ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে আবারও রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। তবে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাজনৈতিক সহিংসতার খবর আসতে শুরু করেছে। অভিযোগ উঠেছে, ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই বিজয়ী দলের একদল নেতাকর্মী রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও ভিন্নমতের মানুষের ওপর চড়াও হচ্ছেন।
এই উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিএনপির নেতাকর্মীদের মাধ্যমে সংঘটিত বিভিন্ন হামলা, ভাঙচুর ও নাশকতার চিত্র জনসমক্ষে নিয়ে এসেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দলটির ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এক বিশেষ পোস্টের মাধ্যমে দেশব্যাপী হওয়া এই সহিংসতার বাস্তব খতিয়ান তুলে ধরা হয়। জামায়াতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, দেশের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় তাদের কর্মী-সমর্থকদের ওপর পরিকল্পিত হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা ঘটছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
আমেরিকা বাংলা পাঠকদের জন্য জামায়াতের ফেসবুক পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হল:
নির্বাচন শেষ হতে না হতেই দেশজুড়ে শুরু হয়েছে প্রতিহিংসার রাজনীতি। কুয়েট ভিসি থেকে শুরু করে সাধারণ শিক্ষার্থী, এমনকি রাজনৈতিক মিত্রদের ওপরও হামলার খবর আসছে। ১৩ ফেব্রয়ারি ২০২৬ তারিখে বিএনপির সহিংসতা ও হামলার একাংশ:
১. কুয়েট ভিসির ওপর ছাত্রদল কর্মীদের বর্বরোচিত হামলা।
২. দিনাজপুরে ছেলের রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে (জামায়াতের পোলিং এজেন্ট) বাবাকে মারধর ও বাড়ি পোড়ানোর হুমকি।
৩. পঞ্চগড়ে বিএনপি কর্মীদের হাতে সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি ও দোকানপাট ভাঙচুর; অনেকে আহত। অভিযোগ এনসিপির সার্জিস আলমের।
৪. বাগেরহাট-৪ আসনে আল-আমিন নামের এক যুবককে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়েছে।
৫. ফেনীর ফুলগাজীতে ছাত্রদল নেতার নেতৃত্বে জামায়াত নেতার দোকানে হামলা। ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার মুন্সীরহাটে জামায়াত কর্মীদের ৪ টি দোকান ভাংচুর করেছে স্থানীয় যুবদল নেতারা। এই ঘটনায় প্রশাসনের সাথে যোগাযোগের পর গণমাধ্যমে কথা বলছেন, ফেনী-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এডভোকেট এস এম কামাল উদ্দিন।
৬. নোয়াখালীর সেনবাগে জামায়াত নেতার ওপর ছাত্রদল কর্মীদের অতর্কিত হামলা।
৭. উখিয়ার করম মুহুরীপাড়ায় বিএনপি ক্যাডারদের হামলায় বেশ কয়েকজন রক্তাক্ত ও হাসপাতালে ভর্তি।
৮. কুড়িগ্রামে ভোট নিয়ে তর্কের জেরে জামায়াত নেতাকে কুপিয়ে জখম করেছে বিএনপি কর্মীরা।
৯. খুলনায় ঢাবি শিক্ষার্থীর বাড়িতে আগুন; মা-বোনকে পিটিয়ে আহত এবং শিক্ষার্থীকে জ-বা করে প্রাণনাশের হুমকি।
১০. পাটগ্রামে বিএনপি নেতাদের নেতৃত্বে বাড়িতে ঢুকে মালামাল লুটতরাজ।
১১. বরিশালে বাবার রাজনৈতিক (জামায়াত) পরিচয়ের জেরে ছেলের গাড়িতে ছাত্রদল কর্মীদের হামলা।
১২. চট্টগ্রামে সাবেক শিবির নেতার বাড়িতে বিএনপি নেতাদের হামলা ও ভাঙচুর।
১৩. চকরিয়ায় জামায়াত নেতার বাড়িতে বিএনপি ক্যাডারদের দফায় দফায় হামলা।
১৪. কুষ্টিয়ায় এনসিপি নেতার বাসভবনে বিএনপি কর্মীদের হামলা।
১৫. ফেনীতে বিএনপি প্রার্থীর জয়ের পর জামায়াত কর্মীদের বাড়িতে ব্যাপক হামলা।
১৬. সিরাজগঞ্জে জামায়াত আমিরের বাড়িতে বিএনপি নেতার নেতৃত্বে অগ্নিসংযোগ।
১৭. সন্দ্বীপে জামায়াত নেতাদের বাড়িতে বিএনপি নেতাদের হামলা।
১৮. দিরাই পৌরশহরে জামায়াত নেতার ওপর শারীরিক আক্রমণ।
১৯. বাগেরহাটে জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীদের ওপর হামলায় ২০ জন আহত।
২০. গোপালগঞ্জে বিএনপি নেতার নেতৃত্বে জামায়াত নেতার বাড়িতে হামলা।
২১. বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে ছাত্রদল ও ছাত্রলীগের যৌথ হামলায় শিবির কর্মী আহত।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ৫ আগস্টের ঐতিহাসিক পরিবর্তনের পর দেশের মানুষ যে প্রতিহিংসামুক্ত ও সৌহার্দ্যপূর্ণ রাজনীতির স্বপ্ন দেখেছিল, এই সহিংসতা সেই অগ্রযাত্রায় বড় বাধা। জামায়াতের এই আনুষ্ঠানিক অভিযোগের পর সাধারণ ভোটারদের মনে এখন একটাই প্রশ্ন—আগামীর বাংলাদেশ কি সত্যিই শান্তির পথে হাঁটবে, নাকি আবারও সেই পুরনো সংঘাতের বৃত্তেই বন্দি থাকবে?
