জাতীয়

প্রস্তাবিত দুই মেট্রোরেল প্রকল্পে ব্যয়ের বড় লাফ

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬ 0
প্রস্তাবিত দুই মেট্রোরেল প্রকল্পে ব্যয়ের বড় লাফ
প্রস্তাবিত দুই মেট্রোরেল প্রকল্পে ব্যয়ের বড় লাফ

ঢাকায় প্রস্তাবিত নতুন দুইটি মেট্রোরেল লাইনের সম্ভাব্য ব্যয় আগের উত্তরা–মতিঝিল রুটের তুলনায় অনেক বেশি হওয়ায় প্রকল্পগুলো নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

 

উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত নির্মিত মেট্রোরেল (লাইন–৬)–এ প্রতি কিলোমিটার ব্যয় হয়েছিল প্রায় ১ হাজার ৫৭৪ কোটি টাকা। অথচ নতুন দুই লাইনে সম্ভাব্য ব্যয় দাঁড়াচ্ছে গড়ে প্রায় ৩ হাজার ৬১৮ কোটি টাকা প্রতি কিলোমিটার, যা আগেরটির দ্বিগুণেরও বেশি।

 

কোন দুটি লাইন নিয়ে আলোচনা?

 

প্রথমটি হলো এমআরটি লাইন–১, যা কমলাপুর থেকে বিমানবন্দর এবং নর্দ্দা থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত বিস্তৃত হবে (দৈর্ঘ্য ৩১ কিলোমিটারের বেশি)। দ্বিতীয়টি এমআরটি লাইন–৫ (উত্তর), যা হেমায়েতপুর থেকে মিরপুর, গুলশান হয়ে ভাটারা পর্যন্ত যাবে (প্রায় ২০ কিলোমিটার)। দুটি লাইনেরই কিছু অংশ উড়ালপথে এবং কিছু অংশ মাটির নিচ দিয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

 

ব্যয়ের বড় লাফ

 

দুটি প্রকল্পের সম্মিলিত সম্ভাব্য ব্যয় প্রায় ১ লাখ ৮৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে বলে বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। শুরুতে সরকার যে প্রাক্কলন করেছিল, তার তুলনায় ঠিকাদারদের প্রস্তাবিত দর অনেক বেশি। কয়েকটি প্যাকেজে দর সরকারি হিসাবের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি হওয়ায় তা বাতিলের চিন্তাভাবনাও হয়েছে। তবে অর্থায়নকারী সংস্থার অনুমোদন ছাড়া এমন সিদ্ধান্ত কার্যকর করা সম্ভব নয়।

 

ঋণের শর্ত ও প্রতিযোগিতা সংকট

 

প্রকল্প দুটির অর্থায়নে জাপানের উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা Japan International Cooperation Agency (জাইকা) ঋণ দিচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, ঋণের সঙ্গে যুক্ত কিছু প্রকৌশলগত শর্তের কারণে দরপত্রে কার্যত জাপানি কোম্পানিগুলোর মধ্যেই প্রতিযোগিতা সীমাবদ্ধ থাকছে। এতে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা না হওয়ায় ব্যয় বাড়ছে।

 

ডিএমটিসিএল সূত্রের দাবি, কয়েকটি প্যাকেজে অস্বাভাবিক উচ্চ দর প্রস্তাবের পেছনে সম্ভাব্য যোগসাজশের আশঙ্কাও রয়েছে। দেখা গেছে, চূড়ান্ত দরপত্রে অংশ নিয়েছে অল্পসংখ্যক প্রতিষ্ঠান, এবং দুটি বড় জাপানি কনসোর্টিয়াম পালাক্রমে সর্বনিম্ন দরদাতা হয়েছে।

 

আয়-ব্যয়ের বাস্তবতা

 

উত্তরা–মতিঝিল রুটে চলমান মেট্রোরেল থেকে ২০২৪–২৫ অর্থবছরে টিকিট বিক্রি করে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা আয় হয়েছে (অনিরীক্ষিত)। কিন্তু আগামী কয়েক বছর পর্যন্ত ঋণের কিস্তি হিসেবে বছরে ৪৬৫ থেকে ৭৪০ কোটি টাকা পরিশোধ করতে হবে। ফলে নতুন প্রকল্পে অতিরিক্ত ঋণের চাপ ভবিষ্যতে সরকারি অর্থব্যবস্থায় প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

 

বিশেষজ্ঞদের মত

 

বিশ্লেষকদের মতে, মূল সমস্যা প্রতিযোগিতার অভাব। উন্মুক্ত আন্তর্জাতিক দরপত্র নিশ্চিত করা গেলে ব্যয় কমানো সম্ভব হতে পারে। অন্যথায় অতিরিক্ত ব্যয়ের বোঝা যাত্রীভাড়া বৃদ্ধি এবং ঋণের চাপ বাড়াতে পারে।

 

মনোরেলের প্রসঙ্গ

 

নতুন সরকার ঢাকায় মেট্রোরেলের পাশাপাশি মনোরেল চালুর কথাও বলেছে। মনোরেলে একটি লাইনের ওপর দিয়ে ট্রেন চলে, ফলে নির্মাণব্যয় তুলনামূলক কম হতে পারে। তবে যাত্রী পরিবহন সক্ষমতা মেট্রোরেলের তুলনায় কম।

 

সব মিলিয়ে, নতুন দুটি মেট্রোরেল প্রকল্পের ভবিষ্যৎ এখন সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। ব্যয় কমিয়ে বাস্তবায়ন করা যাবে কি না, নাকি বিকল্প পরিবহনব্যবস্থার দিকে ঝোঁক বাড়বে—তা সময়ই বলে দেবে।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Advertisement

জাতীয়

View more
প্রস্তাবিত দুই মেট্রোরেল প্রকল্পে ব্যয়ের বড় লাফ
প্রস্তাবিত দুই মেট্রোরেল প্রকল্পে ব্যয়ের বড় লাফ

