জাতীয়

অনুমতি ছাড়া অন্য পেশায় যুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, কোনো শিক্ষক অনুমতি ছাড়া অন্য পেশায় যুক্ত থাকলে তদন্তের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিক্ষকদের মূল দায়িত্ব শিক্ষার্থীদের পাঠদান ও শিক্ষার মান উন্নয়ন নিশ্চিত করা, এবং এই দায়িত্বে অবহেলা বরদাশত করা হবে না।

 

শুক্রবার চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দায়িত্বে অবহেলা, অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়ার পর গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন বা অন্যান্য মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করে সত্যতা প্রমাণ হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শিক্ষার পরিবেশ সুরক্ষিত রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

 

মন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। তিনি জানান, বিগত সরকার পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ দেননি। দুই-চার মাসের মধ্যে নতুন শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।

 

সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান রাসেল, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আবু নাছির, ওসি বোরহান উদ্দিনসহ উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা। শিক্ষামন্ত্রীর আগমনে উপজেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নেতারা ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Advertisement

জাতীয়

View more
পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।
ফিলিস্তিনি ভূমি দখলের নতুন আইনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের তীব্র প্রতিবাদ: খলিলুর রহমান

বাংলাদেশ ফিলিস্তিনের অধিকৃত ভূখণ্ডে ইসরায়েল সরকারের নতুন ভূমি ক্রয় আইনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এই আইনকে আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন ও ফিলিস্তিনি ভূমি দখলের নতুন রূপ হিসেবে অভিহিত করেছেন।   শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত ওআইসি নির্বাহী কমিটির জরুরি সভায় বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেন খলিলুর রহমান। তিনি জানান, ইসরায়েল সরকার একটি বিতর্কিত পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে, যেখানে ফিলিস্তিনি ভূমির মালিকানা প্রমাণ করতে ব্যর্থ হলে পশ্চিম তীরের এলাকা ‘রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি’ হিসেবে ঘোষণা করা হবে।   পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, "আল কুদস আল শরিফসহ ফিলিস্তিনি ভূমির বৈশিষ্ট্য পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে ইসরায়েল এই আইন এনেছে। এর ফলে ভূমি মালিকদের ভয়ভীতি ও হয়রানির মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে, যা গ্রহণযোগ্য নয়।" তিনি জোর দিয়ে বলেন, ১৯৬৭ সালের আগের সীমানা ও পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাই একমাত্র টেকসই সমাধান।   খলিলুর রহমান গাজা উপতাকায় অবিলম্বে ও স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধের দাবি জানান এবং সেখানে আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর জন্য নিঃশর্ত ও বাধাহীন প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, পররাষ্ট্র সচিব এম ফরহাদুল ইসলাম ও ওআইসিতে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি এম জে এইচ জাবেদ।   বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিনিদের ন্যায়সঙ্গত অধিকারের পক্ষে বিশ্বমঞ্চে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বনানীতে শিশুদের সঙ্গে সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী

সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ।

২০২৮ সালের মধ্যে ঢাকার সব খাল উদ্ধারের ঘোষণা প্রতিমন্ত্রীর

ছবি: সংগৃহীত

অনুমতি ছাড়া অন্য পেশায় যুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী
নাজুক অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে কর বাড়ানোর বিকল্প নেই: অর্থমন্ত্রী

দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে উঠতে এবং স্থবিরতা কাটাতে রাজস্ব আদায় বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।  শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় প্রস্তাবিত একটি সরকারি হাসপাতালের নির্ধারিত জমি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, "দেশের নাজুক অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে কর বা ট্যাক্স বাড়ানো এখন সময়ের দাবি। রাজস্ব বৃদ্ধি ও নতুন নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্র তৈরির মাধ্যমেই কেবল কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব, যা বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।" তিনি আরও জানান, আসন্ন বাজেটে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থান—এই তিনটি খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে সরকার সব ধরনের প্রতিবন্ধকতা দূর করতে কাজ করছে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন। পতেঙ্গায় বিশেষায়িত হাসপাতাল পরিদর্শনে মন্ত্রী বিকেল ৩টার দিকে মন্ত্রী পতেঙ্গা থানাধীন জেলে পাড়া এলাকায় মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন প্রায় ১৭ একর জমি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। বাংলাদেশ নৌবাহিনী কর্তৃক অধিগ্রহণকৃত এই জমিতে একটি আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পরিদর্শনকালে কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চল রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. মঈনুল হাসান মন্ত্রীকে প্রস্তাবিত প্রকল্পের ভৌগোলিক অবস্থান ও অবকাঠামোগত সুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত ব্রিফ করেন। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম মহানগরের স্বাস্থ্যসেবা খাতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ সময় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ), জেলা প্রশাসন, নৌবাহিনীর পদস্থ কর্মকর্তা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।

সীমান্তবর্তী নদী ইস্যুতে সামনে সুখবর আসছে: প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ

ছবি: সংগৃহীত

প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকিকে গার্ড অব অনারে যাওয়ার পথে পুলিশের গাড়ি উল্টে আহত ৮

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।

সব অপরাধীকে আইনের আওতায় আনার ঘোষণা পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত
যথাসময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর: মির্জা ফখরুল

বর্তমান সরকার গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, সে লক্ষ্যেই যথাসময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।   শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঠাকুরগাঁও শহরের হাজীপাড়া হাফেজিয়া মাদ্রাসার বহুতল ভবনের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।   মন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে তৃণমূল পর্যায় থেকেই কাজ শুরু হয়েছে। দেশের বর্তমান পরিস্থিতি স্থিতিশীল এবং উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রয়েছে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সমুন্নত রাখাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পর আগের তুলনায় দেশের পরিস্থিতি অনেক ভালো হয়েছে।   পুলিশ হত্যার তদন্ত প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।   নিজ আসনের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁওবাসীর অব্যাহত সমর্থনে তিনি সেবা করার সুযোগ পেয়েছেন এবং এই ভালোবাসার কাছে তিনি ঋণী।   অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীন, স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
মাদারীপুরের এক পথসভায় বক্তব্য দেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। আজ শুক্রবার। ছবি: সংগৃহীত

মানুষ আর খবরদারির রাজনীতি চায় না: নুরুল হক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

১০ মার্চ বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু

ভূমি সেবায় আধুনিক ‘ওয়ান স্টপ সার্ভিস’ চালুর ঘোষণা ভূমিমন্ত্রীর

0 Comments