প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে এই বিশৃঙ্খলা আরও ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল। এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে। একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই। “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান। এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে। সূত্র: Royanews
দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে। এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা। এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)। ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না। তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে। সূত্র: ABC News
যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে। নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা। ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল। তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে। এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস
মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন। পার্সটুডে- মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং জাতিসংঘের সাবেক অস্ত্র পরিদর্শক, ইরান-মার্কিন আলোচনার বিশ্লেষণ করতে গিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন যে ইরানের চেয়ে ট্রাম্পেরই এই আলোচনার বেশি প্রয়োজন। মার্কিন নৌবাহিনীর সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার সতর্ক করে বলেছেন যে পশ্চিমারা সর্বদা তার গুপ্তচর সংস্থাগুলির মাধ্যমে ইরানের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করতে চাইছে এবং অপর্যাপ্তভাবে নিয়ন্ত্রিত তথ্য-যোগাযোগ রুট ব্যবহার করে কিছু ইরানিকে তাদের এজেন্ট নিয়োগ করেছে। ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের জন্য একটি পছন্দসই আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয় পার্সটুডে অনুসারে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিসর সীমিত করার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে রিটার ব্যাখ্যা করেছেন যে এই শর্তটি বাস্তবে "নিরস্ত্রীকরণ" এবং ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের কাছ থেকে "কৌশলগত আত্মহত্যার" অনুরোধের সমতুল্য। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে ক্ষেপণাস্ত্র শুধুমাত্র ইরানের জন্য একটি কাঙ্ক্ষিত আক্রমণাত্মক হাতিয়ার নয়, বরং প্রতিরোধ ও বেঁচে থাকার মেরুদণ্ড এবং এই স্তম্ভটি অপসারণকারী যেকোনো চেষ্টো ইরানকে অরক্ষিত করে তুলবে। তিনি যুক্তি দেন যে ইরান যদি তার ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এতটাই কমিয়ে দেয় যে তারা আর ইসরায়েলে আঘাত করতে পারবে না, তাহলে ইসরায়েল প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই ইরানে আক্রমণ করবে। ইরানের সাথে যুদ্ধ নীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অক্ষমতা আমেরিকান বিশ্লেষক স্পষ্ট করে বলেন যে ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এড়ানোর মূল কারণ কৌশলগত অক্ষমতা। তিনি বলেন, যেকোনও সামরিক আক্রমণ ইরানকে এমন প্রতিক্রিয়ার দিকে ঠেলে দেবে যা একই সাথে মার্কিন বাহিনী এবং স্বার্থের জন্য গুরুতর ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে এই ধরনের পরিবেশে ইরানের সাথে যুদ্ধ কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সুবিধাতো আনবেই না বরং ট্রাম্পের জন্য একটি অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিপর্যয়ও হতে পারে। ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কেবল ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার জন্য। আলোচনা একটি ফাঁদ সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা পরামর্শ দেন যে ইরানের উচিত দুর্বলতা থেকে নয়, বরং ওয়াশিংটনে রাজনৈতিক অজুহাতের পথ বন্ধ করার জন্য আলোচনায় প্রবেশ করা। তবে, রিটার সতর্ক করে দেন যে ইরানি কর্মকর্তাদের সর্বদা ধরে নেওয়া উচিত যে আলোচনা "একটি ফাঁদ"। কূটনীতির মাধ্যম বজায় রেখে, ইরানের উচিত তার সামরিক ও গোয়েন্দা যন্ত্রপাতিকে পূর্ণ সতর্ক রাখা । স্কট রিটার সাম্প্রতিক নৌ সংঘর্ষকে আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্ব বা আগ্রাসনের লক্ষণ হিসেবে নয়, বরং ইরানের প্রবেশাধিকার-বিরোধী এবং আঞ্চলিক-বিরোধী ক্ষমতার প্রতি ওয়াশিংটনের কৌশলগত ভয়ের প্রতিফলন। রিটার জোর দিয়ে বলেন যে ইরানের নতুন প্রজন্মের নির্ভুল, কৌশলগত এবং হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সামনে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীগুলি "অপ্রচলিত" সিস্টেমে পরিণত হয়েছে। প্রধান হুমকি: ভেতর থেকে পতনের জন্য মানসিক যুদ্ধ অবশেষে, স্কট রিটার "মানসিক যুদ্ধ" নামক একটি ধারণার কথা উল্লেখ করেছেন; এমন একটি যুদ্ধ যেখানে, তিনি যুক্তি দেন, সরাসরি সামরিক সংঘাতের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক, কারণ এর লক্ষ্য হল একটি গুলি না চালিয়েও একটি সমাজকে ভেতর থেকে ধ্বংস করা
আজ শনিবার বিকেলে ঢাকার মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলের পক্ষ থেকে ৩০টি আসনে ভোট পুনর্গণনার দাবি জানানো হয়েছে। দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, পুনর্গণনার আগ পর্যন্ত এসব আসনে ঘোষিত বিজয়ী প্রার্থীদের শপথ স্থগিত রাখারও দাবি জানিয়েছে দলটি। দাবিকৃত আসনগুলো হলো—ঢাকা ৭, ৮, ১০, ১৩ ও ১৭; পঞ্চগড়-১; ঠাকুরগাঁও ২; দিনাজপুর-৩ ও ৫; লালমনিরহাট-১ ও ২; গাইবান্ধা-৪; বগুড়া-৩; সিরাজগঞ্জ-১; যশোর-১; খুলনা-৩ ও ৫; বরগুনা-১ ও ২; ঝালকাঠি-১; পিরোজপুর-২; ময়মনসিংহ-১, ৪ ও ১০; কিশোরগঞ্জ-৩; গোপালগঞ্জ-২; ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫; চাঁদপুর-৪; চট্টগ্রাম-১৪ এবং কক্সবাজার-৪। জুবায়ের অভিযোগ করেছেন, এই আসনের ফলাফল ইচ্ছাকৃতভাবে বদলে দেওয়া হয়েছে যাতে জামায়াত ও ১১-দলীয় জোটের প্রার্থীরা হারতে পারে। তিনি আরও বলেন, প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের কিছু কর্মকর্তা এই কাজের সঙ্গে জড়িত। সংবাদ সম্মেলনে দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন, যার মধ্যে ছিলেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব মাওলানা আবদুল হালিম এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল। ঢাকা-৬ আসনের প্রার্থী আব্দুল মান্নানও অভিযোগ করেছেন যে ভোট গণনায় ‘কারসাজির’ মাধ্যমে তাকে হারানো হয়েছে। জুবায়ের জানান, বিষয়টি নিয়ে জামায়াতের পক্ষ থেকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতাকে স্বীকৃতি দিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তবে একই সঙ্গে তিনি নির্বাচনের ফলাফলের গভীরে থাকা এক জটিল ও গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতার দিকে জাতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। আজ শনিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক বিশেষ বার্তায় তিনি নতুন সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি বিশেষ আহ্বান জানান। শক্তিশালী জাতীয় শক্তি হিসেবে উত্থান ডা. শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন, বিএনপি জোট প্রায় ৫৪ শতাংশ ভোট পেলেও জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট প্রায় ৪০ শতাংশ ভোট পেয়ে দেশের একটি শক্তিশালী জাতীয় শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। তিনি বর্তমান “ফার্স্ট-পাস্ট-দ্য-পোস্ট” পদ্ধতির সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে বলেন, এই পদ্ধতিতে লক্ষ লক্ষ ভোটারের ইচ্ছার প্রতিফলন আসন সংখ্যায় যথাযথভাবে ঘটে না। বিশেষ করে ৫৩টি আসনে বিএনপির জয়ের ব্যবধান ছিল অত্যন্ত সামান্য—কয়েক শ থেকে কয়েক হাজার মাত্র। আইনি লড়াই ও স্বচ্ছতার দাবি নির্বাচনী স্বচ্ছতা রক্ষায় জামায়াত আমির স্পষ্ট জানিয়ে দেন, সুনির্দিষ্ট যেসব আসনে ভোট গণনা বা অনিয়মের প্রশ্ন উঠেছে, সেখানে তাঁর দল আইনি