বিনোদন

সৌন্দর্য দিয়ে ভালোবাসা ধরে রাখতে পারিনি: মেঘনা আলম

Unknown প্রকাশ: এপ্রিল ৪, ২০২৬ ১৭:৫৭
মেঘনা আলম
মেঘনা আলম

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত মুখ মেঘনা আলম বলেছেন, বাহ্যিক সৌন্দর্য দিয়ে জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ধরে রাখা সম্ভব নয়। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের ব্যক্তিজীবন, ক্যারিয়ার ও রাজনৈতিক দর্শন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন তিনি।

 

মেঘনা আলম জানান, ঢাকায় বেড়ে ওঠা তাঁর পরিবার ছিল সামাজিক ও প্রগতিশীল চিন্তার ধারক। ছোটবেলা থেকেই তিনি নারী অধিকার, পরিবেশ ও সামাজিক ন্যায়বিচার বিষয়ক নানা কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

 

ক্যারিয়ার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শুরুতে তিনি রাজনৈতিক প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করতেন। পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম ‘মিস আর্থ’-এ অংশ নিয়ে পরিচিতি পান। বর্তমানে তিনি এই প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে যুক্ত থেকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করছেন।

 

অভিনয়ে আসা প্রসঙ্গে মেঘনা বলেন, বৈশাখী টিভির ‘মহল্লা’ ধারাবাহিকের মাধ্যমে প্রথমবার অভিনয়ে যুক্ত হন। নিজের ভাষায়, এটি ছিল নতুন এক অভিজ্ঞতা, যা তিনি উপভোগ করেছেন।

 

নারী হিসেবে সমাজে নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি নিজেও অনিরাপত্তা অনুভব করি। এই অভিজ্ঞতা থেকেই চাই, অন্য কোনো নারী যেন এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি না হয়।” তিনি মনে করেন, মিডিয়ায় কর্মরত নারীরা প্রায়ই সামাজিক পূর্বধারণা ও নেতিবাচক প্রচারণার শিকার হন।

 

রাজনীতিতে আসার কারণ ব্যাখ্যা করে মেঘনা আলম বলেন, অন্যায় ও ক্ষমতার অপব্যবহার দেখেই তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর মতে, কেবল আন্দোলন নয়, ব্যবস্থার পরিবর্তনই স্থায়ী সমাধান দিতে পারে।

 

সৌন্দর্য নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “সৌন্দর্য দিয়ে আমি আমার ভালোবাসার মানুষকে ধরে রাখতে পারিনি, তার বিশ্বস্ততাও পাইনি।” তিনি আরও বলেন, সৌন্দর্য অনেক সময় ভুল ধারণা ও অপপ্রচারের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

 

জীবনসঙ্গী প্রসঙ্গে মেঘনা আলম জানান, তিনি এমন একজন মানুষ চান, যার কাছে নিজেকে নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ মনে হবে- যার কাছে নিজের দুর্বলতাও নির্দ্বিধায় প্রকাশ করা যাবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

বিনোদন

View more
ফুটবল তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও মডেল জর্জিনা রদ্রিগেজ
এক দশকের প্রেমের পর জর্জিনাকে বিয়ে করলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো

দীর্ঘ প্রায় এক দশকের সম্পর্কের পর বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন পর্তুগিজ ফুটবল তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও মডেল জর্জিনা রদ্রিগেজ। মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট পর্তুগালের উপকূলীয় শহর কাসকাইসে ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে ব্যক্তিগত আয়োজনে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খবরটি প্রকাশ করেন রোনালদো। ইনস্টাগ্রামে দেওয়া ছবিতে দুজনের হাতের বিয়ের আংটি দেখা যায়। ছবির সঙ্গে তিনি লেখেন শুধু, ‘C❤️G’। পোস্টটি প্রকাশের পর দ্রুতই তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।   বিয়ের অনুষ্ঠানটি আগে থেকেই অনেকটা গোপন রাখা হয়েছিল। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানী লিসবনের কাছের কাসকাইসে ছোট পরিসরে সিভিল সেরিমনির মাধ্যমে বিয়ে করেন রোনালদো ও জর্জিনা। অনুষ্ঠানে তাদের পাঁচ সন্তান এবং পরিবারের ঘনিষ্ঠ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। রোনালদো ও জর্জিনার সম্পর্কের শুরু ২০১৬ সালে। মাদ্রিদের একটি গুচি স্টোরে প্রথম পরিচয় হয় তাদের। সেখানে সেলস অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করতেন জর্জিনা। অন্যদিকে রোনালদো তখন রিয়াল মাদ্রিদের অন্যতম বড় তারকা। পরের বছর তাদের সম্পর্ক প্রকাশ্যে আসে। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে ফিফার দ্য বেস্ট অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে একসঙ্গে উপস্থিত হন তারা। এরপর থেকে রোনালদোর ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনের নিয়মিত সঙ্গী হয়ে ওঠেন জর্জিনা। একই বছর তাদের পরিবারও বড় হয়। ২০১৭ সালের জুনে সারোগেসির মাধ্যমে রোনালদোর যমজ সন্তান এভা মারিয়া ও মাতেওর জন্ম হয়। ওই বছরের নভেম্বরে রোনালদো ও জর্জিনার প্রথম সন্তান আলানা মার্টিনার জন্ম হয়।   ২০২২ সালে আরও একবার যমজ সন্তানের অপেক্ষায় ছিলেন এই দম্পতি। তবে সন্তান জন্মের সময় তাদের ছেলে অ্যাঞ্জেল মারা যায়। বেঁচে যায় যমজ কন্যা বেলা এসমেরাল্ডা। সে সময় সন্তান হারানোর খবর নিজেরাই প্রকাশ করেছিলেন রোনালদো ও জর্জিনা। বর্তমানে পাঁচ সন্তানকে ঘিরে তাদের পরিবার। রোনালদোর বড় ছেলে ক্রিশ্চিয়ানো জুনিয়র, যমজ এভা ও মাতেও, এবং রোনালদো ও জর্জিনার দুই মেয়ে আলানা ও বেলা তাদের সঙ্গে রয়েছে। বিয়ের ঠিক এক বছর আগে, ২০২৫ সালের ১১ আগস্ট নিজেদের বাগদানের খবর প্রকাশ করেছিলেন রোনালদো ও জর্জিনা। জর্জিনা তখন ইনস্টাগ্রামে বাগদানের আংটির ছবি দিয়ে স্প্যানিশ ভাষায় লিখেছিলেন, ‘হ্যাঁ, আমি রাজি। এই জীবনেও এবং আমার সব জীবনেই।’ ঠিক এক বছর পর ১১ আগস্টই বিয়ে করলেন তারা। ফুটবল ক্যারিয়ারে রোনালদো বিশ্বের সবচেয়ে সফল খেলোয়াড়দের একজন। পাঁচবার ব্যালন ডি’অর জেতা এই পর্তুগিজ তারকা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ ও জুভেন্টাসের মতো ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলোতে খেলেছেন। বর্তমানে তিনি সৌদি আরবের আল নাসরের হয়ে খেলছেন।     পর্তুগাল জাতীয় দলের হয়েও দীর্ঘদিন ধরে রেকর্ড গড়ে চলেছেন রোনালদো। আন্তর্জাতিক পুরুষ ফুটবলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডও তার দখলে। দীর্ঘদিনের সম্পর্ক, একসঙ্গে পরিবার গড়ে তোলা এবং বাগদানের এক বছর পর এবার আনুষ্ঠানিকভাবে স্বামী-স্ত্রী হলেন রোনালদো ও জর্জিনা। বড় কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণার বদলে একটি ছবি, দুটি বিয়ের আংটি আর ‘C❤️G’ দিয়েই জীবনের নতুন অধ্যায়ের খবরটি ভক্তদের জানিয়েছেন রোনালদো।

বিনোদন ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ১১, ২০২৬ ২২:৪২
'ওই সময় মানসিক যন্ত্রণা এতটাই তীব্র ছিল আত্মহত্যার কথা মাথায় এসেছিল', ব্র্যাড পিটের স্বীকারোক্তি

'ওই সময় মানসিক যন্ত্রণা এতটাই তীব্র ছিল আত্মহত্যার কথা মাথায় এসেছিল', ব্র্যাড পিটের স্বীকারোক্তি

