বিনোদন

নতুন সরকারের কাছে যে দাবি অপু বিশ্বাসের

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামীকাল। এ নির্বাচন সামনে রেখে দেশের সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বিনোদন জগতের তারকাদের মধ্যেও দেখা যাচ্ছে আগ্রহ ও প্রত্যাশা। এবার নিজের প্রত্যাশার কথা জানালেন ঢালিউড অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস। নতুন সরকার ও দেশ নিয়ে তার ইচ্ছা এবং ভাবনার কথাও জানালেন তিনি। নারীদের নিরাপত্তা ও চলচ্চিত্রশিল্পের উন্নয়নে নির্বাচিত সরকারের ভূমিকা চান বলেও জানান এ অভিনেত্রী। 

 

নির্বাচন প্রসঙ্গে অপু বিশ্বাস বলেন, যে সরকারই আসুক, তাদের সাধুবাদ জানাই। আমার পক্ষ থেকে অগ্রিম শুভেচ্ছা ও শুভকামনা। আমি একজন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ও উদ্যোক্তা। সে জায়গা থেকে চাইব— সবাই যেন সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে ভোট দিতে পারেন। 

 

নতুন সরকারের কাছে তার বিশেষ দুটি দাবির কথা উল্লেখ অপু বিশ্বাস বলেন, ‘নির্বাচিত সরকার যেন নারীদের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখে, সেটিই আমি চাই। সেই সঙ্গে দেশের বিনোদন ও চলচ্চিত্রশিল্পকে আরও বড় পরিসরে এগিয়ে নেওয়ার তাগিদ দেখতে চাই। সিনেমার মানুষ হিসেবে এটি আমার প্রত্যাশা বলেও জানান এ অভিনেত্রী। 

 

উল্লেখ্য, অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস বেশ কিছু দিন সিনেমা থেকে দূরে ছিলেন। শুধু বিভিন্ন পণ্য ও প্রতিষ্ঠানের প্রচারে নিয়মিত ছিলেন তিনি। সম্প্রতি অভিনেত্রী একসঙ্গে দুটি নতুন সিনেমার শুটিং শুরু করেছেন। এর পাশাপাশি সময় দিচ্ছেন নিজের পারিবারিক ব্যবসা দেখাশোনাতেও। 

 

সর্বশেষ কামরুল হাসান ফুয়াদ পরিচালিত ‘দুর্বার’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন অপু বিশ্বাস। সেখানে তার বিপরীতে অভিনয় করছেন সজল। অন্যদিকে বন্ধন বিশ্বাস পরিচালিত ‘সিক্রেট’ সিনেমায় আদর আজাদের বিপরীতে অভিনয় করছেন তিনি। সিনেমা দুটি চলতি বছরের ঈদ উৎসবে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্মাতারা। 

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের বিমানবাহী রণতরী কিছুই না; মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা

মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে।   ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে।   ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য।   আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে।   প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা

Advertisement

বিনোদন

View more
নতুন সরকারের কাছে যে দাবি অপু বিশ্বাসের

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামীকাল। এ নির্বাচন সামনে রেখে দেশের সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বিনোদন জগতের তারকাদের মধ্যেও দেখা যাচ্ছে আগ্রহ ও প্রত্যাশা। এবার নিজের প্রত্যাশার কথা জানালেন ঢালিউড অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস। নতুন সরকার ও দেশ নিয়ে তার ইচ্ছা এবং ভাবনার কথাও জানালেন তিনি। নারীদের নিরাপত্তা ও চলচ্চিত্রশিল্পের উন্নয়নে নির্বাচিত সরকারের ভূমিকা চান বলেও জানান এ অভিনেত্রী।    নির্বাচন প্রসঙ্গে অপু বিশ্বাস বলেন, যে সরকারই আসুক, তাদের সাধুবাদ জানাই। আমার পক্ষ থেকে অগ্রিম শুভেচ্ছা ও শুভকামনা। আমি একজন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ও উদ্যোক্তা। সে জায়গা থেকে চাইব— সবাই যেন সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে ভোট দিতে পারেন।    নতুন সরকারের কাছে তার বিশেষ দুটি দাবির কথা উল্লেখ অপু বিশ্বাস বলেন, ‘নির্বাচিত সরকার যেন নারীদের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখে, সেটিই আমি চাই। সেই সঙ্গে দেশের বিনোদন ও চলচ্চিত্রশিল্পকে আরও বড় পরিসরে এগিয়ে নেওয়ার তাগিদ দেখতে চাই। সিনেমার মানুষ হিসেবে এটি আমার প্রত্যাশা বলেও জানান এ অভিনেত্রী।    উল্লেখ্য, অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস বেশ কিছু দিন সিনেমা থেকে দূরে ছিলেন। শুধু বিভিন্ন পণ্য ও প্রতিষ্ঠানের প্রচারে নিয়মিত ছিলেন তিনি। সম্প্রতি অভিনেত্রী একসঙ্গে দুটি নতুন সিনেমার শুটিং শুরু করেছেন। এর পাশাপাশি সময় দিচ্ছেন নিজের পারিবারিক ব্যবসা দেখাশোনাতেও।    সর্বশেষ কামরুল হাসান ফুয়াদ পরিচালিত ‘দুর্বার’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন অপু বিশ্বাস। সেখানে তার বিপরীতে অভিনয় করছেন সজল। অন্যদিকে বন্ধন বিশ্বাস পরিচালিত ‘সিক্রেট’ সিনেমায় আদর আজাদের বিপরীতে অভিনয় করছেন তিনি। সিনেমা দুটি চলতি বছরের ঈদ উৎসবে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্মাতারা। 

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
কুদ্দুস বয়াতি। ছবি:সংগৃহীত

গানকে হারাম বলা দলও এবার গানে গানে ভোট খুঁজছে: কুদ্দুস বয়াতি

ছবি: সংগৃহীত

নির্বাচনী প্রচারণায় ‘ম্যাডাম ফুলি’ খ্যাত শিমলা

একুশে পদক পাচ্ছেন ববিতা, আইয়ুব বাচ্চুসহ ৯ ব্যক্তি

একুশে পদক পাচ্ছেন ববিতা, আইয়ুব বাচ্চুসহ ৯ ব্যক্তি

বড়পর্দায় আসছে ‘নাগিন’

ভারতীয় টেলিভিশনের ইতিহাসের অন্যতম সফল ও বিতর্কিত সুপারন্যাচারাল ফিকশন ‘নাগিন’ এবার বড়পর্দায় মুক্তির অপেক্ষায়। বলিউড পাড়ায় জোরালো গুঞ্জন, একতা কাপুর তাঁর এই জনপ্রিয় ব্র্যান্ডটিকে বড় বাজেটের সিনেমার রূপ দিতে চলেছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিনেমাটির প্রি-প্রোডাকশন বা প্রাথমিক প্রস্তুতির কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে।   ভারতীয় টেলিভিশনের টিআরপি তালিকায় ‘নাগিন’ বছরের পর বছর শীর্ষস্থান দখল করে রেখেছে। মৌনী রায়, আদা খান, সুরভি জ্যোতি, নিয়া শর্মা এবং সর্বশেষ তেজস্বী প্রকাশের মতো অভিনেত্রীরা এই সিরিজে অভিনয় করে তারকাখ্যাতি পেয়েছেন। দর্শকদের এই বিপুল উন্মাদনাকেই এবার বাণিজ্যিক সিনেমার ব্যবসায়িক সাফল্যে রূপান্তর করতে চান একতা।   সিনেমাটি নিয়ে সবচেয়ে বড় কৌতূহল এখন এর কাস্টিং নিয়ে। গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে যে: পুরোনো মুখ: মৌনী রায় বা তেজস্বী প্রকাশের মতো জনপ্রিয় কোনো নাগিনকে কি বড়পর্দায় ফেরানো হবে? নতুন চমক: নাকি বলিউডের কোনো প্রথম সারির নায়িকাকে এই অতিপ্রাকৃত চরিত্রে দেখা যাবে? যদিও প্রযোজনা সংস্থা থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নাম ঘোষণা করা হয়নি।   বড়পর্দার জন্য ‘নাগিন’-কে আরও আধুনিক ও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে অত্যাধুনিক ভিএফএক্স (VFX) এবং গ্রাফিক্সের কাজ করা হবে বলে জানা গেছে। টেলিভিশন নাটকের তুলনায় সিনেমার গল্প এবং নির্মাণশৈলী অনেক বেশি জমকালো ও রোমহর্ষক করার পরিকল্পনা রয়েছে নির্মাতাদের।   সোশ্যাল মিডিয়ায় এই খবর চাউর হওয়ার পর থেকেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। একদল ভক্ত তাঁদের প্রিয় চরিত্রকে বড়পর্দায় দেখতে মুখিয়ে আছেন, আবার অনেকের মতে টিভির গল্পের সিনেমা সংস্করণ কতটা সফল হবে তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

