রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ

ছবি: রয়টার্স
রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্তে ড্রোন ও গোলাবর্ষণ, দুই পক্ষেই বেসামরিক নিহত

রাশিয়া ও ইউক্রেনের সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় শনিবার ড্রোন হামলা ও গোলাবর্ষণে উভয় পক্ষেই বেসামরিক মানুষের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় কর্মকর্তাদের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।   রাশিয়ার সীমান্তবর্তী ব্রিয়ানস্ক অঞ্চলে ইউক্রেনের একটি ড্রোন হামলায় সীমান্তসংলগ্ন একটি গ্রামের কাছে একটি গাড়িতে থাকা দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। অঞ্চলটির ভারপ্রাপ্ত গভর্নর ইয়েগর কোভালচুক টেলিগ্রামে এ তথ্য জানিয়েছেন।   রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ইউক্রেনের ১২৪টি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।   এদিকে মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন জানিয়েছেন, রাজধানীমুখী একাধিক ইউক্রেনীয় ড্রোন রুশ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রতিহত করেছে। রুশ সংবাদমাধ্যমগুলোর অনানুষ্ঠানিক হিসাব অনুযায়ী, শনিবার মস্কোর দিকে অন্তত ২৪টি ড্রোন পাঠানো হয়েছিল।   অন্যদিকে ইউক্রেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় নিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের গভর্নর ওলেক্সান্দর গানঝা জানিয়েছেন, নিকোপোল শহরে রাশিয়ার ড্রোন হামলা ও গোলাবর্ষণে একজন নিহত এবং একজন আহত হয়েছেন।   দনিপ্রো নদীর তীরে অবস্থিত নিকোপোল শহরটি রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণাধীন জাপোরিঝঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিপরীত পাশে অবস্থিত। শহরটি দীর্ঘদিন ধরেই রুশ হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়ে আসছে।   এদিকে ইউক্রেনের দোনেৎস্ক অঞ্চলের রাশিয়া-নিয়ন্ত্রিত অংশের প্রধান ডেনিস পুশিলিন দাবি করেছেন, ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় হরলিভকা ও মাকিইভকা শহরে দুই বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।   রাশিয়া ও ইউক্রেন উভয় পক্ষই নিয়মিত একে অপরের বিরুদ্ধে ড্রোন হামলা ও গোলাবর্ষণের অভিযোগ করে আসছে। তবে এসব দাবির সত্যতা রয়টার্স স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।

Unknown জুন ২৭, ২০২৬ ১৪:০
ছবি : ইউএটিভি
রুশ বন্দিদশা থেকে মুক্ত পেল ১৬০ ইউক্রেনীয় সেনা

রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে নতুন করে বড় আকারের এক বন্দি বিনিময় চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। চুক্তির আওতায় রুশ বন্দিদশা থেকে মুক্ত হয়ে স্বদেশে ফিরেছেন ১৬০ জন ইউক্রেনীয় সেনা। শুক্রবার (২৬ জুন) ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন বন্দি থাকার পর আরও ১৬০ ইউক্রেনীয় যোদ্ধা দেশে ফিরেছেন।   এটি ছিল সমসংখ্যক বন্দি বিনিময় চুক্তি। এর আওতায় ইউক্রেনও নিজেদের হেফাজতে থাকা ১৬০ জন রুশ সেনাকে রাশিয়ার কাছে হস্তান্তর করেছে। ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মুক্ত হওয়া ১৬০ জন সেনার সবাই ২০২২ সাল থেকে রাশিয়ার হাতে বন্দি ছিলেন। তারা ইউক্রেনীয় সশস্ত্র বাহিনী, ন্যাশনাল গার্ড, স্টেট বর্ডার গার্ড সার্ভিস এবং স্টেট স্পেশাল ট্রান্সপোর্ট সার্ভিসের সদস্য।   মুক্তিপ্রাপ্ত সেনারা যুদ্ধের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ফ্রন্টে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তারা মারিউপোল, আজভস্তাল, দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খারকিভ, জাপোরিঝিয়া, কিয়েভ, চেরনিহিভ এবং সুমি অঞ্চলে রুশ বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অংশ নিয়েছিলেন। ইউক্রেন জানিয়েছে, মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ১১৫ জনই ছিলেন কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ মারিউপোল শহরের প্রতিরক্ষায় অংশ নেওয়া যোদ্ধা। ২০২২ সালে রুশ আগ্রাসনের শুরুর দিকে মারিউপোল ও আজভস্তাল ইস্পাত কারখানাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ ও তীব্র যুদ্ধ হয়েছিল।   অন্যদিকে, ইউক্রেনের কাছ থেকে ফেরত পাওয়া ১৬০ জন রুশ সেনাকে প্রথমে প্রতিবেশী বেলারুশে নেওয়া হয়েছে। সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও মানসিক সহায়তা দেওয়া হবে। রাশিয়ার মানবাধিকার কমিশনারের তত্ত্বাবধানে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর তাদের নিজ দেশে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে মস্কো।   রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চলমান যুদ্ধের মধ্যেও সাম্প্রতিক মাসগুলোতে কয়েক দফা বন্দি বিনিময় হয়েছে। দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ অব্যাহত থাকলেও মানবিক বিবেচনায় বন্দি বিনিময়কে যুদ্ধকালীন বিরল সহযোগিতার একটি ক্ষেত্র হিসেবে দেখা হচ্ছে।

