রাজনীতি

হাসনাত-নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর পর এবার সারজিসের স্ট্যাটাস ভাইরাল

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬ 0
হাসনাত-নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর পর এবার সারজিসের স্ট্যাটাস ভাইরাল
হাসনাত-নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর পর এবার সারজিসের স্ট্যাটাস ভাইরাল

কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও এনসিপির প্রধান সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম—তিন নেতার ফেসবুক স্ট্যাটাস নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

 

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) তারা প্রত্যেকে নিজ নিজ ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে আলাদা পোস্ট দেন। প্রকাশের পরপরই সেগুলো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং নেটিজেনদের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

 

ইফতারের কিছুক্ষণ পর সন্ধ্যা ৬টা ১৬ মিনিটে হাসনাত আবদুল্লাহ একটি সংক্ষিপ্ত স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি লেখেন, “ইনকিলাব জিন্দাবাদ।” মাত্র দুটি শব্দের এই পোস্ট মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। সমর্থকরা যেমন সমর্থন জানান, তেমনি সমালোচকরাও বিভিন্ন মন্তব্য করেন।

 

এরপর সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজের ফেসবুক আইডিতে লেখেন, “ইনকিলাব জিন্দাবাদ! ✊ চাঁদাবাজ মুর্দাবাদ! 🚫।” পোস্টটি প্রকাশের পর ব্যাপক সাড়া পড়ে। এতে আড়াই লাখেরও বেশি প্রতিক্রিয়া, ২১ হাজারের বেশি মন্তব্য এবং প্রায় ৮ হাজার শেয়ার হয়েছে।

 

একই দিন রাত ৮টা ১০ মিনিটের দিকে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলমও একটি স্ট্যাটাস দেন। তিনি লেখেন, “যে স্লোগান স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছে, সেই স্লোগান তাদের উত্তরসূরিদের জন্য ভয়ের কারণ হবেই।”

 

তার পোস্টেও বিপুল সাড়া পাওয়া যায়। এতে দেড় লাখের কাছাকাছি প্রতিক্রিয়া, ১৬ হাজারের বেশি মন্তব্য এবং প্রায় আড়াই হাজার শেয়ার হয়েছে।

 

তিন নেতার ধারাবাহিক এই পোস্ট সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Advertisement

রাজনীতি

View more
আলোচনায় জামায়াতের যেসব নারী প্রার্থী
আলোচনায় জামায়াতের যেসব নারী প্রার্থী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের গেজেট প্রকাশের পর সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনের বণ্টন নিয়ে রাজনৈতিক আলোচনায় নতুন রঙ দেখা দিয়েছে।   বর্তমান সংসদে প্রাপ্ত আসনের আনুপাতিক হিসাব অনুযায়ী, বিএনপি ও তাদের মিত্ররা সম্ভাব্যভাবে ৩৫টি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে পারে। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট পেতে পারে ১৩টি আসন, যার মধ্যে জামায়াত এককভাবে ১১টি আসনের প্রার্থী দিতে পারবে।   জামায়াতের সম্ভাব্য নারী প্রার্থীদের তালিকা নিয়ে দলীয় ফোরামে আলোচনা শুরু হয়েছে। সূত্রে জানা গেছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নীতিনির্ধারণী ফোরামে হবে। প্রার্থী বাছাইয়ে মেধা, যোগ্যতা, সংগঠনের দায়িত্ব, অভিজ্ঞতা এবং পরিবারের ত্যাগকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।   দলীয় শীর্ষ নেতা জানান, জোট টিকিয়ে রাখার কৌশলগত বিষয়ও এ সময়ে গুরুত্বপূর্ণ, তাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত বিস্তারিত প্রকাশ করা সম্ভব নয়।   আইন অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য ভোট দেবেন নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। প্রতিটি দল বা জোট তাদের প্রাপ্ত সাধারণ আসনের অনুপাতে প্রার্থী মনোনয়ন দিতে পারবে। একক প্রার্থী থাকলে ভোট নেওয়ার প্রয়োজন হবে না; তবে একাধিক প্রার্থী থাকলে সর্বোচ্চ ভোটপ্রাপ্তরা নির্বাচিত হবেন। একটি আসন পেতে ছয়জন নির্বাচিত সংসদ সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন।   জামায়াতের আলোচনায় থাকা সম্ভাব্য নারী প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি অধ্যাপিকা নুরুন্নিসা সিদ্দিকা, বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী ও শিক্ষক প্রকৌশলী মারদিয়া মমতাজ, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ডা. আমিনা বেগম রহমান, কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য শাহান আরা বেগম এবং সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ও মহিলা বিভাগের সহকারী সেক্রেটারি ব্যারিস্টার সাবিকুন্নাহার মুন্নী।   এর বাইরে আলোচনায় রয়েছেন সাঈদা রুম্মান, খন্দকার আয়েশা খাতুন, ডা. হাবিবা চৌধুরী সুইট, কাজী মারিয়া ইসলাম বেবি, রাবেয়া খানম, ডা. শিরিন আক্তার রুনা, তানহা আজমি, নার্গিস খান, কানিজ ফাতেমা, সেলিনা আক্তার ও আয়েশা সিদ্দিকা পারভীন।   অধ্যাপিকা নুরুন্নিসা সিদ্দিকা বলেন, “নারীরা দলের আমির হতে না পারলেও সংরক্ষিত নারী আসনে যোগ্যদের মনোনয়ন দেওয়া হবে।”   দলীয় সূত্র জানায়, জামায়াতে ইসলামীর মোট সদস্য সংখ্যা এক লাখের বেশি, যার মধ্যে ৫৭ শতাংশ পুরুষ ও ৪৩ শতাংশ নারী। মহিলা বিভাগের সদস্যসংখ্যা প্রায় অর্ধলাখ এবং দেশে প্রায় চার লাখ কর্মী ও অসংখ্য সহযোগী সদস্য রয়েছে। এদের মধ্যে বিপুলসংখ্যক নারী রয়েছে, যারা ইসলামি ও আধুনিক জ্ঞান সমৃদ্ধ।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬ 0
ভোরবেলার স্ট্যাটাস ঘিরে অনলাইনে তুমুল প্রতিক্রিয়া