Unknown ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬ 0

শোবিজ ছেড়ে ধর্মের পথে বর্ষা! ধন্যবাদ দিলেন আজহারীকে

হঠাৎ দীর্ঘ ক্যারিয়ারের ইতি টানার ঘোষণা অরিজিৎ সিংয়ের

ছবি: সংগৃহীত

এশিয়ার সেরা সিনেমার তালিকায় বাংলাদেশের তিন সিনেমা

জ্যাম কিংবা জায়েদ খানের বালিশ নয়, শবনম ফারিয়ার কষ্ট ঢাকা-৮ আসন

শান্তিনগরের স্থায়ী বাসিন্দা ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া গত সোমবার দিবাগত রাতে নিজের ফেসবুক ভেরিফাইড পেজে একটি ‘ব্যঙ্গাত্মক’ (Satire) স্ট্যাটাস দিয়েছেন। নাগরিক জীবনের ভোগান্তি ছাড়িয়ে তার আক্ষেপের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল নিজের সংসদীয় আসন।   শবনম ফারিয়া তার স্ট্যাটাসে লেখেন: “শান্তিনগরে ২৪/৭ জ্যাম এইটা নিয়ে আমার কোনো দুঃখ নাই কিংবা আমার এলাকার কোনো এক মেয়ে জায়েদ খানের ছবি এমবুশ করা বালিশে ঘুমায় এইটা নিয়ে আমার কোনো কষ্ট নাই। আমার কষ্ট একটাই শান্তিনগর ঢাকা-৮ আসনে পড়ে। আর আমি সেই আসনের ভোটার!”   ফারিয়ার এই স্ট্যাটাসে হাজার হাজার রিয়েকশন ও কমেন্ট পড়েছে। নেটিজেনরা ঢাকা-৮ আসনের নির্বাচনী মারামারি ও উত্তপ্ত পরিস্থিতির দিকে ইঙ্গিত করে মজার সব রিপ্লাই দিয়েছেন: পপকর্ন থিওরি: এক অনুসারী লিখেছেন, “আপনি তো ভাগ্যবান! ফ্রি-তে এলাকায় মারামারি দেখতে পারবেন। নির্বাচনের আগে কিছু ভুট্টা কিনে রাখুন, পপকর্ন বানিয়ে এনজয় করবেন।” আব্বাস-নাসির ভাই প্রসঙ্গ: সাজ্জাদ হোসেন নামে একজন বর্তমান রাজনৈতিক দ্বৈরথকে ইঙ্গিত করে স্যাটায়ার করেছেন। শান্তিনগরে অশান্তি: একজন মন্তব্য করেন, “শান্তিনগরে আর শান্তি নাই।” যার জবাবে ফারিয়া পাল্টা প্রশ্ন করেন— “কবে ছিলো ভাই?”   ঢাকা-৮ আসনটি (মতিঝিল-পল্টন-শান্তিনগর) বাংলাদেশের রাজনীতির অন্যতম ‘হটসিট’। বর্তমান নির্বাচনী বাস্তবতায় এই আসনের প্রার্থীরা একে অপরের বিরুদ্ধে যে ধরনের আক্রমণাত্মক প্রচার চালাচ্ছেন, ফারিয়ার পোস্টে মূলত সেই পরিস্থিতির দিকেই একটি ‘মৃদু খোঁচা’ বা রাজনৈতিক হতাশার বহিঃপ্রকাশ দেখছেন নেটিজেনরা।

Unknown জানুয়ারী ২৭, ২০২৬ 0
ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর

অভিনেত্রী ঊর্মিলা শ্রাবন্তীসহ ৩ জনের সম্পদের হিসাব চায় দুদক

তিশাও শাওন

কেন তিশার শাড়ি যাদুঘরে রাখার পরামর্শ শাওনের?

রিতিকা ও  হিরণ

দ্বিতীয় বিয়ে করে বিপাকে অভিনেতা

0 Comments