জাতীয়

শিশু ও কিশোরী হত্যা-ধর্ষণে স্তম্ভিত জাতি: ডা. শফিকুর রহমান

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত
জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর শিশু তাহিয়া থেকে শুরু করে নরসিংদী ও হাজারীবাগের কিশোরী—পরপর ঘটে যাওয়া বীভৎস নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। 


শুক্রবার এক বিবৃতিতে তিনি অভিযোগ করেন, অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করার পরিবর্তে প্রভাবশালী মহল ধর্ষকদের রক্ষাকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে, যা একটি সভ্য সমাজের জন্য চরম অবমাননাকর।


বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, "৬ বছর বয়সী শিশু তাহিয়াকে পাশবিক নির্যাতনের পর হত্যা, নরসিংদীতে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হাজারীবাগের স্কুলছাত্রী হত্যার ঘটনাগুলো পুরো জাতিকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। এসব অপরাধে নগ্ন রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা এবং প্রশাসনের চরম শৈথিল্য আমাদের শঙ্কিত করে।"


ডা. শফিকুর রহমান প্রশ্ন তোলেন, কার ইশারায় শিশু তাহিয়ার হত্যাকাণ্ডকে ‘দুর্ঘটনা’ হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে? তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে মামলা তুলে নিতে হুমকি দেওয়া হচ্ছে এবং এলাকা ছাড়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, "দলীয় পদবি ব্যবহার করে নিপীড়কদের রক্ষা করা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির পরিপন্থী।"


বিবৃতিতে উত্থাপিত প্রধান দাবিগুলো:


অবিলম্বে সকল অপরাধীকে আইনের আওতায় এনে স্বচ্ছ তদন্ত নিশ্চিত করা।


দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মাধ্যমে ইনসাফ কায়েম করা।


ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর নিরাপত্তা, চিকিৎসা ও আইনি সহায়তা নিশ্চিত করা।


বিবৃতির শেষে তিনি নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, "ইনসাফের প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না; আমরা মজলুমের পাশে আছি এবং থাকবো।"

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো প্রকাশ: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বণ্টনের খসড়া তালিকা

ঢাকা: দেশের সম্ভাব্য নতুন সরকার গঠনকে সামনে রেখে প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো সংবলিত একটি আনুষ্ঠানিক কমিউনিক্যে প্রকাশিত হয়েছে। এতে রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টনের একটি খসড়া তালিকা তুলে ধরা হয়েছে।   কমিউনিক্যে বলা হয়েছে, এটি সরকারি নথি ও আনুষ্ঠানিক রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা একটি প্রস্তাবিত কাঠামো, যেখানে প্রতিষ্ঠিত সরকারি প্রোটোকল অনুযায়ী সম্ভাব্য নিয়োগ ও দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।   প্রস্তাবিত দায়িত্ব বণ্টন অনুযায়ী—     •    রাষ্ট্রপতি: ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন     •    জাতীয় সংসদের স্পিকার: অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন / নিতাই রায় চৌধুরী     •    প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী: তারেক রহমান      •    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর     •    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সালাহউদ্দিন আহমেদ প্রতিমন্ত্রী: শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (অ্যানি)     •    পররাষ্ট্রমন্ত্রী: আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী: ড. হুমায়ুন কবির     •    অর্থমন্ত্রী: ড. এ. বি. মির্জা আজিজুল ইসলাম / ড. রেজা কিবরিয়া (তালিকায় উল্লেখিত অনুযায়ী)     •    শিক্ষামন্ত্রী: আনাম এহসানুল হক মিলন, প্রতিমন্ত্রী: সাঈদ আল নোমান     •    আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী: মো. আসাদুজ্জামান     •    তথ্যমন্ত্রী: আন্দালিব রহমান পার্থ, প্রতিমন্ত্রী: ড. মাহদি আমিন     •    পরিকল্পনামন্ত্রী: ড. আব্দুল মঈন খান     •    বাণিজ্যমন্ত্রী: আব্দুল মুক্তাদির     •    শিল্পমন্ত্রী: আব্দুল আউয়াল মিন্টু     •    নৌপরিবহন মন্ত্রী: মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ     •    শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী: নজরুল ইসলাম খান     •    পানি সম্পদ মন্ত্রী: আসাদুল হাবিব দুলু     •    মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী: ফজলুর রহমান     •    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী: আমানউল্লাহ আমান     •    সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী: জোনায়েদ সাকি     •    স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী: ড. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন     •    যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী: আলী আজগর লবি     •    ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী: শামীম কায়সার লিংকন     •    বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী: আলতাফ হোসেন চৌধুরী     •    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী: ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু     •    কৃষিমন্ত্রী: শামসুজ্জামান দুদু     •    গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী: মির্জা আব্বাস     •    ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী: নুরুল হক নুর     •    রেলপথমন্ত্রী: গয়েশ্বর চন্দ্র রায়     •    জনপ্রশাসন মন্ত্রী: ড. ইসমাইল জাবিউল্লাহ     •    সমাজকল্যাণ মন্ত্রী: রুহুল কবির রিজভী     •    পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী: দীপেন দেওয়ান   কমিউনিক্যে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এটি একটি প্রস্তাবিত মন্ত্রিসভার কাঠামো—চূড়ান্ত ঘোষণা, নিয়োগ এবং শপথ গ্রহণ সংবিধান ও রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী সম্পন্ন হবে।

