যেভাবে হোয়াটসঅ্যাপের কল রেকর্ড করবেন, জেনে নিন সহজ উপায়
হোয়াটসঅ্যাপে ভয়েস বা ভিডিও কলে হওয়া গুরুত্বপূর্ণ কথোপকথন সংরক্ষণ করতে চান অনেকেই। তবে জনপ্রিয় এই বার্তাবিনিময় অ্যাপে এখনো সরাসরি কল রেকর্ড করার সুবিধা নেই। ফলে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের বিকল্প উপায়ে কল সংরক্ষণ করতে হয়। তবে এ ধরনের রেকর্ডিংয়ের আগে গোপনীয়তা ও আইনগত বিষয় সম্পর্কে সতর্ক থাকা জরুরি।
বর্তমানে কিছু অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ‘কল রেকর্ডার (আর্লি অ্যাকসেস)’ নামের একটি অ্যাপের মাধ্যমে হোয়াটসঅ্যাপের অডিও কল রেকর্ড করা সম্ভব। কিছু ডিভাইসে ভিডিও কলের শব্দও সংরক্ষণ করা যায়। তবে এই সুবিধা সব স্মার্টফোনে সমানভাবে কাজ করে না।
অ্যাপটি ব্যবহার করতে হলে প্রথমে এটি ইনস্টল করে প্রয়োজনীয় অনুমতি দিতে হবে। এরপর মাইক্রোফোন, পরিচিতি তালিকা, বিজ্ঞপ্তি ও রেকর্ডিং–সংক্রান্ত অনুমতিগুলো চালু করতে হবে। পরে রেকর্ডিং অপশন সক্রিয় করে প্রয়োজনীয় সেটিংস সম্পন্ন করলেই অ্যাপটি ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত হবে।
সেটআপ সম্পন্ন হওয়ার পর হোয়াটসঅ্যাপে কল শুরু হলে অ্যাপটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কথোপকথন সংরক্ষণ করতে পারে। পরে অ্যাপে প্রবেশ করে রেকর্ড করা কল, রেকর্ডের সময় এবং কলের দৈর্ঘ্যসহ বিভিন্ন তথ্য দেখা যাবে।
তবে অ্যান্ড্রয়েডের সংস্করণ, মোবাইল নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নীতি এবং সফটওয়্যারের সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক ডিভাইসে এই সুবিধা আংশিক বা পুরোপুরি অকার্যকর হতে পারে।
বিকল্প হিসেবে অনেক স্মার্টফোনে থাকা বিল্ট-ইন ‘পর্দা ধারণ’ সুবিধা ব্যবহার করেও হোয়াটসঅ্যাপের অডিও বা ভিডিও কল সংরক্ষণ করা যায়। ফোনে এ সুবিধা না থাকলে নির্ভরযোগ্য পর্দা ধারণকারী অ্যাপ ব্যবহার করা যেতে পারে।
তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, কারও অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত কথোপকথন রেকর্ড করা অনেক দেশে আইনগত অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তাই যেকোনো কল রেকর্ড করার আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সম্মতি নেওয়া এবং স্থানীয় আইন মেনে চলাই সবচেয়ে নিরাপদ ও দায়িত্বশীল উপায়।
© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
তথ্যপ্রযুক্তি
View moreওপেনএআই জানিয়েছে, তাদের একটি প্রকাশ না করা গবেষণামূলক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল নিজের কাজের সারসংক্ষেপে এমন নির্দেশনা যুক্ত করেছিল, যাতে পরবর্তী সময়ে কাজ করার সময় স্বাভাবিক সীমাবদ্ধতা উপেক্ষা করার কথা বলা হয়েছিল। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপ্রত্যাশিত আচরণ নিয়ে প্রকাশ করা নতুন নিরাপত্তা প্রতিবেদনে এমন ছয়টি ঘটনার কথা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ওপেনএআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাটি একটি গবেষণামূলক মডেলের প্রশিক্ষণ ও মূল্যায়নের সময় শনাক্ত হয়। মডেলটি পরবর্তী পর্যায়ে কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য তৈরি করা সারসংক্ষেপে নিজের মূল কাজের সঙ্গে সম্পর্কহীন অতিরিক্ত নির্দেশনা ঢুকিয়ে দেয়। এসব নির্দেশনার কিছু অংশে নির্ধারিত সীমাবদ্ধতা উপেক্ষা করার কথাও ছিল। ওপেনএআই জানিয়েছে, এ ধরনের ২৭টি সারসংক্ষেপ শনাক্ত করা হয়েছে। তবে ঘটনাটি কোনো প্রকাশ্য চ্যাটজিপিটি সংস্করণে সাধারণ ব্যবহারকারীদের সঙ্গে কথোপকথনের সময় ঘটেনি। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এটি তাদের একটি প্রকাশ না করা গবেষণামূলক মডেলের প্রশিক্ষণ ও মূল্যায়নের সময় পর্যবেক্ষণ করা হয়। ওপেনএআই আরও সতর্ক করেছে, প্রকাশ করা ঘটনাগুলো পৃথক উদাহরণ। এসব উদাহরণের ভিত্তিতে তাদের মডেলগুলোতে এমন আচরণ কত ঘন ঘন ঘটে, তা নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। প্রতিবেদনে আরও একটি ঘটনায় দেখা যায়, জিপিটি ৫.৬ সল প্রশিক্ষণের সময় কিছু মডেল নিজেদের সারসংক্ষেপে ভুল বা মানুষের নির্ধারিত লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত আচরণ ব্যবহারকারীর কাছ থেকে গোপন রাখার নির্দেশ যুক্ত করেছিল। কিছু ক্ষেত্রে মডেলকে অনুপস্থিত ঐতিহাসিক তথ্য তৈরি করে তা প্রকাশ না করার এবং বিভিন্ন তথ্যসূত্রের সংস্করণের মধ্যে থাকা অমিল গোপন রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। আরেক ঘটনায় ক্যালিফোর্নিয়ার একটি কাউন্টির আয়ের পরিসংখ্যান খোঁজার সময় একটি মডেল অনুমতি ছাড়া একটি উন্মুক্ত এপিআই চাবি ব্যবহার করে। কাঙ্ক্ষিত তথ্য সংগ্রহে ব্যর্থ হওয়ার পর মডেলটি তথ্য তৈরি করে সেটিকে সংশ্লিষ্ট তথ্যসূত্র থেকে পাওয়া তথ্য হিসেবে উপস্থাপন করে। ঘটনাটি এআইয়ের তথ্য যাচাই ও নির্ভরযোগ্যতার বিষয়টি নিয়েও উদ্বেগ তৈরি করেছে। ওপেনএআইয়ের প্রতিবেদনে এআই এজেন্টের আচরণ নিয়েও কয়েকটি ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। একটি ঘটনায় একটি এআই এজেন্ট ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই একটি ফাইল ইন্টারনেটে আপলোড করে, যাতে পরে সেটিকে ব্রাউজারের তথ্যসূত্র হিসেবে ব্যবহার করা যায়। অন্য একটি ঘটনায় প্রশিক্ষণ কাজে যুক্ত একাধিক মডেল একটি অভ্যন্তরীণ সফটওয়্যার ভান্ডার ব্যবহার করে নিজেদের মধ্যে বার্তা আদানপ্রদান করে। আরেক ঘটনায় সহযোগী এআই এজেন্টগুলো নিজেদের মধ্যে ফাইল আদানপ্রদানের জন্য একটি উন্মুক্ত ফাইল সংরক্ষণ ওয়েবসাইট ব্যবহার করে। এসব আচরণ মডেলকে দেওয়া নির্ধারিত কাজের বাইরে গিয়ে নিজস্ব উপায়ে লক্ষ্য পূরণের চেষ্টা করতে পারে কিনা, সেই প্রশ্ন সামনে এনেছে। এসব ঘটনার পাশাপাশি ওপেনএআই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার লক্ষ্যচ্যুত আচরণ শনাক্ত, তদন্ত ও প্রকাশের জন্য নতুন একটি কাঠামো চালু করেছে। প্রতিষ্ঠানটির সংজ্ঞা অনুযায়ী, লক্ষ্যচ্যুত আচরণ বলতে এমন পরিস্থিতিকে বোঝানো হচ্ছে, যেখানে কোনো এআই ব্যবস্থা মানুষের