মেক্সিকোতে ১৩ কোটি মানুষের চিকিৎসা সম্পূর্ণ ফ্রি: আমেরিকারও কি একই নিয়ম করা উচিত?
মেক্সিকোতে চিকিৎসা খাতের বৈষম্য দূর করতে এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ক্লাউডিয়া শিনবাউম। তিনি দেশটিতে ‘ইউনিভার্সাল হেলথ সার্ভিস’ বা সর্বজনীন স্বাস্থ্য সেবা চালুর ঘোষণা দিয়ে একটি সরকারি ডিক্রি জারি করেছেন। এই উচ্চাভিলাষী উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো মেক্সিকোর প্রধান তিনটি জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থা—আইএমএসএস (IMSS), আইএসএসএসটিই (ISSSTE) এবং আইএমএসএস-বিয়েনস্তার (IMSS-Bienestar)-কে একটি একক ও সমন্বিত জাতীয় নেটওয়ার্কের আওতায় নিয়ে আসা।
এই কার্যক্রমকে সহজ করতে সরকার ইতিমধ্যেই ‘ইউনিভার্সাল হেলথ ক্রেডেনশিয়াল’ বা সর্বজনীন স্বাস্থ্য কার্ড দেওয়া শুরু করেছে, যা প্রাথমিকভাবে প্রবীণ নাগরিক এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা পাচ্ছেন। ইতিমধ্যেই এই কার্ডের জন্য ১০ লাখেরও বেশি মানুষ নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন। এই একটি মাত্র ডিজিটাল কার্ডের মাধ্যমে মেক্সিকোর ১৩ কোটি নাগরিক তাদের আগের বীমা বা ইন্সুরেন্স স্ট্যাটাস নির্বিশেষে যেকোনো সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসা সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি পুরো দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থাকে একটি সমন্বিত ডিজিটাল মেডিকেল রেকর্ড সিস্টেমের আওতায় আনা হচ্ছে।
জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে এই ঘোষণাকে একটি ঐতিহাসিক বিজয় হিসেবে দেখা হলেও, এটি পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ২০২৭ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে জরুরি এবং বিশেষায়িত চিকিৎসার মাধ্যমে এই সেবা সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে। তবে সমালোচক এবং স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, অতীতেও মেক্সিকোতে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল কিন্তু বাজেট ও সম্পদের ঘাটতির কারণে তা সফল হয়নি। শিনবাউমের এই সর্বজনীন স্বাস্থ্য সেবার মূল সাফল্য নির্ভর করছে প্রয়োজনীয় তহবিল সংগ্রহ, পর্যাপ্ত চিকিৎসক নিয়োগ এবং হাসপাতালের অবকাঠামো উন্নয়নের ওপর, যাতে করে ভবিষ্যতে হাসপাতালে অতিরিক্ত ভিড় বা ওষুধের তীব্র সংকট তৈরি না হয়।
মেক্সিকোর এই বিশাল সমাজতান্ত্রিক চিকিৎসা বিপ্লবের পর এখন বিশ্বজুড়ে প্রশ্ন উঠছে, যুক্তরাষ্ট্রের (ইউএস) মতো উন্নত দেশেরও কি একই ব্যবস্থা অনুসরণ করে নাগরিকদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা উচিত? আমেরিকার বর্তমান চড়া চিকিৎসা ব্যয়ের বাজারে এই বিতর্ক নতুন করে মোড় নিয়েছে।
© America Bangla | All Rights Reserved. আমেরিকা বাংলার পূর্বানুমতি ছাড়া এই প্রতিবেদনের লেখা, ছবি, গ্রাফিক্স বা অন্যান্য মৌলিক কনটেন্ট সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে কপি বা পুনঃপ্রকাশ করা নিষিদ্ধ। অনুমোদিত ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমেরিকা বাংলা কে স্পষ্টভাবে সোর্স হিসেবে উল্লেখ করতে হবে।
বিষয়