ইসলাম ধর্মে শান্তি খুজে পেয়ে ইসলাম গ্রহণ করলেন ভারতীয় অভিনেত্রী দীপিকা

ইসলাম ধর্মে শান্তি খুজে পেয়ে ইসলাম গ্রহণ করলেন ভারতীয় অভিনেত্রী দীপিকা

কানিয়ের সঙ্গে সংসার করা ছিল দুঃসহ, হুটহাট আমার ল্যাম্বরগিনিগুলো মানুষকে দিয়ে দিত

কানিয়ের সঙ্গে সংসার করা ছিল দুঃসহ, হুটহাট আমার ল্যাম্বরগিনিগুলো মানুষকে দিয়ে দিত

লস অ্যাঞ্জেলেসে প্রথম যখন গিয়েছিলাম, তখন বাসাভাড়া দেওয়ার মতো টাকাও ছিল না
লস অ্যাঞ্জেলেসে প্রথম যখন গিয়েছিলাম, তখন বাসাভাড়া দেওয়ার মতো টাকাও ছিল না

বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্তের জীবনের শুরুটা আজকের সাফল্যের মতো মোটেও সহজ ছিল না। অভিনয়জীবনের এক পর্যায়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে এমন কঠিন আর্থিক সংকটে পড়েছিলেন যে, বাসাভাড়া দেওয়ার মতো টাকাও তার হাতে ছিল না। সেই সংগ্রামের গল্পই সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তুলে ধরেছেন তিনি।   সঞ্জয় দত্ত জানান, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে অভিনয়ের প্রশিক্ষণ নিতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে যান। লস অ্যাঞ্জেলেসে অবস্থানকালে অর্থসংকট এতটাই তীব্র ছিল যে, অনেক সময় নিয়মিত বাসাভাড়াও পরিশোধ করতে পারতেন না। কঠিন সেই সময় তাকে মানসিকভাবেও ভীষণ চাপে ফেলেছিল।    অভিনেতার ভাষ্য, জীবনের সেই কঠিন দিনগুলোই তাকে আরও দৃঢ় হতে শিখিয়েছে। পরবর্তীতে বলিউডে নিজের জায়গা তৈরি করতে নিরলস পরিশ্রম করেছেন তিনি। দীর্ঘ কয়েক দশকের ক্যারিয়ারে তিনি অসংখ্য ব্যবসাসফল সিনেমায় অভিনয় করেছেন এবং ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় তারকায় পরিণত হয়েছেন।   বর্তমানে শুধু বলিউডেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও সঞ্জয় দত্তের পরিচিতি রয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রযোজনা এবং বিশ্বখ্যাত তারকাদের সঙ্গেও কাজ ও মেলামেশা করছেন তিনি। অথচ এক সময় যুক্তরাষ্ট্রে মাথা গোঁজার ঠাঁই ধরে রাখতে বাসাভাড়ার টাকাই জোগাড় করতে হিমশিম খেতে হয়েছে তাকে।   সঞ্জয় দত্তের এই অভিজ্ঞতা আবারও মনে করিয়ে দেয়, সাফল্যের পেছনে অনেক তারকার জীবনেই থাকে দীর্ঘ সংগ্রাম, ব্যর্থতা ও কঠিন বাস্তবতার গল্প।

বিনোদন ডেস্ক প্রকাশ: আগস্ট ২, ২০২৬ ২:৫০
দক্ষিণ ফ্রান্সে নৌভ্রমণের সময় ক্যাটি পেরি ও জাস্টিন ট্রুডো। ছবি: সংগৃহীত

নৌভ্রমণে ক্যাটি পেরির বুকে সানস্ক্রিন মেখে দিলেন জাস্টিন ট্রুডো, ফ্রান্সে ধরা পড়ল প্রেমের অন্য রূপ

নাম থেকে বাবার পদবি বাদ দেওয়ায় টম ক্রুজের সঙ্গে মেয়ে সুরির দীর্ঘদিনের দূরত্ব নিয়ে ফের আলোচনা। ছবি: সংগৃহীত

কেন বাবার পদবি বাদ দিলেন টম ক্রুজের মেয়ে? বাবা-মেয়ের দূরত্ব নিয়ে যা জানা গেছে

বাবার সাথে সম্পর্ক ছেদ করলেন টম ক্রুজের মেয়ে

বাবার সাথে সম্পর্ক ছেদ করলেন টম ক্রুজের মেয়ে, নথিতে এখন নতুন পরিচয়

এক্সে অবৈধভাবে ছড়িয়ে পড়ার পর দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হয় ‘দ্য ওডিসি’র পাইরেটেড কপি। ছবি: সংগৃহীত
সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্রিস্টোফার নোলানের ‘দ্য ওডিসি’ ফাঁস, তিন ঘণ্টার কম সময়েই লাখ লাখ ভিউ