ঢাকায় প্রস্তাবিত নতুন দুইটি মেট্রোরেল লাইনের সম্ভাব্য ব্যয় আগের উত্তরা–মতিঝিল রুটের তুলনায় অনেক বেশি হওয়ায় প্রকল্পগুলো নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।   উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত নির্মিত মেট্রোরেল (লাইন–৬)–এ প্রতি কিলোমিটার ব্যয় হয়েছিল প্রায় ১ হাজার ৫৭৪ কোটি টাকা। অথচ নতুন দুই লাইনে সম্ভাব্য ব্যয় দাঁড়াচ্ছে গড়ে প্রায় ৩ হাজার ৬১৮ কোটি টাকা প্রতি কিলোমিটার, যা আগেরটির দ্বিগুণেরও বেশি।   কোন দুটি লাইন নিয়ে আলোচনা?   প্রথমটি হলো এমআরটি লাইন–১, যা কমলাপুর থেকে বিমানবন্দর এবং নর্দ্দা থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত বিস্তৃত হবে (দৈর্ঘ্য ৩১ কিলোমিটারের বেশি)। দ্বিতীয়টি এমআরটি লাইন–৫ (উত্তর), যা হেমায়েতপুর থেকে মিরপুর, গুলশান হয়ে ভাটারা পর্যন্ত যাবে (প্রায় ২০ কিলোমিটার)। দুটি লাইনেরই কিছু অংশ উড়ালপথে এবং কিছু অংশ মাটির নিচ দিয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।   ব্যয়ের বড় লাফ   দুটি প্রকল্পের সম্মিলিত সম্ভাব্য ব্যয় প্রায় ১ লাখ ৮৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে বলে বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। শুরুতে সরকার যে প্রাক্কলন করেছিল, তার তুলনায় ঠিকাদারদের প্রস্তাবিত দর অনেক বেশি। কয়েকটি প্যাকেজে দর সরকারি হিসাবের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি হওয়ায় তা বাতিলের চিন্তাভাবনাও হয়েছে। তবে অর্থায়নকারী সংস্থার অনুমোদন ছাড়া এমন সিদ্ধান্ত কার্যকর করা সম্ভব নয়।   ঋণের শর্ত ও প্রতিযোগিতা সংকট   প্রকল্প দুটির অর্থায়নে জাপানের উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা Japan International Cooperation Agency (জাইকা) ঋণ দিচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, ঋণের সঙ্গে যুক্ত কিছু প্রকৌশলগত শর্তের কারণে দরপত্রে কার্যত জাপানি কোম্পানিগুলোর মধ্যেই প্রতিযোগিতা সীমাবদ্ধ থাকছে। এতে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা না হওয়ায় ব্যয় বাড়ছে।   ডিএমটিসিএল সূত্রের দাবি, কয়েকটি প্যাকেজে অস্বাভাবিক উচ্চ দর প্রস্তাবের পেছনে সম্ভাব্য যোগসাজশের আশঙ্কাও রয়েছে। দেখা গেছে, চূড়ান্ত দরপত্রে অংশ নিয়েছে অল্পসংখ্যক প্রতিষ্ঠান, এবং দুটি বড় জাপানি কনসোর্টিয়াম পালাক্রমে সর্বনিম্ন দরদাতা হয়েছে।   আয়-ব্যয়ের বাস্তবতা   উত্তরা–মতিঝিল রুটে চলমান মেট্রোরেল থেকে ২০২৪–২৫ অর্থবছরে টিকিট বিক্রি করে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা আয় হয়েছে (অনিরীক্ষিত)। কিন্তু আগামী কয়েক বছর পর্যন্ত ঋণের কিস্তি হিসেবে বছরে ৪৬৫ থেকে ৭৪০ কোটি টাকা পরিশোধ করতে হবে। ফলে নতুন প্রকল্পে অতিরিক্ত ঋণের চাপ ভবিষ্যতে সরকারি অর্থব্যবস্থায় প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।   বিশেষজ্ঞদের মত   বিশ্লেষকদের মতে, মূল সমস্যা প্রতিযোগিতার অভাব। উন্মুক্ত আন্তর্জাতিক দরপত্র নিশ্চিত করা গেলে ব্যয় কমানো সম্ভব হতে পারে। অন্যথায় অতিরিক্ত ব্যয়ের বোঝা যাত্রীভাড়া বৃদ্ধি এবং ঋণের চাপ বাড়াতে পারে।   মনোরেলের প্রসঙ্গ   নতুন সরকার ঢাকায় মেট্রোরেলের পাশাপাশি মনোরেল চালুর কথাও বলেছে। মনোরেলে একটি লাইনের ওপর দিয়ে ট্রেন চলে, ফলে নির্মাণব্যয় তুলনামূলক কম হতে পারে। তবে যাত্রী পরিবহন সক্ষমতা মেট্রোরেলের তুলনায় কম।   সব মিলিয়ে, নতুন দুটি মেট্রোরেল প্রকল্পের ভবিষ্যৎ এখন সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। ব্যয় কমিয়ে বাস্তবায়ন করা যাবে কি না, নাকি বিকল্প পরিবহনব্যবস্থার দিকে ঝোঁক বাড়বে—তা সময়ই বলে দেবে।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬ 0
দুই-তৃতীয়াংশ জয়ে ক্ষমতায় বিএনপি: অর্থনীতি ও কূটনীতির কঠিন বাস্তবতায় তারেক রহমানের প্রথম পরীক্ষা

দুই-তৃতীয়াংশ জয়ে ক্ষমতায় বিএনপি: অর্থনীতি ও কূটনীতির কঠিন বাস্তবতায় তারেক রহমানের প্রথম পরীক্ষা

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু

বাংলা ভাষার সঙ্গে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ বেমানান: বিদ্যুৎমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ফাইল ছবি

সংসদ বসতে পারে মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী
খনিজ সম্পদে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার লক্ষ্যে ভারত-ব্রাজিল ঐতিহাসিক চুক্তি

