আমেরিকা

বিটকয়েনে বড় বিনিয়োগে ট্রাম্প পরিবারের ক্ষতি প্রায় এক বিলিয়ন ডলার

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৯, ২০২৬ 0
ট্রাম্পের পেছনে দুই ছেলে এরিক ট্রাম্প এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র। ছবি: সংগৃহীত
ট্রাম্পের পেছনে দুই ছেলে এরিক ট্রাম্প এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র। ছবি: সংগৃহীত

ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজারে বড় ধরনের বিনিয়োগ করে উল্লেখযোগ্য ক্ষতির মুখে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিবার। এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিটকয়েনে বিনিয়োগের ফলে প্রায় এক বিলিয়ন ডলার লোকসান হয়েছে তাদের।

 

ফোর্বস সাময়িকীর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক বছরে বাজারের অস্থিরতা এবং বিনিয়োগসংক্রান্ত কিছু ভুল সিদ্ধান্তের কারণে এই ক্ষতি হয়েছে। ট্রাম্পের দুই ছেলে—এরিক ট্রাম্প ও ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়রের নেতৃত্বে পরিবারটি ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বড় পরিসরে বিনিয়োগ করে।

 

তাদের প্রত্যাশা ছিল, ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে উচ্চ অবস্থানে থাকা বিটকয়েনের দাম বছর শেষে আরও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে। এই ধারণার ভিত্তিতে তারা নিজেদের একটি প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও রূপান্তরযোগ্য ঋণপত্র বিক্রি করে বিপুল অর্থ বিটকয়েনে বিনিয়োগ করে।

 

শুরুর দিকে বাজার তাদের অনুকূলে থাকলেও পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি পাল্টে যায়। কয়েক মাসের মধ্যে বিটকয়েনের দাম দ্রুত কমে গেলে বিনিয়োগের মূল্যও কমতে থাকে। ফলে কোম্পানির ক্রিপ্টো সম্পদের মোট মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়।

 

ক্ষতি কমানোর জন্য পরবর্তীতে বিনিয়োগের একটি অংশ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা হলেও তাতে বড় ধরনের প্রভাব পড়েনি। এরপর সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার ঘোষণার পর বাজারে আরও চাপ তৈরি হয় এবং বিটকয়েনের দাম আবারও কমে যায়।

 

বর্তমানে বিটকয়েনের দর আগের তুলনায় অনেক নিচে অবস্থান করায় ট্রাম্প পরিবারের বিনিয়োগের মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। বিশ্লেষণ অনুযায়ী, শুরুতে যে পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করা হয়েছিল, তার তুলনায় প্রায় এক বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয়েছে।

 

এ ছাড়া অতিরিক্ত মূল্যবৃদ্ধির প্রত্যাশার কারণে ব্যক্তিগত বিনিয়োগ থেকেও বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন তারা। তবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বিনিয়োগ দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ এবং স্বল্পমেয়াদি বাজার ওঠানামার ভিত্তিতে এর সাফল্য বা ব্যর্থতা মূল্যায়ন করা ঠিক নয়।

জনপ্রিয় সংবাদ
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নিয়ম: যা জানা প্রয়োজন

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রত্যাশীদের জন্য কঠোর হচ্ছে নিয়মাবলী। আগামী ৩০ মার্চ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন ভিসা রুলস, যেখানে আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের প্রোফাইল পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই বা স্ক্রিনিং করা হবে। মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন পদক্ষেপে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। নতুন এই নিয়ম মূলত অ-অভিবাসী (Non-immigrant) এবং অভিবাসী (Immigrant) উভয় ধরণের ভিসার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। বিশেষ করে যারা ট্যুরিস্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং কাজের সন্ধানে এইচ-১বি (H-1B) ভিসার জন্য আবেদন করবেন, তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য প্রদান বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। আবেদনকারীদের গত পাঁচ বছরের ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর ইউজার আইডি বা হ্যান্ডেল নাম ফর্মে উল্লেখ করতে হবে। ফেসবুক, টুইটার (বর্তমানে এক্স), ইনস্টাগ্রাম এবং ইউটিউবের মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলো এই স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবে। তবে পাসওয়ার্ড দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মূলত আবেদনকারীর নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং পূর্ববর্তী কোনো উসকানিমূলক বা সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড আছে কি না, তা যাচাই করতেই এই পদক্ষেপ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থেই এই স্ক্রিনিং প্রক্রিয়া জোরদার করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি যদি অতীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উগ্রবাদ বা আইনবিরোধী কোনো কাজে লিপ্ত থেকে থাকেন, তবে তার ভিসা আবেদন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে। ভিসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ৩০ মার্চের পর যারা আবেদন করবেন, তাদের অবশ্যই গত ৫ বছরের ডিজিটাল ফুটপ্রিন্ট সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য গোপন করলে তা স্থায়ীভাবে ভিসা প্রত্যাখ্যাত হওয়ার কারণ হতে পারে। এছাড়া ইমেইল অ্যাড্রেস এবং ফোন নম্বর প্রদানের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নিয়ম চালুর ফলে ভিসা প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং অনলাইন প্রোফাইল গুছিয়ে আবেদন করার পরামর্শ দিচ্ছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

