রাজনীতি

বিপুল পরিমাণ টাকাসহ আটক জেলা জামায়াত আমির, দল বলছে ‘ব্যক্তিগত অর্থ’

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিন প্রধান ও দলীয় লোগো
ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিন প্রধান ও দলীয় লোগো

নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থসহ ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির বেলাল উদ্দিন প্রধানকে আটক করা হয়েছে। আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা তাকে হেফাজতে নেন। নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে এই বিপুল অর্থ উদ্ধারের ঘটনা নিয়ে দেশজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

 

বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে ঢাকা থেকে সৈয়দপুর পৌঁছান বেলাল উদ্দিন প্রধান। নিয়মিত তল্লাশির সময় তার বহনকৃত হ্যান্ড ব্যাগ থেকে প্রায় ৬০ লাখ বাংলাদেশি টাকা পাওয়া যায়। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে এত বিশাল অঙ্কের নগদ অর্থ বহন করাকে সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তাকে তাৎক্ষণিক আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

 

এদিকে, এই আটকের ঘটনা ও অর্থ ব্যবহারের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রচারিত তথ্যকে সরাসরি ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমিরকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। তার কাছে থাকা অর্থ কোনোভাবেই নির্বাচনী কাজে ব্যবহারের জন্য ছিল না। তিনি মূলত একজন ব্যবসায়ী এবং এটি ছিল তার ব্যবসায়িক লেনদেনের টাকা।

 

নির্বাচনের মাত্র এক দিন আগে বড় অঙ্কের অর্থ উদ্ধারের এই ঘটনাটি স্থানীয় ও জাতীয় রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ ছড়িয়েছে। বর্তমানে আটককৃত নেতা ও উদ্ধারকৃত টাকার উৎস সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অধিকতর তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ
“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের বিমানবাহী রণতরী কিছুই না; মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা

মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন।   মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে।   ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে।   ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য।   আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে।   প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা

Advertisement

রাজনীতি

View more
ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিন প্রধান ও দলীয় লোগো
বিপুল পরিমাণ টাকাসহ আটক জেলা জামায়াত আমির, দল বলছে ‘ব্যক্তিগত অর্থ’

নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থসহ ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির বেলাল উদ্দিন প্রধানকে আটক করা হয়েছে। আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা তাকে হেফাজতে নেন। নির্বাচনের ঠিক আগমুহূর্তে এই বিপুল অর্থ উদ্ধারের ঘটনা নিয়ে দেশজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।   বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে ঢাকা থেকে সৈয়দপুর পৌঁছান বেলাল উদ্দিন প্রধান। নিয়মিত তল্লাশির সময় তার বহনকৃত হ্যান্ড ব্যাগ থেকে প্রায় ৬০ লাখ বাংলাদেশি টাকা পাওয়া যায়। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে এত বিশাল অঙ্কের নগদ অর্থ বহন করাকে সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তাকে তাৎক্ষণিক আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।   এদিকে, এই আটকের ঘটনা ও অর্থ ব্যবহারের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রচারিত তথ্যকে সরাসরি ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমিরকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। তার কাছে থাকা অর্থ কোনোভাবেই নির্বাচনী কাজে ব্যবহারের জন্য ছিল না। তিনি মূলত একজন ব্যবসায়ী এবং এটি ছিল তার ব্যবসায়িক লেনদেনের টাকা।   নির্বাচনের মাত্র এক দিন আগে বড় অঙ্কের অর্থ উদ্ধারের এই ঘটনাটি স্থানীয় ও জাতীয় রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ ছড়িয়েছে। বর্তমানে আটককৃত নেতা ও উদ্ধারকৃত টাকার উৎস সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অধিকতর তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
ওডস টু আ বাংলাদেশ রিবর্ন সম্পাদনা তানজির রহমান অনিম নিউ বাংলাদেশ ফোরাম

বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পুনর্জাগরণ: অভ্যুত্থান থেকে নির্বাচনের পথে চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন দলটির আমির শফিকুর রহমান। মগবাজার, ঢাকা। ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। ছবি: জামায়াতে ইসলামীর সৌজন্যে।

জামায়াতের হুঁশিয়ারি: নির্বাচনে বিশৃঙ্খলা বরদাশত করবে না যুবসমাজ

নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। ছবি: সংগৃহীত

নির্বাচনে ৫০ শতাংশ কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, সুষ্ঠু ভোটের জন্য অভূতপূর্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা: ইসি

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান
এককভাবে সরকার গঠনে আত্মবিশ্বাসী তারেক রহমান

দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন কাটিয়ে দেশে ফিরে ডয়চে ভেলেকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনীতি, নির্বাচন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।   নির্বাচন ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে তারেক রহমান: আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি জানান, সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য তারা প্রস্তুত। তবে দীর্ঘ প্রবাস জীবন থেকে ফেরার মাত্র ৫ দিনের মাথায় মাতৃহারা হওয়া এবং একই সাথে নির্বাচনের ডামাডোল সামলানোই ছিল তার জীবনের সবচেয়ে বড় ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ।   একক সরকার ও জোট রাজনীতি: জামায়াত বা অন্য কোনো দলের সঙ্গে ‘ঐক্যের সরকার’ গঠনের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়ে তারেক রহমান বলেন, "আমরা আত্মবিশ্বাসী যে জনগণের রায় নিয়ে বিএনপি এককভাবে সরকার গঠন করবে। একটি ভারসাম্যপূর্ণ রাষ্ট্রব্যবস্থার জন্য শক্তিশালী বিরোধী দল থাকা জরুরি, আর তাই সবাই সরকারে যোগ দিলে দেশ সঠিকভাবে চলবে না।"   পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় স্বার্থ: ভারত ও চীনের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে তিনি স্পষ্ট জানান, সম্পর্ক হবে জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে। বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষা হয় না—এমন কোনো চুক্তি বা সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমঝোতা করবে না বিএনপি। ‘গ্লোবাল ভিলেজ’-এর এই যুগে পারস্পরিক ব্যবসা-বাণিজ্য ও উন্নয়ন বজায় রেখেই এগিয়ে যেতে চান তারা।   নারী ক্ষমতায়ন ও সুরক্ষা: নারীদের জন্য তারেক রহমানের পরিকল্পনা বেশ সুদূরপ্রসারী। কেবল কিছু নমিনেশন দিয়ে নয়, বরং শিক্ষা ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতার মাধ্যমে নারীদের মূলধারায় আনতে চান তিনি। প্রান্তিক নারীদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং নারী শিক্ষার সুযোগ উচ্চতর পর্যায় পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। বিশেষ করে নারীদের নিরাপদ যাতায়াতের জন্য বড় শহরগুলোতে ‘নারী পরিচালিত ও শুধুমাত্র নারীদের জন্য ইলেকট্রিক বাস’ চালুর ঘোষণা দেন তিনি।   বিচার ও দুর্নীতি দমন: বিগত বছরগুলোতে গুম-খুনের শিকার পরিবারগুলোর জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানান তারেক রহমান। একই সাথে দুর্নীতি এবং রাজনৈতিক কারণে হওয়া ‘ব্যাংক ডিফল্ট’ বা ঋণখেলাপির মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরে তিনি বলেন, বিগত সরকারের আমলে প্রতিহিংসার শিকার হয়ে অনেক ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, যার বিচার হওয়া প্রয়োজন।

ইশতিয়াক মাহমুদ ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0

মির্জা ফখরুলকে নিয়ে কাদেরের আবেগঘন পোস্ট

ছবি: সংগৃহীত

ময়মনসিংহে বিএনপিকে সমর্থন জানিয়েছে জাতীয় পার্টি

হাসপাতালে ভর্তি রুহুল কবির রিজভী

হাসনাতের আসন কুমিল্লা-৪ থেকে মনোনয়ন বাতিল হওয়া মঞ্জুরুল বিএনপি থেকে বহিষ্কার

দলের সব পদ থেকে ইঞ্জি. মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি। আজ মঙ্গলবার রাতে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, 'দলীয় নীতি, আদর্শ এবং সংগঠন পরিপন্থী বক্তব্য ও কার্যকলাপের জন্য বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ইঞ্জি. মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীকে (বহিষ্কৃত) বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ দলীয় সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। জানা যায়, কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে ঋণখেলাপির দায়ে মনোনয়ন বাতিল হওয়া সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির সদ্য বহিষ্কৃত নেতা মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ছড়িয়ে পড়া ওই ভাইরাল ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে এবং ভোটাররা অন্য কোথাও ভোট দিলে তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। তাদের বাড়ি-ঘর পুড়িয়ে দেওয়া হবে। তবে মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর দাবি, ভিডিওটি কেটে বিকৃত করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর নিজের ফেসবুকেও পূর্ণাঙ্গ বক্তব্যের ভিডিওটি শেয়ার করা হয়েছে। ক্যাপশনে বক্তব্যের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, আমার সাম্প্রতিক একটি বক্তব্যের আংশিক অংশ কেটে শর্ট ক্লিপ তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হাসনাত আব্দুল্লাহ ও একটি স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এই বক্তব্যটি আমি আমার নিজ এলাকায়, আমার নিকট আত্মীয়দের সামনে ব্যক্তিগত আক্ষেপ থেকে বলেছিলাম। সেটিকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে একটি মহল আমাকে জড়িয়ে নোংরা রাজনীতিতে লিপ্ত হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

তাবাস্সুম ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0

এনসিপি নেতাদের ভোটকেন্দ্র ও ভোটদানের সময়সূচী প্রকাশ

নির্বাচনে ভোট পড়তে পারে ৬৫ থেকে ৭০ শতাংশ : ইসি আনোয়ারুল

বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর অভিযোগে ধানের শীষ প্রার্থীর অর্থদণ্ড

0 Comments