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।” ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন। ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন। প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল। মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি। রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে। ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে। অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।
২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো। প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে। এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে। অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে। সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি। উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।” বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে। এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে। আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন। ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে | এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
আন্তর্জাতিক
View moreভারতের পাঞ্জাবে নিজেকে সরকারি কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে আম আদমি পার্টির এক নেতাকে বিয়ে করার পর ১৪ তোলা স্বর্ণালংকার ও এক লাখ রুপি নগদ নিয়ে নববধূ উধাও হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। একই নারীর বিরুদ্ধে নিজের বয়স পরিবর্তন, আগের বিয়ে ও সন্তান থাকার তথ্য গোপন এবং সরকারি কর্মকর্তা পরিচয় প্রতিষ্ঠায় জাল নথি ব্যবহারের অভিযোগও করা হয়েছে। ঘটনায় ওই নারী ও তাঁর পাঁচ স্বজনসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে ফতেহগড় সাহিব পুলিশ। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযোগকারী ৩৩ বছর বয়সী অমরিন্দর সিং মান্ডোফাল আম আদমি পার্টির পাঞ্জাব শাখার যুগ্ম সম্পাদক, জেলা পরিষদ সদস্য এবং সিরহিন্দ মার্কেট কমিটির চেয়ারম্যান। চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি ওই নারীকে বিয়ে করেন তিনি। বিয়েতে পাঞ্জাব বিধানসভার স্পিকার, একজন মন্ত্রীসহ আম আদমি পার্টির কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতাও উপস্থিত ছিলেন। পুলিশের এফআইআর অনুযায়ী, বিয়ের আগে নারী নিজেকে পাঞ্জাব সিভিল সার্ভিসের কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দেন। প্রথমে জালন্ধরে কর্মরত থাকার কথা জানান এবং পরে মোহালিতে অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনারের দায়িত্ব পেয়েছেন বলে দাবি করেন। নিজের পরিচয় বিশ্বাসযোগ্য করতে জাল সরকারি পদায়নের আদেশ পাঠানো এবং ইনস্টাগ্রামেও নিজেকে সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। পুলিশের কাছে করা অভিযোগে মান্ডোফাল আরও জানিয়েছেন, নারীর পরিবার তাঁদের তারন তারনে ৪০ একর জমি থাকার দাবি করেছিল। একই সঙ্গে তাঁর বাবা-মা দুজনই মারা গেছেন বলে জানানো হয়। এমনকি বিয়ের আমন্ত্রণপত্রেও তাঁদের নামের আগে ‘লেট’ লেখা হয়েছিল। পরে তিনি জানতে পারেন, নারীর মা জীবিত। বিয়ের পর সরকারি দায়িত্বের কথা বলে স্ত্রী