সারাদেশ

দুর্গাপুরে মাদকসহ নারী আটক, তিন মাসের কারাদণ্ড

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0

নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলায় মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে জহুরা খাতুন (৪৫) নামে এক নারীকে তিন মাসের কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

 

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে দুর্গাপুর পৌর শহরের দক্ষিণপাড়া আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিজানুর রহমান।

 

তিনি জানান, অভিযানকালে জহুরা খাতুনের বসতঘরে তল্লাশি চালিয়ে ১০ পুরিয়া গাঁজা এবং গাঁজা সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাকে তিন মাসের কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। অনাদায়ে অতিরিক্ত কারাদণ্ডের বিধানও রয়েছে।

 

অভিযান শেষে উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

 

এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।

 

মামুন রণবীর, নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধি

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের বিমানবাহী রণতরী কিছুই না; মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা

মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে।   ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে।   ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য।   আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে।   প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা

Advertisement

সারাদেশ

View more
রোববার দুপুর সাড়ে ১২টায় শহরের বাসুনিয়াপট্টি এলাকায় | ছবি: সংগৃহীত
দিনাজপুরে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, বিকেলে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ

দিনাজপুরে হঠাৎ কয়েকজন নেতা–কর্মী নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের জেলা কার্যালয়ের সামনে উপস্থিত হয়ে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়েছেন। রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শহরের বাসুনিয়াপট্টি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। পরে ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিকেলে কার্যালয়ে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয়।   ভিডিওতে দেখা গেছে, সাতজন নেতা–কর্মী দলীয় কার্যালয়ের সামনে উপস্থিত হন এবং সেলফি তোলার ভঙ্গিতে ভিডিও ধারণ করেন। তারা ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’, ‘শেখ হাসিনা ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’ এবং ‘আমরা আছি লাখো ভাই’ বলে কয়েকবার স্লোগান দেন। এসময় জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ খালেদ হাবিব (সুমন), সাংস্কৃতিক সম্পাদক রহমতুল্লাহ রহমত, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক সৈয়দ সালাহ উদ্দিন ও সদস্য রুহানা নিশাত উপস্থিত ছিলেন।   বাসুনিয়াপট্টি এলাকায় আওয়ামী লীগের দুটি দলীয় কার্যালয় রয়েছে। জুলাই অভ্যুত্থানের পর আগুনে দগ্ধ ও ভাঙাচোরা অবস্থায় পরিত্যক্ত এই কার্যালয়গুলো। জেলা আওয়ামী লীগের সামনের দেয়ালে বর্তমানে একটি চায়ের দোকান চলছে।   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক ফয়সাল মোস্তাক বলেন, ‘নিষিদ্ধ দলের নেতা–কর্মীরা প্রশাসনের নাকের ডগায় উপস্থিত হয়ে আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা করেছে। জুলাই যোদ্ধারা কার্যালয়ে গিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।’   দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরুন্নবী বলেন, ‘ভিডিও দেখেছি, তবে তারা বেশি সময় অবস্থান করেননি। শহরে বিশৃঙ্খলা এড়াতে পুলিশ তৎপর রয়েছে।’   রোববার বিকেলে বীরগঞ্জ উপজেলার বিজয় চত্বর এলাকায় একদল নেতা–কর্মী ভাঙাচোরা কার্যালয় পরিদর্শন করেন। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য রোকনুজ্জামান, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোনায়েম মিঞা, শতগ্রাম ইউনিয়ন সভাপতি গোলাম মোস্তফা ও পাল্টাপুর ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান প্রমুখ।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0

রমজান ও নির্বাচন-পরবর্তী বাস্তবতায় বইমেলা পেছানোর দাবি: তারেক রহমানকে খোলা চিঠি প্রকাশকদের

দুর্গাপুরে মাদকসহ নারী আটক, তিন মাসের কারাদণ্ড

ছবি: সংগৃহীত

ভোলার চরফ্যাসনে দলবদ্ধ ধর্ষণ, গৃহবধূ নিরাপত্তাহীনতায় পালিয়ে বেড়াচ্ছেন

ময়মনসিংহ জেলার মানচিত্র
ফুলপুরে ধানের শীষের পক্ষে কাজ না করায় সাবেক এমপির গাড়ি ভাঙচুর

ময়মনসিংহ-২ (ফুলপুর-তারাকান্দা) আসনের বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য আবুল বাশার আকন্দের গাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও চালককে আহত করার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ফুলপুর উপজেলার বালিয়া মোড় এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনে আবুল বাশার ধানের শীষের পক্ষে কাজ না করায় হামলার পেছনে রাজনৈতিক উত্তেজনা থাকতে পারে।   ফুলপুর-তারাকান্দা উপজেলা অন্তর্ভুক্ত ময়মনসিংহ-২ আসনে এবারের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন উত্তর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোতাহার হোসেন তালুকদার। তিনি ১ লাখ ১৮ হাজার ৪৩৮ ভোট পেয়ে পরাজিত হন। নির্বাচিত হন ১১–দলীয় জোটের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস প্রার্থী মুহাম্মদুল্লাহ, যিনি ১ লাখ ৪৬ হাজার ২০২ ভোট পেয়েছেন। সাবেক এমপি আবুল বাশার আকন্দ ১৯৯৬ সালে এই আসন থেকে সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি ফুলপুরের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এবং বর্তমানে কৃষক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি।   স্থানীয় বিএনপি ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তুলার গুদামে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে আবুল বাশার আকন্দ ঘটনাস্থলে যান। এ সময় তাঁর গাড়ির চারপাশে একটি দল হামলা চালিয়ে কাচ ভাঙচুর করে। চালক মো. আরমান আহত হন। পরে পুলিশ এসে দুই পক্ষকে সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।   স্থানীয় বিএনপি নেতা জানিয়েছেন, সাবেক এমপি আবুল বাশার এবারের নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন চাওয়ায় ব্যর্থ হওয়ায় ধানের শীষের পক্ষে কোনো ভূমিকা রাখেননি। ফলে ধানের শীষের প্রার্থী পরাজিত হওয়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।   আবুল বাশার নিজ বক্তব্যে বলেন, তুলার গুদামে আগুন দেখে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। ওই সময় হামলা হয়, চালক আহত হয়। কে হামলা করেছে জানি না। অপরদিকে উত্তর জেলা যুবদলের সদস্য ওয়াহেদুজ্জামান মিঠুন দাবি করেছেন, সাবেক এমপি ধানের শীষের পক্ষে কাজ করেননি, এজন্য ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছিল।   ফুলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাশেদুল হাসান নিশ্চিত করেছেন, ‘ধানের শীষের পরাজিত প্রার্থীর কিছু লোক এই হামলা করেছে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক।’

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
নিহত জসিম উদ্দিনের স্বজনদের আহাজারি (ইনসেটে বহিষ্কৃত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মো. শাকিল)। ছবি: সংগৃহীত

মুন্সীগঞ্জে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থককে হত্যার ঘটনায় স্বেচ্ছাসেবক নেতা বহিষ্কার

শেরপুরের না‌লিতাবাড়ী‌তে ধা‌নের শীষ জেতায় বা‌জির ম‌হিষ নি‌য়ে বা‌ড়ি ফির‌ছেন আব্দুল মান্নান। শুক্রবার সকা‌লে বালুঘাটা গ্রামে

নির্বাচনী বাজিতে মহিষ জয়, ব্যান্ড বাজিয়ে বাড়ি ফিরলেন মান্নান

নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে বিজয়ী বিএনপি

১৭ তারিখের মধ্যে শপথ হতে পারে-আইনি দিক পর্যালোচনায় বিএনপি

সুনামগঞ্জের সবগুলো সংসদীয় আসনে জয় পেয়েছে বিএনপি। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্বম্ভরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে। ছবি: সংগৃহীত
সুনামগঞ্জের পাঁচ আসনেই ধানের শীষের নিরঙ্কুশ জয়

সুনামগঞ্জ জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনেই বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। ভোট গণনা শেষে রাতে নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া বেসরকারিভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।   সুনামগঞ্জ-১ আসনে (তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা ও মধ্যনগর) বিএনপির প্রার্থী কামরুজ্জামান কামরুল ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬১ হাজার ৭৭৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী তোফায়েল আহমদ খান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পান ৯২ হাজার ৯৬৬ ভোট।   সুনামগঞ্জ-২ আসনে (দিরাই ও শাল্লা) বিএনপির প্রার্থী মো. নাছির চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে ৯৯ হাজার ৫২২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ শিশির মনির পান ৬৩ হাজার ২২০ ভোট।   সুনামগঞ্জ-৩ আসনে (জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ) বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ ধানের শীষ প্রতীকে ৯৭ হাজার ৩১৩ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আনোয়ার হোসেন তালা প্রতীকে পান ৪২ হাজার ২২৬ ভোট।   সুনামগঞ্জ-৪ আসনে (সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুর) বিএনপির প্রার্থী নূরুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে ৯৮ হাজার ৯২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ শামস উদ্দীন পান ৭৫ হাজার ৭৩৬ ভোট।   সুনামগঞ্জ-৫ আসনে (ছাতক ও দোয়ারাবাজার) বিএনপির প্রার্থী কলিম উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৫১ হাজার ৯১৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবদুস সালাম আল মাদানী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পান ১ লাখ ২ হাজার ১২১ ভোট।   জেলার পাঁচটি আসনেই বিএনপির প্রার্থীদের বিজয়ের মধ্য দিয়ে সুনামগঞ্জে দলটির প্রভাব আরও সুদৃঢ় হলো বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন।

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ 0
বাগেরহাটে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ

বাগেরহাটে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ১৯

ফল ঘোষণার আগেই রেজাল্ট শিটে স্বাক্ষর, প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ক্লোজড

ভোটদানের লাইন। ছবি: সংগৃহীত

কেন্দ্রে যেতে না করেছিল স্ত্রী, পছন্দের প্রতীকে ভোট দিতে গিয়ে ভোটারের মৃত্যু

0 Comments