Advertisement

জাতীয়

View more
ছবি: সংগৃহীত।
কোথায় থাকবেন বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াত আমির?

রাজধানীর অভিজাত মিন্টো রোডের ঐতিহাসিক ‘লাল বাড়ি’ খ্যাত ২৯ নম্বর বাসভবনটি আবারও ফিরে পাচ্ছে তার হারানো রাজনৈতিক জৌলুস। দীর্ঘ আড়াই দশক পর এই বাড়িতে উঠতে যাচ্ছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ইতিমধ্যে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে ভবনটি তাঁর নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।   ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও বর্তমান চিত্র ব্রিটিশ আমলে নির্মিত প্রায় আড়াই একর জায়গার ওপর এই দোতলা লাল ভবনটি বাংলাদেশের রাজনীতির বহু চড়াই-উতরাইয়ের সাক্ষী। ১৯৯১ সালে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা এবং ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এখানে অবস্থান করেছিলেন। তবে ২০০১ সালের পর থেকে দীর্ঘ ২৫ বছর এই বাসভবনটি কোনো বিরোধীদলীয় নেতার পদচারণায় মুখরিত হয়নি।   সংস্কার কাজ ও প্রস্তুতি দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় ভবনটি বর্তমানে জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, বর্তমানে বাড়ির রঙের ফিনিশিং ও রাস্তার কাজ চলছে। প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে এবং বাকি কাজ আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে সম্পন্ন করে এটি বসবাসের উপযোগী করা হবে।   রাজনৈতিক মহলের প্রতিক্রিয়া জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, সংসদীয় রীতি অনুযায়ী বিরোধীদলীয় নেতার জন্য এই বাড়িটি নির্ধারিত। দলের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার জানান, নিয়ম অনুযায়ী বরাদ্দ দেওয়া হলেও সেখানে ওঠার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দলীয় ফোরামে আলোচনার পর জানানো হবে। উল্লেখ্য, এর আগে বেগম রওশন এরশাদ, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এবং জিএম কাদের এই বাড়িটি বরাদ্দের আবেদন করলেও নানা কারণে তাদের এখানে থাকা হয়নি।   ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী নতুন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মিন্টো রোডের এই গুরুত্বপূর্ণ ভবনটি আবারও ক্ষমতার ভারসাম্যের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরাফাত ইবনে আব্দুল্লাহ ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
আইজিপি আলী হোসেন ফকির

জামিন পেলেও প্রতি সপ্তাহে হাজিরা দিতে হবে থানায়

জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

শিশু ও কিশোরী হত্যা-ধর্ষণে স্তম্ভিত জাতি: ডা. শফিকুর রহমান

মারধর ও নির্যাতনের ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ

ঢাবিতে দুই তরুণী ও এক যুবককে লাঠি-ঘুষি ও হেলমেট দিয়ে মারধরের ভয়ঙ্কর দৃশ্য

ছবি: সংগৃহীত।
গাজীপুরে যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিকাণ্ড