ভোরবেলার স্ট্যাটাস ঘিরে অনলাইনে তুমুল প্রতিক্রিয়া

হাসনাত-নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর পর এবার সারজিসের স্ট্যাটাস ভাইরাল

হাসনাত-নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর পর এবার সারজিসের স্ট্যাটাস ভাইরাল

ছবি: সংগৃহীত

নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাদের হামলায় বিএনপির ৫ নেতাকর্মী আহত

ছবি: সংগৃহীত
বেকারত্ব বাড়াচ্ছে বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা -শিক্ষামন্ত্রী

বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা প্রত্যাশিত কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ব্যর্থ হচ্ছে এবং উল্টো বেকারত্ব বাড়িয়ে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, শিক্ষা বেকার তৈরির জন্য নয়; বরং দক্ষ মানবসম্পদ ও কর্মসংস্থানের প্রধান মাধ্যম হিসেবে শিক্ষাব্যবস্থাকে এখনই পুনর্গঠন করা জরুরি।   শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ঢাকার মিরপুরে প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে (পিটিআই) আয়োজিত এক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।   শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “যে শিক্ষাব্যবস্থা কর্মসংস্থানের সাথে সামঞ্জস্য রাখতে পারে না, তা অর্থহীন। আমাদের প্রচলিত ধারা থেকে বেরিয়ে এসে কর্মমুখী ও যুগোপযোগী শিক্ষা কাঠামো গড়ে তুলতে হবে। নতুন কলেজ বা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে বাজারের চাহিদা ও বাস্তব কর্মসংস্থানের ওপর। কেবল আবেগ দিয়ে নয়, প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও পাঠ্যসূচি অনুমোদিত হবে।”   শিক্ষাক্ষেত্রে নৈতিকতা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করে ড. মিলন বলেন, “কেবল আর্থিক দুর্নীতি নয়, নৈতিক অবক্ষয়ও আমাদের বড় শত্রু। কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়ে সরকারের কোষাগার থেকে অর্থ নেবে, অথচ শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা দিতে পারবে না—এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। জনগণের ট্যাক্সের পয়সার প্রতিটি হিসাব আমাদের নিশ্চিত করতে হবে।”   ভাষা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বাংলা আমাদের আবেগ ও অস্তিত্বের প্রধান বাহন। একুশের চেতনাকে রাষ্ট্রীয় ও কর্মজীবনের প্রতিটি স্তরে বাস্তবায়ন করতে হবে। তবে একই সাথে বিশ্বায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে ইংরেজি ও অন্যান্য বিদেশি ভাষায় দক্ষতা অর্জনকে তিনি অপরিহার্য বলে অভিহিত করেন। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা রক্ষা ও বিকাশেও সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে তিনি জানান।   অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানার সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। আলোচকরা একটি দক্ষ ও মেধাবী প্রজন্ম গড়তে শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬ 0
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম

বহুভাষা ও বহুসংস্কৃতির বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে: নাহিদ ইসলাম

জেলা জামায়াতে ইসলামীর আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজা

শুধু রমজান এসেছে বলেই মাথায় টুপি তুলবেন না : আমির হামজা

পাট, বস্ত্র, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির

দেশের রপ্তানি বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে ভারত: বাণিজ্যমন্ত্রী

তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রথমবারের দায়িত্ব পালন শুরু করলেন তারেক রহমান
তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রথমবারের দায়িত্ব পালন শুরু করলেন তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো তেজগাঁও কার্যালয়ে দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করেছেন। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।   শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০:১০ মিনিটে তিনি কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। সেখানে তাকে স্বাগত জানান মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।   নিজের অফিস ভবনে প্রবেশের আগে, তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সরকারের সময় দায়িত্বপালন করা কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এর ফলে কার্যালয়ের পরিবেশ ছিল উৎসবমুখর।   প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় চত্বরে একটি ‘স্বর্ণচাঁপা’ ফুলের চারা রোপণ করেন। বৃক্ষরোপণের পর তিনি মহান আল্লাহর দরবারে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0
মুফতি আমির হামজা

৭৯ জন মিলে ২১১ জন সংসদ সদস্যকে তীরের মতো সোজা করে রাখবো : আমির হামজা

ছবি: সংগৃহীত

বিএনপি নেতাকর্মীদের বাধায় শ্রদ্ধা জানাতে পারলেন না ব্যারিস্টার রুমিন

ছবি: সংগৃহীত

মসজিদে ঢুকে নামাজরত ছাত্রশিবির নেতাকে পিটিয়ে জখম

0 Comments