Advertisement

আমেরিকা

View more
ট্রাম্পের পেছনে দুই ছেলে এরিক ট্রাম্প এবং ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র। ছবি: সংগৃহীত
বিটকয়েনে বড় বিনিয়োগে ট্রাম্প পরিবারের ক্ষতি প্রায় এক বিলিয়ন ডলার

ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজারে বড় ধরনের বিনিয়োগ করে উল্লেখযোগ্য ক্ষতির মুখে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিবার। এক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিটকয়েনে বিনিয়োগের ফলে প্রায় এক বিলিয়ন ডলার লোকসান হয়েছে তাদের।   ফোর্বস সাময়িকীর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত এক বছরে বাজারের অস্থিরতা এবং বিনিয়োগসংক্রান্ত কিছু ভুল সিদ্ধান্তের কারণে এই ক্ষতি হয়েছে। ট্রাম্পের দুই ছেলে—এরিক ট্রাম্প ও ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়রের নেতৃত্বে পরিবারটি ক্রিপ্টোকারেন্সিতে বড় পরিসরে বিনিয়োগ করে।   তাদের প্রত্যাশা ছিল, ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে উচ্চ অবস্থানে থাকা বিটকয়েনের দাম বছর শেষে আরও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে। এই ধারণার ভিত্তিতে তারা নিজেদের একটি প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও রূপান্তরযোগ্য ঋণপত্র বিক্রি করে বিপুল অর্থ বিটকয়েনে বিনিয়োগ করে।   শুরুর দিকে বাজার তাদের অনুকূলে থাকলেও পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি পাল্টে যায়। কয়েক মাসের মধ্যে বিটকয়েনের দাম দ্রুত কমে গেলে বিনিয়োগের মূল্যও কমতে থাকে। ফলে কোম্পানির ক্রিপ্টো সম্পদের মোট মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়।   ক্ষতি কমানোর জন্য পরবর্তীতে বিনিয়োগের একটি অংশ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা হলেও তাতে বড় ধরনের প্রভাব পড়েনি। এরপর সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার ঘোষণার পর বাজারে আরও চাপ তৈরি হয় এবং বিটকয়েনের দাম আবারও কমে যায়।   বর্তমানে বিটকয়েনের দর আগের তুলনায় অনেক নিচে অবস্থান করায় ট্রাম্প পরিবারের বিনিয়োগের মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। বিশ্লেষণ অনুযায়ী, শুরুতে যে পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করা হয়েছিল, তার তুলনায় প্রায় এক বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয়েছে।   এ ছাড়া অতিরিক্ত মূল্যবৃদ্ধির প্রত্যাশার কারণে ব্যক্তিগত বিনিয়োগ থেকেও বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন তারা। তবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বিনিয়োগ দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ এবং স্বল্পমেয়াদি বাজার ওঠানামার ভিত্তিতে এর সাফল্য বা ব্যর্থতা মূল্যায়ন করা ঠিক নয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র–ইরান যুদ্ধবিরতিতে লেবানন অন্তর্ভুক্ত নয়: হোয়াইট হাউস

ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় মার্কিন অভিনে ম্যাথিউ পেরি মৃত্যু রহস্য: সাজা পাচ্ছেন ‘কেটামিন কুইন’

ছবি: সংগৃহীত

‘প্রস্তর যুগ’ থেকে ‘স্বর্ণযুগ’: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির নেপথ্যে উত্তেজনাকর সেই শেষ মুহূর্তগুলো

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প | ছবি: রয়টার্স
ইরানের সঙ্গে ‘খুব শিগগিরই’ সরাসরি বৈঠকে বসছে যুক্তরাষ্ট্র