গুরুত্বপূর্ণ খনিজ এবং দুর্লভ মৃত্তিকা (রেয়ার আর্থ এলিমেন্ট) খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি যুগান্তকারী চুক্তিতে সই করেছে ভারত ও ব্রাজিল।   শনিবার নয়াদিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার মধ্যে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।   প্রধানমন্ত্রী মোদী এই চুক্তিকে বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইন স্থিতিশীল করার ক্ষেত্রে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি জানান, লিথিয়াম বা কোবাল্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজগুলো ইলেকট্রিক যান, সোলার প্যানেল, স্মার্টফোন এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম তৈরির অপরিহার্য উপাদান। বিশ্বে এই খনিজগুলোর দ্বিতীয় বৃহত্তম মজুদ রয়েছে ব্রাজিলে। বর্তমানে এই খাতের বাজার মূলত চীনের নিয়ন্ত্রণে, তাই বিকল্প সরবরাহকারী হিসেবে ব্রাজিলের সাথে এই অংশীদারিত্ব ভারতের জন্য কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।   প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং খনিজ খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধিই এই সফরের মূল লক্ষ্য। খনিজ ছাড়াও ডিজিটাল সহযোগিতা, স্বাস্থ্য এবং উদ্যোক্তা উন্নয়নসহ আরও ৯টি সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত করেছে দুই দেশ।   পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ১৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এই বাণিজ্য ২০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে ভারত মূলত ব্রাজিল থেকে অপরিশোধিত তেল, চিনি ও লৌহ আকরিক আমদানি করে থাকে।   উল্লেখ্য, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক একটি শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে উচ্চপর্যায়ের এক প্রতিনিধিদলসহ বর্তমানে ভারত সফরে রয়েছেন প্রেসিডেন্ট লুলা। সফর শেষে তার দক্ষিণ কোরিয়া যাওয়ার কথা রয়েছে।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে নৌবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে নৌবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ঈদের আগেই খতিব-ইমামদের সম্মানী ও উৎসব ভাতা প্রদানের ঘোষণা

ঈদের আগেই খতিব-ইমামদের সম্মানী ও উৎসব ভাতা প্রদানের ঘোষণা

বিশেষ স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ট্রাক-সিএনজি দুর্ঘটনায় চালকসহ নিহত ৫
ট্রাক-সিএনজি দুর্ঘটনায় চালকসহ নিহত ৫

কুষ্টিয়া শহরের বাইপাস সড়কে গ্যাস সিলিন্ডারবোঝাই একটি ট্রাকের সঙ্গে সিএনজি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত হয়েছেন। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শহরের বাইপাস এলাকায় কুষ্টিয়া স্টোর নামের একটি পেট্রোল পাম্পের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।   প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নিহতদের মধ্যে সিএনজি চালকসহ চারজন যাত্রী ছিলেন। তাদের মরদেহ উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম জানান, মৃতদের মধ্যে তিনজন নারী ও দুজন পুরুষ রয়েছেন। তবে রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তাদের পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।   প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা যায়, সিএনজিটি বটতৈল কবুরহাট এলাকা থেকে ত্রিমোহনীর দিকে যাচ্ছিল। পথে বিপরীত দিক থেকে আসা গ্যাস সিলিন্ডারবাহী একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সিএনজিটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়।   এতে অটোরিকশাটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু ঘটে। পরে গুরুতর আহত আরও দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন।   খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করেন। হাইওয়ে পুলিশের পরিদর্শক জয়দেব জানান, দুর্ঘটনায় জড়িত দুটি যানবাহন জব্দ করা হয়েছে। ট্রাকচালক পলাতক রয়েছেন এবং এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
৪ কোটি ১০ লাখ পরিবার পাবে ফ্যামিলি কার্ড তথ্যমন্ত্রী

৪ কোটি ১০ লাখ পরিবার পাবে ফ্যামিলি কার্ড: তথ্যমন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী

মুখস্থ বিদ্যা নয়, চাই কার্যকরী শিক্ষা: বড় ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

শপথ ছাড়াই ‘হ্যাঁ’ অটোমেটিক কার্যকর হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী

শপথ ছাড়াই ‘হ্যাঁ’ অটোমেটিক কার্যকর হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী

0 Comments