সাপ্তাহিক আমেরিকা বাংলা ই-পেপার
বাংলাদেশ

ছয় মাস মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ, বাবার মোবাইলে মিলল ভিডিও

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক প্রকাশ: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৬ ৫:২১
মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত হালিম, তার মোবাইলেই ছিল সেই ঘটনার ভিডিও
মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত হালিম, তার মোবাইলেই ছিল সেই ঘটনার ভিডিও

নরসিংদীর সদর উপজেলায় ১৪ বছর বয়সী এক মাদরাসাছাত্রীকে প্রায় ছয় থেকে সাত মাস ধরে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তার বাবা হালিম মিয়ার (৪০) বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, ভয়ভীতি দেখিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণের পাশাপাশি ঘটনাগুলোর ভিডিও মোবাইল ফোনে ধারণ করে রাখতেন তিনি। সম্প্রতি পরিবারের এক সদস্যের মাধ্যমে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এরপর স্থানীয়রা তাকে আটক করতে গেলে তিনি পালিয়ে যান।
 

ঘটনাটি সদর উপজেলার শিলমান্দী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে। অভিযুক্ত হালিম মিয়া পেশায় মিশুকচালক। তিনি দুই বিয়ে করেছেন। প্রথম স্ত্রীর ঘরে এক ছেলে ও এক মেয়ে এবং দ্বিতীয় স্ত্রীর ঘরেও এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। দ্বিতীয় স্ত্রীর ১৪ বছর বয়সী মেয়েটিই ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ।


স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ভুক্তভোগীর মা জীবিকার প্রয়োজনে প্রবাসে থাকেন। এ সুযোগে সৎ মা বাড়ির বাইরে থাকলে মেয়েটিকে একা পেয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করতেন হালিম। পরে ধর্ষণের দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করে রাখতেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।


সম্প্রতি ভুক্তভোগীর সৎ বোন গর্ভবতী অবস্থায় বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসেন। এ সময় হালিমের মোবাইল ফোন ঘাঁটাঘাঁটি করতে গিয়ে তিনি কয়েকটি ভিডিও দেখতে পান বলে স্থানীয়রা জানান। পরে বিষয়টি পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের মধ্যে জানাজানি হয়। একপর্যায়ে ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়।


৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে স্থানীয়রা হালিমকে আটক করার জন্য তার বাড়িতে যান। তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি পালিয়ে যান। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে নরসিংদী মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগী কিশোরীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।


শিলমান্দী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মাসুদ ভূইয়া বলেন, জীবিকার তাগিদে মেয়েটির মা প্রবাসে থাকেন। সৎ মা বাসার বাইরে গেলে হালিম সুযোগ নিয়ে মেয়েটিকে ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করতেন। প্রায় ছয় থেকে সাত মাস ধরে এ ঘটনা ঘটে বলে তিনি জানান। ধর্ষণের পর হালিম নিজেই ছোট ছোট ভিডিও ধারণ করে রাখতেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।


মাসুদ ভূইয়া আরও বলেন, ভুক্তভোগীর সৎ বোন গর্ভবতী হওয়ায় বাবার বাড়িতে বেড়াতে এসে হালিমের মোবাইল ফোন ঘাঁটতে গিয়ে ভিডিওগুলো দেখতে পান। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা হালিমকে আটক করতে তার বাড়িতে যান। তবে তিনি পালিয়ে যান। পরে পুলিশের সহযোগিতায় মেয়েটিকে উদ্ধার করা হয়।


স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল্লাহ মিয়া বলেন, মেয়েটি প্রায় ছয় মাস ধরে বাবার কাছে ধর্ষণের শিকার হয়ে আসছে। ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে রাখার অভিযোগও রয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন তিনি।


আরেক স্থানীয় বাসিন্দা মুসা বলেন, তাদের গ্রামে আগে এমন ঘটনা ঘটেনি। তিনি এ ঘটনার কঠোর বিচার দাবি করেন।


নরসিংদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ এম আর আল মামুন বলেন, ভুক্তভোগী মেয়েটিকে উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। আগামীকাল তার মেডিকেল পরীক্ষা করানো হবে। অভিযুক্ত বাবা পলাতক রয়েছেন। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।


© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

বাংলাদেশ

View more
জিনের বাদশা'সহ দুইজন আটক
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলা থেকে জিনের বাদশা'সহ দুইজন আটক

‘জিনের বাদশা’ পরিচয়ে ভয় দেখানো এবং তান্ত্রিক-কবিরাজ সেজে বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের প্রলোভন দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সোমবার ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কুঞ্জেরহাট বাজারের আশপাশ থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন সুমন হাওলাদার (২৬) ও রাজিব মিয়া (২৮)। পিবিআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, তাঁদের বিরুদ্ধে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।   তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২৪ সালে রাজবাড়ীর এক চাল ব্যবসায়ীর সঙ্গে প্রতারণা করে চক্রটি ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। পরিচিত এক ব্যবসায়ীর মোবাইল নম্বর ক্লোন করে সুলভ মূল্যে ৩৩ টন চাল বিক্রির প্রলোভন দেখানো হয়েছিল। ওই প্রলোভনে পড়ে ব্যবসায়ী টাকা পাঠানোর পর প্রতারণার বিষয়টি সামনে আসে।   ঘটনার পর অভিযুক্তদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করে পিবিআই। প্রায় আট মাসের চেষ্টায় তাঁদের পরিচয় শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়।   পিবিআই জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা বিভিন্ন কৌশলে প্রতারণার কথা স্বীকার করেছেন বলে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন। কখনো নিজেদের ‘জিনের বাদশা’ পরিচয় দিয়ে মানুষকে ভয় দেখাতেন তাঁরা। আবার কখনো তান্ত্রিক বা কবিরাজ সেজে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সমস্যার সমাধান করে দেওয়ার প্রলোভন দেখাতেন।   এরপর বিকাশ ও নগদের মতো মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে টাকা আদায় করা হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।তদন্তে উঠে আসা তথ্য অনুযায়ী, প্রতারণার এসব কৌশলের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তিকে লক্ষ্যবস্তু করা হতো। বিশেষ করে ভয়, কুসংস্কার ও সমস্যার দ্রুত সমাধানের আশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে।   আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার পর গ্রেপ্তার দুই ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।এ ধরনের প্রতারণা থেকে বাঁচতে অপরিচিত ব্যক্তির দেওয়া লোভনীয় প্রস্তাবে টাকা পাঠানো থেকে বিরত থাকা, পরিচিত কারও নম্বর থেকে টাকা চাওয়ার বার্তা এলে অন্য মাধ্যমে পরিচয় যাচাই করা এবং কোনো ব্যক্তির অলৌকিক ক্ষমতার দাবিতে বিশ্বাস করে অর্থ লেনদেন না করার পরামর্শ দেওয়া হয়। প্রতারণার শিকার হলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো উচিত।

প্রকাশ: অক্টোবর ২১, ২০২৬ ১১:২১
রন ওয়াহিদ ও তাঁর প্রতিষ্ঠিত গোয়েন্দা সংস্থা আরকানাম

বাংলাদেশি ওয়াহিদের কোম্পানিতে কাজ করে মোসাদের সাবেক প্রধান, আমেরিকার ১৬ গোয়েন্দা সংস্থার বস

সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃ ত্যুদণ্ড কার্যকর নিয়ে নতুন তথ্য

সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃ ত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর আগে জানত না দূতাবাস, চিঠিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য

রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত

তারেক রহমানের সঙ্গে হাত মেলানোর সময় রাষ্ট্রাচার ভঙ্গ, প্রত্যাহার রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার

রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার ইউসুফ আলীকে স্ট্যান্ড রিলিজ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাত মেলানোর পর প্রটোকল ভঙ্গ, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারকে স্ট্যান্ড রিলিজ

রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার ইউসুফ আলীকে স্ট্যান্ড রিলিজ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর জারি করা আদেশে তাঁকে তাৎক্ষণিক বদলি করা হয়। একই দিন রাজশাহী সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিদায় জানানোর সময় তাঁর বিরুদ্ধে প্রটোকল ভঙ্গের অভিযোগের খবর প্রকাশিত হয়েছে।  দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব জেতী প্রু বদলির আদেশে স্বাক্ষর করেন। আদেশের পর মঙ্গলবারই ইউসুফ আলী রাজশাহী ছেড়েছেন বলে জানিয়েছে স্টার নিউজ।    মঙ্গলবার রাজশাহীর কর্মসূচি শেষে শাহ মখদুম বিমানবন্দরে যান প্রধানমন্ত্রী। বিমানে ওঠার আগে তিনি রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে হাত মেলান। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড জানিয়েছে, এ সময় ইউসুফ আলী হাত মেলানোর পর প্রধানমন্ত্রীর দিকে ঝুঁকে এগিয়ে আসার চেষ্টা করেন। সংবাদমাধ্যমটি ঘটনাটিকে প্রটোকল ভঙ্গ হিসেবে উল্লেখ করেছে।  ওই ঘটনার পরপরই বদলির খবর সামনে এলেও প্রটোকল ভঙ্গই প্রশাসনিক সিদ্ধান্তটির আনুষ্ঠানিক কারণ কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বদলির আদেশে কারণ উল্লেখ রয়েছে কি না, সেটিও স্পষ্ট নয় বলে জানিয়েছে বাংলাঅ্যাফেয়ার্স।    ইউসুফ আলীর পরিবর্তে ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় কমিশনারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রেজাউল আলম সরকারকে। স্টার নিউজের প্রতিবেদনে নতুন দায়িত্ব দেওয়ার এ তথ্য জানানো হয়েছে।  সূত্র: চ্যানেল ২৪  

প্রকাশ: অক্টোবর ২১, ২০২৬ ১:৫৪
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মনজুরুল হক

যুক্তরাজ্য থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে, শিশু যৌন নির্যাতন মামলায় দণ্ডিত অপরাধী মনজুরুল

প্যারিসের বুলভার মাশেন্টা এলাকায় লুটপাটে ক্ষতিগ্রস্ত নিজের দোকানের সামনে বাংলাদেশি প্রবাসী রবিউল হাসান। গ্রাফিক্স: আমেরিকা বাংলা

প্যারিসে লুটপাটের শিকার বাংলাদেশি ব্যবসায়ীর পাশে দাঁড়ালেন ফরাসিরা, সংগ্রহ হলো ৯০ হাজার ইউরো

তারেক রহমান

পরিষ্কার গোয়েন্দা তথ্য আছে, দুই পক্ষ এক হয়েছে:তারেক রহমান

রাজধানীর পুলিশ হাউজিং-১ এলাকায় অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহিরের ভাড়া দেওয়া বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৮৪ জনকে আটক করেছে ডিবি। ছবি: সংগৃহীত
অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়িতে চলতো ডিজে পার্টি, মাদক-নারীসহ আটক ৮৪

রাজধানীর পুলিশ হাউজিং-১ এলাকায় অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহিরের ভাড়া দেওয়া বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৮৪ জনকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবরের অভিযানে মাদকদ্রব্যও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ২৬ জন নারী ও ৫৮ জন পুরুষ রয়েছেন।    ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, বাড়িটিতে ডিজে পার্টির পাশাপাশি মাদক সেবন ও মাদকের কারবার চলার গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালায় গোয়েন্দা উত্তরা বিভাগের একটি দল। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে আফগানিস্তানের একজন নাগরিকও রয়েছেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।    পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযানে বাড়িটি থেকে গাঁজা, ইয়াবা, মদ এবং ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। বাড়িটির মালিক অতিরিক্ত ডিআইজি জহির অনলাইনে বাসা ভাড়ার প্ল্যাটফর্ম এয়ারবিএনবির মাধ্যমে সেটি ভাড়া দিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন ডিবির কর্মকর্তারা।    গোয়েন্দা উত্তরা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার ইলিয়াস কবির বলেন, বাড়িটি একজন হোস্ট ও একজন কো-হোস্টের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছিল। কো-হোস্ট মাহবুবুল আলমকেও আটক করা হয়েছে।    বাড়ির মালিক আব্দুল্লাহ আল জহির বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেছেন, তাঁর বাড়িটি এয়ারবিএনবিসহ ভ্রমণকারীদের আবাসনের প্ল্যাটফর্মে ভাড়ার জন্য তালিকাভুক্ত। তাঁর বক্তব্য, ভাড়াটিয়া আড়ালে অপরাধ করলে তার দায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির। এমন কর্মকাণ্ডের কথা জানতে পারলে তাকে আর ভাড়া না দেওয়া, কালো তালিকাভুক্ত করা বা বের করে দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া যায়।    বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযানের পর মঙ্গলবার বিকেলে জহিরকে পুলিশ সদর দপ্তরের পার্সোনাল ম্যানেজমেন্ট-২ শাখা থেকে প্রত্যাহার করে ওএসডি করার আদেশ জারি করা হয়েছে। তাঁকে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।  সূত্র: ইত্তেফাক

প্রকাশ: অক্টোবর ২০, ২০২৬ ৯:৪৮
তিন সহোদর মুসআব মোহাম্মদ আজাদ, সাদ মোহাম্মদ আজাদ ও মুআজ মোহাম্মদ আজাদ

সিডনিতে একসঙ্গে কোরআনের হাফেজ হলেন বাংলাদেশি তিন ভাই, জানানো হয় সম্মাননা

উদারতা বা নমনীয়তার নামে পূজায় শরিক হওয়া কিংবা পূজাকে সঠিক পথ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ে মুসলমানদের সতর্ক করেন তিনি

পূজায় অংশ নিলে ঈমান থাকবে না: বায়তুল মোকাররম খতিব

প্রবাসী কর্মীদের মেধাবী সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তি দিতে আবেদন আহ্বান করেছে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড। ছবি: সংগৃহীত

প্রবাসী কর্মীর সন্তানদের বৃত্তি দিচ্ছে সরকার, জেনে নিন আবেদনের যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

0 Comments