রাজনীতি

বিএনপির নির্বাচনি প্রোগ্রামগুলোতে নারী জাগরণ শুরু হয়েছে: মির্জা ফখরুল

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির নির্বাচনি কর্মসূচিতে নারীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ ও রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধির কথা তুলে ধরে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিএনপির নির্বাচনি প্রোগ্রামগুলোতে নারী জাগরণ শুরু হয়েছে। 

 

সোমবার বিকালে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের শিবগঞ্জ পারপুগী বিটবাজারে আয়োজিত এক নির্বাচনি পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

 

মির্জা ফখরুল বলেন, এটা আমাদের জন্য আনন্দের বিষয়। আমাদের মা–বোনেরা এখন অনেক বেশি সজাগ ও সচেতন হয়েছেন। বর্তমান দেশের জনসংখ্যার হিসাব অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে, নারীর সংখ্যা এখন পুরুষদের তুলনায় বেশি। আমাদের ঠাকুরগাঁও জেলাতেও পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা বেশি।

 

এ সময় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে সতর্কবার্তা দিয়ে তিনি বলেন, অতএব ভাইয়েরা সাবধান, ভালোভাবে কাজ করতে হবে। নারীদের এই জাগরণ ও অংশগ্রহণকে সম্মান জানিয়ে সবাইকে দায়িত্বশীলভাবে মাঠে কাজ করতে হবে।

 

পথসভায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিপুলসংখ্যক নারী ভোটারের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। সভা ঘিরে এলাকায় ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়।

 

মির্জা ফখরুল বলেন, আপনাদের এখানে আমি পরিচিত। আগেও নির্বাচন করেছি, ১৯৯১ সাল থেকে আমি নির্বাচন করছি। এখন পর্যন্ত আমি কিন্তু আপনাদের ছেড়ে কখনো যাইনি। হারি জিতি আমি কিন্তু নির্বাচন করেছি। এবার আবার আসছি; এবার একটু নতুন পরিস্থিতি। এবার আমাদের সামনে আওয়ামী লীগ নাই। নৌকাটা আছে’—এ কথা বলতেই উপস্থিত জনতা না-সূচক মন্তব্য করেন।

 

তখন মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ওই নৌকা না থাকাতে এখন আসছে একটা দাঁড়িপাল্লা। জামায়াতে ইসলাম তাই না?’

 

উপস্থিত সবাই আবারও হ্যাঁ-সূচক মন্তব্য করলে তিনি বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামকে কখনো আপনারা আগে দেখেছেন?’

 

তখন আবারও না-সূচক মন্তব্য এলে মির্জা ফখরুল বলেন, নতুন আসছে তাই না? নতুন আসছে এখন একটু শিখুক, মানুষের কাছে যাক। মানুষ তাকে দেখুক। আমরা তো বহুকাল ধরে আপনাদের সঙ্গে কাজ করতেছি।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের বিমানবাহী রণতরী কিছুই না; মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা

মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে।   ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে।   ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য।   আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে।   প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা

Advertisement

রাজনীতি

View more
ওডস টু আ বাংলাদেশ রিবর্ন সম্পাদনা তানজির রহমান অনিম নিউ বাংলাদেশ ফোরাম
বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পুনর্জাগরণ: অভ্যুত্থান থেকে নির্বাচনের পথে চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়, যখন অর্থনৈতিকভাবে হতাশা-গ্রস্ত তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্বে গণবিক্ষোভের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার ক্ষমতা পতিত হয়। এক দশকের বেশি সময় ধরে ক্রমেই সংকুচিত হওয়া রাজনৈতিক পরিসর এবং ভয়ভীতিনির্ভর শাসনের অবসান ঘটে। এই মুহূর্তটি শুধু বাংলাদেশের সীমার মধ্যে নয়, আন্তর্জাতিক পর্যায়েও গণতন্ত্রের প্রতি নতুন আশা জাগায়।   তবে গণতন্ত্র পুনর্গঠনের উচ্চ আশা এখন ফিকে হয়ে এসেছে। অভ্যুত্থানের পর সহিংসতা, ধর্মঘট, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের দুর্বলতা নতুন নেতৃত্বের পথে বড় প্রতিবন্ধকতা হিসেবে দেখা দিয়েছে।   নব্বইয়ের দশক থেকে বাংলাদেশের রাজনীতি আবর্তিত হয়েছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ এবং খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিএনপির তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার চারপাশে। একসময় ক্ষমতার শান্তিপূর্ণ হস্তান্তর সম্ভব হতো নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমে। তবে ২০১১ সালে এই ব্যবস্থা বাতিল হওয়ার পর থেকে নির্বাচনে অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি এবং প্রতিদ্বন্দ্বী দমন বেড়েছে।   নির্বাচনে এবার একটি নতুন প্রজন্মের ভোটার অংশগ্রহণ করছে। মোট ভোটারের প্রায় ৪৩% বয়স ১৮–৩৭ বছরের মধ্যে। জরিপে দেখা গেছে, তারা পুরনো দলীয় দ্বন্দ্বের চেয়ে আইনশৃঙ্খলা, চাকরি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও নিরপেক্ষ শাসন নিয়ে বেশি আগ্রহী।   ইসলামপন্থী রাজনৈতিক গোষ্ঠীও নতুন রাজনৈতিক শূন্যতার সুযোগে সক্রিয় হয়ে উঠেছে। জামায়াতে ইসলামী তাদের মধ্যপন্থী নীতি ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলার মাধ্যমে ভোটারের সমর্থন বাড়াচ্ছে, অন্যদিকে চরমপন্থী গোষ্ঠী নারীদের পর্দার বিধান কঠোর করা, ধর্ম অবমাননার জন্য মৃত্যুদণ্ড আরোপ এবং ইসলামি খেলাফত প্রতিষ্ঠার দাবি তুলেছে।   বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্কেও চ্যালেঞ্জ দেখা দিয়েছে। ভারতের সঙ্গে টানাপোড়েন এবং হিন্দু সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আন্তর্জাতিক সমালোচনার কারণ হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রেও নির্বাচন ও সরকারি সংস্থার স্বতন্ত্রতা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক মার্কিন গণতন্ত্রকে দুর্বল করার আশঙ্কা তৈরি করছে।   সাম্প্রতিকভাবে সুপ্রিম কোর্টের রায়ে ভবিষ্যতের নির্বাচনের জন্য আগের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল হবে বলে জানানো হয়েছে। তবে বৃহস্পতিবারের নির্বাচন এবং গণভোটের মাধ্যমে এটি কার্যকর হচ্ছে না। গণভোটে একটি নতুন জাতীয় সংবিধান প্রস্তাবিত হয়েছে, যা সুষ্ঠু নির্বাচন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং নির্বাহী ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা নিশ্চিত করবে।   তবে এই লক্ষ্য বাস্তবায়ন কঠিন। বিএনপি ও অন্যান্য দলগুলোর বিরোধিতা, আইন ও সাংবিধানিক সংশোধনের প্রয়োজন এবং দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক সহযোগিতা না থাকায় বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক পুনর্গঠন এখনই ঝুঁকিপূর্ণ। অভ্যুত্থানের পর অর্থনীতি দুর্বল এবং বৈশ্বিক পরিবেশ চ্যালেঞ্জপূর্ণ।   বাংলাদেশের অভ্যুত্থান আন্তর্জাতিকভাবে দেখিয়েছে যে স্বৈরশাসককে উৎখাত করা সম্ভব, কিন্তু রাষ্ট্রীয় কাঠামো দুর্বল হলে গণতন্ত্র পুনর্গঠন করা চ্যালেঞ্জিং এবং দীর্ঘমেয়াদি কাজ।   নিউইয়র্ক টাইমস