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বোর্ডবাজার এলাকায় এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় একটি যাত্রীবাহী বাস আগুনে ভস্মীভূত হয়েছে।  শুক্রবার সকাল ৭টা ৪০ মিনিটের দিকে টাঙ্গাইল থেকে ঢাকাগামী একটি বাসের সাথে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, মোটরসাইকেলটি বাসের নিচে ঢুকে গিয়ে রাস্তার সাথে প্রচণ্ড ঘর্ষণের সৃষ্টি হয়। এই ঘর্ষণ থেকেই স্ফুলিঙ্গ তৈরি হয়ে মুহূর্তের মধ্যে পুরো বাসে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার সময় বাসে থাকা যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও তারা দ্রুত নেমে যেতে সক্ষম হন। তবে দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক আহত হয়েছেন। ভোগড়া মডার্ন ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার হিরন মিয়া জানান, খবর পাওয়ার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রায় পৌনে এক ঘণ্টার নিরলস চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। অগ্নিকাণ্ডের ফলে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে কিয়ৎকাল যান চলাচল বিঘ্নিত হলেও পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় ক্ষতিগ্রস্ত বাসটি সরিয়ে নিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত।

পাকিস্তান-তালেবান সংঘাত কি শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে রূপ নেবে? যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ । ছবি: সংগৃহীত

লোডশেডিং কমলেও দেশের কাঁধে বকেয়া ঋণের বোঝা: বিদ্যুৎমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

মিরপুরে নির্মাণাধীন ভবনে আগুন

সরিষা ক্ষেত থেকে কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ছবিঃ সংগৃহীত
ধর্ষণের বিচার চাওয়ায় কিশোরীকে তুলে নিয়ে হত্যা, নরসিংদীতে গ্রেপ্তার ৫

নরসিংদীতে ধর্ষণের বিচার চাওয়ার জেরে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীকে বাবার কাছ থেকে তুলে নিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে নিহতের মা বাদী হয়ে মাধবদী থানা-এ মামলা করেন।   একই রাতে জেলা পুলিশ ও র‌্যাব-১১ সিপিএসসি নরসিংদীর যৌথ অভিযানে মাধবদীর কোতালীরচর হোসেন বাজার এলাকা থেকে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।   গ্রেপ্তাররা হলেন মো. এবাদুল্লাহ (৪০), মো. আইয়ুব (৩০), গাফফার (৩৪), মহিষাশুরা ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য আহাম্মদ আলী দেওয়ান (৬৫) এবং তাঁর ছেলে মো. ইমরান দেওয়ান (৩২)।   মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন জানান, মামলায় নয়জনকে আসামি করা হয়েছে। এজাহারভুক্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্যদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।   এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে মহিষাশুরা ইউনিয়নের কোতালীরচর দড়িকান্দী এলাকায় একটি সরিষা ক্ষেত থেকে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় আমেনা আক্তার (১৫) নামে কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।   স্বজনদের ভাষ্য, নিহতের বাবা আশরাফ হোসেন বরিশালের বাসিন্দা। কাজের সূত্রে তিনি স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে মাধবদীর বিলপাড় এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। প্রায় ১৫ দিন আগে স্থানীয় কয়েকজন যুবক মেয়েটিকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করা হয়।   গত বুধবার রাত ৯টার দিকে ভুক্তভোগীকে নিয়ে তার খালার বাড়ি যাচ্ছিলেন বাবা। বড়ইতলা এলাকায় পৌঁছালে কয়েকজন যুবক মেয়েটিকে বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেয়। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও না পেয়ে পরিবার বাড়ি ফিরে যায়। পরদিন সকালে সরিষা ক্ষেত থেকে কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিলুফা ইয়াসমিন ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬ 0
শনিবার সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবে

শনিবার সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবে

ছবি: সংগৃহীত

পচা ভাত খেয়েই সেহরি-ইফতার, তিন সন্তান নিয়ে দিশেহারা বিধবা আয়েশা

আমির হামজা ও তার ফেসবুক পোস্ট

সমালোচনার জবাবে খারাপ ভাষা ব্যবহার না করার অনুরোধ আমির হামজার

0 Comments