ঢাকা

কমনওয়েলথ নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের প্রধান নানা আকুফো-আদো/ছবি সংগৃহীত
নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ঢাকায় কমনওয়েলথ প্রতিনিধিদল

নির্বাচন পর্যবেক্ষণে কমনওয়েলথ প্রতিনিধিদল ঢাকায় পৌঁছেছেন। পর্যবেক্ষক দলের প্রধান হিসেবে রয়েছেন ঘানার সাবেক প্রেসিডেন্ট নানা আকুফো-আদো। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) তারা ঢাকায় পৌঁছান।   এক বার্তায় কমনওয়েলথ নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের প্রধান নানা আকুফো-আদো বলেন, গণতন্ত্র কমনওয়েলথের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ, যা এর সনদে অন্তর্ভুক্ত একটি মৌলিক বৈশ্বিক মূল্যবোধ।   কমনওয়েলথের নীতিতে জনগণের স্বাধীনভাবে তাদের ইচ্ছা প্রকাশ এবং নিজেদের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যবস্থা নির্ধারণের অধিকার নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। জনগণের কল্যাণ ও সমৃদ্ধির জন্য এসব গুরুত্বপূর্ণ মূল্যবোধ সমুন্নত রাখার আহ্বান জানান তিনি।   এর আগে গত ৪ ফেব্রুয়ারি কমনওয়েলথ নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল বাংলাদেশে আসে। দলটি ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের নির্বাচন ও গণভোটের প্রস্তুতি ও সামগ্রিক পরিবেশ মূল্যায়ন করবে।'   পর্যবেক্ষক দলের কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ, ভোটগ্রহণের দিন সরাসরি পর্যবেক্ষণ এবং নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি পর্যালোচনা।   এদিকে, বাংলাদেশে নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসা এই বিশেষ দলটি ১৪ ফেব্রুয়ারি একটি প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করবে, যেখানে তাদের পর্যবেক্ষণ ও প্রাথমিক মূল্যায়নের ফলাফল তুলে ধরা হবে।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬ 0
নাহিদ ইসলাম
ভুয়া পাসপোর্টের তথ্যের ভিত্তিতে নাহিদ ইসলামের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে রিট

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র কয়েক দিন আগে ঢাকা-১১ সংসদীয় আসনে শুরু হয়েছে নতুন আইনি জটিলতা। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী মো. নাহিদ ইসলামের প্রার্থিতা বাতিল ও স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। ডোমিনিকার কথিত নাগরিকত্ব ও ভুয়া পাসপোর্টের তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এই রিটটি দায়ের করেন একই আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী শামীম আহমেদ।   রিটে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি), নির্বাচন কমিশনের সচিব, সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং মো. নাহিদ ইসলামকে বিবাদী করা হয়েছে। রিট আবেদনে দাবি করা হয়, মো. নাহিদ ইসলাম ২০২৫ সালের ২০ এপ্রিল ডোমিনিকার নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন, যা বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্য পদের জন্য অযোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত।   তবে এই অভিযোগের নেপথ্যে থাকা তথ্যের সত্যতা নিয়ে ইতোমধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। গত মাসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নাহিদ ইসলামের নামে একটি পাসপোর্টের ছবি ভাইরাল হলে ২০ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক ফ্যাক্টচেক সংস্থা 'রিউমর স্ক্যানার' তাদের প্রতিবেদনে জানায়, ওই পাসপোর্টটি সম্পূর্ণ ভুয়া। অনলাইন থেকে একটি সাধারণ টেমপ্লেট ডাউনলোড করে এটি তৈরি করা হয়েছে এবং নাহিদ ইসলামের ডোমিনিকার নাগরিকত্বের কোনো ভিত্তি নেই। বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এই রিট আবেদনটির শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনের একদম শেষ মুহূর্তে এমন আইনি পদক্ষেপ ঢাকা-১১ আসনের রাজনৈতিক সমীকরণকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।   উল্লেখ্য, গুলশান ও সংলগ্ন এলাকা নিয়ে গঠিত ঢাকা-১১ আসনে এবার হেভিওয়েট প্রার্থীদের লড়াই হচ্ছে। এই আসনে ৪ লাখ ৩৯ হাজারের বেশি ভোটারের মন জয়ে লড়ছেন বিএনপির এম এ কাইয়ুম, এনসিপির নাহিদ ইসলাম, জাতীয় পার্টির শামীম আহমেদ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শেখ মো. ফজলে বারী মাসউদসহ আরও বেশ কয়েকজন প্রার্থী। এখন আদালতের রায়ের ওপর নির্ভর করছে এই আসনের চূড়ান্ত ভোটের লড়াই কোন দিকে মোড় নেবে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬ 0
ঢাকা-ইসলামাবাদ ঘনিষ্ঠতা
দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে কেন চিন্তিত দিল্লি?

দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে বইছে পরিবর্তনের হাওয়া। দীর্ঘ কয়েক দশকের শীতলতা কাটিয়ে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে বাড়ছে অভূতপূর্ব ঘনিষ্ঠতা। বিশেষ করে সামরিক ও গোয়েন্দা পর্যায়ে যোগাযোগ বৃদ্ধি পাওয়ায় বিষয়টি এখন দিল্লির মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।   ঐতিহাসিক সফর ও পর্দার আড়ালের আলোচনা ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আসিম মালিকের ঢাকা সফর ছিল এক ঐতিহাসিক ঘটনা। স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনো আইএসআই প্রধান বাংলাদেশ সফরে এলেন। এর পরপরই আলোচনায় আসে দুই দেশের মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান এবং সম্ভাব্য সামরিক সহযোগিতার বিষয়টি।   প্রতিরক্ষা চুক্তির গুঞ্জন ও ভারতের উদ্বেগ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে কাজ করছে। এমনকি পাকিস্তানকে জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান বিক্রির প্রস্তাবও দিয়েছে ইসলামাবাদ। ভারতের শীর্ষ সংবাদমাধ্যম 'দ্য ইকোনমিক টাইমস' এবং 'সিএনএন-নিউজ১৮' বলছে, শেখ হাসিনার বিদায়ের পর বাংলাদেশের এই কৌশলগত শিফট ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণ ভারতের সাবেক সেনা কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) দীপেন্দ্র সিং হুডা মনে করেন, কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিরক্ষা চুক্তি হলে তা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতায় বড় প্রভাব ফেলবে। তবে অনেক বিশ্লেষক মনে করছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষে এমন কোনো দীর্ঘমেয়াদী কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হতে পারে।   দিল্লির অবস্থান ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সম্প্রতি ঢাকা সফর শেষে জানিয়েছেন, ভারতের প্রতিবেশী নীতি সবসময়ই সহযোগিতা ও উন্নয়নের ওপর ভিত্তি করে। তবে সন্ত্রাসবাদ বা নিরাপত্তার প্রশ্নে ভারত কোনো আপস করবে না।   বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের এই ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক কি ভারতের দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক আধিপত্যের জন্য বড় কোনো বার্তা? সময় বলে দেবে দক্ষিণ এশিয়ার এই নতুন মেরুকরণ কোন দিকে মোড় নেয়।

ইশতিয়াক মাহমুদ ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের বিমানবাহী রণতরী কিছুই না; মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা

মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে।   ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে।   ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য।   আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে।   প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা

Top week

ফটো: সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন
আমেরিকা

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬ 0