শাহারিয়া নয়ন ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন দলটির আমির শফিকুর রহমান। মগবাজার, ঢাকা। ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। ছবি: জামায়াতে ইসলামীর সৌজন্যে।

জামায়াতের হুঁশিয়ারি: নির্বাচনে বিশৃঙ্খলা বরদাশত করবে না যুবসমাজ

নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। ছবি: সংগৃহীত

নির্বাচনে ৫০ শতাংশ কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, সুষ্ঠু ভোটের জন্য অভূতপূর্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা: ইসি

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান

এককভাবে সরকার গঠনে আত্মবিশ্বাসী তারেক রহমান

মির্জা ফখরুলকে নিয়ে কাদেরের আবেগঘন পোস্ট

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে নিয়ে আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আব্দুল কাদের।    মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি মির্জা ফখরুলের ব্যক্তিত্ব, রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও ত্যাগের কথা তুলে ধরেন।   পোস্টে আব্দুল কাদের লিখেছেন—‘মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, একজন সজ্জন ব্যক্তি এবং নিপাট ভদ্রলোক, যা বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে বিরল। টুকটাক রাজনীতি সচেতন হওয়ার সুবাদে কৈশোর থেকে এই মানুষটাকে দেখে এসেছি, এই মানুষটার সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতি চর্চা, পরিশীলিত যুক্তিবোধ, পরীমিতিবোধ, মার্জিত বক্তব্য এবং ধৈর্যশীল মানসিকতা দেখে আমাদের একটা প্রজন্ম বড় হয়েছে। শিখেছে অনেক কিছু।   পেশাগত জীবনের শুরুটা মির্জা সাহেব শিক্ষকতা দিয়েই শুরু করেছেন। সেজন্যই হয়তো তিনি এমন চারিত্রিক গুণে গুণান্বিত এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ভিন্নমাত্রা যোগ করতে পেরেছেন। আশির দশকের শেষের দিকে জাতীয় রাজনীতিতে প্রবেশের পূর্বে তিনি শিক্ষকতা ছেড়ে দিয়েছেন। মানুষের সেবায় পরিপূর্ণভাবে আত্মনিয়োগ করেছেন।   মির্জা সাহেব সক্রিয় ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ পদধারী নেতাও ছিলেন। ঊনসত্তরের গণ অভ্যুত্থানের সময় তিনি আমাদের মতো ছাত্র নেতা ছিলেন, অভ্যুত্থানে ভূমিকা রেখেছেন। আমি আমার সহযোদ্ধাদের সঙ্গে আলাপচারিতায় প্রায় সময় মির্জা ফখরুল ইসলামের বিষয়টা টানি। ছাত্র রাজনীতি থেকে গড়ে উঠা একজন নেতা কীভাবে জাতীয় রাজনীতির জন্য আশীর্বাদ হয়ে উঠেন! যারা ছাত্ররাজনীতির মধ্য দিয়ে গড়ে উঠেন আর যারা সিজনাল পলিটিশিয়ান, ব্যবসায়ী-আমলা থেকে যারা জনপ্রতিনিধি বনে যান, তাদের মধ্যে রাত দিন ফারাক। জন সম্পৃক্ততা, জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা, আন্তরিকতা এবং সমানুভূতির জায়গাটা তাদের ক্ষেত্রে অনেকাংশেই কম। নেতৃত্বের ক্যাপাসিটি কম, জনকল্যাণের ভাবনাটাও কম তাদের। বিপরীতে মির্জা সাহেবের মতো সত্যিকারের ছাত্ররাজনীতি করে উঠে আসা ব্যক্তিরা গণমানুষের কল্যাণের রাজনীতিতে যোগ্য আস্থাভাজন এবং নেতৃত্ব প্রদানে সক্ষম।   শেখ হাসিনার আমলে ১২ সালের শেষের দিকে মির্জা ফখরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ময়লার গাড়ি ভাংচুরের মামলা দেওয়া হয়! কেমন খেলো একটা বিষয় না! তার হলফনামায় দেখলাম ৫০ টা মামলার কথা উল্লেখ আছে। হাসিনার দীর্ঘ স্বৈরাচারী শাসনামলে তিনি লড়াইটা জারি রেখেছেন, দলের হাল ধরে রেখেছেন। হয়তো তখন কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় সফলতা এনে দিতে পারেন নাই কিন্তু তার ত্যাগ তিতিক্ষার জায়গাটা আমাদের কাছে দৃশ্যমান ছিল।   চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তীতে, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য, নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করার জন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরদের মতো সজ্জন, ত্যাগী এবং অভিজ্ঞ প্রবীণদের খুব বেশি প্রয়োজন। আমরা আশা করব, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সর্বস্তরের জনগণ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবকে ভোটে জয় যুক্ত করে দেশের নতুন অগ্রযাত্রা, সুস্থ ধারার রাজনীতি চর্চার ধারাবাহিকতাকে সচল রাখবেন।’