দীর্ঘ ছয় সপ্তাহের সংঘাতের অবসানে বড় অগ্রগতি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ‘খুব শিগগিরই’ সরাসরি বৈঠকে বসতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক পোস্ট-কে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প এই তথ্য নিশ্চিত করেন। পাকিস্তানের ইসলামাবাদে এই ঐতিহাসিক বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানা গেছে।   সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “এটি খুব শিগগিরই ঘটবে, আসলে—খুব দ্রুতই এটি সম্পন্ন হতে যাচ্ছে।” তবে সম্ভাব্য এই শান্তি আলোচনায় নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স উপস্থিত না-ও থাকতে পারেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। ট্রাম্পের প্রতিনিধি দলে তাঁর বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জামাতা জ্যারেড কুশনারের থাকার কথা রয়েছে। ট্রাম্প জানান, নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়টি বর্তমানে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে।   প্রতিবেদনে জানানো হয়, যুদ্ধ বন্ধে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফসহ ট্রাম্পের মধ্যস্থতাকারী দল পাকিস্তানের নেতাদের সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করছেন। আগামী শুক্রবার ইসলামাবাদে এই বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছে পাকিস্তান। এর আগে মঙ্গলবার সংঘাত নিরসনে ইরানের দেওয়া ১০ দফা প্রস্তাবকে স্থায়ী চুক্তির একটি সম্ভাব্য রূপরেখা হিসেবে গ্রহণ করেছেন ট্রাম্প। যদিও বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই প্রস্তাবের কিছু দাবি বাস্তবায়ন করা বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে।   যুদ্ধের চূড়ান্ত সমাপ্তি এখন মূলত দুটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করছে। প্রথমত, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ থেকে ইরানের টোল আদায়ের পরিকল্পনা এবং দ্বিতীয়ত, ইরানের মাটির নিচে লুকানো সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এই জটিল বিষয়গুলোর সমাধান মিললেই দীর্ঘস্থায়ী শান্তি চুক্তির পথ সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্ট এপ্রিল ৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনসহ নিহত ৪

ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কে জীবনযাত্রার ব্যয় সামলাতে পারছে না ৬২ শতাংশ বাসিন্দা

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী বাংলাদেশি যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
স্যাংচুয়ারি সিটিতে আন্তর্জাতিক যাত্রী প্রক্রিয়াকরণ বন্ধের হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতি নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতিতে সহযোগিতা না করলে তথাকথিত ‘স্যাংচুয়ারি সিটি’গুলোর প্রধান বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক যাত্রীদের কাস্টমস প্রক্রিয়াকরণ বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটির হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ।   মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) নর্থ ক্যারোলিনায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি মার্কওয়েইন মুলিন এ সতর্কবার্তা দেন। তিনি বলেন, কোনো শহর যদি ফেডারেল অভিবাসন আইন কার্যকর করতে অস্বীকৃতি জানায়, তাহলে সেই শহরের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক যাত্রী প্রক্রিয়াকরণ চালিয়ে যাওয়ার যৌক্তিকতা নেই।   তবে এখনো এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানান তিনি। বিষয়টি নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর সঙ্গে আলোচনা করা হবে বলেও উল্লেখ করেন মুলিন।   এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি বড় শহর মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বিচার বিভাগের তালিকা অনুযায়ী, স্যাংচুয়ারি সিটির মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক সিটি, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো, সান ফ্রান্সিসকো, সিয়াটল, ডেনভার, ফিলাডেলফিয়া এবং নিউয়ার্ক। এসব শহরের বিমানবন্দরগুলো যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক যাত্রী পরিবহনের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে বিবেচিত।   বিশেষ করে নিউইয়র্কের তিনটি বড় বিমানবন্দর দিয়েই বছরে পাঁচ কোটির বেশি আন্তর্জাতিক যাত্রী চলাচল করে, ফলে সেখানে প্রক্রিয়াকরণ বন্ধ হলে বাণিজ্য ও পর্যটন খাতে বড় ধাক্কা লাগতে পারে।   এদিকে, সামনে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ ঘিরে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। আন্তর্জাতিক যাত্রী চলাচলে বাধা তৈরি হলে এই বৈশ্বিক আসরের আয়োজনেও বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।   হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ জানিয়েছে, কংগ্রেসে অর্থায়ন নিয়ে চলমান অচলাবস্থার কারণেও এই বিকল্পটি বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন অভিযান জোরদার করতে অতিরিক্ত বাজেট অনুমোদন নিয়ে ডেমোক্র্যাটদের আপত্তির প্রেক্ষাপটেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।   মুলিন দাবি করেন, স্যাংচুয়ারি সিটিগুলোর অভিবাসন আইন প্রয়োগে অনীহা ফেডারেল আইনের পরিপন্থী এবং তা অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৮, ২০২৬ 0
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প । ছবি সংগৃহীত

‘যুক্তরাষ্ট্রের বিজয়’

ফাহিম হালিম

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল প্রবাসী বাংলাদেশি ফাহিম হালিমের, পরিবারে নেমেছে শোকের ছায়া

ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্পের হাতে পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের প্রস্তাব, আসছে বড় ঘোষণা

0 Comments