Unknown জুন ২৫, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: রয়টার্স
মস্কোকে লক্ষ্য করে ব্যাপক ড্রোন হামলা, নিহত অন্তত ৫

রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর দিকে ধেয়ে আসা প্রায় ৬০টি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে রুশ কর্তৃপক্ষ। সোমবার ভোরে এসব ড্রোন প্রতিহত করা হয় বলে জানায় মস্কোর প্রশাসন। একই সময়ে ইউক্রেন ও রাশিয়ার পাল্টাপাল্টি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন।   মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় জানান, শহরের দিকে আসা প্রায় ৬০টি ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে। তিনি বলেন, যেসব স্থানে ড্রোন ভূপাতিত হয়েছে সেখানে জরুরি সেবা পাঠানো হয়েছে। তবে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।   ড্রোন হামলার কারণে মস্কোর প্রধান কয়েকটি বিমানবন্দর শেরেমেতিয়েভো, ডোমোদেদোভো, ভনুকোভো এবং ঝুকভস্কি সাময়িকভাবে ফ্লাইট স্থগিত করে। পরে বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ সংস্থার পক্ষ থেকে সেগুলো পুনরায় চালুর কথা জানানো হয়।   রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাতে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, সার্বিকভাবে রাতভর ৩০১টি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে, যার মধ্যে ইউক্রেনের দখলকৃত অঞ্চল লক্ষ্য করে নিক্ষিপ্ত ড্রোনও রয়েছে।   এর আগে কয়েক দিন আগেই মস্কোর একটি তেল শোধনাগারে ড্রোন আঘাত হানে, যা ২০২২ সালে পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরুর পর শহরটিতে অন্যতম বড় আক্রমণ হিসেবে বিবেচিত হয়।   অন্যদিকে ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রুশ ড্রোন হামলায় একটি বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্যবস্তু হয়েছে এবং এতে একজন মিশরীয় ক্রু সদস্য নিহত হয়েছেন। ইউক্রেনের উত্তরাঞ্চলীয় সুমি অঞ্চলে পৃথক ড্রোন হামলায় একই পরিবারের তিনজনসহ অন্তত পাঁচজন নিহত হন।   সুমি অঞ্চলের প্রসিকিউটরদের তথ্য অনুযায়ী নিহতদের মধ্যে রয়েছে ১৩ বছর বয়সী এক শিশু, তার ৩৬ বছর বয়সী বাবা এবং ৭৩ বছর বয়সী দাদি। একই ঘটনায় শিশুটির মা ও দুই ভাইবোন আহত হয়েছেন। দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় জাপোরিঝঝিয়া শহরে আরেকটি ড্রোন হামলায় একজন নারী নিহত এবং তিনজন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় গভর্নর ইভান ফেদোরভ জানান।   অন্যদিকে রাশিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়, রোববার রাতে দক্ষিণাঞ্চলীয় ওদেসা অঞ্চলে ইস্কান্দার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একজন নিহত এবং তিনজন আহত হয়েছেন। হামলায় একটি কৃষি স্থাপনায় যানবাহন ও জ্বালানি সংরক্ষণ ট্যাংকে আগুন ধরে যায়।   এছাড়া রাশিয়া-অধিকৃত ক্রিমিয়ার সেভাস্তোপল শহরে সব ধরনের উন্মুক্ত আকাশের অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ের আহ্বান জানানো হয়েছে। ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় ক্রিমিয়ায় জ্বালানি সংকট আরও তীব্র হয়েছে বলে জানায় স্থানীয় প্রশাসন। সেখানে সাধারণ জ্বালানি বিক্রি সীমিত করে শুধুমাত্র সরকারি ও জরুরি পরিষেবার জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে।   রুশ নিয়ন্ত্রিত কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, পালাউ ও বেলিজ পতাকাবাহী জাহাজও হামলার শিকার হয়েছে, তবে সেখানে কেউ হতাহত হয়নি। ইউক্রেনের নৌবাহিনী জানিয়েছে, তুরস্কের মালিকানাধীন একটি পণ্যবাহী জাহাজেও আঘাত হানা হয়েছে, যেখানে এক মিশরীয় ক্রু নিহত এবং কয়েকজন নাবিককে লাইফবোটে সরিয়ে নেওয়া হয়।

Unknown জুন ২১, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: সিএনএন
ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ায় বাড়ছে অস্বস্তি, যুদ্ধের প্রভাব পৌঁছাচ্ছে সাধারণ মানুষের জীবনে

রাশিয়ার ভেতরে ইউক্রেনের দীর্ঘপাল্লার ড্রোন হামলা বাড়তে থাকায় যুদ্ধের প্রভাব এখন দেশটির সাধারণ নাগরিকদের জীবনেও স্পষ্টভাবে অনুভূত হচ্ছে। মস্কো অঞ্চলের আবাসিক ভবন, সেন্ট পিটার্সবার্গের আশপাশের এলাকা এবং গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলার ঘটনায় নিরাপত্তা উদ্বেগের পাশাপাশি জনমনে অস্বস্তি ও যুদ্ধ ক্লান্তির অনুভূতি বাড়ছে।   গত ১৭ মে মস্কোর উপকণ্ঠের জেলেনোগ্রাদ এলাকায় একটি ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হন ৫৬ বছর বয়সী এলেনা ভ্লাদিমিরোভনা। ভোররাতে ড্রোনের শব্দে ঘুম ভাঙার পর তিনি জানালা দিয়ে একাধিক ড্রোন দেখতে পান। কিছুক্ষণ পর একটি বিস্ফোরণে তার অ্যাপার্টমেন্টের একটি কক্ষে আগুন ধরে যায়।   এলেনা জানান, তিনি ও তার ছেলে প্রথমে পানি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে আরেকটি বিস্ফোরণের শব্দ শুনে তারা পোষা কুকুরকে নিয়ে ভবন থেকে বের হয়ে যান। ওই হামলায় ভবনের কয়েকটি তলা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটেনি।   রুশ কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ওইদিন ইউক্রেন ৫০০টিরও বেশি ড্রোন ব্যবহার করে হামলা চালায়। এতে মস্কো অঞ্চলে অন্তত তিনজন নিহত হন। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ওই হামলাকে “সম্পূর্ণ ন্যায্য” বলে উল্লেখ করেন। তার ভাষ্য, ইউক্রেন রাশিয়াকে স্পষ্ট বার্তা দিতে চায় যে যুদ্ধ বন্ধ করা প্রয়োজন।   রাশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর এবং প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের জন্মস্থান সেন্ট পিটার্সবার্গেও সম্প্রতি ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। দেশটির প্রধান অর্থনৈতিক ফোরাম চলাকালে শহরের আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়। পরে নতুন হামলার আশঙ্কায় বাসিন্দাদের ঘরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।   ক্রনস্টাড এলাকার এক বাসিন্দা জানান, রাতভর ড্রোনের গুঞ্জন ও বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার শব্দে ঘুমানো সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, ভবনটি আক্রান্ত হতে পারে এমন আশঙ্কায় তারা আতঙ্কিত ছিলেন। ড্রোন হামলার পাশাপাশি ইউক্রেনের আঘাতে রাশিয়ার তেল শোধনাগারগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় জ্বালানি সরবরাহেও চাপ তৈরি হয়েছে। রাশিয়া নিয়ন্ত্রিত ক্রিমিয়ায় পেট্রোল রেশনিংয়ের ঘটনাও ঘটেছে।   এদিকে অর্থনৈতিক সংকোচন, ইন্টারনেট ব্যবহারে নতুন সীমাবদ্ধতা, জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপের ওপর নিয়ন্ত্রণ এবং সরকারি নজরদারি নিয়ে উদ্বেগ সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ বাড়াচ্ছে বলে বিভিন্ন পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে।   ফ্রান্সভিত্তিক গবেষক ও সামাজিক নৃতত্ত্ববিদ আলেকজান্দ্রা আরখিপোভা বলেন, ২০২২ সালে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরুর পর মস্কোর বাসিন্দাদের কাছে এমন বার্তা দেওয়া হয়েছিল যে যুদ্ধ তাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলবে না। তবে সাম্প্রতিক পরিস্থিতি সেই ধারণাকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।   জেলেনোগ্রাদের বাসিন্দা ম্যাকসিম, যিনি নিরাপত্তার কারণে নিজের পুরো নাম প্রকাশ করতে চাননি, বলেন, ড্রোন হামলার পর তার বাসার দরজা কর্তৃপক্ষ ভেঙে ক্ষয়ক্ষতি পরিদর্শন করেছে। এতে তিনি বিরক্তি প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়ার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন।   তিনি বলেন, “মানুষ মারা যাচ্ছে, এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই যুদ্ধের সমাপ্তি হওয়া উচিত।” রাশিয়ার স্বাধীন জরিপ সংস্থা লেভাদা সেন্টারের এপ্রিল মাসের এক জরিপে দেখা যায়, ৬২ শতাংশ উত্তরদাতা শান্তি আলোচনার পক্ষে মত দিয়েছেন, যেখানে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে ছিলেন ২৭ শতাংশ।   মস্কোর উত্তর-পশ্চিমে খিমকি শহরেও একই দিনে একটি আবাসিক ভবনে ড্রোন আঘাত হানে। স্থানীয় বাসিন্দা নাদেজদা বলেন, হামলার পর থেকে সামান্য শব্দেও তিনি চমকে ওঠেন। আরেক বাসিন্দা ইয়েলেনা জানান, হামলার রাতে দীর্ঘ সময় ধরে আকাশে ড্রোনের শব্দ শুনেছেন তারা। তার প্রত্যাশা, যুদ্ধ দ্রুত শেষ হবে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।

Unknown জুন ৭, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: সংগৃহীত
শিশু নিহতের ঘটনার জবাবে ইউক্রেনে রাশিয়ার ব্যাপক পাল্টা হামলা

রাশিয়ার ক্রাসনোদার অঞ্চলে ড্রোন হামলায় দুই শিশু নিহত হওয়ার ঘটনার জেরে ইউক্রেনের সামরিক ও জ্বালানি স্থাপনায় ব্যাপক হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। বৃহস্পতিবার দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।   মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, ইউক্রেনের ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং মাঝারি ও দীর্ঘপাল্লার ড্রোন উৎপাদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। পাশাপাশি ইউক্রেনের সামরিক বাহিনীকে সহায়তা দেওয়া জ্বালানি অবকাঠামোতেও আঘাত হানা হয়েছে।   রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, রাশিয়ার ভূখণ্ডে বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ইউক্রেনের ‘সন্ত্রাসী হামলার’ জবাব হিসেবেই এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এতে স্থল, আকাশ ও সমুদ্র থেকে নিক্ষেপযোগ্য দীর্ঘপাল্লার নির্ভুল অস্ত্র ও আক্রমণাত্মক ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।   বিবৃতিতে আরও বলা হয়, হামলার সব লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে এবং নির্ধারিত সব লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে আঘাত হানা হয়েছে। এর আগে ইউক্রেনের একটি ড্রোন হামলায় রাশিয়ার কৃষ্ণসাগর উপকূলীয় বন্দরনগরী তুয়াপসে ৫ ও ১৪ বছর বয়সী দুই শিশু নিহত হয় বলে জানিয়েছে মস্কো।   বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক এই পাল্টাপাল্টি হামলা দুই দেশের চলমান সংঘাতকে আরও তীব্র করে তুলছে এবং বেসামরিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করছে।

Unknown এপ্রিল ১৬, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: সংগৃহীত
১ হাজার ইউক্রেনীয় সেনার লাশ ফেরত দিল রাশিয়া

দীর্ঘদিন ধরে চলা রক্তক্ষয়ী সংঘাতের মাঝে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে বড় ধরনের মরদেহ বিনিময় কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাশিয়া তাদের হেফাজতে থাকা ১ হাজার ইউক্রেনীয় সেনার মরদেহ হস্তান্তর করেছে বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।   ইউক্রেনের যুদ্ধবন্দি বিনিময় কার্যক্রম পরিচালনাকারী সমন্বয় কেন্দ্র টেলিগ্রাম বার্তায় জানায়, তারা ১ হাজারটি মরদেহ গ্রহণ করেছে। অন্যদিকে রুশ সংবাদমাধ্যম আরবিসি জানিয়েছে, বিনিময়ে ইউক্রেনও ৪১ জন নিহত রুশ সেনার মরদেহ রাশিয়ার কাছে হস্তান্তর করেছে। রুশ আইনপ্রণেতা শামসাইল সারালিয়েভ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।   রণক্ষেত্রে দুই পক্ষেই প্রাণহানির সংখ্যা ক্রমাগত বাড়তে থাকায় এই ধরনের বিনিময়কে একটি গুরুত্বপূর্ণ মানবিক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। নিহত সেনাদের পরিচয় শনাক্ত করে তাদের পরিবারের কাছে শেষ বিদায়ের জন্য পৌঁছে দিতে দুই দেশই নিয়মিত বিরতিতে এ ধরনের সমন্বয় করে আসছে।   সূত্র: রয়টার্স

তাবাস্সুম এপ্রিল ৮, ২০২৬ ১৪:০
ছবি: সংগৃহীত
রাশিয়ার ড্রোন কৌশল অনুসরণ করছে ইরান, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন যুদ্ধ বাস্তবতার শঙ্কা

ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন ধরনের ড্রোন যুদ্ধ কৌশল প্রয়োগ করছে ইরান—এমনটাই মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকেরা। বিশেষ করে ফাইবার অপটিক তার দিয়ে নিয়ন্ত্রিত এফপিভি (FPV) ড্রোনের ব্যবহার যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।   সম্প্রতি ইরান-সমর্থিত ইরাকি মিলিশিয়াদের প্রকাশ করা ভিডিওতে দেখা গেছে, জ্যামিং-প্রতিরোধী ড্রোন বাগদাদে অবস্থিত একটি মার্কিন ঘাঁটির ওপর দিয়ে উড়ে গিয়ে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানছে। এসব হামলায় একটি ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার ও একটি আকাশ প্রতিরক্ষা রাডার ব্যবস্থা লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়।   বিশ্লেষকদের মতে, এই কৌশল ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার ব্যবহৃত আধুনিক ড্রোন প্রযুক্তির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ফাইবার অপটিক নিয়ন্ত্রিত এসব ড্রোন ইলেকট্রনিক জ্যামিংয়ের মাধ্যমে থামানো যায় না, যা প্রচলিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে অনেকাংশে অকার্যকর করে দেয়।   মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতিমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে বিপুলসংখ্যক সেনা মোতায়েন করেছেন। কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে ইরানের বিরুদ্ধে স্থল ও নৌ অভিযান চালানোর বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বাহিনীকে এমন এক যুদ্ধক্ষেত্রে প্রবেশ করতে হতে পারে, যেখানে ড্রোনই প্রধান হুমকি—যা ইরাক বা আফগানিস্তানের পূর্ববর্তী যুদ্ধ পরিস্থিতি থেকে ভিন্ন।   ওয়াশিংটনভিত্তিক চিন্তন প্রতিষ্ঠান কার্নেগি এনডাউমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিসের সিনিয়র ফেলো মাইকেল কফম্যান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এখনো এফপিভি ড্রোন প্রযুক্তি ও এর সামরিক প্রভাব পুরোপুরি অনুধাবনের প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাজ্যের বিমানবাহিনীর সাবেক এয়ার মার্শাল মার্টিন স্যাম্পসনের মতে, পারস্য উপসাগরে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনী এ ধরনের ড্রোন হামলার ক্ষেত্রে ‘সহজ লক্ষ্যবস্তু’ হয়ে উঠতে পারে। বিশ্লেষকদের ধারণা, রাশিয়া ও ইরানের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা বেড়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহৃত ড্রোন প্রযুক্তি উন্নত করতে মস্কো যেমন কাজ করছে, তেমনি সেই অভিজ্ঞতা তেহরানও গ্রহণ করছে। ইউক্রেনের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্দ্রি জাগোরোদনিয়ুক বলেন, দুই দেশের মধ্যে অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তি বিনিময় অব্যাহত রয়েছে।   এদিকে, যুদ্ধ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ইউক্রেনের রণক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির কারণ হয়ে উঠেছে এফপিভি ড্রোন। অনেক ক্ষেত্রে ২০ মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় ড্রোন নিয়ন্ত্রিত ‘কিল জোন’ তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হলে তা বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে।   তবে পেন্টাগন এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী এখনো এই নতুন ধরনের যুদ্ধ বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর প্রক্রিয়ায় রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Unknown মার্চ ২৬, ২০২৬ ১৪:০
জনপ্রিয় সংবাদ
বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনার পর তরুণীর মৃত্যু, এক বছরের সাজায় ক্যালিফোর্নিয়ার আইন পরিবর্তনের দাবি

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় নিজের জৈবিক বাবার সঙ্গে যৌন সম্পর্কের ঘটনায় দোষ স্বীকার করা এক ব্যক্তিকে মাত্র এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী তরুণীর মা ক্যালিফোর্নিয়ার যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন আরও কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন।   মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ক্যালিফোর্নিয়া পোস্ট-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল বলেন, তার মেয়ে মাকাইলা রেনে সেটলসের নামে নতুন আইন প্রণয়ন করা উচিত, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের মামলায় আরও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।   তিনি বলেন, “এটি কোনোভাবেই ন্যায়বিচার নয়। আমি আইন পরিবর্তনের জন্য লড়াই করব, যাতে আর কোনো পরিবারকে আমাদের মতো পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে না হয়।”   ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৮ বছর বয়সী মাকাইলা রেনে সেটলস ২০২৫ সালের জুলাই মাসে নর্থ ক্যারোলিনা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার মুরপার্কে তার জৈবিক বাবা স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজের কাছে থাকতে যান। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কলেজে ভর্তি হয়ে নতুন জীবন শুরু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে সেখানে যাওয়ার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই ঘটনাটি ঘটে।   প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে মদ্যপানের পর শাভেজ বাড়িতে ফেরার পথে আরও মদ কেনেন। পরে বাড়িতে তিনি তার মেয়ের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেন। ঘটনার পর মাকাইলাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং তদন্ত শুরু হয়। চিকিৎসা পরীক্ষায় অভিযুক্তের ডিএনএর উপস্থিতিও নিশ্চিত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, ঘটনার প্রায় পাঁচ মাস পর মাকাইলা আত্মহত্যা করেন।   ৪১ বছর বয়সী স্টিফেন ভিনসেন্ট শাভেজ ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ফেলনি ইনসেস্ট’ এবং অপ্রাপ্তবয়স্ককে মদ সরবরাহের অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তিনি আদালতে আরও স্বীকার করেন যে, একজন বাবা হিসেবে বিশ্বাসের অবস্থানের অপব্যবহার করেছেন এবং ভুক্তভোগী বিশেষভাবে অসহায় অবস্থায় ছিলেন।   প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ তিন বছরের অঙ্গরাজ্য কারাদণ্ড চাইলেও আদালত তাকে এক বছরের ভেনচুরা কাউন্টি জেল, তিন বছরের ফেলনি প্রবেশন এবং ২০ বছর যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধিত থাকার নির্দেশ দেন। রায়ের পর ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, তারা মনে করে মামলার তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অঙ্গরাজ্যের কারাগারে আরও দীর্ঘ সাজাই উপযুক্ত ছিল।   মামলায় ধর্ষণের অভিযোগ না আনার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে ভেনচুরা কাউন্টি ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির কার্যালয় জানায়, একাধিক জ্যেষ্ঠ প্রসিকিউটর ও বাইরের আইন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ফরেনসিক প্রমাণ, চিকিৎসা নথি, সাক্ষ্য এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। সেই পর্যালোচনায় সিদ্ধান্ত হয়, বিদ্যমান আইন ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ‘ইনসেস্ট’-এর অভিযোগই আনা সম্ভব ছিল; ধর্ষণের অভিযোগ আইনি মানদণ্ড পূরণ করেনি।   রায়ের পর ক্যারোলিনা স্যান্ডোভাল ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসম এবং অঙ্গরাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রতি যৌন অপরাধ-সংক্রান্ত আইন সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন। তার দাবি, বর্তমান আইনে এ ধরনের গুরুতর অপরাধের জন্য যে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে, তা ভুক্তভোগীদের জন্য যথাযথ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পারছে না।

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধন

যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য এক গর্বের নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। বাংলাদেশি মালিকানাধীন একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি তাদের দ্বিতীয় ও স্থায়ী ক্যাম্পাস উদ্বোধনের মাধ্যমে প্রবাসে নতুন ইতিহাস গড়েছে।   এই বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা, চেয়ারম্যান ও আচার্য আবুবকর হানিফ—যিনি বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন সুপরিচিত ও সম্মানিত ব্যক্তিত্ব—তার দূরদর্শী নেতৃত্বে এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তার সহধর্মিণী ফারহানা হানিফ, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।   নতুন এই ক্যাম্পাস যুক্ত হওয়ার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়টির মোট পরিসর এখন প্রায় ২ লাখ বর্গফুটে পৌঁছেছে, যা সম্পূর্ণভাবে একটি নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাস। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়—এটি হাজারো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, পরিশ্রম এবং ভবিষ্যৎ গড়ার একটি শক্তিশালী ভিত্তি।   উদ্বোধনী বক্তব্যে আবুবকর হানিফ বলেন, “আজকের দিনটি শুধু একটি ঘোষণা নয়—এটি একটি অনুভবের মুহূর্ত। আমরা সর্বশক্তিমান স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, যিনি আমাদের এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করেছেন। তবে মনে রাখতে হবে—ভবন নয়, মানুষই সফলতা তৈরি করে।”   বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ইতোমধ্যেই গড়ে তোলা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন ল্যাব—কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, হার্ডওয়্যার ও নেটওয়ার্ক, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপত্তা পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রভিত্তিক ল্যাব। শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে একটি রোবটিক্স ল্যাব, যা শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা আরও বাড়াবে।   এছাড়াও, প্রায় ৩১ হাজার বর্গফুটের একটি উদ্যোক্তা উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে, যেখানে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায় রূপ দিতে পারবে। এখানে একটি সাধারণ ধারণা থেকে একটি সফল প্রতিষ্ঠানে রূপ নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।   শিক্ষার্থীদের সহায়তায় চলতি বছরে প্রায় ৬ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বৃত্তি ঘোষণা করা হয়েছে, যাতে মেধাবী শিক্ষার্থীরা আর্থিক বাধা ছাড়াই উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়।   উল্লেখযোগ্যভাবে, আবুবকর হানিফ দীর্ঘদিন ধরে তথ্যপ্রযুক্তি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত তৈরি করেছেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরিতে স্থাপন করা হয়েছে, যাদের অধিকাংশই বাংলাদেশি এবং তারা বছরে এক লক্ষ ডলারেরও বেশি আয় করছেন।   বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশ্ববিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়—এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সম্ভাবনা, আত্মনির্ভরতা এবং সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।   এই অর্জন প্রমাণ করে—প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশিরা বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারে এবং নিজেদের অবস্থান শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম।

মার্কিন ভিসা আপডেট ২০২৬! বাংলাদেশিদের জন্য কোন ভিসা বন্ধ, কোনটা চালু?

২০২৬ সালের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে, যার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশসহ মোট ৭৫টি দেশের আবেদনকারীদের উপর। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু ভিসা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে, আবার কিছু ভিসা চালু থাকলেও শর্ত কঠোর করা হয়েছে। নিচে সহজভাবে সব ভিসার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরা হলো।   প্রথমেই ইমিগ্র্যান্ট ভিসা বা স্থায়ী বসবাসের ভিসার কথা বলা যাক। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট ঘোষণা করেছে যে ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের নাগরিকদের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা ইস্যু সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সরকারি সুবিধার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার ঝুঁকি বেশি, তাই নতুন করে যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর করা হচ্ছে।   এই স্থগিতাদেশের কারণে পরিবার স্পন্সর ভিসা, গ্রিন কার্ড, ডাইভারসিটি ভিসা এবং কর্মসংস্থান ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের ভিসা ইস্যু এখন অনেক ক্ষেত্রে বন্ধ বা দেরিতে হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া থেমে যায়নি। ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস কিছু ক্যাটাগরির জন্য সাক্ষাৎকার নিতে পারে, কিন্তু স্থগিতাদেশ চলাকালীন ভিসা ইস্যু নাও করা হতে পারে। অর্থাৎ ইন্টারভিউ দিলেও ভিসা হাতে পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হতে পারে।   অন্যদিকে নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসা, যেমন ট্যুরিস্ট ও বিজনেস ভিসা (B1/B2), সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়নি। তবে নতুন নিয়ম অনুযায়ী কিছু আবেদনকারীকে ভিসা পাওয়ার আগে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হতে পারে, যা কনস্যুলার অফিসার সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ করবেন। এই নিয়ম বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হয়েছে।   স্টুডেন্ট ভিসা (F-1, M-1, J-1) এবং ওয়ার্ক ভিসা (H-1B, H-2B, L-1 ইত্যাদি) বর্তমানে চালু রয়েছে এবং এগুলোর উপর সরাসরি কোনো স্থগিতাদেশ নেই। তবে নতুন নিরাপত্তা যাচাই, আর্থিক সক্ষমতা পরীক্ষা এবং স্পন্সর যাচাইয়ের কারণে প্রসেসিং সময় আগের তুলনায় বেশি লাগছে। ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত থাকলেও নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাগুলো পুরোপুরি বন্ধ নয় বলে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।   সব ধরনের ভিসা আবেদন বর্তমানে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের মাধ্যমে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং নিরাপত্তা নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। কাগজপত্রে ভুল থাকলে বা নির্ধারিত সময়ে তথ্য আপডেট না করলে আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ছে।   সব মিলিয়ে বলা যায়, গ্রিন কার্ড বা ইমিগ্র্যান্ট ভিসা এখন সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত, ট্যুরিস্ট ভিসা চালু আছে কিন্তু কড়াকড়ি বেড়েছে, আর স্টুডেন্ট ও ওয়ার্ক ভিসা চালু থাকলেও যাচাই-বাছাই অনেক কঠোর হয়েছে। তাই নতুন করে আবেদন করার আগে সর্বশেষ নিয়ম জেনে নেওয়া এখন খুবই জরুরি।

পাঁচ সন্তানকে এতিম করে মাকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তারের সময়ও হাসছিল ঘাতক দুই বোন

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে এক মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক ঘটনার জন্ম দিয়েছে দুই তরুণী বোন। দিনদুপুরে ক্যারোলিন ‘কারো’ পেনা নামের ৩২ বছর বয়সী এক নারীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিহত নারী পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। তবে সবচেয়ে শিউরে ওঠার মতো বিষয় হলো, গ্রেপ্তারের সময় অভিযুক্তদের চেহারায় অনুশোচনার সামান্যতম ছাপ তো ছিলই না, উল্টো তাদের মুখে পৈশাচিক হাসি দেখা গেছে। মেক্সিকো সীমান্তের কাছের শহর দেল রিও থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে পুলিশ তাদের হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ে।   আরও পড়ুন... ‘ফোনটা ধরতে পারলে হয়তো তাকে বাঁচাতে পারতাম’- টেক্সাসে পাঁচ সন্তানের মাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা, দুই বোনসহ তিনজন গ্রেপ্তার   পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত ক্যারোলিনকে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার পরপরই গুরুতর জখম অবস্থায় ভাল ভার্দে রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। তার শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাস্থলের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, একটি সনিক ড্রাইভ-থ্রু রেস্তোরাঁর বাইরে রক্তাক্ত অবস্থায় ক্যারোলিন তার তিন হামলাকারীর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছেন।   পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য সান আন্তোনিওর একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত হাসপাতালে পৌঁছায় এবং প্রায় ৩৫ হাজার বাসিন্দার শহর দেল রিওতে অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের শনাক্ত করে।   সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গ্রেপ্তারের একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ২১ বছর বয়সী কিটি মিয়া দিয়াজ খালি পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় পুলিশের গাড়িতে ওঠার আগে মৃদু হাসছেন। কিটি নিজেও এক শিশুপুত্রের মা। অন্যদিকে, তার ১৯ বছর বয়সী ছোট বোন আমায়া কুকি দিয়াজ ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে নির্লজ্জভাবে দাঁত বের করে হাসতে থাকেন।   ▶️ টেক্সাসে নিজের মাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুই মেয়ে |   এমনকি ভিডিও ধারণকারীকে ব্যঙ্গাত্মক সুরে ‘রেকর্ড করা বন্ধ করো’ বলেও চিৎকার করতে শোনা যায় তাকে। দেল রিও পুলিশ জানিয়েছে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২১ বছর বয়সী কায়ান্দ্রা রেনি ফাজ নামের তৃতীয় আরেক নারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে, সে বিষয়ে পুলিশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।

দেশের প্রথম ৪০ তলা ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর সম্পন্ন

বাংলাদেশের আবাসন শিল্পে এক নতুন ইতিহাস রচিত হলো। রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় নির্মিত দেশের প্রথম ৪০ তলা বিশিষ্ট আকাশচুম্বী বাণিজ্যিক ভবন ‘শান্তা পিনাকল’ আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে শান্তা হোল্ডিংস। ৫০০ ফুট উচ্চতার এই আইকনিক ভবনটি এখন দেশের সর্বোচ্চ সম্পন্ন হওয়া ইমারত। গত শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভবনের ৪০তম তলায় আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এটি হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের চেয়ারম্যান খন্দকার মনির উদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি এহসান খানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ভূমি মালিক এবং গ্রাহকরা উপস্থিত ছিলেন। স্থাপত্যশৈলী ও আধুনিক প্রযুক্তি:‘শান্তা পিনাকল’ শুধুমাত্র উচ্চতার কারণেই অনন্য নয়, বরং এটি আধুনিক নির্মাণশৈলী ও প্রযুক্তির এক অনন্য সমন্বয়। এটি বাংলাদেশের প্রথম ভবন যা পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের জন্য আন্তর্জাতিক ‘লিড প্ল্যাটিনাম’ (LEED Platinum) স্বীকৃতি পেয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিখ্যাত ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠান ‘মেইনহার্ট’ (Meinhardt) এর সহায়তায় ভবনটির স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং ভূমিকম্প প্রতিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশেষ বৈশিষ্ট্যসমূহ: উন্নত লিফট ব্যবস্থা: ভবনটিতে রয়েছে ৮টি দ্রুতগামী লিফট, যা প্রতি সেকেন্ডে ৪ মিটার উচ্চতায় উঠতে সক্ষম। এটি দেশের দ্রুততম ভার্টিক্যাল ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থা। পরিবেশ ও সুরক্ষা: ভবনে ব্যবহৃত হয়েছে ৩৬ মিমি পুরুত্বের ডাবল গ্লেজড গ্লাস, যা তাপ ও শব্দ নিরোধক। এছাড়া এটি দেশের প্রথম ‘উইন্ড টানেল টেস্ট’ করা ভবন, যা প্রতিকূল আবহাওয়ায় এর স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে। আইবিএমএস প্রযুক্তি: পুরো ভবনটি একটি ইন্টেলিজেন্ট বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (iBMS) দ্বারা পরিচালিত, যা সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করবে। অগ্নি নিরাপত্তা: আন্তর্জাতিক এনএফপিএ (NFPA) স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে এখানে অত্যাধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে শান্তা হোল্ডিংসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘শান্তা পিনাকল’ হস্তান্তর দেশের রিয়েল এস্টেট খাতের সক্ষমতার এক বড় প্রমাণ। এটি শুধুমাত্র তেজগাঁও নয়, বরং পুরো ঢাকার বাণিজ্যিক পরিবেশকে বিশ্বমানের স্তরে নিয়ে যাবে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার অ্যালুমিনিয়াম ফর্মওয়ার্ক ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র সাত দিনে এক একটি তলার ছাদ ঢালাইয়ের রেকর্ড গড়ে এই প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকার আকাশসীমায় নতুন এই ল্যান্ডমার্ক দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আধুনিক নগরায়নের এক শক্তিশালী প্রতীক হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।

Top week

হত্যাকারী চিকিৎসকের ছবি সংগৃহীত আমেরিকা বাংলা
আমেরিকা

দুই ছেলেকে হত্যার পর নিজ চেম্বারে অগ্নিসংযোগ, শেষে গাড়িতে আগুন দিয়ে আত্মহত্যা চিকিৎসকের

সিদ্দিকুর রহমান জুলাই ৬, ২০২৬ ১৪:০