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ময়মনসিংহে বিএনপিকে সমর্থন জানিয়েছে জাতীয় পার্টি

হাসপাতালে ভর্তি রুহুল কবির রিজভী

হাসনাতের আসন কুমিল্লা-৪ থেকে মনোনয়ন বাতিল হওয়া মঞ্জুরুল বিএনপি থেকে বহিষ্কার

এনসিপি নেতাদের ভোটকেন্দ্র ও ভোটদানের সময়সূচী প্রকাশ

জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর শীর্ষ নেতাদের ভোটকেন্দ্র ও ভোটদানের সময়সূচী প্রকাশ করা হয়েছে।   তালিকা অনুযায়ী, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ভোট দেবেন কেন্দ্র নম্বর ১৬২, এ.কে.এম রহমত উল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, বেরাইদ (ফকির খালি রোডের মাথা), বাড্ডা কেন্দ্রে।   সার্জিস আলম ভোট দেবেন বামনকুমার রাখালদেবীহাট হাইস্কুল কেন্দ্রে, ফাস্ট আওয়ারে, পঞ্চগড়।   সারোয়ার তুষার ভোট দেবেন ঘোড়াশাল পাইলট স্কুল কেন্দ্রে, সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে।   রংপুর-৪ আসনের প্রার্থী আখতার হোসেন ভোট দেবেন ভায়েরহাট সেন্টার ‘এ’ (টেপা মধুপুর), কাউনিয়া কেন্দ্রে। তিনি তার মাকে সঙ্গে নিয়ে ভোট দিতে যাবেন।   হাতিয়া থেকে এনসিপি নেতা আব্দুল হান্নান মাসুদ ভোট দেবেন বুড়িরচর শহীদ আলী আহমেদ মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে, সকাল ৮টায়।   আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ভোট দেবেন গবর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাইস্কুল, নিউমার্কেট কেন্দ্রে, সকাল ৯টায়।   কুমিল্লা-৪ আসনের প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ ভোট দেবেন গোপালনগর হাইস্কুল, ৩ নম্বর রসুলপুর ইউনিয়ন কেন্দ্রে। তিনি একদম প্রথমেই ভোট প্রদান করবেন।   ঢাকা-৯ আসনের প্রার্থী জাভেদ রাসিন ভোট দেবেন মারকাজুল উলুম মাদ্রাসা, ৭১ নম্বর ওয়ার্ড কেন্দ্রে, সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0

নির্বাচনে ভোট পড়তে পারে ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশ : ইসি আনোয়ারুল

বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর অভিযোগে ধানের শীষ প্রার্থীর অর্থদণ্ড

শাহজাহান চৌধুরী

ঋণ খেলাপিদের মনোনয়ন দেওয়া দলগুলোর লজ্জা হওয়া উচিত: শাহজাহান চৌধুরী

0 Comments