বারবার বাড়ির বাইরে যাওয়ায় তাঁর সন্দেহ তৈরি হয়। একপর্যায়ে নারী দাবি করেন, তাঁকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। মান্ডোফাল সেই বরখাস্তের সরকারি নথি দেখতে চাইলে পরিস্থিতি বদলে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। গত ২৭ আগস্ট ওই নারী বৈবাহিক বাড়ি ছেড়ে চলে যান। মান্ডোফালের অভিযোগ, যাওয়ার সময় তিনি ১৪ তোলা স্বর্ণালংকার এবং এক লাখ রুপি নগদ সঙ্গে নিয়ে যান। এরপর স্ত্রীর পরিচয় ও নথিপত্র যাচাই করতে গিয়ে আরও অসঙ্গতি পাওয়ার দাবি করেন তিনি। অভিযোগ অনুযায়ী, দশম শ্রেণির সনদ, প্যান কার্ডসহ বিভিন্ন নথিতে নারীর জন্মতারিখ ১৮ জুন ১৯৯২ দেখানো হয়েছিল। কিন্তু তাঁর মূল নথিতে জন্মতারিখ ১৮ জুন ১৯৮০ বলে দাবি করা হয়েছে। এখানেই শেষ নয়। মান্ডোফালের দাবি, ওই নারী ২০০৭ সালে অন্য একজনকে বিয়ে করেছিলেন এবং তাঁর ১৮ বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে। আগের বিয়ের বিষয়টি তাঁর কাছ থেকে গোপন রাখা হয়েছিল বলেও অভিযোগ। ওই বিয়ে নিয়ে ৩৫ লাখ রুপিতে আদালতের বাইরে বিচ্ছেদ সমঝোতা হয়েছিল বলেও তিনি পুলিশকে জানিয়েছেন। তবে আগের বিয়ে, সন্তান, জন্মতারিখ এবং আর্থিক সমঝোতার এসব তথ্য অভিযোগকারীর বক্তব্যের ভিত্তিতে এসেছে এবং তদন্তে সেগুলো যাচাই করা হচ্ছে। মান্ডোফালের আরও অভিযোগ, পরবর্তী সময়ে নারীর পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর কাছে ৫০ লাখ রুপি দাবি করা হয়। ওই অর্থ দিয়ে আদালতের বাইরে সমঝোতায় রাজি না হলে তাঁর বিরুদ্ধে যৌতুক ও পারিবারিক সহিংসতার মিথ্যা মামলা করার হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে তিনি পুলিশকে জানিয়েছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার রাতে এফআইআর করেছে ফতেহগড় সাহিব পুলিশ। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর রুপিন্দর সিং জানিয়েছেন, ভারতীয় ন্যায় সংহিতার প্রতারণা, জালিয়াতি, জাল নথি ব্যবহার এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রসংক্রান্ত বিভিন্ন ধারায় মামলা হয়েছে। মামলায় মান্ডোফালের স্ত্রী, তাঁর ভাই, মা, ভাবি, এক আত্মীয় এবং গ্রামের সাবেক এক সরপঞ্চকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি এবং অভিযোগগুলোর তদন্ত চলছে। অভিযুক্ত নারী কিংবা তাঁর পরিবারের বক্তব্য প্রকাশিত প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। ফলে সরকারি কর্মকর্তা পরিচয় দেওয়া, নথি জাল করা, আগের বিয়ে ও সন্তান থাকার তথ্য গোপন এবং ১৪ তোলা স্বর্ণ ও নগদ অর্থ নিয়ে যাওয়ার বিষয়গুলো এখন পর্যন্ত অভিযোগ হিসেবেই বিবেচ্য। তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রমাণিত হওয়ার আগে এসব অভিযোগকে প্রতিষ্ঠিত অপরাধ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
৯ ঘণ্টার বিক্ষোভের পর রাহুল-প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে আটক করল দিল্লি পুলিশ
নোবেল জয়ের খবরের পরও সন্তানের স্কুল লাঞ্চ বানালেন স্ট্যানফোর্ডের বিজ্ঞানী
রাশিয়ায় ‘প্লেগে দ্বিতীয় মৃত্যুর’ দাবি, বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা
ভারতের বেঙ্গালুরুতে একই পরিবারের তিন সদস্যকে হ ত্যা র ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। পুলিশ বলছে, প্রধান অভিযুক্ত ২৫ বছর বয়সী প্রযুক্তিকর্মী জে কেনেথ হ ত্যা কাণ্ডের আগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে মানুষকে আ ক্র ম ণ ও অক্ষম করার বিভিন্ন পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন। তার ল্যাপটপের অনুসন্ধান ইতিহাস পরীক্ষা করে এসব তথ্য পাওয়া গেছে বলে মামলার চার্জশিটে উল্লেখ করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটে গত ২২ জুন বেঙ্গালুরুর কে আর পুরম এলাকার সিগেহাল্লির সাই গ্রিন অ্যাপার্টমেন্টে। নি হ তরা হলেন কেনেথের লিভ ইন পার্টনার শ্বেতা সোমাসুন্দরের বাবা সোমাসুন্দর, মা মুথুলক্ষ্মী এবং ছোট বোন সুপ্রিয়া। তিনজনই ধারালো অ স্ত্রের আঘাতে নি হ ত হন। মামলায় কেনেথ ও শ্বেতা দুজনকেই অভিযুক্ত করা হয়েছে। ঘটনার প্রায় তিন মাস পর বেঙ্গালুরু পুলিশ আদালতে ২ হাজার ৮৫ পৃষ্ঠার চার্জশিট জমা দেয়। সেই চার্জশিটের তথ্যের ভিত্তিতে ভারতীয় গণমাধ্যমের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেনেথের ল্যাপটপে বেশ কিছু উদ্বেগজনক অনুসন্ধানের তথ্য পেয়েছেন তদন্তকারীরা। পুলিশের দাবি, কেনেথ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কাছে রান্নাঘরের ছুরি ব্যবহার করে কাউকে প্রা ণ ঘা তীভাবে আ ক্র ম ণ করা, ভিনেগার ও মরিচের গুঁড়া দিয়ে কাউকে সাময়িকভাবে দৃষ্টিহীন করা, একাধিক ব্যক্তিকে অক্ষম করা এবং হা ম লার পরিস্থিতিতে মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করার মতো বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন। তিনি ইতিহাসে ব্যবহৃত প্রা ণ ঘা তী অ স্ত্র সম্পর্কেও জানতে চেয়েছিলেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এসব প্রশ্নের উত্তরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কী জানিয়েছিল, সেটি এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। ফরেনসিক পরীক্ষার সময় কেনেথের ল্যাপটপে থাকা গুগলের অনুসন্ধানসংক্রান্ত তথ্য থেকে প্রশ্নগুলোর সন্ধান পাওয়া যায়। তদন্তকারীরা তাই এখন পর্যন্ত মূলত তার করা অনুসন্ধানগুলোকে ডিজিটাল প্রমাণের অংশ হিসেবে বিবেচনা করছেন। এর আগে জুলাই মাসে ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে পুলিশ সূত্রের বরাতে বলা হয়েছিল, কেনেথ কয়েক মাস ধরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে হ ত্যা কাণ্ড এবং পরে প্রমাণ গোপন করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে জানতে চেয়েছিলেন। কীভাবে র ক্তের দাগ পরিষ্কার করা যায়, ম র দে হ সরানো বা গোপন করা যায় এবং পরিকল্পিত ক্লাউড কিচেনের জন্য তৈরি একটি চুল্লি অন্য কাজে ব্যবহার করা সম্ভব কি না, এমন বিষয়ও তার অনুসন্ধানে ছিল বলে তখন দাবি করেছিলেন তদন্তকারীরা। মামলার সাম্প্রতিক চার্জশিটে আর্থিক বিরোধকেও সম্ভাব্য গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শ্বেতা এক বছরের মধ্যে কেনেথের জন্য মোট প্রায় ৫২ লাখ রুপি ঋণ নিয়েছিলেন। এর মধ্যে ব্যবসার জন্য ৩০ লাখ রুপির ঋণ, দুটি ব্যাংক থেকে ব্যক্তিগত ঋণ এবং বন্ধু, আত্মীয় ও পরিচিতদের কাছ থেকে নেওয়া অর্থ ছিল। ঋণের কিস্তি পরিশোধ না হওয়ায় একটি ব্যাংকের নোটিশ শ্বেতার বাবা-মায়ের বাড়িতে পৌঁছায়। এর পরই তার