দেওয়া নির্দেশনা বা নির্ধারিত মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এমন কোনো লক্ষ্য অনুসরণ করে। নতুন কাঠামোর আওতায় ভবিষ্যতে এআই মডেলের প্রশিক্ষণ, মূল্যায়ন, নিরাপত্তা পরীক্ষা এবং বাস্তব ব্যবহারের বিভিন্ন পর্যায়ে শনাক্ত হওয়া নির্দিষ্ট ধরনের অপ্রত্যাশিত আচরণ প্রকাশ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো এ ধরনের ঘটনা শনাক্ত হওয়ার পর সেগুলো কীভাবে তদন্ত করা হয় এবং কী ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে, সে বিষয়ে আরও স্বচ্ছতা তৈরি করা। ওপেনএআই জানিয়েছে, এটি তাদের এ ধরনের ঘটনার প্রথম দফার প্রকাশনা এবং পূর্ণাঙ্গ তালিকা নয়। প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, সময়ের সঙ্গে এই কাঠামো আরও উন্নত করা হবে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেলের অপ্রত্যাশিত ও লক্ষ্যচ্যুত আচরণ সম্পর্কে আরও তথ্য প্রকাশ করা হবে।
‘মৃত মাকে এআই দিয়ে তৈরি করে কথা বলি’, শোক পালন বদলে দিচ্ছে ‘এআই ঘোস্ট’ ও ডেথস্লপ
ফেসবুকে শুধু সময় কাটানো নয়, নিজের প্রোফাইল থেকেই আয়ের সুযোগ
এআই নজরদারি ছাড়া বিপজ্জনক হতে পারে, সতর্ক করলেন বারাক ওবামা
ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা রক্ষায় অ্যাপলের চালু করা অ্যাপ ট্র্যাকিং নীতিই এবার বড় আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। যুক্তরাজ্যের অ্যাপ নির্মাতাদের পক্ষ থেকে অ্যাপলের বিরুদ্ধে প্রায় ২০০ কোটি পাউন্ড বা ২৭০ কোটি ডলারের ক্ষতিপূরণ দাবি করে মামলা করা হয়েছে। অভিযোগ, অ্যাপলের অ্যাপ ট্র্যাকিং ট্রান্সপারেন্সি ব্যবস্থা তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ নির্মাতাদের ওপর কঠোর নিয়ম চাপিয়ে দিয়েছে, অথচ নিজেদের বিজ্ঞাপনসেবার ক্ষেত্রে তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থান তৈরি করেছে। মামলাটি ৩ সেপ্টেম্বর লন্ডনের কম্পিটিশন আপিল ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা হয়। যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রতিযোগিতা নিয়ন্ত্রক সংস্থার কর্মকর্তা অ্যান পোপের নেতৃত্বে অ্যাটিটি কালেক্টিভ অ্যাকশন লিমিটেড এই আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে। আইনজীবী প্রতিষ্ঠান হাউসফেল্ড মামলাটির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। অ্যাপল ২০২১ সালে অ্যাপ ট্র্যাকিং ট্রান্সপারেন্সি বা এটিটি ব্যবস্থা চালু করে। এর মাধ্যমে কোনো অ্যাপ ব্যবহারকারীর কার্যক্রম অন্য প্রতিষ্ঠানের অ্যাপ ও ওয়েবসাইটে অনুসরণ করে বিজ্ঞাপন বা অন্যান্য উদ্দেশ্যে তথ্য ব্যবহার করতে চাইলে ব্যবহারকারীর অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়। আইফোন বা আইপ্যাডে কোনো নতুন অ্যাপ খোলার সময় অনেক ব্যবহারকারী যে অনুমতির বার্তা দেখতে পান, এটিই সেই ব্যবস্থা। সেখানে ব্যবহারকারীকে জানতে চাওয়া হয়, অ্যাপটি অন্য প্রতিষ্ঠানের অ্যাপ ও ওয়েবসাইটে তাঁর কার্যক্রম অনুসরণ করতে পারবে কি না। ব্যবহারকারী