চলচ্চিত্র দুনিয়ায় সাড়া জাগানো নির্মাতা ক্রিস্টোফার নোলানের নতুন মহাকাব্যিক সিনেমা ‘দ্য ওডিসি’ ঘিরে বিশ্বজুড়ে দর্শকদের মাঝে উন্মাদনা তুঙ্গে। প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটি দেখার জন্য যখন টিকিট পাওয়ার হাহাকার চলছে, ঠিক তখনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম 'এক্স'-এ (সাবেক টুইটার) ফাঁস হয়ে গেল সিনেমাটির একটি উচ্চমানের পাইরেটেড বা অবৈধ কপি। প্রকাশের মাত্র আড়াই ঘণ্টার মধ্যে এটি ২১ লাখেরও বেশি বার দেখা হয়েছে। পরবর্তীতে কপিরাইট লঙ্ঘনের দায়ে এক্স কর্তৃপক্ষ ভিডিওটি সরিয়ে নেয় এবং সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টটি স্থগিত করে। বিনোদনবিষয়ক বিশ্বখ্যাত মাধ্যম ভ্যারাইটি ও দ্য হলিউড রিপোর্টার এ খবর নিশ্চিত করেছে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানোর পরপরই এই বুটলেগ বা পাইরেটেড সংস্করণটি নেটিজেনদের নজরে আসে। এক ব্যবহারকারী সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে লেখেন, "কেউ একজন এক্স-এ পুরো 'দ্য ওডিসি' সিনেমাটি আপলোড করে দিয়েছে, বিশ্বাস করা যায়?" তার এই পোস্টটি নিজেই অন্তত ৩০ লাখ ভিউ পায়, যা মূলত ফাঁসের খবরটিকে আরও বেশি ছড়িয়ে পড়তে সাহায্য করে।   ঘটনাটি এখানেই শেষ হয়নি। পরদিন রবিবার এক্স-এ অপেক্ষাকৃত নিম্নমানের আরেকটি কপি আপলোড করা হয়, যা সরিয়ে নেওয়ার আগে প্রায় ৫০ হাজার ভিউ পায়। এমনকি সোমবার অনেক ব্যবহারকারী ফুল মুভি দাবি করে কিছু লিংক শেয়ার করেন, কিন্তু সেগুলো ছিল ইন্টারনেটভিত্তিক ট্রোল বা 'রিকরোলিং' ট্রিক—যেখানে ক্লিক করলে চলচ্চিত্র না এসে ১৯৮৭ সালের বিখ্যাত গান 'নেভার গনা গিভ ইউ আপ'-এর ভিডিও প্লে হতে থাকে।   ছবিটির পরিবেশক প্রতিষ্ঠান ইউনিভার্সাল পিকচার্সের এক মুখপাত্র মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক পোস্টকে জানান, বিষয়টি নজরে আসার পরপরই তারা দ্রুত টেকডাউন প্রোটোকল বা ভিডিও অপসারণের আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে স্পষ্ট বলা হয়েছে, "আমরা মেধাস্বত্ব ও কপিরাইট লঙ্ঘন গুরুত্বের সাথে দেখি এবং আমাদের কনটেন্ট সুরক্ষায় সব ধরনের আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।"   অবশ্য এই অনলাইন পাইরেসির ঘটনা সত্ত্বেও সিনেমাটির ব্যবসায়িক সাফল্যে কোনো ভাটা পড়েনি। বক্স অফিসে চালকের আসনে রয়েছে প্রায় তিন ঘণ্টার এই সিনেমাটি। মুক্তির প্রথম সপ্তাহে ১২ কোটি ৪৫ লাখ মার্কিন ডলার আয়ের পর দ্বিতীয় সপ্তাহেও বিশ্বজুড়ে এবং যুক্তরাষ্ট্রে অভ্যন্তরীণভাবে প্রায় ৮ কোটি ৭০ লাখ ডলার ব্যবসা করেছে ছবিটি। পূর্ণাঙ্গ বয়স্ক বা 'আর' রেটিং পাওয়া সিনেমার জন্য এই ধরনের আয় অবিশ্বাস্য এক রেকর্ড।   