মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরান–এর মিসাইল হামলায় কুয়েতের আকাশে এফ–১৫ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে। সোমবার (২ মার্চ) দুপুরে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে আকাশে উড়ন্ত অবস্থায় থাকা যুদ্ধবিমানটি হঠাৎ আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে নিচে পড়ে যেতে দেখা গেছে। ভিডিও ফুটেজে একজন পাইলটকে প্যারাসুটের সাহায্যে নিরাপদে বিমান থেকে বের হতে দেখা গেলেও যুক্তরাষ্ট্র প্রতিরক্ষা দপ্তর (পেন্টাগন) এ ঘটনার কারণ বা ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি। এদিকে ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রভাবশালী কর্মকর্তা আলি লারিজানি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র–এর সঙ্গে কোনো ধরনের সংলাপ করবে না তেহরান। তিনি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সেই প্রতিবেদনকেও ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেন, যেখানে দাবি করা হয়েছিল মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইরান পুনরায় আলোচনা শুরু করতে আগ্রহী। লারিজানি বলেন, মার্কিন প্রশাসনের নীতি মধ্যপ্রাচ্যকে অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, কুয়েতের আকাশে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিকে নতুন মোড়ে নিয়ে যেতে পারে। পাল্টা সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হলে সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমানে কুয়েতসহ আশপাশের আকাশসীমায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন (ন্যাটো) ও সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো।
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ইরানের রাজধানী তেহরানসহ একাধিক শহরে গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) আকস্মিক সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। যৌথ এ অভিযানে ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতা ও সামরিক কর্মকর্তার নিহত হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এবং সাবেক প্রেসিডেন্টসহ বিভিন্ন বাহিনীর প্রধান ও কমান্ডাররা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। অভিযান শুরুর পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত হামলা অব্যাহত থাকবে। তিনি জানান, ইরানে এই সামরিক অভিযান পাঁচ সপ্তাহ পর্যন্ত চলতে পারে। এদিকে, রোববার এক প্রতিবেদনে The Washington Post দাবি করে, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও ইসরায়েলের চাপের মুখেই ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত নেয় ওয়াশিংটন। প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রকাশ্যে বিরোধিতা করলেও আড়ালে সামরিক পদক্ষেপের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন সৌদি যুবরাজ। পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে যুক্তরাজ্য জানিয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনায় হামলা চালাতে তাদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি যুক্তরাষ্ট্রকে দেওয়া হয়েছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে ফ্রান্স জানায়, ইরানের সর্বোচ্চ নেতার নিহত হওয়ার ঘটনায় তারা সন্তুষ্ট। সর্বশেষ ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যের নেতারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে তাদের ও তাদের মিত্রদের বিরুদ্ধে ইরানের নির্বিচার ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তারা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, প্রয়োজন হলে নিজেদের ও উপসাগরীয় মিত্রদের স্বার্থ রক্ষায় প্রতিরক্ষামূলক ও আনুপাতিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বিশেষ করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণ সক্ষমতা নিষ্ক্রিয় করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে বড় পরিসরের সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়েছে বলে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের অভিমত।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরান–এর মিসাইল হামলায় কুয়েতের আকাশে এফ–১৫ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে। সোমবার (২ মার্চ) দুপুরে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে আকাশে উড়ন্ত অবস্থায় থাকা যুদ্ধবিমানটি হঠাৎ আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে নিচে পড়ে যেতে দেখা গেছে। ভিডিও ফুটেজে একজন পাইলটকে প্যারাসুটের সাহায্যে নিরাপদে বিমান থেকে বের হতে দেখা গেলেও যুক্তরাষ্ট্র প্রতিরক্ষা দপ্তর (পেন্টাগন) এ ঘটনার কারণ বা ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি। এদিকে ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রভাবশালী কর্মকর্তা আলি লারিজানি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র–এর সঙ্গে কোনো ধরনের সংলাপ করবে না তেহরান। তিনি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সেই প্রতিবেদনকেও ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেন, যেখানে দাবি করা হয়েছিল মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইরান পুনরায় আলোচনা শুরু করতে আগ্রহী। লারিজানি বলেন, মার্কিন প্রশাসনের নীতি মধ্যপ্রাচ্যকে অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, কুয়েতের আকাশে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিকে নতুন মোড়ে নিয়ে যেতে পারে। পাল্টা সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হলে সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমানে কুয়েতসহ আশপাশের আকাশসীমায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন (ন্যাটো) ও সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো।
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ইরানের রাজধানী তেহরানসহ একাধিক শহরে গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) আকস্মিক সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। যৌথ এ অভিযানে ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতা ও সামরিক কর্মকর্তার নিহত হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এবং সাবেক প্রেসিডেন্টসহ বিভিন্ন বাহিনীর প্রধান ও কমান্ডাররা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। অভিযান শুরুর পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত হামলা অব্যাহত থাকবে। তিনি জানান, ইরানে এই সামরিক অভিযান পাঁচ সপ্তাহ পর্যন্ত চলতে পারে। এদিকে, রোববার এক প্রতিবেদনে The Washington Post দাবি করে, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও ইসরায়েলের চাপের মুখেই ইরানে হামলার সিদ্ধান্ত নেয় ওয়াশিংটন। প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রকাশ্যে বিরোধিতা করলেও আড়ালে সামরিক পদক্ষেপের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন সৌদি যুবরাজ। পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে যুক্তরাজ্য জানিয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনায় হামলা চালাতে তাদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি যুক্তরাষ্ট্রকে দেওয়া হয়েছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে ফ্রান্স জানায়, ইরানের সর্বোচ্চ নেতার নিহত হওয়ার ঘটনায় তারা সন্তুষ্ট। সর্বশেষ ফ্রান্স, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যের নেতারা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে তাদের ও তাদের মিত্রদের বিরুদ্ধে ইরানের নির্বিচার ও অসামঞ্জস্যপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তারা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, প্রয়োজন হলে নিজেদের ও উপসাগরীয় মিত্রদের স্বার্থ রক্ষায় প্রতিরক্ষামূলক ও আনুপাতিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বিশেষ করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন উৎক্ষেপণ সক্ষমতা নিষ্ক্রিয় করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যে বড় পরিসরের সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়েছে বলে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের অভিমত।
এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল। এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে। একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই। “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান। এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে। সূত্র: Royanews
দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে। এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা। নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা। এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।
মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে। গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)। ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না। তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে। সূত্র: ABC News
যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে। নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা। ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল। তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে। এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস
We use cookies to improve your experience, deliver personalized content and ads, and analyze our traffic. By continuing to browse our site, you agree to our use of cookies. Cookie Policy