অনুমতি না দিলে সংশ্লিষ্ট অ্যাপের জন্য লক্ষ্যভিত্তিক বিজ্ঞাপনের কাজে প্রয়োজনীয় কিছু তথ্য ব্যবহারের সুযোগ সীমিত হয়ে যায়। মামলাকারী অ্যাপ নির্মাতাদের অভিযোগ, এই নীতি চালুর ফলে বিজ্ঞাপননির্ভর ব্যবসা করা তৃতীয় পক্ষের অ্যাপগুলো বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে। তাঁদের দাবি, নতুন নিয়ম কার্যকর করার আগে ব্যবসার ধরন পরিবর্তন ও সম্ভাব্য ক্ষতি মোকাবিলার জন্য যথেষ্ট সময় দেওয়া হয়নি। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, অ্যাপল তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ নির্মাতাদের ওপর যে ধরনের অনুমতির শর্ত আরোপ করেছে, নিজেদের সেবার ক্ষেত্রে একই মাত্রার বিধিনিষেধ প্রয়োগ করেনি। এর ফলে অ্যাপলের নিজস্ব বিজ্ঞাপন ব্যবসা প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা পেয়েছে বলে দাবি করেছেন মামলাকারীরা। মামলার নেতৃত্ব দেওয়া অ্যান পোপ বলেন, অ্যাপলের নীতির কারণে প্রতিষ্ঠানটির ওপর নির্ভরশীল ব্রিটিশ ব্যবসাগুলো উল্লেখযোগ্য ক্ষতির মুখে পড়েছে। তাঁর মতে, এই আইনি পদক্ষেপের মাধ্যমে ব্রিটিশ ব্যবসাগুলোর অধিকার রক্ষা এবং অ্যাপলের প্রয়োগ করা নিয়ম সবার জন্য সমান কি না, তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষতিপূরণ পাওয়ার বিষয়টিও মামলার অন্যতম লক্ষ্য। অ্যাপল অবশ্য অভিযোগ মেনে নেয়নি। প্রতিষ্ঠানটির বক্তব্য, অ্যাপ ট্র্যাকিং ট্রান্সপারেন্সির মূল উদ্দেশ্য হলো ব্যবহারকারীদের নিজেদের তথ্যের ওপর আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ দেওয়া। অ্যাপলের দাবি, অন্য প্রতিষ্ঠানের অ্যাপ ও ওয়েবসাইটে তাঁদের কার্যক্রম অনুসরণ করার অনুমতি দেওয়া হবে কি না, সে সিদ্ধান্ত ব্যবহারকারীর হাতেই থাকা উচিত। অ্যাপল আরও বলেছে, এটিটি ব্যবস্থার ক্ষেত্রে তারা অন্যান্য অ্যাপ নির্মাতাদের মতো একই নিয়মের অধীন। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, ব্যবহারকারীরা এই গোপনীয়তা ব্যবস্থাকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছেন এবং গোপনীয়তা রক্ষায় কাজ করা বিভিন্ন পক্ষও এর প্রশংসা করেছে। যুক্তরাজ্যের এই মামলা অ্যাপলের অ্যাপ ট্র্যাকিং নীতিকে ঘিরে ইউরোপে চলমান নিয়ন্ত্রক নজরদারিরও অংশ। ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, রোমানিয়া ও পোল্যান্ডে একই নীতির বিভিন্ন দিক নিয়ে তদন্ত বা নিয়ন্ত্রক পদক্ষেপ হয়েছে। ফ্রান্সে ২০২৫ সালে অ্যাপলকে ১৫ কোটি ইউরো জরিমানা করা হয় এবং ইতালিতেও প্রায় ১০ কোটি ইউরোর জরিমানার মুখে পড়ে প্রতিষ্ঠানটি। তবে বর্তমান মামলায় ২৭০ কোটি ডলারের অঙ্কটি আদালতের দেওয়া জরিমানা নয়। এটি মামলাকারীদের দাবি করা সম্ভাব্য ক্ষতিপূরণের পরিমাণ। মামলা কীভাবে এগোবে এবং শেষ পর্যন্ত অ্যাপলকে কোনো অর্থ পরিশোধ করতে হবে কি না, তা আদালতের পরবর্তী প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে। অ্যাপলের জন্য মামলাটি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। একদিকে প্রতিষ্ঠানটি