সিনেমাটিকে কেন্দ্র করে এই অভূতপূর্ব উন্মাদনার প্রধান কারণ হলো নোলানের নির্মাণশৈলী। ইতিহাসজুড়ে এই প্রথম কোনো পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র পুরোপুরি ভারী ও জটিল 'আইম্যাক্স ৭০ মিমি' ক্যামেরায় ধারণ করা হয়েছে। নোলানের এই কারিগরি জাদু বড় পর্দায় উপভোগ করতে সিনেমা প্রেমীরা মরিয়া হয়ে উঠেছেন। তবে সমস্যা হচ্ছে বিশ্বজুড়ে মাত্র ৪০টি প্রেক্ষাগৃহে ৭০ মিমি আইম্যাক্স প্রজেক্টরে চলচ্চিত্র দেখানোর সুবিধা রয়েছে।   চাহিদা এতটাই তুঙ্গে যে নিউ ইয়র্ক শহরের একমাত্র ৭০ মিমি আইম্যাক্স হল 'এএমসি লিঙ্কন স্কয়ার ১৩'-এর আগামী আগস্ট পর্যন্ত সব শোর টিকিট আগেই বিক্রি হয়ে গেছে। এমনকি অনলাইন কেনাবেচার প্ল্যাটফর্ম ইবে-তে (eBay) টিকিট কালোবাজারি বা চড়া দামে বিক্রির মতো ঘটনাও ঘটছে।   অন্যদিকে, সিনেমাটি নিয়ে শুরু হয়েছে নানা বিতর্কও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এর মালিক ইলন মাস্ক ক্রিস্টোফার নোলানের এই সিনেমার কাস্টিং বা অভিনয়শিল্পী নির্বাচ-নের তীব্র সমালোচনা করেছেন। মাস্কের দাবি, অস্কার পুরস্কার জেতার সুবিধা পেতে নোলান সিনেমাটিতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বৈচিত্র্যময় কাস্টিং (DEI policy) অন্তর্ভুক্ত করেছেন। বিশেষ করে হেলেন অব ট্রয় চরিত্রে কৃষ্ণাঙ্গ অভিনেত্রী লুপিতা নিওঙ্গো এবং গ্রীক যোদ্ধার চরিত্রে রূপান্তরিত লিঙ্গের অভিনেতা এলিয়ট পেজকে নেওয়ার কারণে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মাস্ক।   মাস্ক আরও ঘোষণা দিয়েছেন যে, চলতি বছরের শেষের দিকে তার নিজস্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্ল্যাটফর্ম 'গ্রোক ইমেজ'-এর মাধ্যমে 'দ্য ওডিসি'-র একটি ঐতিহাসিকভাবে নির্ভুল সংস্করণ প্রকাশ করা হবে।   সব বিতর্ক ও পাইরেসির বাধা পেরিয়ে ক্রিস্টোফার নোলানের ‘দ্য ওডিসি’ প্রেক্ষাগৃহে রাজত্ব চালিয়ে যাচ্ছে, আর সাধারণ দর্শকরা এখনও টিকিটের আশায় লাইন ধরে অপেক্ষা করছেন।

বিনোদন ডেস্ক প্রকাশ: জুলাই ২৭, ২০২৬ ২২:০
ইলন মাস্ক ও সঙ্গী শিভন জিলিস

'আমার সঙ্গী ভারতীয়' ছেলের নাম শেখর, রেসিজম ও মুসলিমবিদ্বেষীর অভিযোগে জবাব দিলেন ইলন মাস্ক

মেগান ফক্স ও ব্রায়ান অস্টিন গ্রিন তাদের দাম্পত্য জীবনের একটি পুরোনো অনুষ্ঠানে। ছবি: সংগৃহীত

‘শুধু শারীরিক আকর্ষণ দিয়ে সম্পর্ক টেকে না’, মেগান ফক্সের সঙ্গে সংসার ভাঙার আসল কারণ জানালেন ব্রায়ান

জুরাসিক পার্ক’খ্যাত অভিনেতা স্যাম নিল।  ছবি: সংগৃহীত

জুরাসিক পার্ক’খ্যাত অভিনেতা স্যাম নিল ৭৮ বছর বয়সে মারা গেলেন, শোক বিশ্ব চলচ্চিত্রে

0 Comments