োজন হবে। শিক্ষার্থীর ছবি, স্বাক্ষর এবং জন্মনিবন্ধন বা জাতীয় পরিচয়পত্রের কপিও আপলোড করতে হবে।   শিক্ষার্থীর নিজের নামে কোনো তফসিলি ব্যাংকের হিসাব নম্বর ও ব্যাংক রাউটিং নম্বরসংবলিত স্টেটমেন্ট দিতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়েছে, এ ক্ষেত্রে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের হিসাব গ্রহণযোগ্য নয়।   বৃত্তির মেয়াদ শিক্ষার স্তর অনুযায়ী আলাদা। এসএসসি ও সমমান ক্যাটাগরিতে একাদশ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত দুই বছর এবং ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ চার বছর বৃত্তি দেওয়া হবে। এইচএসসি ও সমমান ক্যাটাগরিতে ডিগ্রি পাস কোর্সের জন্য তিন বছর, স্নাতক সম্মানের জন্য চার বছর এবং এমবিবিএস, বিডিএস, ডিভিএম ও বি আর্কসহ অন্য প্রযোজ্য কোর্সে পাঁচ বছর মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে। ডিপ্লোমা শেষে বিএসসি ইন ইঞ্জিনিয়ারিং পর্যায়ে বৃত্তির মেয়াদ চার বছর।   বোর্ড জানিয়েছে, প্রবাসী কর্মীর পাসপোর্টে থাকা নামের সঙ্গে শিক্ষার্থীর সনদে উল্লিখিত পিতা বা মাতার নামের গরমিল থাকলে আবেদন বাতিল হবে। অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্যসংবলিত আবেদনও গ্রহণযোগ্য হবে না। বৃত্তি দেওয়া হবে কর্তৃপক্ষের যাচাই ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী।

প্রকাশ: অক্টোবর ১৯, ২০২৬ ১২:৪৬
অপরাধের তথ্য সংগ্রহ করতে বিভিন্ন সময় ছদ্মবেশ ধারণ করতেন নিহত সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির। ছবি: সংগৃহীত

কখনো মুচি, কখনো ফেরিওয়ালা - ছদ্মবেশে অপরাধের খবর সংগ্রহ করতেন সাংবাদিক আলিফ

ইউরোপের অস্থিরতায় বাংলাদেশের পোশাক রফতানি নিয়ে উদ্বেগ

ইউরোপে অস্থিরতা দীর্ঘায়িত হলে বড় ঝুঁকিতে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি, বাড়ছে উদ্বেগ

মুন্সীগঞ্জে মেয়েকে ধ র্ষ ণের মামলায় বাবার যাবজ্জীবন

মুন্সীগঞ্জে ১৩ বছরের মেয়েকে ধ র্ষ ণ, ১১ বছর পর বাবার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন
ভবিষ্যতে আন্দোলন-সংগ্রামের প্রয়োজন হলে বিদেশ থেকে এসে যোগ দেবেন ইশরাক হোসেন

ভবিষ্যতে আন্দোলনের প্রয়োজন হলে বিদেশ থেকে দেশে ফিরে যোগ দিতে সমালোচকদের আহ্বান জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। প্রতিমন্ত্রীর পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়ার মধ্যে সোমবার, ১৯ অক্টোবর সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি এ মন্তব্য করেন। একই পোস্টে ইশরাক জানান, দুপুর ২টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেবেন এবং সাংবাদিকদের মুখোমুখি হবেন। প্রথম আলোর প্রতিবেদনে তাঁর ফেসবুক পোস্টের বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।    সমালোচকদের প্রসঙ্গ টেনে ইশরাক লেখেন, ফেসবুকে কিছু মানুষকে উল্লাস প্রকাশ করতে দেখেছেন তিনি। ভবিষ্যতে আন্দোলনের প্রয়োজন হলে তাঁরা জাতীয়তাবাদী আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বিদেশ থেকে দেশে ফিরে অংশ নেবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। তবে পোস্টে নির্দিষ্ট কারও নাম উল্লেখ করেননি।    পদ ছাড়ার পরও রাজনৈতিক ও সামাজিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন ইশরাক। তাঁর ভাষ্য, একজন বিএনপি কর্মী হিসেবে মাদকের বিরুদ্ধে আরও বেশি উদ্দীপনা নিয়ে কাজ করবেন। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি জোরদার করার কথাও বলেছেন তিনি।   দেশব্যাপী প্রজন্ম দলের সাংগঠনিক শক্তি বাড়াতে বিভিন্ন জেলা সফরের পরিকল্পনাও তুলে ধরেন ইশরাক। পোস্টের শেষাংশে মাদক নির্মূলের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় জানান তিনি।  সূত্র: কালের কণ্ঠ

প্রকাশ: অক্টোবর ১৯, ২০২৬ ১:৪৬
জাতীয় সংসদের সরকারদলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি

আগামী বছর দেশে বিদ্যুৎ রাখার জায়গা থাকবে না, দাবি চিফ হুইপের

অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ কল্যাণ

ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে আপাতত ৬৬৬ কোটি টাকার কর দিতে হবে না

দুপুর ২টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

দুপুরে পদত্যাগের ঘোষণা দেবেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন

0 Comments