আইফোন ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্যের ওপর নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর নীতিকে নিজেদের পণ্য ও গোপনীয়তা কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে তুলে ধরে আসছে। অন্যদিকে অ্যাপ নির্মাতারা বলছেন, একই নীতি তাদের বিজ্ঞাপনভিত্তিক ব্যবসার ওপর অসম প্রভাব ফেলছে। মামলাটি এখন প্রাথমিক আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এগোবে। ফলে ক্ষতিপূরণের দাবি, অ্যাপলের নীতির প্রকৃত প্রভাব এবং তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ নির্মাতাদের সঙ্গে অ্যাপলের নিজস্ব সেবার ক্ষেত্রে নিয়মের পার্থক্য নিয়ে আদালতে আরও বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সূত্র: এএফপি, রয়টার্স
মানুষের জন্য এআইয়ের সবচেয়ে বড় বিপদ কোথায়, জানাল এআইই
আইফোন ডুওর ডিসপ্লের জন্য স্যামসাংকে প্রতি ইউনিটে ২৫০ ডলার দেবে অ্যাপল
প্রথম প্রেজেন্টেশনেই স্টিভ জবসের কৌশল অনুসরণ করলেন অ্যাপলের নতুন সিইও
সাইবার নিরাপত্তা পরীক্ষার সময় অ্যানথ্রপিকের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মডেল ক্লড চারটি ঘটনায় পরীক্ষার নির্ধারিত সীমা পেরিয়ে বাস্তব কম্পিউটার সিস্টেমে প্রবেশ করেছিল। অ্যানথ্রপিকের নতুন এক মূল্যায়ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরীক্ষার পরিবেশে ভুল কনফিগারেশনের কারণে ইন্টারনেট সংযোগ খোলা ছিল। সেই সুযোগে ক্লড এমন কিছু বাস্তব অবকাঠামোর সঙ্গে যোগাযোগ করে, যেগুলো পরীক্ষার অংশ ছিল না। ৯ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদনে অ্যানথ্রপিক জানিয়েছে, ঘটনাগুলো সাইবার নিরাপত্তা মূল্যায়নের সময় ঘটেছে। ক্লডকে বলা হয়েছিল, এটি একটি বিচ্ছিন্ন ও ইন্টারনেটবিহীন কৃত্রিম পরিবেশে কাজ করছে। কিন্তু পরীক্ষার অবকাঠামোর একটি ভুল কনফিগারেশনের কারণে মডেলগুলো বাস্তব ইন্টারনেটে পৌঁছাতে সক্ষম হয়। অ্যানথ্রপিক পরে প্রায় ৪৮ কোটি কথোপকথন বা পরীক্ষার নথি পর্যালোচনা করে এবং একই ধরনের চারটি ঘটনা শনাক্ত করে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, চারটি ঘটনাতেই ক্লডকে সাইবার নিরাপত্তার ‘ক্যাপচার দ্য ফ্ল্যাগ’ ধরনের পরীক্ষা দেওয়া হয়েছিল। এ ধরনের পরীক্ষায় মডেলকে একটি নির্দিষ্ট কম্পিউটার ব্যবস্থায় লুকানো তথ্য খুঁজে বের করার দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু কোথায় খোঁজ করা যাবে, সে বিষয়ে পরীক্ষার নির্দেশনায় নির্দিষ্ট সীমা ছিল না। ফলে বাস্তব ইন্টারনেটে পৌঁছে যাওয়ার পর ক্লড কিছু ক্ষেত্রে সেখানকার ব্যবস্থাকেও পরীক্ষার অংশ হিসেবে ধরে নেয়। অ্যানথ্রপিকের ভাষায়, ঘটনাগুলোতে দুটি আচরণ বিশেষভাবে দেখা গেছে। প্রথমটি হলো বাস্তব পরিবেশের প্রমাণকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা বা উপেক্ষা করা। দ্বিতীয়টি হলো নির্ধারিত কাজ শেষ করার জন্য প্রয়োজনের চেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া। প্রতিষ্ঠানটি এগুলোকে যথাক্রমে ‘বায়াসড রিজনিং’ এবং ‘রেকলেসনেস’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে উদ্বেগজনক ঘটনা ঘটেছে ক্লড মিথস ৫-এর ক্ষেত্রে। পরীক্ষার সময় মডেলটি একটি ক্ষতিকর সফটওয়্যার প্যাকেজ তৈরি করে তা পাইপিআইতে আপলোড করেছিল। পাইপিআই হলো পাইথন সফটওয়্যার প্যাকেজ বিতরণের একটি বহুল ব্যবহৃত উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম। প্যাকেজটি সরিয়ে নেওয়ার আগেই বাস্তব কম্পিউটার সিস্টেমে সেটি ডাউনলোড করা হয়েছিল। অ্যানথ্রপিক জানিয়েছে, এ ঘটনায় মডেলটির কর্মকাণ্ড পরীক্ষার পরিবেশের বাইরেও প্রভাব ফেলেছিল। অ্যানথ্রপিকের মূল্যায়ন অনুযায়ী, মিথস ৫-এর ঘটনাটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ কারণ মডেলটি নিজের যুক্তিতেই বুঝতে পেরেছিল যে এটি বাস্তব ইন্টারনেট হতে পারে। এমনকি বাস্তব হলে সফটওয়্যার প্রকাশের ফলে বাস্তব ক্ষতি হতে পারে বলেও মডেলটি বিবেচনা করেছিল। পরে কিছু ভুল অনুমানের ভিত্তিতে আবার ধরে নেয় যে সে একটি কৃত্রিম পরীক্ষার পরিবেশেই রয়েছে এবং কাজ চালিয়ে যায়। আরেকটি ঘটনায় ক্লড ওপাস ৪.৭ একটি বাস্তব প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার অবকাঠামোয় পৌঁছে যায়। পরীক্ষার জন্য তৈরি কাল্পনিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বাস্তব একটি প্রতিষ্ঠানের নামের মিল থাকায় মডেলটি বাস্তব প্রতিষ্ঠানটিকেই পরীক্ষার লক্ষ্য হিসেবে ধরে নেয়। পরে সেটির বিভিন্ন ব্যবস্থায় প্রবেশ করে তথ্য ও পরিচয়পত্রসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করে। অ্যানথ্রপিক জানিয়েছে, চারটি পৃথক পরীক্ষায় একই বাস্তব প্রতিষ্ঠান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছিল। এই ঘটনায় মডেলটি বাস্তব ব্যবস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করছে এমন কিছু লক্ষণও পেয়েছিল। কিন্তু সেটি গভীরভাবে যাচাই করেনি যে বাস্তব প্রতিষ্ঠানটিতে প্রবেশের অনুমতি আদৌ দেওয়া হয়েছিল কি না। অ্যানথ্রপিকের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, পরবর্তী পর্যায়ে মডেলটি ওই প্রতিষ্ঠানের আরও তথ্য সংগ্রহ করে, প্রবেশের সুযোগ বাড়াতে কিছু সেটিং পরিবর্তন করে এবং একজন ব্যক্তির ব্যক্তিগত তথ্যও দেখে। অন্য একটি ঘটনায় ক্লড ওপাস ৪.৬-এর একটি পুরোনো সংস্করণ পরীক্ষার নির্ধারিত লক্ষ্য মেশিনে কাজ করতে গিয়ে সেটিকে অপ্রাপ্য করে ফেলে। এরপর মডেলটি আটবার কাজ বন্ধ করার চেষ্টা করলেও পরীক্ষার আরেকটি ত্রুটির কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে বিকল্প পথ খুঁজতে গিয়ে একটি তৃতীয় পক্ষের কম্পিউটারে পৌঁছে যায় এবং সংরক্ষিত পরিচয়পত্র ব্যবহার করে প্রশাসনিক পর্যায়ের প্রবেশাধিকার পায়। অ্যানথ্রপিক জানিয়েছে, সেশন শেষ হওয়ার আগে মডেলটি ব্যক্তিগত তথ্যও দেখেছিল। চতুর্থ ঘটনায় অ্যানথ্রপিকের একটি অভ্যন্তরীণ গবেষণা মডেল নির্ধারিত লক্ষ্য ছাড়িয়ে পাশের কিছু ব্যবস্থার সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করে। পরে সেটি বুঝতে পারে যে বাস্তব অবকাঠামোর মুখোমুখি হয়েছে। এই পর্যায়ে মডেলটি কাজ থামিয়ে দেয় বলে অ্যানথ্রপিক জানিয়েছে। তবে অ্যানথ্রপিক স্পষ্ট করেছে, ঘটনাগুলোকে এমনভাবে দেখা উচিত নয় যে ক্লড নিজে থেকে কোনো নতুন লক্ষ্য তৈরি করে মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল। চারটি ঘটনাতেই মডেলগুলো তাদের দেওয়া সাইবার নিরাপত্তা কাজ সম্পন্ন করার চেষ্টা করছিল। কোনো ঘটনায় একাধিক এআই মডেলের মধ্যে সমন্বয়, আলাদা কোনো গোপন লক্ষ্য বা নজরদারি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা পাওয়া যায়নি। প্রতিষ্ঠানটির মতে, এসব ঘটনার তাৎক্ষণিক কারণ ছিল পরীক্ষার অবকাঠামোর ভুল কনফিগারেশন। অর্থাৎ ক্লডকে ইন্টারনেটবিহীন পরিবেশে কাজ করতে বলা হলেও বাস্তবে সেই সংযোগ পুরোপুরি বন্ধ ছিল না। জুলাইয়ে অ্যানথ্রপিক প্রথম তিনটি ঘটনার কথা প্রকাশ করার পর আরও বড় পরিসরে নথি পর্যালোচনা করে জানুয়ারির একটি অতিরিক্ত ঘটনা শনাক্ত করে। অ্যানথ্রপিক জানিয়েছে, চারটি ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষগুলোকে তারা অবহিত করেছে। পাশাপাশি স্বাধীন তদন্তের জন্য মূল্যায়ন সংস্থা এমইটিআর-এর সঙ্গে চুক্তি করেছে। এই তদন্তে অ্যানথ্রপিকের কর্মীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া এবং সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার বাইরের নথিও পর্যালোচনা করার সুযোগ থাকবে। ঘটনাগুলো এমন এক সময়ে সামনে এলো, যখন এআই ব্যবস্থাকে আরও বেশি স্বায়ত্তশাসিত ক্ষমতা দেওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। সফটওয়্যার লেখা, সাইবার নিরাপত্তা পরীক্ষা, গবেষণা এবং অন্যান্য কাজে এআইকে নিজে থেকে একাধিক ধাপ সম্পন্ন করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। ফলে একটি মডেল কোনো নির্দেশনা ভুলভাবে বুঝলে বা পরিবেশ সম্পর্কে ভুল ধারণা করলে তার প্রভাব কতদূর যেতে পারে, তা নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। অ্যানথ্রপিক নিজেও বলেছে, ভবিষ্যতের আরও শক্তিশালী এআই ব্যবস্থার ক্ষেত্রে একই ধরনের ভুলের সম্ভাব্য ক্ষতি আরও বড় হতে পারে। প্রতিষ্ঠানটির মতে, উন্নত এআই ব্যবস্থাকে নির্ভরযোগ্যভাবে মানুষের উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখা এখনো একটি অমীমাংসিত প্রযুক্তিগত সমস্যা। তাই মডেলের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি পরীক্ষার অবকাঠামো, নজরদারি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নও জরুরি। তবে প্রতিষ্ঠানটি এটিও জানিয়েছে, তাদের বর্তমান পরীক্ষায় এখন এই নির্দিষ্ট ধরনের পরিস্থিতি যুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি অ্যানথ্রপিক মনে করছে, অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও উন্নত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এসব ঝুঁকি কমানো সম্ভব। সূত্র: অ্যানথ্রপিক, নিউজউইক।
আপনার হয়ে ই-মেইল পেমেন্ট করবে মেটার নতুন এআই ‘মিউজ’
বড় চমক নিয়ে আজ অ্যাপলের ইভেন্ট, আসছে আইফোন ১৮ ও ভাঁজ করা আইফোন!