বাংলাদেশ ব্যাংক

ছবি: সংগৃহীত
ঈদ উপলক্ষে বেড়েছে রেমিট্যান্স, চাঙা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো রেমিট্যান্স উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।   বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৬ মার্চ পর্যন্ত দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৪.২২ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্ধারিত বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুসারে এই রিজার্ভের পরিমাণ ২৯.৫২ বিলিয়ন ডলার।   এর আগে, ৩ মার্চ পর্যন্ত দেশের মোট রিজার্ভ ছিল ৩৫.৩২ বিলিয়ন ডলার, যা বিপিএম-৬ অনুযায়ী ৩০.৫৮ বিলিয়ন ডলার হিসেবে ধরা হয়েছিল।   কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যে দেখা গেছে, চলতি মার্চ মাসের প্রথম ১৪ দিনে প্রবাসীরা ২২০.৪৪ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ২৭,০০০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসেবে)। এই প্রবাহ দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে ঈদ উৎসবের আগে স্বস্তি যোগ করেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ইসলামী ব্যাংক আর কোনো দল বা পরিবারের হয়ে কাজ করবে না: গভর্নর

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান বলেছেন, এখন থেকে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি কোনো রাজনৈতিক দল, গ্রুপ বা পরিবারের হয়ে কাজ করবে না। ব্যাংকটিকে সঠিক পথে পরিচালনায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক সব ধরনের সহযোগিতা করবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।   সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান, চারজন বোর্ড সদস্য ও শীর্ষ ১০ কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।   গভর্নর বলেন, একসময় দেশের অন্যতম সেরা ব্যাংক ছিল ইসলামী ব্যাংক। তবে মাঝামাঝি সময়ে ব্যাংকটির করপোরেট গভর্নেন্সে কিছু ঘাটতি তৈরি হয়। অতীতে রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে ব্যাংকটি একটি নির্দিষ্ট দলের প্রতি অনুগত হয়ে পড়েছিল। এখন থেকে এ ধরনের পরিস্থিতি আর থাকবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।   তিনি বোর্ডের সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, ব্যাংকের সুশাসন ও পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করতে কর্মকর্তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।   সম্প্রতি ইসলামী ব্যাংকের চাকরিচ্যুত কয়েক হাজার কর্মকর্তা চাকরি পুনর্বহালের দাবিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। জানা গেছে, তাদের অধিকাংশই চট্টগ্রামের একটি নির্দিষ্ট এলাকা থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত ছিলেন। তবে বৈঠকে এ বিষয়টি গভর্নর উত্থাপন করেননি বলে বৈঠকে উপস্থিত সূত্র জানিয়েছে।   এদিকে দুর্নীতি দমন কমিশনে পাঠানো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান এস আলম গ্রুপ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে শেয়ার মালিকানার মাধ্যমে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে থাকা আটটি ব্যাংকের মধ্যে চারটি ব্যাংক থেকে প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। এর মধ্যে ভুয়া ও কাগুজে প্রতিষ্ঠানের নামে জালিয়াতির মাধ্যমে ৯৩ হাজার ৩৬৪ কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে বলে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) সূত্রে জানা গেছে। এর মধ্যে ইসলামী ব্যাংক থেকেই নেওয়া হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার ৪৮৩ কোটি টাকা।   প্রতিবেদনে বলা হয়, এস আলম গ্রুপের কর্ণধার সাইফুল আলম মাসুদ ও তার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে থাকা ব্যাংকগুলোতে প্রভাব খাটিয়ে নিজের নামে বা মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে এসব ঋণ নিয়েছেন। এসব ঋণের সঙ্গে তিনি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত বলে উল্লেখ করা হয়েছে।   অন্যদিকে নানা সংকটের মধ্যেও গত এক বছরে ইসলামী ব্যাংকের আমানত ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমে কিছু অগ্রগতি হয়েছে। ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের শেষে ব্যাংকটির মোট আমানত দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ লাখ ৮৩ হাজার কোটি টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা বেশি। এ ছাড়া এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আমানত বেড়ে হয়েছে প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা, যা এক বছরে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।   গত এক বছরে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে প্রায় ৭৬ হাজার কোটি টাকা প্রবাসী আয় দেশে এসেছে। একই সময়ে ব্যাংকটি আমদানি বাণিজ্য করেছে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা এবং রপ্তানি বাণিজ্য করেছে প্রায় ৩২ হাজার কোটি টাকার। বর্তমানে ব্যাংকটির গ্রাহকসংখ্যা প্রায় ৩ কোটি, যা এক বছরে প্রায় ৫০ লাখ বেড়েছে।   এ ছাড়া খেলাপি ঋণ কমানোর ক্ষেত্রেও কিছু অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে ব্যাংকটি। গত বছরের সেপ্টেম্বরে ইসলামী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছিল, যা মোট ঋণের প্রায় ৫৮ শতাংশ। তবে ডিসেম্বর শেষে তা কমিয়ে ১৪ হাজার ১৫৯ কোটি টাকায় নামানো হয়। বর্তমানে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণ রয়েছে প্রায় ৯২ হাজার ১১৫ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের প্রায় ৪৭ শতাংশ।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৬, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি
ক্রেডিট কার্ড ঋণসীমা বাড়ালো বাংলাদেশ ব্যাংক

ক্রেডিট কার্ডের বিপরীতে ঋণসীমা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন থেকে ক্রেডিট কার্ডের বিপরীতে সর্বোচ্চ ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়া যাবে, যা আগে ছিল সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা। এছাড়া বিনা জামানতে ক্রেডিট কার্ডের বিপরীতে সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়ার সুযোগ থাকবে, যা আগে ছিল ১০ লাখ টাকা।   রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি গাইডলাইন জারি করেছে।   নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দেশে পণ্য ও সেবা ক্রয়ের ক্ষেত্রে অর্থ পরিশোধের মাধ্যম হিসেবে ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার ধীরে ধীরে বাড়ছে। সুবিধাজনক ব্যবহার, উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক পয়েন্ট অব সেল (পিওএস) টার্মিনালের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং কার্ড ইস্যুকারীদের বিভিন্ন প্রণোদনা এই প্রবৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে। ডিজিটাল লেনদেন সহজ করতে ক্রেডিট কার্ডের গুরুত্ব বিবেচনায় নিরাপদ, সুরক্ষিত ও কার্যকর কার্যক্রম নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত কাঠামো প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন রয়েছে।   এছাড়া আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, ভোক্তাদের অধিকার সুরক্ষা করা এবং নগদবিহীন লেনদেন উৎসাহিত করার লক্ষ্যেও এই হালনাগাদ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এতে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি জোরদার করা, দায়িত্বশীল ঋণ প্রদান উৎসাহিত করা এবং ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারকারীদের মধ্যে আর্থিক শৃঙ্খলা বাড়াতে বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থা নির্ধারণ করা হয়েছে।   একাধিক ব্যাংকের কার্ড বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে কার্ড বিভাগের ঋণ বাড়তে পারে, যার প্রভাব ব্যাংকের মুনাফায় পড়বে। তবে ঋণসীমা বৃদ্ধির কারণে ঝুঁকিও কিছুটা বাড়তে পারে বলে তারা মনে করছেন।   জানা গেছে, ক্রেডিট কার্ডের বিপরীতে ঋণের ক্ষেত্রে যাচাই–বাছাই তুলনামূলক কম হওয়ায় কম সময়ের মধ্যেই এই ঋণ পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৫, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি।
দেশের সব ব্যাংকে নতুন কার্যনির্দেশনা জারি

বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের সব ব্যাংককে অফিসে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংরক্ষণে সতর্ক থাকার জন্য নতুন নির্দেশনা দিয়েছে। বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে জ্বালানি সরবরাহে সম্ভাব্য বিঘ্ন বিবেচনা করে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।   বুধবার (১১ মার্চ) জারি করা সার্কুলারে ব্যাংকগুলোর প্রধান কার্যালয়, শাখা ও উপশাখায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারের ওপর একাধিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ব্যাংকগুলোকে বলা হয়েছে, বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি, লাইট, ফ্যান ও এসি শুধুমাত্র প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করতে। দিনের আলো বেশি ব্যবহার করা এবং এসির তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামানো যাবে না।   সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, অফিসিয়াল গাড়ি ব্যবহার সীমিত করতে হবে এবং ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ভ্রমণ কমাতে হবে। কর্মকর্তাদের গণপরিবহণ বা কার-শেয়ারিং ব্যবহারে উৎসাহিত করা হবে। জেনারেটরের জ্বালানি ব্যবহার সীমিত করা এবং অপ্রয়োজনীয় সাজসজ্জা ও ইলেকট্রনিক ডিসপ্লে বোর্ডের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।   বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তার কারণে আর্থিক খাতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ২০২২ সালের ৭ সেপ্টেম্বর জারি করা বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সাশ্রয়ী ব্যবহার সম্পর্কিত পূর্বের নির্দেশনাও কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১১, ২০২৬ 0
রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)/ফাইল ছবি
আবাসন খাতে ৩ হাজার কোটি টাকার তহবিল চায় রিহ্যাব

দেশের আবাসন খাতের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে নীতিগত সহায়তা চেয়েছে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)। এ খাতের জন্য ৩ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠনসহ সাত দফা প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি।   মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের কাছে এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন রিহ্যাবের প্রেসিডেন্ট মো. ওয়াহিদুজ্জামান। এ সময় সিনিয়র সহ-সভাপতি লিয়াকত আলী ভূঁইয়াসহ রিহ্যাবের ঊর্ধ্বতন নেতারা উপস্থিত ছিলেন।   চিঠিতে বলা হয়, সরকার স্বীকৃত শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠন হিসেবে তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের আবাসন সমস্যা সমাধানে উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে কাজ করছে রিহ্যাব। দ্রুত নগরায়ন ও জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে দেশে আবাসনের চাহিদা ক্রমেই বাড়ছে। পাশাপাশি আবাসন খাত প্রায় ২৫০টিরও বেশি শিল্পখাতের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত। তবে বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি ও দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের কারণে বর্তমানে এ খাতে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।   এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে ৩ হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ তহবিল গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি। রিহ্যাবের মতে, এ তহবিল গঠন করা হলে নির্মাণ কার্যক্রম সচল রাখা সহজ হবে এবং খাতটি পুনরুদ্ধারে সহায়ক হবে।   এছাড়া মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষের জন্য সিঙ্গেল ডিজিট সুদে ৩০ বছর মেয়াদি আবাসন ঋণ সুবিধা চালু বা সম্প্রসারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্য অর্জনে অন্যান্য দেশের মতো শক্তিশালী মর্টগেজ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার কথাও বলা হয়েছে। ব্যাংকগুলোতে আবাসন ঋণ অনুমোদনের প্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুত করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিগত নির্দেশনার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।   প্রথমবারের মতো বাসা কিনতে ইচ্ছুকদের জন্য ‘ফার্স্ট হোম বায়ার স্কিম’ চালুর প্রস্তাব দিয়েছে রিহ্যাব। এর আওতায় ডাউন পেমেন্ট কমানো এবং সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি গ্রিন বিল্ডিং, সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার এবং পরিবেশবান্ধব নির্মাণে বিশেষ অর্থায়ন সুবিধা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।   ঢাকার ওপর চাপ কমাতে জেলা ও উপজেলা শহরগুলোতে আবাসন প্রকল্পে কম সুদের বিশেষ ঋণ সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাবও রাখা হয়েছে। এছাড়া আবাসন বা নির্মাণ খাতকে অনুৎপাদনশীল খাত হিসেবে বিবেচনা না করে উৎপাদনশীল খাত হিসেবে ঘোষণার আহ্বান জানিয়েছে রিহ্যাব। সংগঠনটির মতে, এ খাতে প্রায় ৪০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান রয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
মব কালচার’-এ জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশ ব্যাংকে সাম্প্রতিক ‘মব’ ঘটনার সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাংলাদেশ ব্যাংক-এ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।   কী ঘটেছে বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ভবনের সামনে একদল কর্মকর্তা জড়ো হয়ে গভর্নরের উপদেষ্টা আহসান উল্লাহ-কে ঘিরে পরিস্থিতির সৃষ্টি করেন এবং তাকে বের করে দেওয়ার ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি বিকেল ৩টার দিকে ঘটে বলে জানা গেছে।   কেন ব্যবস্থা সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র বলেন, নতুন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর ব্যাংকে সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ‘মব কালচার’-এ জড়িতদের বিরুদ্ধে মানবসম্পদ নীতিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।   কীভাবে সুশাসন তিনি জানান, সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াকে নিয়মতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন করতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কাজের গতি বাড়াতে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ করা হবে, যাতে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা নিজ নিজ দায়িত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে পারেন।   ঘটনাটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক কাঠামো নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
১২ লাখ কৃষকের কৃষিঋণ মওকুফ করছে সরকার

দেশের প্রান্তিক কৃষকদের জন্য ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।   বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে জানান, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে শস্য, মৎস্য ও পশুপালন খাতের ক্ষুদ্র ঋণগ্রহীতাদের এই সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রায় ১২ লাখ কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন।   তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই উদ্যোগের ফলে আনুমানিক ১ হাজার ৫৫০ কোটি টাকার ঋণভার থেকে কৃষকরা মুক্তি পাবেন। সরকারের লক্ষ্য হলো গ্রামীণ অর্থনীতির মেরুদণ্ড শক্তিশালী করা এবং দরিদ্র কৃষকদের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা। এছাড়া ধারণা করা হচ্ছে, এই ঋণ মওকুফ গ্রাম থেকে শহরমুখী অভিবাসনের প্রবণতা কমাবে এবং গ্রামীণ বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।   বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকগুলোর কৃষি খাতের পাওনা এই উদ্যোগের আওতায় আসবে। বিশেষজ্ঞরা কৃষি খাতের এই পদক্ষেপকে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে মূল্যায়ন করছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
ফাইল ফটো
তারল্য সংকট, ন্যাশনাল ব্যাংককে ১,০০০ কোটি টাকা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

ঈদের আগে গ্রাহকদের টাকার চাহিদা মেটাতে এবং চরম আর্থিক সংকট মোকাবিলায় বেসরকারি খাতের ন্যাশনাল ব্যাংককে ১,০০০ কোটি টাকার জরুরি তারল্য সহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ১১.৫ শতাংশ উচ্চ সুদে ৯০ দিনের জন্য এই তহবিল প্রদান করা হয়েছে।  মূলত আমানত ও ঋণ আদায় আশঙ্কাজনক হারে কমে যাওয়ায় ব্যাংকটি গ্রাহকদের টাকা ফেরত দিতে হিমশিম খাচ্ছিল। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, ‘ডিমান্ড প্রমিসরি’ নোটের বিপরীতে এই বিশেষ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনায় ধুঁকতে থাকা ন্যাশনাল ব্যাংকটি গত কয়েক বছরে একাধিকবার মালিকানা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছে। সিকদার গ্রুপ থেকে শুরু করে এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণ এবং সর্বশেষ পটপরিবর্তনের পর বর্তমান পর্ষদ দায়িত্ব নিলেও তারল্য পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি।  বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আর্থিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় ব্যাংক টিকিয়ে রাখা জরুরি হলেও, এভাবে নতুন টাকা বাজারে ছাড়লে মূল্যস্ফীতি আরও বাড়তে পারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক যেখানে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সংকোচনশীল নীতি অনুসরণ করছে, সেখানে এই বিপুল অর্থ জোগান দেওয়াকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন অর্থনীতিবিদরা।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ব্যাংকিং খাতে সরাসরি অভিজ্ঞতা ছাড়াই গভর্নর নিয়োগ, আলোচনায় মোস্তাকুর রহমান

দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেবে মোস্তাকুর রহমানের নিয়োগ আর্থিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। তার প্রকাশিত জীবনবৃত্তান্ত অনুযায়ী, তিনি একজন কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট (CMA) এবং ৩৩ বছরেরও বেশি পেশাগত অভিজ্ঞতার অধিকারী।   ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগ থেকে বি.কম (অনার্স) ও মাস্টার্স সম্পন্ন করা মোস্তাকুর রহমান দীর্ঘ সময় ধরে কর্পোরেট ফাইন্যান্স, রপ্তানি অর্থনীতি, প্রাতিষ্ঠানিক গভর্ন্যান্স এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা খাতে কাজ করেছেন। তিনি বিজিএমইএ, রিহ্যাব, এটাব ও ঢাকা চেম্বারসহ বিভিন্ন শিল্প ও বাণিজ্য সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং গুরুত্বপূর্ণ কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জসহ বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক সংস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে বলে সিভিতে উল্লেখ আছে।   তবে জীবনবৃত্তান্তে সরাসরি বাণিজ্যিক ব্যাংক পরিচালনা বা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে দায়িত্ব পালনের স্পষ্ট অভিজ্ঞতার উল্লেখ নেই। এ কারণে ব্যাংকিং খাতে তার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও প্রশ্ন উঠেছে।   অর্থনীতিবিদদের একাংশ মনে করছেন, আর্থিক শাসন, নিয়ন্ত্রক কাঠামো, ঝুঁকি তদারকি ও ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালনে সহায়ক হতে পারে। অন্যদিকে সমালোচকদের মতে, সরাসরি ব্যাংকিং খাতে অভিজ্ঞতার অভাব নীতিনির্ধারণ ও সংকট মোকাবিলায় চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।   নতুন গভর্নরের সামনে এখন মূল চ্যালেঞ্জ হবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ব্যবস্থাপনা এবং ব্যাংকিং খাতে সুশাসন জোরদার করা। আর্থিক খাতের অংশীজনরা আশা করছেন, তার নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় ব্যাংক স্থিতিশীলতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ ব্যাংকে ৪ পরিচালকসহ শীর্ষ পর্যায়ে ব্যাপক পরিবর্তন

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রশাসনিক কাঠামোতে হঠাৎ বড় ধরনের পরিবর্তনের ঢেউ উঠেছে। গভর্নর পরিবর্তনের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার প্রতিষ্ঠানটির চারজন পরিচালক এবং একজন অতিরিক্ত পরিচালককে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিভাগে বদলি করা হয়েছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক অফিস আদেশে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়, যা অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নতুন এই বিন্যাস অনুযায়ী, হিউম্যান রিসোর্সেস ডিপার্টমেন্ট-১ এর পরিচালক মো. জয়নুল ইসলামকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন বিভাগে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে, আর্থিক প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন বিভাগের পরিচালক মো. শহিদ রেজাকে স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে হিউম্যান রিসোর্সেস ডিপার্টমেন্ট-১-এ। ব্যাংকিং খাতের নীতি নির্ধারণী পর্যায়েও এসেছে পরিবর্তন। ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ এর পরিচালক মো. বায়েজিদ সরকারকে মতিঝিল অফিসের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক (কারেন্সি) হিসেবে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তার স্থলে মতিঝিল অফিস থেকে পরিচালক গাজী মো. মাহবুবুল ইসলামকে নিয়ে আসা হয়েছে ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১-এ। এছাড়া, গভর্নর অফিসের অতিরিক্ত পরিচালক মো. কামরুল ইসলামকে সদরঘাট অফিসে বদলি করে সেখানকার প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি এবং প্রশাসনিক সমন্বয় আনতেই এই আকস্মিক রদবদল। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে বর্তমান দপ্তরের দায়িত্ব হস্তান্তর করে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬ 0
অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী
গভর্নর পরিবর্তন স্বাভাবিক প্রক্রিয়া: অর্থমন্ত্রী

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে পরিবর্তনকে স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হিসেবে উল্লেখ করেছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, নতুন সরকার ক্ষমতায় এসেছে, ফলে বিভিন্ন জায়গায় পরিবর্তন হবে, এটাই স্বাভাবিক।   বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয় থেকে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে গভর্নর পদে ড. আহসান এইচ মনসুর-কে সরিয়ে মোস্তাকুর রহমান-কে নিয়োগ দেওয়ার প্রসঙ্গে তিনি এসব কথা বলেন।   অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘নতুন সরকার এসেছে। অনেক কিছুরই পরিবর্তন হবে। এখানেও পরিবর্তন হয়েছে। এটা নতুন কিছু নয়। আরও অনেক জায়গায় পরিবর্তন হবে। এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।’   এদিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে মোস্তাকুর রহমানকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।   গভর্নর পদে এত দ্রুত পরিবর্তনের পেছনে কোনো বিশেষ কারণ রয়েছে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আরও অনেক জায়গায় পরিবর্তন হবে। এর বিশেষ কোনো কারণ নেই।’

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬ 0
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান

বাংলাদেশ ব্যাংক–এর নতুন গভর্নর হিসেবে মোস্তাকুর রহমানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।   নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত মোস্তাকুর রহমান বর্তমান গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের স্থলাভিষিক্ত হবেন।   এর আগে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দায়িত্ব গ্রহণ করা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অর্থনীতিবিদ ড. আহসান এইচ মনসুরকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল। তিনি সে সময় তৎকালীন গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি
ফেব্রুয়ারির ২৩ দিনে ২৫৬ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠালেন প্রবাসীরা

চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম ২৩ দিনে দেশে ২৫৬ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার বা ২ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১১ কোটি ১৬ লাখ ডলার।   মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান প্রবাসী আয়ের এই হালনাগাদ তথ্য নিশ্চিত করেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি বছরের রেমিট্যান্স প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। গত বছর ফেব্রুয়ারির প্রথম ২৩ দিনে দেশে এসেছিল ২০৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার।   চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে মোট ২ হাজার ১৯৯ কোটি ৯০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২১ দশমিক ৯০ শতাংশ বেশি।   সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রেমিট্যান্স প্রবাহ ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে দেশে আসে ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার, যা দেশের ইতিহাসে এক মাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ এবং চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স। এর আগের মাস ডিসেম্বরে এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার, যা দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।   উল্লেখ্য, সদ্য সমাপ্ত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসীরা মোট ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা দেশের ইতিহাসে কোনো এক অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ 0
বাংলাদেশ ব্যাংকের তিন কর্মকর্তাকে শোকজ

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরকে ‘স্বৈরাচার’ আখ্যা দিয়ে প্রকাশ্যে সংবাদ সম্মেলন করায় সংস্থাটির তিন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে শোকজ করা হয়েছে। গভর্নরের সরাসরি নির্দেশে মানবসম্পদ বিভাগ থেকে এই নোটিশ জারি করা হয়। আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে তাঁদের এই আচরণের সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে, অন্যথায় কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে।   শোকজ প্রাপ্ত কর্মকর্তারা হলেন— এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস বিভাগের পরিচালক ও নীল দলের সাধারণ সম্পাদক নওশাদ মোস্তফা, অফিসার্স ওয়েলফেয়ার কাউন্সিলের সভাপতি একেএম মাসুম বিল্লাহ এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা শ্রাবণ।   ঘটনার নেপথ্যে কী? গত ১৬ ফেব্রুয়ারি এক আকস্মিক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মকর্তারা গভর্নরের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ তোলেন। তাঁদের দাবি, গভর্নর নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অপেক্ষাকৃত সবল এক্সিম ও সোস্যাল ইসলামী ব্যাংককে দুর্বল ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত (মার্জ) করছেন। এছাড়া মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান বিকাশকে তড়িঘড়ি করে ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ তুলে তাঁরা ড. মনসুরকে ‘স্বৈরাচার’ হিসেবে অভিহিত করেন।   বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ: বাংলাদেশ ব্যাংকের স্টাফ রেগুলেশন অনুযায়ী, কোনো কর্মকর্তা গভর্নরের পূর্বানুমতি ছাড়া সংবাদ সম্মেলন, বিবৃতি বা কোনো পাবলিক ফোরামে বক্তব্য দিতে পারেন না। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কোনো সিদ্ধান্তে আপত্তি থাকলে তা অভ্যন্তরীণভাবে আলোচনার সুযোগ থাকলেও, এভাবে প্রকাশ্যে আসা ‘চরম শৃঙ্খলাভঙ্গ’ হিসেবে দেখছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রশাসন।   কর্মকর্তাদের পাল্টা যুক্তি: সংবাদ সম্মেলনে কাউন্সিলের সভাপতি মাসুম বিল্লাহ বলেছিলেন, “আমরা স্বায়ত্তশাসন চাই প্রতিষ্ঠানের জন্য, কোনো ব্যক্তির একনায়কতন্ত্রের জন্য নয়। গভর্নর যখন একতরফা সিদ্ধান্ত নেন, তখন আমাদের দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে কথা বলতেই হয়।”   বিগত সরকারের সময়ে ব্যাংক খাতে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাটের সময় কেন তাঁরা নীরব ছিলেন—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে কর্মকর্তারা দাবি করেন, ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে কথা বলার পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলেই তাঁরা এখন সরব হয়েছেন। তাঁরা আগের দায় বয়ে বেড়াতে চান না বলেও মন্তব্য করেন।   গভর্নর বনাম কর্মকর্তাদের এই সম্মুখ সমর দেশের আর্থিক খাতের শীর্ষ প্রতিষ্ঠানে চরম অস্বস্তি ও অস্থিরতা তৈরি করেছে। শোকজের জবাব পাওয়ার পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক পরবর্তী কী পদক্ষেপ নেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
রমজানে ব্যাংক লেনদেনের নতুন সময়সূচি

পবিত্র রমজান মাসে দেশের সকল তফশিলি ব্যাংকের অফিস ও লেনদেনের জন্য নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত ১০ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যানালিটিকস ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।   নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, রমজান মাসে ব্যাংকিং লেনদেন শুরু হবে সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে এবং চলবে দুপুর ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। তবে দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন করার জন্য ব্যাংক কর্মকর্তাদের অফিস খোলা থাকবে সকাল ৯টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।   বিজ্ঞপ্তিতে আরও স্পষ্ট করা হয়েছে যে, জোহরের নামাজের জন্য বিরতি থাকলেও গ্রাহকদের সুবিধার্থে অভ্যন্তরীণ সমন্বয়ের মাধ্যমে লেনদেন কার্যক্রম সচল রাখতে হবে। অর্থাৎ, নামাজের বিরতির সময়েও ব্যাংকের সেবা নিরবচ্ছিন্নভাবে চলবে।   সাধারণত স্বাভাবিক সময়ে ব্যাংকে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত লেনদেন হয় এবং সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অফিশিয়াল কার্যক্রম চলে। কিন্তু পবিত্র মাসের পবিত্রতা রক্ষা এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ইফতারের সুবিধার্থে প্রতি বছরের মতো এবারও কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই পরিবর্তন এনেছে।   উল্লেখ্য, রমজান মাস শেষ হওয়ার পরপরই ব্যাংকগুলোর অফিস ও লেনদেনের সময় পুনরায় আগের স্বাভাবিক নিয়মে ফিরে যাবে। ব্যাংকিং সংক্রান্ত যেকোনো জরুরি পরিকল্পনা করার ক্ষেত্রে গ্রাহকদের এই নতুন সময়সূচি অনুসরণ করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
৫০ কোটি টাকার বেশি ঋণ গ্রহীতার ৪৮ শতাংশই খেলাপি

দেশের ব্যাংক খাতে বড় অঙ্কের ঋণের ক্ষেত্রে এক ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৫০ কোটি টাকার বেশি অঙ্কের ঋণের প্রায় অর্ধেকই এখন খেলাপি। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে এই উচ্চমূল্যের ঋণের খেলাপির হার ১৭ দশমিক ১০ শতাংশ থেকে অবিশ্বাস্যভাবে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৮ দশমিক ২০ শতাংশে।   বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং আপডেট সংক্রান্ত প্রতিবেদনে দেখা যায়, শুধু বড় ঋণই নয়, বরং বিভিন্ন ঋণসীমাতেই খেলাপি হওয়ার প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী: ১ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণের খেলাপির হার ৭.৪% থেকে বেড়ে হয়েছে ১৬%। ১০ থেকে ২০ কোটি টাকার ঋণের ক্ষেত্রে এই হার ৪৫.৭০%। ৪০ থেকে ৫০ কোটি টাকার ঋণের ক্ষেত্রে খেলাপি ১০.৪% থেকে বেড়ে হয়েছে ৪৫.৭০%।   বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, এই চিত্র ইঙ্গিত দেয় যে ঋণের মান সংক্রান্ত সমস্যা এখন পুরো ব্যাংক খাতে মহামারীর মতো ছড়িয়ে পড়েছে। উচ্চমূল্যের ঋণের ক্ষেত্রে সঠিক তদারকির অভাব এবং বড় ঋণগ্রহীতাদের ওপর সামষ্টিক অর্থনৈতিক ধাক্কাই এর প্রধান কারণ।   খাতভিত্তিক ভয়াবহতা: সবচেয়ে বেশি ধস নেমেছে ব্যবসা-বাণিজ্য খাতে, যেখানে খেলাপির হার ৪৪.৭০ শতাংশ। এছাড়া শিল্প ঋণে ৩৫.৯০ শতাংশ এবং কৃষি, মৎস্য ও বনায়ন খাতে ৩১.৬০ শতাংশ ঋণ এখন খেলাপি। গত বছরের সেপ্টেম্বর শেষে দেশে সামগ্রিক খেলাপি ঋণের হার দাঁড়িয়েছে ৩৫.৭৩ শতাংশে।   ব্যাংকাররা দাবি করছেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কৃত্রিমভাবে খেলাপি ঋণের তথ্য কমিয়ে দেখানোর যে অপসংস্কৃতি ছিল, বর্তমানে তা বন্ধ হয়েছে। ফলে এখন প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসছে। উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে যখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতা গ্রহণ করে, তখন খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল মাত্র ২২ হাজার ৪৮১ কোটি টাকা, যা এখন কয়েক গুণ বেড়ে আকাশচুম্বী হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, আগামী দিনগুলোতে এই হার আরও বাড়তে পারে, যা নতুন সরকারের জন্য এক বিশাল অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

আমেরিকা বাংলা ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
দুই দিনের ব্যবধানে আরও ১৭ কোটি ডলার কিনলো বাংলাদেশ ব্যাংক

দুই দিনের ব্যবধানে দেশের ১৬ বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে আরও ১৭ কোটি ১০ লাখ (১৭১ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।    বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ক্রয় করা এসব ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। ডলার কেনার ক্ষেত্রে কাট-অফ হারও ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। বাংলাদেশ ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।   এর আগে, সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ১৬ বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত আরও ২১ কোটি ৮৫ লাখ (২১৮.৫০ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার কিনে বাংলাদেশ ব্যাংক। এসব ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। এর ফলে ফেব্রুয়ারি মাসে মোট ক্রয়ের পরিমাণ দাঁড়াল ৩৮৯.৫০ মিলিয়ন বা ৩৮ কোটি ৯৫ লাখ মার্কিন ডলার। আর চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট ক্রয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৩২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।   একই দরে গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) পাঁচ বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত ৫ কোটি ৫০ লাখ (৫৫ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার কিনেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। গত ২০ জানুয়ারি দুই বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার, ১২ জানুয়ারি ১০ বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে অতিরিক্ত ৮ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার, ৬ জানুয়ারি ১৪টি ব্যাংক থেকে ২২ কোটি ৩৫ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। এসব ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা।   বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, আজ আমরা ১৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ১২২.৩০ টাকা কাট-অফ রেটে মোট ১৭ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার ক্রয় করেছি। এর ফলে ফেব্রুয়ারি মাসে মোট ক্রয়ের পরিমাণ দাঁড়াল ৩৮৯.৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট ক্রয় দাঁড়াল ৪ হাজার ৩২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।  

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ 0
ছবি সংগৃহীত
টানা ৪ দিন বন্ধ থাকবে ব্যাংক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি (বুধ ও বৃহস্পতিবার) সারা দেশে সব তফসিলি ব্যাংকের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এর সঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় টানা চার দিন ব্যাংক বন্ধ থাকবে।   রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যানালিটিক্স ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি) থেকে দেয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।   বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের গত ২৫ জানুয়ারির এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। ওই দুই দিনে দেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংক বন্ধ থাকবে। ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।   এ সংক্রান্ত নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠিয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি
২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ৫০.৬ শতাংশ বেড়েছে

চলতি বছরের জানুয়ারির প্রথম ২৮ দিনে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ ৫০.৬ শতাংশ বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে প্রবাসীরা ২ হাজার ৯৪৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার দেশে পাঠিয়েছেন।   গত বছর একই সময়ে দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল ১ হাজার ৯৫৫ মিলিয়ন ডলার।   চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রবাসীরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ১৯ হাজার ২০৯ মিলিয়ন ডলার। যা আগের অর্থবছরে একই সময়ে ছিল ১৫ হাজার ৭৩১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ৩০, ২০২৬ 0
ফাইল ছবি
নতুন মুদ্রানীতিতে কত থাকবে নীতি সুদহার, সিদ্ধান্ত নিলো বাংলাদেশ ব্যাংক

আসন্ন মুদ্রানীতিতে নীতি সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে, ১০ শতাংশই থাকছে নীতি সুদের হার।   মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ব্যাংকের বোর্ড সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।   সভায় ‘ব্যাংক রেজেল্যুশন অর্ডিন্যান্স-২০২৫’-এর আওতায় সমস্যাগ্রস্ত ৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬টিকে অবসায়নের (বন্ধ করে দেয়া) প্রক্রিয়া শুরু করার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের বোর্ড। আর বাকি ৩টি প্রতিষ্ঠানকে সংকট কাটিয়ে উঠতে তিন মাস সময় দেওয়া হয়েছে।   বোর্ডের এই অনুমোদনের ফলে এখন থেকে এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধ করা, লিকুইডেটর নিয়োগ, সম্পদ বিক্রি এবং প্রাপ্ত অর্থ পাওনাদারদের মধ্যে বণ্টনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করতে পারবে বাংলাদেশ ব্যাংক।   কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, সমস্যাগ্রস্ত এই ৯টি প্রতিষ্ঠানে মোট ১৫ হাজার ৩৭০ কোটি টাকার আমানত আটকে রয়েছে। এর মধ্যে সাধারণ গ্রাহকের আমানত ৩ হাজার ৫২৫ কোটি টাকা এবং ব্যাংক ও করপোরেট আমানত ১১ হাজার ৮৪৫ কোটি টাকা।   এর আগে, শুনানিতে নিজেদের পরিকল্পনা জানায় ব্যাংক বহির্ভূত ৯ আর্থিক প্রতিষ্ঠান। তার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফিন্যান্স কোম্পানি, জিএসপি ফিন্যান্স, প্রাইম ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডকে তিন মাস সময় দেওয়া হয়। তবে, এফএএস ফিন্যন্স, প্রিমিয়ার লিজিং, ফারইস্ট ফিন্যান্স, আভিভা ফিন্যান্স, পিপলস লিজিং, ইন্টারন্যাশনাল লিজিংকে অবসায়নের অনুমোদন দেয় বোর্ড।   এদিকে, সম্প্রতি সুদের হার শিথিলে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে দাবি উঠলেও আসন্ন মুদ্রানীতিতে নীতি সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর জানান, মূল্যস্ফীতি ৭ এর ঘরে না আসলে সুদের হার কমানোর কোনো পরিকল্পনা নেই বাংলাদেশ ব্যাংকের।   আইসিসিবির একটি অনুষ্ঠানে তিনি জানান, চাপিয়ে দেওয়া নয়-ছয়ের সুদের হারেও ফিরে যাবে না অর্থনীতি। মূল্যস্ফীতি, সুদের হার বৈদেশিক মুদ্রার দর নিয়ম অনুযায়ী বাজার নির্ভরই থাকবে।   এ ছাড়া, ২০২৬ এর জুলাই পর্যন্ত বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ৮ শতাংশ। এর আগে, গত বছরের অক্টোবরে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ছিল ৬.২৩ শতাংশ; নভেম্বরে ৬.৫৮ শতাংশে দাঁড়ায় এই ঋণ প্রবৃদ্ধি। আর ডিসেম্বরে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ছিলো ৬.২ শতাংশ।   সবশেষ ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল দুই অঙ্কের ঘরে— ১০.১৩ শতাংশ। একই বছরের আগস্ট থেকে প্রবৃদ্ধি ধারাবাহিকভাবে কমতে থাকে। এবং সর্বশেষ নভেম্বরে ৬.২ শতাংশ পৌঁছায়।

ডেস্ক রিপোর্ট জানুয়ারী ২৮, ২০২৬ 0
জনপ্রিয় সংবাদ
ইরানের আকাশে ১৬টি চীনা সামরিক বিমানের রহস্য নিয়ে তোলপাড়

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই একটি চাঞ্চল্যকর দাবি ভূ-রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে।   গত ৪৮ থেকে ৫৬ ঘণ্টার মধ্যে ১৬টি চীনা 'ওয়াই-২০' (Y-20) সামরিক কার্গো বিমান তাদের ট্রান্সপন্ডার বা সিগন্যাল বন্ধ রেখে ইরানের আকাশে প্রবেশ করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ছাড়াই এই তথ্যটি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দাবি করা হচ্ছে, এই বিমানগুলো বেসামরিক রাডার থেকে আড়াল থাকতে বিশেষ কৌশল অবলম্বন করেছিল। নেটিজেন ও সামরিক বিশ্লেষকদের একটি অংশের ধারণা, চীন হয়তো ইরানকে অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম বা জ্যামিং প্রযুক্তি সরবরাহ করছে। যদি এটি সত্যি হয়, তবে মার্কিন এফ-৩৫ (F-35) যুদ্ধবিমান বা নৌ-অভিযানের জন্য এটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অনেকে একে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বেইজিংয়ের সরাসরি ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবেও দেখছেন। তবে এই উত্তেজনার মুদ্রার উল্টো পিঠও রয়েছে। ফ্লাইটরাডার২৪-এর মতো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের কোনো অস্বাভাবিক ফ্লাইটের রেকর্ড পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৬টি ভারী সামরিক কার্গো বিমানের মতো বিশাল বহরকে রাডার বা স্যাটেলাইট নজরদারি থেকে সম্পূর্ণ লুকিয়ে রাখা প্রায় অসম্ভব।  বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে চীন-ইরান সম্পর্ক গভীর হলেও, সুনির্দিষ্ট প্রমাণের অভাবে বিশ্লেষকরা একে আপাতত ‘সুপরিকল্পিত গুজব’ বা মিসইনফরমেশন হিসেবেই দেখছেন। তেহরান বা বেইজিং—কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

“এপস্টেইন ফাইলের দাবি: বাইডেনকে হত্যা করে ক্লোন বানানো হয়েছে?”

এপস্টেইন ফাইল: দাবি, বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করে ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে   জেফরি এপস্টেইনের ফাইল ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টের সাথে যুক্ত সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নথি ত্রাঞ্চে অভিযোগ করা হয়েছে যে, প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একটি ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   এই নথিগুলি, যা আনক্লাসিফায়েড ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (DOJ) রেকর্ডের একটি বিশাল ডেটা রিলিজের অংশ, “চার্লস” নামে একজনের ক্ষুব্ধ ইমেইল অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং অন্তর্বর্তী ফাইলিং কোড EFTA00173266 থেকে EFTA00173273 পর্যন্ত চিহ্নিত। এই ইমেইলগুলো তৃতীয় পক্ষের যোগাযোগের মধ্যে পাওয়া গেছে, যা জেফরি এপস্টেইনের নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত বিস্তৃত ফেডারেল তদন্তের সময় সংগ্রহ করা হয়েছিল।   এপস্টেইন সম্পর্কিত অন্যান্য প্রকাশনার মতো এখানে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য নয়, বরং চরম ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবিগুলো রয়েছে। ক্লোন তত্ত্বের উল্লেখ “চার্লস” ইমেইলগুলো এপ্রিল ২০২১-এ একজন এফবিআই এজেন্টকে ফরোয়ার্ড করা হয়েছিল, যাকে লাল করা প্রেরক হিসেবে দেখানো হয়েছে। প্রেরক দাবি করেছিলেন যে এটি একটি প্রযুক্তি সংস্থার এক ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কর্মচারী বা সহযোগীর মেসেজ। ইমেইলগুলিতে গালাগালি ভাষা ব্যবহৃত হয়েছে এবং এখানে “কোয়ান্টাম” প্রযুক্তি, গোপন সামরিক ট্রাইব্যুনাল, এবং “বাইডেন আপনার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নন” এমন দাবির উল্লেখ রয়েছে।   একটি অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে ২০১৯ সালে নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে এবং তাকে একজন অভিনেতা বা ক্লোন দ্বারা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণ হিসেবে “মাস্কের ত্রুটি” দেখানো হয়েছে। তবে এই দাবিগুলোর সঙ্গে কোনো শারীরিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি বা সঙ্গত সাক্ষ্য নেই।   “বাইডেন ক্লোন” দাবি অনলাইনে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একটি পরিচিত অংশ। তত্ত্বটি সাধারণত ধরে যে “বাস্তব” জো বাইডেনকে গোপনে জনমঞ্চ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রায়শই ২০১৯ বা ২০২০ সালে, এবং তাকে চেহারা মিলানো লোক বা ক্লোন দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।   অনুগামীরা প্রায়শই নিম্নমানের ভিডিও এবং ফটোগ্রাফ বিশ্লেষণ করে, চেহারার পরিবর্তন যেমন আলোর পরিবর্তন, বয়সের প্রভাব বা ক্যামেরার ত্রুটিকে কৃত্রিমভাবে আড়াল করার প্রমাণ হিসেবে দেখান।   এ পর্যন্ত কোনো যাচাইযোগ্য প্রমাণ নেই যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বা প্রতিস্থাপিত হয়েছেন। এই দাবিগুলি সম্পূর্ণভাবে একটি ষড়যন্ত্র তত্ত্ব হিসেবে রয়ে গেছে।   সূত্র: Royanews  

১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দেশে আবারও স্বর্ণের দামে বড় পতন

দাম বাড়ানোর ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে এক লাফে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা।   শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম কমানোর বিষয়টি জানানো হয়েছে। নতুন দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।   এর আগে একই দিন সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। ওই সময় ভরিপ্রতি এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা।   নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।   এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে মোট ২৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করলো বাজুস। এরমধ্যে ১৭ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১০ বার। অন্যদিকে গতবছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বারই দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া ২০২৫ সালে ২৯ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা: এবার মেইনে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযানের ঘোষণা

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিতে কঠোরতা আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সর্বশেষ মেইন (Maine) অঙ্গরাজ্যে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অভিযান শুরুর ঘোষণা দিয়েছে Department of Homeland Security (ডিএইচএস)।   ডিএইচএসের এক মুখপাত্রের বরাতে জানা গেছে, “Operation Catch of the Day” নামে এই বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে রাজ্যটিতে অবস্থানরত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা হবে। অভিযানটি পরিচালনায় ফেডারেল ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয় রয়েছে।   কর্তৃপক্ষ বলছে, এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সহিংস বা গুরুতর অপরাধে যুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা। ডিএইচএস আরও জানায়, আইন মেনে বসবাসকারী বা অপরাধে জড়িত নন—এমন অভিবাসীদের লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।   তবে মানবাধিকার ও অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলোর আশঙ্কা, এ ধরনের অভিযানে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে এবং নিরপরাধ মানুষও হয়রানির শিকার হতে পারেন। এ নিয়ে তারা স্বচ্ছতা ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।   বিশ্লেষকদের মতে, মেইনে এই অভিযান শুরুর মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের অভিবাসন আইন প্রয়োগ আরও বিস্তৃত পরিসরে জোরদার হলো। এর প্রভাব স্থানীয় অভিবাসী কমিউনিটির পাশাপাশি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও পড়তে পারে।  সূত্র: ABC News

ভিসা নিয়ে বড় সুখবর দিলো যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে তীব্র কর্মী সংকট মোকাবিলায় ২০২৬ অর্থবছরে বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। নিয়মিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত প্রায় ৬৪ হাজার ৭১৬টি এইচ-২বি মৌসুমি অতিথি শ্রমিক ভিসা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।   রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) প্রকাশিত ফেডারেল রেজিস্টার নোটিশে বলা হয়, দেশীয় শ্রমিকের ঘাটতির কারণে যেসব মার্কিন নিয়োগকর্তা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন, মূলত তাদের স্বার্থ বিবেচনায় নিয়েই এই অতিরিক্ত ভিসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ফলে বছরে নির্ধারিত ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছাতে যাচ্ছে।   নতুন এই সিদ্ধান্তে নির্মাণ শিল্প, হোটেল ও রেস্তোরাঁ, ল্যান্ডস্কেপিং এবং সি-ফুড প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের মতো শ্রমনির্ভর মৌসুমি শিল্পগুলো সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব খাতে দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষ স্থানীয় কর্মীর অভাবে বিদেশি শ্রমিক আনার দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিয়োগকর্তারা।   ক্ষমতায় আসার পর ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিলেও, বৈধ পথে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতিকে সচল রাখতে এই নমনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগেও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় শ্রমঘাটতি মোকাবিলায় এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল।   তবে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও রয়েছে। অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা বিভিন্ন গোষ্ঠীর আশঙ্কা, বিপুল সংখ্যক বিদেশি শ্রমিক প্রবেশ করলে মার্কিন নাগরিকদের মজুরি কমে যেতে পারে।   এ বিষয়ে পেন্টাগন ও শ্রম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের উন্নয়ন প্রকল্প এবং পর্যটন খাত সচল রাখতে এই মুহূর্তে বিদেশি শ্রমিকের বিকল্প নেই। ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্যানুযায়ী, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকরের বিশেষ বিধিমালা আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে এবং এরপরই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। সূত্র: দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস

Top week

ছবি: সংগৃহীত
আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ পারাপারের বিনিময়ে ভারতের কাছে তিন ট্যাংকার ফেরত চাইল ইরান

ডেস্ক রিপোর্ট মার্চ ১৬, ২০২৬ 0