কুমির

ফ্লোরিডায় কুমিরের আক্রমণে হাত হারালেন ৫৮ বছর বয়সী নারী, টিকটকারদের দুষছেন ছেলে
ফ্লোরিডায় কুমিরের আক্রমণে হাত হারালেন ৫৮ বছর বয়সী নারী, টিকটকারদের দুষছেন ছেলে

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় কুমিরের ভয়াবহ হামলায় হাত হারিয়েছেন ডিনা স্প্যান (৫৮) নামের এক নারী। শনিবার ম্যারিয়ন কাউন্টির সিলভার রিভারে ভাসার সময় একটি বিশাল কুমির তাকে আক্রমণ করে। এই মর্মান্তিক ঘটনার জন্য অতিরিক্ত পর্যটক এবং সস্তা জনপ্রিয়তালোভী টিকটকারদের দায়ী করেছেন তার ছেলে জ্যাক গুয়েরিনা। তার দাবি, পর্যটকরা নদীর ধারে কুমিরকে খাবার দিচ্ছেন এবং তাদের গায়ে হাত বুলিয়ে ভিডিও বানাচ্ছেন। এতে করে এসব হিংস্র প্রাণী মানুষের প্রতি ভয় হারিয়ে ফেলছে এবং মানুষের আশেপাশে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।   জ্যাক জানান, তিনি নিজে এই নদীতে শত শত বার সাঁতার কেটেছেন, কিন্তু কখনোই এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হননি। তিনি বলেন, ফ্লোরিডায় নতুন আসা অনেকেই আগে কখনো কুমির দেখেনি। টিকটকে কুমিরের সাথে মানুষের অতি-ঘনিষ্ঠতার ভিডিও দেখে তারা এসব প্রাণীর কাছে যাওয়ার দুঃসাহস দেখাচ্ছে, যা অত্যন্ত বিপজ্জনক। ঘটনার দিন ডিনা স্প্যান একটি নিষিদ্ধ এলাকায় সাঁতার কাটছিলেন। কুমিরের হামলায় তার ডান হাত কনুইয়ের নিচ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে হয় এবং বাম হাতের অন্তত একটি আঙুল কাটা পড়ে। জ্যাকের আশঙ্কা, মানুষ এভাবে কুমিরকে খাবার দেওয়া অব্যাহত রাখলে ভবিষ্যতে এমন আক্রমণ আরও ঘটবে।   সাম্প্রতিক সময়ে ফ্লোরিডায় কুমিরের হামলার বেশ কয়েকটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। গত ২৮ জুন সেমিনোল কাউন্টির একনলক্যাচি নদীতে ১৩ ফুট লম্বা একটি কুমিরের হামলায় ব্রিটানি ক্লার্ক (৩১) নামের এক নারী নিহত হন। এর একদিন আগে, ২৭ জুন ম্যারিয়ন কাউন্টিতে বাবার সাথে মাছ ধরার সময় ১১ বছর বয়সী কিশোর ব্রোডি টেরি কুমিরের হামলায় তার এক হাত হারায়। জ্যাক গুয়েরিনা মনে করেন, ফ্লোরিডা ফিশ অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ কনজারভেশন কমিশনের (এফডব্লিউসি) উচিত কুমির শিকারের আরও বেশি অনুমতি দেওয়া, কারণ সেখানে কুমিরের সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। এদিকে, রোববারের ঘটনার পর সিলভার রিভার থেকে ৯ ফুট ৮ ইঞ্চি লম্বা একটি কুমির ধরে সরিয়ে নিয়েছেন বন বিভাগের কর্মীরা, যার ফলে নদীটি ফের জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।   পেশায় কাঠমিস্ত্রি জ্যাক তার মাকে একজন 'হিপি সোল' বা মুক্তমনা মানুষ হিসেবে বর্ণনা করেন, যিনি প্রাণীদের ভালোবাসেন এবং বিশ্বজুড়ে ঘুরে বেড়াতে পছন্দ করেন। সম্প্রতি আফ্রিকা সফর থেকে ফ্লোরিডায় ফিরেছিলেন তিনি। জ্যাক জানান, এত বড় দুর্ঘটনার শিকার হয়ে নিজের একটি হাত হারিয়েও তার মা মানসিকভাবে যথেষ্ট দৃঢ় ও শান্ত রয়েছেন।

ইসতিয়াক আহমেদ আগস্ট ১১, ২০২৬ ১৪:০
কোলাজ: আমেরিকা বাংলা
ফ্লোরিডায় কুমিরের মুখ থেকে ছেলেকে ছিনিয়ে আনলেন বাবা, তবু বাঁচানো গেল না হাত

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় মাছ ধরার সময় ১১ বছর বয়সী এক কিশোরের ওপর বিশালাকার এক কুমির হামলা চালিয়েছে। তবে সন্তানের জীবন বাঁচাতে নিজের জীবনের পরোয়া না করে খালি হাতেই কুমিরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন পেনসিলভেনিয়া থেকে আসা বাবা পিটার ডিটুরি। গত ২৭ জুন ম্যারিয়ন কাউন্টিতে পরিবারের সাথে ছুটি কাটানোর সময় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। ভয়াবহ এই হামলায় কিশোর ব্রোডি ডিটুরির ডান হাতের একটি অংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, যা পরে চিকিৎসকরা কেটে ফেলতে বাধ্য হন।   স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক আবেগঘন সাক্ষাৎকারে পিটার ডিটুরি জানান, ঘটনার দিন তারা বাবা-ছেলে মিলে মাছ ধরছিলেন। একটি মাছ ধরে পুনরায় পানিতে ছেড়ে দেওয়ার সময় আচমকা ৮ ফুট ৭ ইঞ্চি লম্বা একটি কুমির ব্রোডির ডান হাত কামড়ে ধরে। বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট না করে প্রবৃত্তিগতভাবেই কুমিরটির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন তিনি। সেটির বিশাল চোয়াল টেনে খোলার চেষ্টা করার পাশাপাশি জরুরি নম্বর ৯১১-তে কল করার জন্য সাহায্য চেয়ে চিৎকার করতে থাকেন। ঠিক তখনই কুমিরটি শিকারকে ডোবানো বা ছিঁড়ে ফেলার চিরাচরিত কৌশল হিসেবে পানিতে ঘুরপাক খেতে শুরু করে। এর ফলেই ব্রোডির হাতের ওই অংশটি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।   ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পিটার যদি কুমিরটির ওপর ঝাঁপিয়ে না পড়তেন, তবে সেটি ব্রোডিকে পুরোপুরি পানির গভীরে টেনে নিয়ে যেত। ছেলের এমন করুণ পরিণতিতে কান্নাজড়িত কণ্ঠে পিটার উপস্থিত জনতাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বিপদের মুহূর্তে যারা দ্রুত সাহায্যে এগিয়ে এসেছেন, তাদের প্রতি তিনি চিরকৃতজ্ঞ। ফ্লোরিডায় মাছ ধরা ব্রোডির ভীষণ প্রিয় হলেও, এই ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার পর সে এখন এই জায়গাকে প্রচণ্ড ভয় পাচ্ছে বলে জানান তার বাবা। বর্তমানে ব্রোডির হাতের জন্য কৃত্রিম অঙ্গ বা ট্রান্সপ্লান্টের সম্ভাবনা নিয়ে চিকিৎসকদের সাথে আলোচনা করছে তার পরিবার।  

ইসতিয়াক আহমেদ জুলাই ৮, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: নিউইয়র্ক পোস্ট
বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা, তবু রক্ষা পেলেন না—ফ্লোরিডায় কুমিরের হামলায় নারীর মৃত্যু

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় ১২ ফুট লম্বা এক বিশাল কুমিরের হামলায় নিহত ৩১ বছর বয়সী এক নারীকে বাঁচানোর মরিয়া চেষ্টার মর্মান্তিক বডিক্যাম (বডি ক্যামেরা) ফুটেজ প্রকাশ করেছে পুলিশ। গত সপ্তাহান্তে ইকনলকহ্যাচি নদীতে বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে সাঁতার কাটার সময় ব্রিটানি ক্লার্ক নামের ওই নারী কুমিরের এই নৃশংস হামলার শিকার হয়ে প্রাণ হারান। সদ্য প্রকাশিত পুলিশের বডিক্যাম ফুটেজে হামলার ঠিক পরের সেই ভয়াবহ মুহূর্তের দৃশ্য উঠে এসেছে।   শিউরে ওঠা এই ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, গত রোববার এক পুলিশ কর্মকর্তা জঙ্গল ও ঝোপঝাড় পেরিয়ে ইকনলকহ্যাচি নদীর বালুময় তীরে ছুটে যাচ্ছেন। নদীর তীরের কাছে একটি ত্রিপলের নিচে মারাত্মক আহত ব্রিটানি ক্লার্ক এবং অন্য আরেকজন ব্যক্তিকে (যিনি সম্ভবত তার বয়ফ্রেন্ড চ্যান্স অ্যালিসন) বসে থাকতে দেখা যায়। সেমিনোল কাউন্টি শেরিফ অফিসের ওই পুলিশ কর্মকর্তা তাদের কাছে পৌঁছানোর পরপরই অতিরিক্ত রক্তপাত বন্ধ করতে দ্রুত একটি টুর্নিকেট (বিশেষ ব্যান্ডেজ) বের করেন এবং এরপরই ভিডিওটি শেষ হয়ে যায়।   হামলার ভয়াবহতা কতটা তীব্র ছিল, তা ঘটনার পরপরই পুলিশের কাছে করা একটি জরুরি ৯১১ (911) কলের বর্ণনা থেকে স্পষ্ট হয়েছে। পুলিশকে কল করা ওই ব্যক্তি ব্রিটানির ক্ষতবিক্ষত অবস্থার বর্ণনা দিয়ে জানান যে, কুমিরের কামড়ে তার দুটি হাতই স্থানচ্যুত হয়েছে এবং একটি হাত শরীর থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। পুলিশ ও উদ্ধারকর্মীদের দ্রুত উপস্থিতি এবং আপ্রাণ চেষ্টা সত্ত্বেও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও মারাত্মক ক্ষতের কারণে শেষ পর্যন্ত ব্রিটানি ক্লার্ককে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

ইসতিয়াক আহমেদ জুলাই ২, ২০২৬ ১৪:০
কোলাজ: আমেরিকা বাংলা
ফ্লোরিডায় ১২ ফুট কুমিরের সঙ্গে লড়েও প্রেমিকাকে বাঁচাতে পারলেন না প্রেমিক, প্রাণ গেল তরুণীর

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় লিটল বিগ ইকোন স্টেট ফরেস্টে প্রেমিকের সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে কুমিরের হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ব্রিটানি ক্লার্ক নামের ৩১ বছর বয়সী এক তরুণী। গত রবিবার ইকোনলকহ্যাচি নদীতে সাঁতার কাটার সময় ১২ ফুট লম্বা একটি বিশাল কুমির তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর মঙ্গলবার ওই তরুণীর বেশ কিছু হাসিখুশি ছবি প্রকাশ্যে এলে অনলাইনে শোকের ছায়া নেমে আসে। ছবিগুলোতে দেখা যায়, মাত্র কয়েক মাস আগেও লাল রঙের একটি সুন্দর পোশাকে হাস্যোজ্জ্বল ছিলেন তিনি।   জানা গেছে, মাত্র তিন ফুট গভীর জলে সাঁতার কাটার সময় কুমিরটি হঠাৎ পানি থেকে উঠে এসে ব্রিটানিকে কামড়ে ধরে। ডেইলি মেইলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তার প্রেমিক চ্যান্স অ্যালিসন তাকে বাঁচানোর জন্য হিংস্র ওই প্রাণীটির সঙ্গে মরিয়া হয়ে লড়াই শুরু করেন। অ্যালিসন সাহসিকতার সঙ্গে ব্রিটানির এক হাত কুমিরের মুখ থেকে ছাড়িয়ে নিতে সক্ষম হলেও, চোখের পলকে কুমিরটি তার অন্য হাতটি কামড়ে ধরে।   এই ভয়ংকর হামলার পর ৯১১ ইমার্জেন্সি কলের অডিওতে প্রেমিক অ্যালিসনের আর্তনাদ শোনা যায়। তিনি চিৎকার করে জানাচ্ছিলেন যে কুমিরটি ব্রিটানির দুটি হাতই শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে এবং তিনি তীরে বসে তার অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বন্ধ করার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। মর্মান্তিক এই ঘটনার পর বন্যপ্রাণী কর্মকর্তারা ওই কুমিরটিকে ধরে মেরে ফেলেন (ইউথেনাইজড) এবং আলামত হিসেবে এর মাথাটি কেটে সংরক্ষণ করেন। নিহত ব্রিটানি প্রকৃতিপ্রেমী ছিলেন এবং তার সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট জুড়ে অ্যাডভেঞ্চার ও রোমাঞ্চকর সব ভ্রমণের ছবিতে ভরপুর ছিল।

ইসতিয়াক আহমেদ জুন ৩০, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: সংগৃহীত
মেক্সিকোর সৈকতে কুমিরের হামলায় যুবকের মৃত্যু, সামনে এলো নতুন ভিডিও

মেক্সিকোর জনপ্রিয় পর্যটন শহর পুয়ের্তো ভালার্তার একটি সমুদ্রসৈকতে কুমিরের হামলায় ২৮ বছর বয়সী এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় নতুন একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে। ভিডিওতে হামলার পর একটি বিশাল কুমিরকে সৈকতের কাছে মুখ হা করে থাকতে দেখা যায়।   জালিসকো অঙ্গরাজ্যের পুলিশ জানিয়েছে, নিহত ব্যক্তি মেক্সিকোর নাগরিক। কাজের সূত্রে তিনি পুয়ের্তো ভালার্তায় অবস্থান করছিলেন। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মেরিনা ভালার্তা সৈকতে এ ঘটনা ঘটে। প্রায় ১২ ঘণ্টা পর শনিবার ভোরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।   ঘটনার সময় কাছের একটি হোটেলে অবস্থান করছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া থেকে আসা পর্যটক জেমি ইয়েটার, তার বাগদত্তা ক্রিস বুরি এবং ইয়েটারের কিশোরী মেয়ে।   জেমি ইয়েটার জানান, হোটেলের সুইমিংপুলের পাশে বসে থাকার সময় তারা সৈকতের দিক থেকে চিৎকার শুনতে পান। প্রথমে তাদের ধারণা হয়েছিল, একজন ব্যক্তি সমুদ্রের প্রবল স্রোতে আটকা পড়েছেন।   তিনি বলেন, তার বাগদত্তা ক্রিস বুরি দ্রুত সৈকতের দিকে ছুটে গিয়ে বৈঠাবিহীন একটি কায়াকে উঠে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন।   ক্রিস বুরি বলেন, সৈকতে উদ্ধারকাজের জন্য প্রয়োজনীয় কোনো সরঞ্জাম ছিল না। তারা যা সম্ভব হয়েছে, তা দিয়েই সাহায্যের চেষ্টা করেছিলেন। তবে তিনি কায়াকে ওঠার কিছুক্ষণের মধ্যেই কুমিরটি ওই ব্যক্তিকে পানির নিচে টেনে নিয়ে যায়।তাদের সব চেষ্টা সত্ত্বেও ওই যুবককে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।   ঘটনার পর জেমি ইয়েটার অভিযোগ করেন, সৈকতে কুমিরের ঝুঁকি সম্পর্কে পর্যটকদের যথাযথভাবে সতর্ক করা হয়নি। তিনি বলেন, সৈকতের পাশে জেলিফিশ, স্টিংরে মাছ ও কুমিরের উপস্থিতি সম্পর্কে সতর্কতামূলক চিহ্ন ছিল। তবে তারা কুমিরের প্রতীকটিকে প্রথমে ইগুয়ানার ছবি বলে ভুল করেছিলেন।   তার দাবি, কেউ তাদের সমুদ্রে নামতে নিষেধ করেননি। এমনকি পরদিন সকালেও সৈকতটি খোলা ছিল এবং সেখানে সাঁতার কাটতে মানুষকে দেখা গেছে। সৈকত বন্ধ ছিল না, কিংবা কোথাও সাঁতার নিষিদ্ধের কোনো সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়নি।   ঘটনার পরও শনিবার সকালে একই সৈকতে বহু মানুষকে সমুদ্রে নামতে দেখা যায়। পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেকেই সেখানে সাঁতার কাটছিলেন।

Unknown জুন ২৯, ২০২৬ ১৪:০
জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডে বড় পরিবর্তন, পরিবারভিত্তিক ভিসা আবেদনকারীদের জন্য সুখবর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আগস্ট ২০২৬ সালের ভিসা বুলেটিন প্রকাশ করেছে। নতুন এই আপডেটে পরিবারভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি দেখা গেছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দাদের স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য নির্ধারিত এফ২এ ক্যাটাগরিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে।   নতুন ভিসা বুলেটিন অনুযায়ী, পরিবারভিত্তিক কয়েকটি ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে এফ২এ ক্যাটাগরির অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারীদের স্বামী-স্ত্রী ও অবিবাহিত সন্তানদের আবেদন অন্তর্ভুক্ত থাকে।   এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের অবিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানদের জন্য এফ১ ক্যাটাগরি এবং অন্যান্য পরিবারভিত্তিক ক্যাটাগরিতেও কিছু অগ্রগতি দেখা গেছে। তবে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার তারিখ বা প্রায়োরিটি ডেট অনুযায়ীই পরবর্তী ধাপ নির্ধারণ হবে।   ভিসা বুলেটিনে বলা হয়েছে, পরিবারভিত্তিক অভিবাসন ভিসার সংখ্যা প্রতিবছর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে দেওয়া হয়। তাই কোনো ক্যাটাগরিতে চাহিদা বেশি হলে অপেক্ষার সময় বাড়তে পারে এবং কম হলে তারিখ এগিয়ে আসতে পারে।   অন্যদিকে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য পরিস্থিতি তুলনামূলক কঠিন রয়েছে। বিশেষ করে কিছু এমপ্লয়মেন্ট-বেসড ক্যাটাগরিতে দীর্ঘ অপেক্ষা ও সীমিত ভিসা সংখ্যার কারণে আবেদনকারীদের অনিশ্চয়তা অব্যাহত রয়েছে।   যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের কাছে ভিসা বুলেটিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই তালিকার মাধ্যমে জানা যায়, কোন আবেদনকারীরা গ্রিন কার্ডের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যেতে পারবেন এবং কারা এখনও অপেক্ষার তালিকায় থাকবেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন এই পরিবর্তন অনেক পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীর জন্য আশার খবর হলেও, প্রতিটি আবেদনকারীর পরিস্থিতি নির্ভর করবে তাদের আবেদন জমার তারিখ, দেশভিত্তিক সীমা এবং ভিসা ক্যাটাগরির ওপর।   যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে গ্রিন কার্ডের অপেক্ষার তালিকা বড় একটি বিষয় হয়ে আছে। নতুন ভিসা বুলেটিনে পরিবারভিত্তিক আবেদনকারীদের জন্য অগ্রগতি দেখা গেলেও, সব আবেদনকারী একইভাবে সুবিধা পাবেন না।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

Top week

ছোট ভাইকে বুকে জড়িয়ে নিরাপদ রাখার চেষ্টা করছিল শিশুকন্যা, পরে তাদের উদ্ধার করে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত

জঙ্গলে ফেলে যাওয়া দুই ভাইবোনকে উদ্ধার, ছোট ভাইকে বাঁচাতে সারা রাত বুকে আগলে রাখল বোন

মোহাম্মদ ইব্রাহিম আগস্ট ১০, ২০২৬ ১৪:০