কাঠামোর মধ্যে থেকে ফলাফল পর্যালোচনার চেষ্টা চালিয়ে যাবে। এটি কোনোভাবেই জাতীয় ফলাফল প্রত্যাখ্যান নয়, বরং জনগণের প্রতিটি ভোটের মর্যাদা রক্ষার একটি দায়িত্বশীল প্রচেষ্টা। তিনি নির্বাচন কমিশনকে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতার সঙ্গে এই অভিযোগগুলো যাচাই করার আহ্বান জানান। জুলাই সনদ ও গণভোটের ম্যান্ডেট গণভোটে প্রায় ৬৮ শতাংশ ভোটার সংস্কারের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ায় এটিকে পরিবর্তনের জন্য একটি ‘জাতীয় ম্যান্ডেট’ হিসেবে অভিহিত করেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, নতুন সরকার এই ম্যান্ডেটকে সম্মান করবে এবং সংস্কারকে কেবল স্লোগান হিসেবে না রেখে একটি ‘পবিত্র আমানত’ হিসেবে বিবেচনা করবে। নতুন সরকারের প্রতি বিশেষ আহ্বান বিএনপি নেতৃত্বের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, “আপনাদের প্রমাণ করতে হবে যে আপনারা সংবিধানের নিয়ম মেনে দেশ পরিচালনা করবেন। আইনের শাসন সবার জন্য সমান হওয়া উচিত।” তিনি জয়ী দলের নেতাকর্মীদের প্রতি কঠোর নির্দেশনা দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনো কর্মী আইন লঙ্ঘন করলে তাঁকে পক্ষপাতহীনভাবে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। শান্তি ও শৃঙ্খলার বার্তা ভোট পরবর্তী সহিংসতা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন জামায়াত আমির। তিনি জাতির এই গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে সকলকে পরিপক্বতা ও জাতীয় দায়িত্ববোধ প্রদর্শনের আহ্বান জানান। পরিশেষে, তিনি একটি সৎ, সংযমী ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষে সকলকে শান্ত থেকে কাজ করার অনুরোধ করেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২০০-এর বেশি আসনে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয় নিয়ে ওঠা ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ প্রশ্নের এক বুদ্ধিদীপ্ত ও রাজনৈতিক জবাব দিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত নির্বাচনোত্তর এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে নিউইয়র্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘ঠিকানা’-র প্রধান সম্পাদক খালেদ মুহিউদ্দীন বিএনপি চেয়ারম্যানের কাছে এক তীক্ষ্ণ প্রশ্ন রাখেন। তিনি জানতে চান, গত সরকার বিদায়ের পর থেকে একটি ধারণা ছিল যে এই নির্বাচন সহজ হবে না, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা কতটা সহজ ছিল? বিশেষ করে ২০০-এর বেশি আসন পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বিশেষ ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ বা কৌশলের আশ্রয় নিতে হয়েছে কি না? প্রশ্নের জবাবে হাসিমুখে তারেক রহমান বলেন, “জনগণকে কনভিন্স করা বা তাদের মন জয় করাটাই ছিল আমাদের আসল ইঞ্জিনিয়ারিং। আমাদের একমাত্র ইঞ্জিনিয়ারিং ছিল জনগণকে আমাদের পক্ষে নিয়ে আসা এবং তাঁদের আস্থায় নেওয়া। আলহামদুলিল্লাহ, সেই লক্ষ্য অর্জনে আমরা সফল হয়েছি।” তিনি আরও যোগ করেন যে, কোনো বড় লক্ষ্য অর্জন করতে হলে কঠোর পরিশ্রমের বিকল্প নেই। বিএনপি জনগণের কাছে গিয়ে তাঁদের সুখ-দুঃখের কথা শুনেছে এবং একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সেই নিরলস পরিশ্রম এবং জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের ফলেই আজকের এই ঐতিহাসিক বিজয় সম্ভব হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে তারেক রহমানের পাশে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, আব্দুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং হাফিজ উদ্দিন আহমেদসহ দলটির জাতীয় স্থায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ। দীর্ঘ ২০ বছর পর দলটির এমন বিপুল বিজয় এবং তারেক রহমানের সরাসরি সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণ বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য এক নতুন যুগের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।