পরিবার বড় অঙ্কের ঋণের বিষয়টি জানতে পারে। চার্জশিট অনুযায়ী, এ নিয়ে শ্বেতার বাবা-মা ও কেনেথের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। সোমাসুন্দর কেনেথের কাছে অর্থের ব্যবহার এবং ঋণের বিষয়ে জানতে চেয়েছিলেন বলেও তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশের অভিযোগ, ২২ জুন রাতে সেই বিরোধের পর শ্বেতার বাবা সোমাসুন্দর, মা মুথুলক্ষ্মী এবং বোন সুপ্রিয়ার ওপর হা ম লা চালান কেনেথ। গুরুতর আ হ ত অবস্থায় সোমাসুন্দর অ্যাপার্টমেন্ট থেকে বেরিয়ে সিঁড়ি পর্যন্ত যেতে সক্ষম হন। সেখানে তিনি নিরাপত্তাকর্মী ও অন্যদের কাছে ভেতরে তার স্ত্রী ও মেয়ের ওপর হা ম লার কথা জানান বলে চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে হাসপাতালে তার মৃ ত্যু হয়। মুথুলক্ষ্মী ও সুপ্রিয়াকেও একাধিক ধারালো অ স্ত্রের আঘাতসহ পাওয়া যায় এবং তারা মা রা যান। আদালতে রেকর্ড করা শ্বেতার বক্তব্যও চার্জশিটে রাখা হয়েছে। সেখানে তিনি কেনেথের বিরুদ্ধে তার বাবা-মা ও বোনকে আ ক্র ম ণের অভিযোগ করেছেন বলে ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে। তবে মামলার বিচার এখনো শেষ হয়নি। ফলে অভিযোগগুলো আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কেনেথ ও শ্বেতাকে অভিযুক্ত হিসেবেই বিবেচনা করতে হবে। তদন্তে ঘটনাস্থল থেকে ভিনেগার ও মরিচের গুঁড়ার মিশ্রণ থাকা একটি বোতলও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। হোয়াইটফিল্ড বিভাগের ডেপুটি কমিশনার অব পুলিশ সাইদুলু আদাভাত জানিয়েছেন, বোতলটি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। ল্যাপটপে পাওয়া অনুসন্ধানের সঙ্গে ঘটনাস্থলের এই আলামতের কোনো সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা পরীক্ষার ফল ও আদালতের বিচার প্রক্রিয়ায় স্পষ্ট হবে। ঘটনার দুই দিন পর ২৪ জুন পুদুচেরি থেকে শ্বেতাকে গ্রে প্তা র করে পুলিশ। এর দুই দিনের মধ্যে কেনেথকেও গ্রে প্তা র করা হয়। পরে তদন্তে ডিজিটাল ডিভাইস, আর্থিক লেনদেন, সাক্ষ্য এবং ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া আলামত সংগ্রহ করা হয়। এই মামলায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভূমিকা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হলেও তদন্তকারীরা এখনো বলেননি যে কোনো এআই ব্যবস্থা হ ত্যা কাণ্ডের নির্দেশ দিয়েছিল বা অ প রা ধে সরাসরি অংশ নিয়েছিল। পুলিশের কাছে এখন পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, অভিযুক্ত ব্যক্তি অ প রা ধের আগে কী ধরনের তথ্য খুঁজেছিলেন এবং সেই অনুসন্ধানগুলো পরিকল্পিত হ ত্যা র অভিযোগের সঙ্গে কতটা সম্পর্কিত। বেঙ্গালুরু পুলিশের জমা দেওয়া চার্জশিটের ভিত্তিতে এখন আদালতেই নির্ধারিত হবে ডিজিটাল অনুসন্ধান, আর্থিক বিরোধ, ফরেনসিক আলামত ও সাক্ষ্যপ্রমাণ মিলিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ কতটা প্রমাণিত হয়।
স্কুলের ডিভাইসে পর্ণো গ্রাফি দেখার অভিযোগে শিক্ষককে অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষিদ্ধ করল কর্তৃপক্ষ
জরুরি প্রয়োজনে পাঁচ তারকা হোটেলের শৌচাগার ব্যবহার করতে না দেওয়ার লাইভে এসে নারীর ক্ষোভ
অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসী কমানোর বড় পরিকল্পনা বিরোধী জোটের, পরিবর্তনের প্রস্তাব শিক্ষার্থী ভিসায়
যুক্তরাজ্যে পড়াশোনা বা কাজের জন্য যাওয়া বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে কেউ কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপ্রাপ্তবয়স্কদের সঙ্গে যৌন প্রকৃতির কথোপকথন বা দেখা করার চেষ্টা করে গুরুতর আইনি ঝুঁকিতে পড়ছেন। সাম্প্রতিক সময়ে এমন কয়েকটি ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে শুধু কোনো অভিযোগ উঠলেই ভিসা বাতিল বা ডিপোর্টেশন নিশ্চিত হয়ে যায়, এমন ধারণা সঠিক নয়। ফৌজদারি মামলার ফল, দণ্ডের ধরন এবং ইমিগ্রেশন আইনের বিভিন্ন শর্তের ওপর পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ভর করে। ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে যৌন সম্মতির সাধারণ বয়স ১৬ বছর। তবে ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী কোনো ব্যক্তি ১৬ বছরের কম বয়সী শিশুর সঙ্গে যৌন উদ্দেশ্যে যোগাযোগ করলে সেটি ফৌজদারি অপরাধ হতে পারে। সেক্সুয়াল অফেন্সেস অ্যাক্ট ২০০৩-এর সেকশন ১৫এ অনুযায়ী, যৌন তৃপ্তির উদ্দেশ্যে কোনো প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ১৬ বছরের কম বয়সী শিশুর সঙ্গে যৌন প্রকৃতির যোগাযোগ করলে, অথবা শিশুকে যৌন প্রকৃতির যোগাযোগে উৎসাহিত করলে, অপরাধ সংঘটিত হতে পারে। এই যোগাযোগ অনলাইন বা অফলাইন দুইভাবেই হতে পারে। ক্রাউন প্রসিকিউশন সার্ভিসের নির্দেশনা অনুযায়ী, শুধু সরাসরি শারীরিক সম্পর্কই আইনি ঝুঁকি তৈরি করে না। যৌন প্রকৃতির মেসেজ, ছবি চাওয়া, যৌন আলাপে উৎসাহ দেওয়া কিংবা যৌন উদ্দেশ্যে যোগাযোগ চালিয়ে যাওয়াও আইনের আওতায় আসতে পারে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বয়স সম্পর্কে অভিযুক্তের যৌক্তিক বিশ্বাস ছিল কি না, যোগাযোগের উদ্দেশ্য কী ছিল এবং কী ধরনের বার্তা আদানপ্রদান হয়েছে, এসব বিষয় তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। সাম্প্রতিক এক মামলায় ৪৮ বছর বয়সী রুহেল মিয়া স্ন্যাপচ্যাটে নিজেকে ১৫ বছরের কিশোর হিসেবে পরিচয় দিয়ে তিন কিশোরীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। ক্রাউন প্রসিকিউশন সার্ভিস জানিয়েছে, তিনি শিশু যৌন নির্যাতন, শিশুকে যৌন কার্যকলাপে প্ররোচিত করা এবং শিশুর সঙ্গে যৌন যোগাযোগসহ ১৫টি অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে উলভারহ্যাম্পটন ক্রাউন কোর্ট তাঁকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেয়। মামলাটি শুধু অনলাইন চ্যাটে সীমাবদ্ধ ছিল না, পরে তিনি ভুক্তভোগীদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করে যৌন অপরাধও করেছিলেন। গ্রেটার ম্যানচেস্টারের আরেক মামলায় স্কট কার্কহ্যাম ভুয়া অনলাইন পরিচয় ব্যবহার করে কিশোরীদের সঙ্গে যোগাযোগ ও যৌন নির্যাতনের ঘটনায় ৩০টি অপরাধে দোষ স্বীকার করেন। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে তাঁকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং অতিরিক্ত তিন বছর লাইসেন্সের আওতায় থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। তাঁর বিরুদ্ধে যৌন যোগাযোগ, শিশুকে যৌন কার্যকলাপে প্ররোচিত করা এবং শিশুর সঙ্গে যৌন কার্যকলাপসহ একাধিক অভিযোগ ছিল। যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি এবং ন্যাশনাল পুলিশ চিফস কাউন্সিল জানিয়েছে, ২০২৫ সালে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে শিশু যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত প্রায় এক লাখ রেফারেল এনসিএর কাছে পৌঁছেছে। সংস্থাগুলোর হিসাবে, যুক্তরাজ্যজুড়ে এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে অভিযানে প্রতি মাসে প্রায় এক হাজার সম্ভাব্য অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে এবং আনুমানিক ১ হাজার ২০০ শিশুকে সুরক্ষার আওতায় নেওয়া হচ্ছে। বিদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রে ফৌজদারি মামলার পাশাপাশি ইমিগ্রেশন ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। বর্তমান যুক্তরাজ্য ইমিগ্রেশন রুলস অনুযায়ী, কোনো বিদেশি নাগরিক যুক্তরাজ্যে ফৌজদারি অপরাধে দোষী হয়ে অন্তত ১২ মাসের কারাদণ্ড পেলে সাধারণভাবে ডিপোর্টেশনের আওতায় পড়তে পারেন। ২০২৬ সালের ২২ মার্চ বা তার পরে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে অন্তত ১২ মাসের সাসপেন্ডেড সেন্টেন্সও এই নিয়মের আওতায় এসেছে। তবে ডিপোর্টেশন প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে সব ক্ষেত্রে একই ফল দেয় না। শরণার্থী সুরক্ষা, মানবাধিকার, পারিবারিক জীবন বা আইনে নির্ধারিত অন্য ব্যতিক্রম প্রযোজ্য হতে পারে। গুরুতর ক্ষতির অপরাধ বা ধারাবাহিক অপরাধের ক্ষেত্রেও হোম অফিস ডিপোর্টেশন বিবেচনা করতে পারে। ফলে শুধু গ্রেপ্তার, অভিযোগ বা তদন্ত শুরু হওয়াকেই চূড়ান্ত ডিপোর্টেশন হিসেবে দেখা ঠিক নয়। স্টুডেন্ট, কেয়ার ওয়ার্কার বা অন্য কোনো ভিসায় যুক্তরাজ্যে থাকা বাংলাদেশিদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো স্থানীয় আইন সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখা। অনলাইনে কারও বয়স অনুমান করে যৌন আলাপ শুরু করা, সন্দেহ থাকা সত্ত্বেও যোগাযোগ চালিয়ে যাওয়া, ব্যক্তিগত ছবি চাওয়া বা দেখা করার পরিকল্পনা করা গুরুতর সমস্যার কারণ হতে পারে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ নিজের বয়স বা পরিচয় গোপন করলে বিষয়টি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে। তাই বয়স নিয়ে সন্দেহ থাকলে যৌন প্রকৃতির যোগাযোগ থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকাই নিরাপদ। কোনো তদন্ত বা অভিযোগে জড়িয়ে পড়লে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাখ্যা দেওয়ার পরিবর্তে দ্রুত যোগ্য সলিসিটর বা আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া জরুরি। যুক্তরাজ্যে একটি ফৌজদারি দণ্ড শুধু কারাদণ্ডেই সীমাবদ্ধ নাও থাকতে পারে। চাকরি, ভিসা, ভবিষ্যৎ ইমিগ্রেশন আবেদন এবং দেশটিতে থাকার অধিকারেও এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়তে পারে। তাই অনলাইনের কয়েকটি মেসেজ বা একটি সাক্ষাৎকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই, বিশেষ করে অপর পক্ষের বয়স ১৬ বছরের নিচে হলে।
মহানবী (সা.)-কে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য, শ্রীলঙ্কান যুবকের মৃত্যুদণ্ড
কাশ্মীর থেকে ১৫০ বাংলাদেশি গ্রেফতার, ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু